জেনেরিক
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
বাংলাদেশে মিথাইলপ্রেডনিসোলন জেনেরিকের ব্র্যান্ড ওষুধসমূহ — দাম, শক্তি ও প্রস্তুতকারক তুলনা করুন।
48টি ওষুধের মধ্যে 1–24 দেখানো হচ্ছে
Depodrol 16 mg 16 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Opsonin Pharma Limited
Depodrol 2 mg 2 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Opsonin Pharma Limited
Depodrol 4 mg 4 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Opsonin Pharma Limited
Depodrol 8 mg 8 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Opsonin Pharma Limited
Depomed 16 16 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Drug International Ltd., Squib Road
Depomed 16 Tablet 16 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Drug International Ltd., Gopalpur
Depomed 2 2 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Drug International Ltd., Squib Road
Depomed 2 Tablet 2 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Drug International Ltd., Gopalpur
Depomed 4 4 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Drug International Ltd., Squib Road
Depomed 4 Tablet 4 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Drug International Ltd., Gopalpur
Depomed 8 8 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Drug International Ltd., Squib Road
Depomed 8 Tablet 8 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Drug International Ltd., Gopalpur
Isolon-M 16 16 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Ibn Sina Pharmaceutical Ind. Ltd.
Isolon-M 2 2 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Ibn Sina Pharmaceutical Ind. Ltd.
Isolon-M 4 4 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Ibn Sina Pharmaceutical Ind. Ltd.
Melpred 16 16 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Pharmasia Ltd.
Melpred 2 2 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Pharmasia Ltd.
Melpred 4 4 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Pharmasia Ltd.
Melpred 8 8 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Pharmasia Ltd.
Mepcort 16 16 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Globe Pharmaceuticals Ltd.
Mepcort 2 2 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Globe Pharmaceuticals Ltd.
Mepcort 4 4 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Globe Pharmaceuticals Ltd.
Mepcort 8 8 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Globe Pharmaceuticals Ltd.
Mepred 16 16 mg Tablet
মিথাইলপ্রেডনিসোলন
Albion Laboratories Ltd.
মিথাইলপ্রেডনিসোলন কী?
মিথাইলপ্রেডনিসোলন বাংলাদেশে বহু ব্র্যান্ড নামে পাওয়া যায় এমন একটি Oral corticosteroid (glucocorticoid) ওষুধ। নিচে এর ব্যবহার, সেবনমাত্রা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা এবং সব ব্র্যান্ডের বর্তমান দাম দেওয়া হলো।
মিথাইলপ্রেডনিসোলন কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
প্রদাহজনিত, অ্যালার্জিজনিত ও রোগ-প্রতিরোধ-সংক্রান্ত বহু রোগে চিকিৎসকেরা মিথাইলপ্রেডনিসোলন দেন, যেমন:
- তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া, মারাত্মক আমবাত বা ওষুধজনিত অ্যালার্জি
- হাঁপানি ও সিওপিডি হঠাৎ বেড়ে যাওয়া এবং ফুসফুসের আরও কিছু রোগ
- রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, লুপাস (SLE) ও অন্যান্য অস্থিসন্ধি ও কানেকটিভ টিস্যুর রোগ
- মারাত্মক চর্মরোগ — যেমন বিস্তৃত একজিমা, লাইকেন প্ল্যানাস বা পেমফিগাস
- নেফ্রোটিক সিনড্রোমসহ কিডনির কিছু রোগ
- আলসারেটিভ কোলাইটিস ও ক্রোন্স ডিজিজ
- রক্তের কিছু রোগ — যেমন আইটিপি ও অটোইমিউন হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া
রোগ, মাত্রা ও চিকিৎসার মেয়াদ রোগীভেদে অনেক আলাদা — যে রোগের জন্য দেওয়া হয়েছে মিথাইলপ্রেডনিসোলন শুধু সেই রোগেই ব্যবহার করুন।
সেবনবিধি ও মাত্রা
মিথাইলপ্রেডনিসোলন-এর মাত্রা রোগ, রোগের তীব্রতা ও আপনার সাড়া দেওয়ার ওপর নির্ভর করে অনেক কম-বেশি হয় — দিনে কয়েক মিলিগ্রাম থেকে অনেক বেশি পর্যন্ত। ঠিক চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী খান।
- পাকস্থলী রক্ষায় খাবার বা দুধের সঙ্গে খান
- দিনে একবার নির্ধারিত হলে সকালে খাওয়া ভালো — এতে শরীরের স্বাভাবিক স্টেরয়েড-ছন্দের সঙ্গে মেলে এবং ঘুমের ব্যাঘাত কম হয়
- কয়েক দিনের বেশি খাওয়ার পর কখনোই হঠাৎ বন্ধ করবেন না — চিকিৎসকের সময়সূচি মেনে ধাপে ধাপে মাত্রা কমাতে (টেপার করতে) হবে
- শিশুদের ক্ষেত্রে: ওজন ও রোগ অনুযায়ী মাত্রা চিকিৎসকই হিসাব করবেন
সম্পূর্ণ সুস্থ বোধ করলেও নিজে থেকে মাত্রা বদলাবেন না, টেপার বাদ দেবেন না বা মিথাইলপ্রেডনিসোলন বন্ধ করবেন না।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
স্বল্পমেয়াদি কোর্সে মিথাইলপ্রেডনিসোলন সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
- ক্ষুধা ও ওজন বেড়ে যাওয়া
- পেট খারাপ, বুক জ্বালা বা বদহজম
- মেজাজ বদলে যাওয়া, খিটখিটে ভাব, ঘুমে অসুবিধা
- রক্তের সুগার ও রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া
- মুখ গোল হয়ে যাওয়া, শরীরে পানি জমা ও ফোলা
দীর্ঘ ব্যবহারে: হাড় ক্ষয় (অস্টিওপোরোসিস), পেশির দুর্বলতা, ত্বক পাতলা হয়ে সহজে কালশিটে পড়া, ছানি বা গ্লুকোমা, সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি, শিশুর বৃদ্ধি ধীর হওয়া এবং শরীরের নিজস্ব স্টেরয়েড তৈরি বন্ধ হয়ে যাওয়া। মিথাইলপ্রেডনিসোলন চলাকালে কালো পায়খানা, পেটে তীব্র ব্যথা, দৃষ্টির পরিবর্তন, সংক্রমণের লক্ষণ বা মেজাজের মারাত্মক পরিবর্তন হলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসককে জানান।
সতর্কতা
- মিথাইলপ্রেডনিসোলন কখনোই হঠাৎ বন্ধ করবেন না — কয়েক দিনের বেশি খেলে শরীর নিজের স্টেরয়েড তৈরি কমিয়ে দেয়; হঠাৎ বন্ধে অ্যাড্রিনাল ক্রাইসিস হতে পারে — টেপারের পরিকল্পনা মেনে চলুন
- খাবারের সঙ্গে খান; আগে পাকস্থলীর আলসার থাকলে চিকিৎসককে জানান
- সংক্রমণের ঝুঁকি: জলবসন্ত, হাম বা অন্য সংক্রমণ আছে এমন কারও ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন; জ্বর বা অসুস্থ লাগলে দ্রুত জানান — স্টেরয়েড সংক্রমণের স্বাভাবিক লক্ষণ ঢেকে দিতে পারে
- ডায়াবেটিস: স্টেরয়েড রক্তের সুগার বাড়ায়, তাই ঘন ঘন সুগার মাপুন; ইনসুলিন বা ট্যাবলেটের মাত্রা সমন্বয়ের দরকার হতে পারে
- দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসায় রক্তচাপ, চোখ ও হাড় পরীক্ষা করাতে হবে; ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি দেওয়া হতে পারে
- আপনি স্টেরয়েড খাচ্ছেন — এ কথা প্রতিটি চিকিৎসক, দন্তচিকিৎসক ও সার্জনকে বলুন; চিকিৎসকের অনুমোদন ছাড়া জীবন্ত (লাইভ) টিকা নেবেন না
অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া
অনেক ওষুধই মিথাইলপ্রেডনিসোলন-এর সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে। আপনি যা যা খান সব চিকিৎসককে জানান, বিশেষ করে:
- এনএসএআইডি ব্যথানাশক — অ্যাসপিরিন, আইবুপ্রোফেন, ডাইক্লোফেনাক: স্টেরয়েডের সঙ্গে মিলে পাকস্থলীর আলসার ও রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়
- ডায়াবেটিসের ওষুধ ও ইনসুলিন — স্টেরয়েড সুগার বাড়ায়, তাই মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে
- ওয়ারফারিনসহ রক্ত পাতলা করার ওষুধ — কার্যকারিতা বদলে যেতে পারে; ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ দরকার
- ডাইউরেটিক (পানি বের করার ওষুধ) — পটাশিয়াম ক্ষয় বাড়িয়ে দুর্বলতা বা বুক ধড়ফড় ঘটাতে পারে
- রিফাম্পিসিন, ফিনাইটয়েন, কার্বামাজেপিন — স্টেরয়েড দ্রুত ভেঙে ফেলে কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়
- কিটোকোনাজল ও কিছু এইচআইভির ওষুধ — স্টেরয়েডের মাত্রা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বাড়ায়
- জীবন্ত (লাইভ) টিকা — উল্লেখযোগ্য মাত্রার স্টেরয়েড চলাকালে সাধারণত এড়িয়ে চলা হয়
প্রতিনির্দেশনা
নিচের ক্ষেত্রে মিথাইলপ্রেডনিসোলন খাবেন না:
- মিথাইলপ্রেডনিসোলন বা এর কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে
- শরীরজুড়ে ছড়ানো (সিস্টেমিক) ছত্রাক সংক্রমণ থাকলে
- রোগ-প্রতিরোধ দমনকারী মাত্রার স্টেরয়েড চলাকালে জীবন্ত টিকা নেওয়ার কথা থাকলে — চিকিৎসকের অনুমোদন ছাড়া
সক্রিয় বা আগের যক্ষ্মা, চিকিৎসা না হওয়া সংক্রমণ, পাকস্থলীর আলসার, মারাত্মক ডায়াবেটিস, তীব্র উচ্চ রক্তচাপ, গ্লুকোমা, হাড় ক্ষয় ও গুরুতর মানসিক রোগে মিথাইলপ্রেডনিসোলন ব্যবহারে বিশেষ সতর্কতা — কখনো আগে বাড়তি চিকিৎসা — দরকার হয়। চিকিৎসক এসব ঝুঁকি বিবেচনা করেই ওষুধটি দেবেন।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থায়: মায়ের উপকার শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি — কেবল এমন বিবেচনায় চিকিৎসক গর্ভাবস্থায় মিথাইলপ্রেডনিসোলন দেন; যেমন তীব্র হাঁপানি বা অটোইমিউন রোগে, যেখানে চিকিৎসা না করা রোগটিই বেশি বিপজ্জনক। দীর্ঘ বা উচ্চ মাত্রার ব্যবহারে মা ও শিশুর ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ দরকার। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গর্ভাবস্থায় মিথাইলপ্রেডনিসোলন শুরু, বন্ধ বা পরিবর্তন করবেন না।
স্তন্যদানকালে: সামান্য পরিমাণ বুকের দুধে যায়। স্বাভাবিক মাত্রা সাধারণত স্তন্যদানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ধরা হয়; মাত্রা বেশি হলে চিকিৎসক ওষুধ খাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরে দুধ খাওয়াতে বলতে পারেন। আপনার মাত্রা ও খাওয়ানোর সময়সূচি নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করুন।
সংরক্ষণ
মিথাইলপ্রেডনিসোলন ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে ঠান্ডা ও শুকনো জায়গায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। খাওয়ার আগ পর্যন্ত ট্যাবলেট মূল ব্লিস্টার প্যাকেই রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন
- মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ব্যবহার করবেন না
- ভবিষ্যতের অসুখে নিজে নিজে খাওয়ার জন্য বেঁচে যাওয়া ট্যাবলেট রেখে দেবেন না — স্টেরয়েড সবসময় চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে খেতে হয়
মিথাইলপ্রেডনিসোলন নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা
মিথাইলপ্রেডনিসোলন হঠাৎ বন্ধ করা যায় না কেন?
মিথাইলপ্রেডনিসোলন কি খাবারের সঙ্গে খেতে হবে, আর দিনের কোন সময়ে?
আমার ডায়াবেটিস আছে — মিথাইলপ্রেডনিসোলন খেলে কি সুগার বেড়ে যাবে?
এটি সাধারণ ওষুধ-তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয় — সবসময় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন মেনে চলুন।