জেনেরিক
সেফপ্রোজিল
বাংলাদেশে সেফপ্রোজিল জেনেরিকের ব্র্যান্ড ওষুধসমূহ — দাম, শক্তি ও প্রস্তুতকারক তুলনা করুন।
বাংলাদেশে সেফপ্রোজিল-এর ব্র্যান্ড
30টি ওষুধের মধ্যে 1–24 দেখানো হচ্ছে
Anca 250 mg ট্যাবলেট
সেফপ্রোজিল
Square Pharmaceuticals PLC, Pabna
Anca 500 mg ট্যাবলেট
সেফপ্রোজিল
Square Cephalosporins Ltd.
Anca 250 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার
সেফপ্রোজিল
Square Pharmaceuticals PLC, Pabna
Anca 250 250 mg ট্যাবলেট
সেফপ্রোজিল
Square Pharmaceuticals PLC, Gazipur
Anca 500 500 mg ট্যাবলেট
সেফপ্রোজিল
Square Pharmaceuticals PLC, Gazipur
Aprozil 500 mg ট্যাবলেট
সেফপ্রোজিল
Aristopharma Limited
Aprozil 250 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার
সেফপ্রোজিল
Aristopharma Limited
Cefozil DS 250 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার
সেফপ্রোজিল
Popular Pharmaceuticals PLC
Cefrozil 250 mg ট্যাবলেট
সেফপ্রোজিল
Popular Pharmaceuticals PLC
Cefrozil 500 mg ট্যাবলেট
সেফপ্রোজিল
Popular Pharmaceuticals PLC
Cefzil 250 mg ট্যাবলেট
সেফপ্রোজিল
Advanced Chemical Industries Limited
Cefzil 500 mg ট্যাবলেট
সেফপ্রোজিল
Advanced Chemical Industries Limited
Cefzil 250 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার
সেফপ্রোজিল
Advanced Chemical Industries Limited
Epozil 500 mg ট্যাবলেট
সেফপ্রোজিল
Globe Pharmaceuticals Ltd.
Epozil 500 mg ক্যাপসুল
সেফপ্রোজিল
Globe Pharmaceuticals Ltd.
Epozil 250 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার
সেফপ্রোজিল
Globe Pharmaceuticals Ltd.
Keproze 250 mg ট্যাবলেট
সেফপ্রোজিল
Kemiko Pharmaceuticals Ltd.
Keproze 500 mg ট্যাবলেট
সেফপ্রোজিল
Kemiko Pharmaceuticals Ltd.
Kibcef 250 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার
সেফপ্রোজিল
Alco Pharma Limited
Pathozil 500 mg ক্যাপসুল
সেফপ্রোজিল
Eskayef Pharmaceuticals Ltd. Mirpur.
Pathozil 250 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার
সেফপ্রোজিল
Eskayef Pharmaceuticals Ltd. Mirpur.
Rosezil 250 mg ট্যাবলেট
সেফপ্রোজিল
Silva Pharmaceuticals Ltd.
Rosezil 500 mg ট্যাবলেট
সেফপ্রোজিল
Silva Pharmaceuticals Ltd.
Rosezil 250 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার
সেফপ্রোজিল
Silva Pharmaceuticals Ltd.
সেফপ্রোজিল-এর সব ব্র্যান্ড (৩০টি)
- Anca 250 250 mg ট্যাবলেট
- Anca 250 mg ট্যাবলেট
- Anca 250 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার
- Anca 500 500 mg ট্যাবলেট
- Anca 500 mg ট্যাবলেট
- Aprozil 250 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার
- Aprozil 500 mg ট্যাবলেট
- Cefozil DS 250 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার
- Cefrozil 250 mg ট্যাবলেট
- Cefrozil 500 mg ট্যাবলেট
- Cefzil 250 mg ট্যাবলেট
- Cefzil 250 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার
- Cefzil 500 mg ট্যাবলেট
- Epozil 250 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার
- Epozil 500 mg ক্যাপসুল
- Epozil 500 mg ট্যাবলেট
- Keproze 250 mg ট্যাবলেট
- Keproze 500 mg ট্যাবলেট
- Kibcef 250 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার
- Pathozil 250 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার
- Pathozil 500 mg ক্যাপসুল
- Rosezil 250 mg ট্যাবলেট
- Rosezil 250 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার
- Rosezil 500 mg ট্যাবলেট
- Zeral 250 mg ট্যাবলেট
- Zeral 250 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার
- Zeral 500 mg ট্যাবলেট
- Zilapro 250 mg ক্যাপসুল
- Zilapro 250 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার
- Zilapro 500 mg ক্যাপসুল
সেফপ্রোজিল কী?
সেফপ্রোজিল বাংলাদেশে বহু ব্র্যান্ড নামে পাওয়া যায় এমন একটি Second-Generation Cephalosporin Antibiotic ওষুধ। নিচে এর ব্যবহার, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা এবং প্রতিটি ব্র্যান্ড ও তার বর্তমান দাম দেওয়া হলো।
সেফপ্রোজিল কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
সেফপ্রোজিল-সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে সেফপ্রোজিল ব্যবহৃত হয়:
- গলার সংক্রমণ: স্ট্রেপটোকক্কাল ফ্যারিনজাইটিস ও টনসিলাইটিস
- মধ্যকর্ণের তীব্র সংক্রমণ (ওটাইটিস মিডিয়া), বিশেষত শিশুদের
- তীব্র সাইনোসাইটিস
- ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিসের ব্যাকটেরিয়াজনিত অবনতি ও তীব্র ব্রঙ্কাইটিসের সেকেন্ডারি সংক্রমণ
- জটিলতাহীন ত্বক ও নরম টিস্যুর সংক্রমণ: ইমপেটিগো, ক্ষতের সংক্রমণ, সেলুলাইটিস
আপনার সংক্রমণে সেফপ্রোজিল উপযুক্ত কি না চিকিৎসকই বিচার করবেন। সর্দি, ফ্লু, ডেঙ্গু বা অধিকাংশ গলাব্যথার মতো ভাইরাসজনিত অসুখে এটি কখনোই ব্যবহার করবেন না।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সেফপ্রোজিল সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
- ডায়রিয়া, বমিভাব, বমি বা পেটব্যথা—সবচেয়ে বেশি দেখা যায়
- চামড়ায় ফুসকুড়ি বা চুলকানি; শিশুদের ডায়াপার র্যাশ
- মাথা ঘোরা বা মাথাব্যথা
- দীর্ঘ ব্যবহারে মুখে বা যোনিপথে থ্রাশ
- রক্ত পরীক্ষায় লিভার এনজাইম সাময়িক বেড়ে যাওয়া
মুখ-গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, সারা গায়ে চাকা, তীব্র ফোসকাযুক্ত ফুসকুড়ি, অবিরাম পানির মতো বা রক্তমিশ্রিত পায়খানা, অস্বাভাবিক রক্তপাত বা চোখ হলুদ হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। হালকা ডায়রিয়ায় পর্যাপ্ত তরল খান; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ডায়রিয়ার ওষুধ নয়।
সতর্কতা
সেফপ্রোজিল প্রেসক্রিপশন ছাড়া ব্যবহারযোগ্য নয়। নিজে নিজে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া আর অর্ধেক কোর্স ছেড়ে দেওয়াই বাংলাদেশের অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স সংকটের চালিকাশক্তি। কেবল চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রে সেফপ্রোজিল খান এবং উপসর্গ কমে গেলেও কোর্সের প্রতিটি দিন সম্পূর্ণ করুন—ছোট কোর্সে বেঁচে যাওয়া ব্যাকটেরিয়া আরও শক্তিশালী ও প্রতিরোধী হয়ে ফেরে।
- প্রথম ডোজের আগে পেনিসিলিন বা সেফালোস্পোরিনে অ্যালার্জির কথা জানান
- কিডনি রোগ থাকলে বলুন—মাত্রা সমন্বয় লাগতে পারে
- আগের কোলাইটিস বা চিকিৎসা চলাকালে/পরে তীব্র ডায়রিয়া হলে জানান
- পরিবারে ফিনাইলকিটোনিউরিয়া থাকলে সাসপেনশনের লেবেল দেখুন—কিছু ব্র্যান্ডে অ্যাসপারটেম (ফিনাইলঅ্যালানিনের উৎস) থাকে
অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া
সেফপ্রোজিল-এর বড় ধরনের ওষুধ-মিথস্ক্রিয়া কম, তবু আপনার সব ওষুধের কথা চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্টকে জানান। খেয়াল রাখুন:
- প্রোবেনেসিড: কিডনি দিয়ে সেফপ্রোজিল নিষ্কাশন কমিয়ে রক্তে এর মাত্রা প্রায় দ্বিগুণ করে
- অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক ও শক্তিশালী ডাইউরেটিক: একসাথে চললে কিডনির ওপর চাপ পড়ে; নজরদারি দরকার
- ওয়ারফারিনসহ রক্ত পাতলাকারী ওষুধ: কার্যকারিতা কখনও বেড়ে যায়—কোর্স চলাকালে আইএনআর পরীক্ষা করানো ভালো
- মুখে খাওয়ার টাইফয়েড টিকা: অ্যান্টিবায়োটিকে অকার্যকর হয়; ব্যবধান রাখুন
কিছু প্রস্রাবের গ্লুকোজ পরীক্ষায় সেফপ্রোজিল ভুল পজিটিভ ফল দিতে পারে—ডায়াবেটিস রোগীরা মনে রাখবেন।
প্রতিনির্দেশনা
নিচের ক্ষেত্রে সেফপ্রোজিল খাবেন না:
- সেফপ্রোজিল বা অন্য কোনো সেফালোস্পোরিনে অ্যালার্জি থাকলে
- পেনিসিলিনে আগে তীব্র ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া (অ্যানাফাইল্যাক্সিস, গলা ফুলে যাওয়া, জ্ঞান হারানো, সারা গায়ে চাকা) হয়ে থাকলে—ক্রস-রিঅ্যাকশনের আশঙ্কা আছে
- কোনো বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিকে গুরুতর চর্মপ্রতিক্রিয়া (স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম বা অনুরূপ) হয়ে থাকলে
উল্লেখযোগ্য কিডনি দুর্বলতা ও অ্যান্টিবায়োটিকজনিত কোলাইটিসের ইতিহাসে বাড়তি সতর্কতা ও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান দরকার। সেফপ্রোজিল শুরুর আগে শৈশবের প্রতিক্রিয়াসহ সব অ্যালার্জির পূর্ণ তালিকা চিকিৎসককে দিন।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থা: প্রাণী-গবেষণায় সেফপ্রোজিল-এ ভ্রূণের ক্ষতি দেখা যায়নি, যদিও মানুষের ওপর নিয়ন্ত্রিত গবেষণা সীমিত। সেফালোস্পোরিন পরিবার গর্ভাবস্থায় তুলনামূলক নিরাপদ অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে স্বীকৃত। তবু গর্ভাবস্থায় সেফপ্রোজিল তখনই খান, যখন গর্ভাবস্থার কথা জানা চিকিৎসক একে সত্যিই প্রয়োজনীয় মনে করেন।
স্তন্যদান: ডোজের ০.৩ শতাংশেরও কম সেফপ্রোজিল বুকের দুধে যায়, তাই চিকিৎসা চলাকালে স্তন্যদান সাধারণত চালিয়ে যাওয়া যায়। শিশুর পাতলা পায়খানা, ফুসকুড়ি বা মুখে থ্রাশ হলে চিকিৎসককে জানান। স্তন্যদানকালে শুরুর আগে চিকিৎসকের সাথে নিশ্চিত হয়ে নিন।
সংরক্ষণ
সেফপ্রোজিল ট্যাবলেট ৩০° সেলসিয়াসের নিচে শুকনো জায়গায়, সরাসরি রোদ ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। বর্ষাপ্রধান বাংলাদেশে বাথরুমের ক্যাবিনেট বা রান্নাঘরের তাকে নয়—ঠান্ডা, শুকনো আলমারিতে রাখুন। ওষুধ মূল প্যাকে ভালোভাবে বন্ধ অবস্থায়, শিশুদের নাগাল ও দৃষ্টির বাইরে রাখুন।
- পানি মেশানোর পর সেফপ্রোজিল সাসপেনশন অবশ্যই ফ্রিজে (২–৮° সে., কখনও ডিপ ফ্রিজে নয়) রাখুন, প্রতিবার ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে খাওয়ান এবং ১৪ দিন পর ফেলে দিন
- মেয়াদ পেরোনো ওষুধ ব্যবহার করবেন না
- অব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক ড্রেনে না ফেলে ফার্মেসিতে ফেরত দিন
সেফপ্রোজিল নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা
উপসর্গ চলে গেলেই কি সেফপ্রোজিল বন্ধ করা যাবে?
না। বেশির ভাগ ব্যাকটেরিয়া মরলে উপসর্গ কমে যায়, কিন্তু সব মরেনি। সবচেয়ে কঠিনগুলোই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে; আগে সেফপ্রোজিল বন্ধ করলে সেগুলো আবার বেড়ে ওঠে এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করে। প্রেসক্রিপশন ছাড়া কেনা অর্ধেক কোর্স থেকেই বাংলাদেশের অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স সংকট এত বড় হয়েছে। তৃতীয় দিনে পুরো সুস্থ লাগলেও কোর্স শেষ করুন—গলা ও কানের সংক্রমণে সাধারণত ১০ দিন। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় সমস্যা হলে চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন।
সর্দি বা ফ্লু হলে কি সেফপ্রোজিল খেলে সেরে যাবে?
না। সর্দি, ফ্লু ও অধিকাংশ গলাব্যথার কারণ ভাইরাস, আর সেফপ্রোজিলসহ সব অ্যান্টিবায়োটিক কেবল ব্যাকটেরিয়া মারে। ভাইরাসজনিত অসুখে এটি খেলে রোগ এক দিনও আগে সারবে না; বরং অকারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আর প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া তৈরির ঝুঁকি বাড়বে—যা বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান বিপদ। চিকিৎসক ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ নিশ্চিত করলেই কেবল অ্যান্টিবায়োটিক খান। সর্দিতে বিশ্রাম, পর্যাপ্ত পানি ও জ্বরে প্যারাসিটামলই সাধারণত যথেষ্ট।
সেফপ্রোজিল-এর সাধারণ তথ্য — একই উপাদানের সব ওষুধের জন্য একটি টেমপ্লেট থেকে ChamberBD কনটেন্ট টিম লিখেছে। এই পাতাটি কোনো চিকিৎসক আলাদাভাবে পর্যালোচনা করেননি; এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয় — সবসময় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন মেনে চলুন।