জেনেরিক
নাইটাজক্সানাইড
বাংলাদেশে নাইটাজক্সানাইড জেনেরিকের ব্র্যান্ড ওষুধসমূহ — দাম, শক্তি ও প্রস্তুতকারক তুলনা করুন।
73টি ওষুধের মধ্যে 1–24 দেখানো হচ্ছে
Adnix 500 mg Tablet
নাইটাজক্সানাইড
Alco Pharma Limited
Adnix 100 mg/5 ml Powder For Suspension
নাইটাজক্সানাইড
Alco Pharma Limited
Albizox 100 mg/5 ml Powder For Suspension
নাইটাজক্সানাইড
Albion Laboratories Ltd.
Albizox 500 500 mg Tablet
নাইটাজক্সানাইড
Albion Laboratories Ltd.
Alinix 100 mg/5 ml Powder For Suspension
নাইটাজক্সানাইড
Healthcare Pharmaceuticals Ltd.
Amizox 500 mg Tablet
নাইটাজক্সানাইড
Amico Laboratories Ltd.
Antizoa 500 mg Tablet
নাইটাজক্সানাইড
Jenphar Bangladesh Ltd.
Antizoa 100 mg/5 ml Powder For Suspension
নাইটাজক্সানাইড
Jenphar Bangladesh Ltd.
Dianide 500 mg Tablet
নাইটাজক্সানাইড
General Pharmaceuticals Ltd.
Dianide 100 mg/5 ml Powder For Suspension
নাইটাজক্সানাইড
General Pharmaceuticals Ltd.
Diar 500 mg Tablet
নাইটাজক্সানাইড
Advanced Chemical Industries Limited
Diar 100 mg/5 ml Powder For Suspension
নাইটাজক্সানাইড
Advanced Chemical Industries Limited
Diasis 500 mg Tablet
নাইটাজক্সানাইড
The ACME Laboratories Ltd.
Diasis 100 mg/5 ml Powder For Suspension
নাইটাজক্সানাইড
The ACME Laboratories Ltd.
Diazox 500 mg Tablet
নাইটাজক্সানাইড
Kumudini Pharma Ltd.
Niazid 500 mg Tablet
নাইটাজক্সানাইড
Apex Pharma Ltd.
Niazid 100 mg/5 ml Powder For Suspension
নাইটাজক্সানাইড
Apex Pharma Ltd.
Nicud 100 mg/5 ml Powder For Suspension
নাইটাজক্সানাইড
Monicopharma Limited
Nidor 500 mg Tablet
নাইটাজক্সানাইড
Pharmasia Ltd.
Nidor 100 mg/5 ml Powder For Suspension
নাইটাজক্সানাইড
Pharmasia Ltd.
Nidozox 500 mg Tablet
নাইটাজক্সানাইড
Acme Specialized Pharmaceuticals Ltd.
Nidozox 100 mg/5 ml Powder For Suspension
নাইটাজক্সানাইড
Acme Specialized Pharmaceuticals Ltd.
Nitacure 500 mg Tablet
নাইটাজক্সানাইড
Benham Pharmaceuticals Ltd.
Nitacure 100 mg/5 ml Powder For Suspension
নাইটাজক্সানাইড
Benham Pharmaceuticals Ltd.
নাইটাজক্সানাইড কী?
নাইটাজক্সানাইড বাংলাদেশে বহু ব্র্যান্ড নামে পাওয়া যায় এমন একটি Antiprotozoal / Antiparasitic ওষুধ। নিচে এর ব্যবহার, সেবনমাত্রা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা এবং সব ব্র্যান্ডের বর্তমান দাম দেওয়া হলো।
নাইটাজক্সানাইড কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
নাইটাজক্সানাইড যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
- জিয়ার্ডিয়াসিস — জিয়ার্ডিয়া ল্যাম্বলিয়া-জনিত ডায়রিয়া
- ক্রিপ্টোস্পোরিডিওসিস — শিশুসহ ক্রিপ্টোস্পোরিডিয়াম পারভাম-জনিত ডায়রিয়া
- অ্যামিবিয়াসিস ও কিছু কৃমি সংক্রমণ — চিকিৎসকের বিবেচনা অনুযায়ী
- দীর্ঘস্থায়ী বা রোটাভাইরাস-সংশ্লিষ্ট ডায়রিয়া — নির্বাচিত ক্ষেত্রে, চিকিৎসকের নির্দেশনায়
অল্প দিনের বেশিরভাগ ডায়রিয়া ভাইরাসজনিত — তাতে দরকার শুধু পর্যাপ্ত তরল ও (শিশুদের) জিংক, অ্যান্টিপ্যারাসাইটিক ওষুধ নয়। চিকিৎসক পরজীবী-কারণ সন্দেহ বা নিশ্চিত করলে তবেই নাইটাজক্সানাইড ব্যবহার করুন — যেকোনো পাতলা পায়খানায় ঢালাওভাবে নয়।
সেবনবিধি ও মাত্রা
নাইটাজক্সানাইড-এর সাধারণ মাত্রা — সবসময় খাবারের সঙ্গে:
- প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছরের বেশি: ৫০০ মি.গ্রা. করে প্রতি ১২ ঘণ্টায়, ৩ দিন
- ৪-১১ বছরের শিশু: সাধারণত ২০০ মি.গ্রা. (১০ মি.লি. সাসপেনশন) প্রতি ১২ ঘণ্টায়, ৩ দিন
- ১-৩ বছরের শিশু: সাধারণত ১০০ মি.গ্রা. (৫ মি.লি. সাসপেনশন) প্রতি ১২ ঘণ্টায়, ৩ দিন
মাপার আগে সাসপেনশন ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন। ডায়রিয়া আগে কমে গেলেও পুরো ৩ দিনের কোর্স শেষ করুন। শিশুদের মাত্রা শেষ পর্যন্ত ওজন-বয়সভিত্তিক এবং অবশ্যই রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী; বিশেষ পরিস্থিতিতে লম্বা কোর্স চিকিৎসকই ঠিক করবেন। চিকিৎসার পাশাপাশি খাবার স্যালাইন চালিয়ে যান।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
নাইটাজক্সানাইড সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
- সাধারণ: পেটব্যথা, বমিভাব, মাথাব্যথা এবং প্রস্রাবের রং উজ্জ্বল হলুদ-সবুজ হয়ে যাওয়া — এটি ক্ষতিকর নয়
- তুলনামূলক কম: বমি, ডায়রিয়া, মাথা ঘোরা, ক্ষুধামান্দ্য
- বিরল: র্যাশ, চুলকানি বা ফোলাসহ অ্যালার্জি; লিভার এনজাইম বেড়ে যাওয়া
এই ওষুধে প্রস্রাব হলদেটে হওয়া প্রত্যাশিত — কোর্স শেষে তা চলে যায়। মুখ-গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, মারাত্মক র্যাশ, কিংবা চিকিৎসার পরও পানিশূন্যতা বেড়ে চললে চিকিৎসকের সাহায্য নিন।
সতর্কতা
নাইটাজক্সানাইড ব্যবহারে সতর্কতা:
- খাবারের সঙ্গে খান — শোষণ অনেক ভালো হয় এবং পেটের অস্বস্তি কম হয়
- আগে পানিশূন্যতা রোধ: যেকোনো ডায়রিয়ায় তরল ও ইলেকট্রোলাইট (খাবার স্যালাইন) সবচেয়ে জরুরি; অ্যান্টিপ্যারাসাইটিক ওষুধ এর পরিপূরক, বিকল্প নয়
- লিভার বা কিডনির রোগ এবং অ্যাডভান্সড এইচআইভি-র মতো রোগ-প্রতিরোধ কমানো অবস্থা থাকলে চিকিৎসককে জানান — সেক্ষেত্রে সাড়া ভিন্ন হতে পারে, লম্বা চিকিৎসা লাগতে পারে
- ডায়াবেটিস রোগীরা খেয়াল রাখুন — সাসপেনশনে চিনি থাকে
- কোর্স শেষেও ডায়রিয়া থাকলে, ফিরে এলে বা রক্ত গেলে নিজে নিজে আবার কোর্স না করে পায়খানা পরীক্ষার জন্য চিকিৎসকের কাছে যান
অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া
নাইটাজক্সানাইড-এর জানা মিথস্ক্রিয়া তুলনামূলক কম, তবে খেয়াল রাখুন:
- প্রোটিনে দৃঢ়ভাবে বাঁধা ওষুধ: এর সক্রিয় রূপ (টিজক্সানাইড) রক্তের প্রোটিনে দৃঢ়ভাবে বাঁধে — তাই ওয়ারফারিন, ফেনিটয়েনের মতো সংকীর্ণ-নিরাপত্তা-সীমার ওষুধে সতর্কতা; পর্যবেক্ষণ লাগতে পারে
- অন্যান্য অ্যান্টিপ্যারাসাইটিক: অপ্রয়োজনীয় দ্বৈত চিকিৎসা এড়াতে সংমিশ্রণ চিকিৎসকের নির্দেশেই হওয়া উচিত
- মদ: অন্ত্রের সংক্রমণের চিকিৎসা চলাকালে এড়িয়ে চলুন — এটি পানিশূন্যতা ও পেটের অস্বস্তি বাড়ায়
নাইটাজক্সানাইড শুরুর আগে রক্ত পাতলা করার ও খিঁচুনির ওষুধসহ আপনার সব ওষুধের পূর্ণ তালিকা চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্টকে দিন।
প্রতিনির্দেশনা
যেসব ক্ষেত্রে নাইটাজক্সানাইড ব্যবহার করা যাবে না:
- নাইটাজক্সানাইড বা -এর কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে
- পণ্যের অনুমোদিত বয়সসীমার নিচের শিশুদের (সাসপেনশন সাধারণত ১ বছর ও তদূর্ধ্ব; ট্যাবলেট ১২ বছর ও তদূর্ধ্ব) — চিকিৎসকের ভিন্ন নির্দেশ ছাড়া
উল্লেখযোগ্য লিভার বা কিডনি সমস্যায় কেবল চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সতর্কভাবে ব্যবহার করতে হবে — এসব ক্ষেত্রে নিরাপত্তা-তথ্য সীমিত। রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে থাকলে (যেমন অ্যাডভান্সড এইচআইভি) কার্যকারিতা কম হতে পারে — তখন নিজে ওষুধ না খেয়ে বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা জরুরি।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থা: প্রাণী-গবেষণায় নাইটাজক্সানাইডে ভ্রূণের ক্ষতি দেখা যায়নি, তবে মানুষের ওপর নিয়ন্ত্রিত গবেষণা নেই। রেজিস্টার্ড চিকিৎসক উপকার ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে করলেই কেবল গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করা উচিত — বিশেষত প্রথম তিন মাসে, যখন বেশিরভাগ ওষুধই যথাসম্ভব এড়িয়ে চলা হয়।
স্তন্যদান: নাইটাজক্সানাইড বা এর সক্রিয় উপাদান মায়ের দুধে যায় কি না জানা নেই। স্তন্যদানকারী মা কেবল চিকিৎসকের পরামর্শে এটি খাবেন — তিনি মায়ের সংক্রমণ সারানোর গুরুত্ব ও শিশুর তাত্ত্বিক ঝুঁকি দুটোই বিবেচনা করবেন।
সংরক্ষণ
৩০° সেলসিয়াসের নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে রাখুন। ট্যাবলেট মূল ব্লিস্টারে রাখুন। সাসপেনশন গুলে নেওয়ার পর লেবেলের নির্দেশমতো রাখুন এবং নির্ধারিত সময়ের (সাধারণত ৭ দিন) মধ্যে ব্যবহার করুন; প্রতিবার খাওয়ানোর আগে ভালোভাবে ঝাঁকান। শিশুদের নাগাল ও দৃষ্টির বাইরে রাখুন এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কখনো ব্যবহার করবেন না।
নাইটাজক্সানাইড নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা
নাইটাজক্সানাইড কেন অবশ্যই খাবারের সঙ্গে খেতে হবে?
খাবার নাইটাজক্সানাইডের শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায় — খালি পেটের তুলনায় খাবারের সঙ্গে নাইটাজক্সানাইড খেলে রক্তে পৌঁছানো সক্রিয় ওষুধের পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে; বমিভাব ও পেটের অস্বস্তিও কমে। প্রতিটি ডোজ খাবারের সময় বা ঠিক পরে, প্রায় ১২ ঘণ্টা ব্যবধানে খান — চিকিৎসকের দেওয়া পুরো ৩ দিনের কোর্স ধরে।
নাইটাজক্সানাইড খাওয়ার পর প্রস্রাব হলুদ-সবুজ হয়ে গেছে — এটা কি বিপজ্জনক?
না। প্রস্রাবের উজ্জ্বল হলুদ বা সবুজাভ রং নাইটাজক্সানাইড ও এর বিপাকজাত উপাদানের সুপরিচিত, নিরীহ প্রভাব — কোর্স শেষের এক-দুই দিনের মধ্যেই তা চলে যায়। এটি নিজে লিভার বা কিডনির ক্ষতির লক্ষণ নয়। তবে সঙ্গে চোখ বা ত্বক হলুদ হওয়া, ফ্যাকাশে পায়খানাসহ গাঢ় প্রস্রাব, কিংবা তীব্র ক্লান্তি দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তার দেখান — সেগুলো ভিন্ন সমস্যার ইঙ্গিত।
ডাক্তার না দেখিয়ে যেকোনো ডায়রিয়ায় কি নাইটাজক্সানাইড খাওয়া যায়?
না। তীব্র ডায়রিয়ার বেশিরভাগই ভাইরাসজনিত এবং নিজে নিজেই সারে — আসল চিকিৎসা হলো খাবার স্যালাইন, স্বাভাবিক খাওয়া চালিয়ে যাওয়া এবং শিশুদের জিংক; অ্যান্টিপ্যারাসাইটিক ওষুধ নয়। জিয়ার্ডিয়া বা ক্রিপ্টোস্পোরিডিয়ামের মতো পরজীবী কারণ সন্দেহ বা নিশ্চিত হলে তবেই নাইটাজক্সানাইড কাজে লাগে — যা চিকিৎসক রোগের ইতিহাস, স্থায়িত্ব ও প্রয়োজনে পায়খানা পরীক্ষা দেখে ঠিক করেন। উচ্চ জ্বর, রক্ত, তীব্র পানিশূন্যতা বা কয়েক দিনের বেশি স্থায়ী ডায়রিয়ায় নিজে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের মূল্যায়ন দরকার।
এটি সাধারণ ওষুধ-তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয় — সবসময় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন মেনে চলুন।