ChamberBD Logo ChamberBD

জেনেরিক

অ্যামোক্সিসিলিন

বাংলাদেশে অ্যামোক্সিসিলিন জেনেরিকের ব্র্যান্ড ওষুধসমূহ — দাম, শক্তি ও প্রস্তুতকারক তুলনা করুন।

469টি ওষুধের মধ্যে 1–24 দেখানো হচ্ছে

A TH 500 mg Capsule

অ্যামোক্সিসিলিন

Pharmik Laboratories Ltd.

A TH 125 mg/5 ml Powder For Suspension

অ্যামোক্সিসিলিন

Pharmik Laboratories Ltd.

Aboxyl 125 mg/5 ml Powder For Suspension

অ্যামোক্সিসিলিন

Premier Pharmaceuticals Ltd.

Acemox 30 % Powder

অ্যামোক্সিসিলিন

Advanced Chemical Industries Limited

Acimox DS Vet 2 gm/VIAL Injection

অ্যামোক্সিসিলিন

Advanced Chemical Industries Limited

Acimox Vet 1 gm Injection

অ্যামোক্সিসিলিন

Advanced Chemical Industries Limited

Admox 250 mg Capsule

অ্যামোক্সিসিলিন

Team Pharmaceuticals Ltd.

Admox 500 mg Capsule

অ্যামোক্সিসিলিন

Team Pharmaceuticals Ltd.

Admox 125 mg/5 ml Powder For Suspension

অ্যামোক্সিসিলিন

Team Pharmaceuticals Ltd.

Admox 125 mg/1.25 ml Paediatric Drops

অ্যামোক্সিসিলিন

Team Pharmaceuticals Ltd.

Al-molin Vet 500 mg Bolus

অ্যামোক্সিসিলিন

Al-Madina Pharmaceuticals Ltd.

Aldalin 125 mg/5 ml Powder For Suspension

অ্যামোক্সিসিলিন

Albert David (BD) Limited

Almoxil 250 mg Capsule

অ্যামোক্সিসিলিন

Aexim Pharmaceuticals Ltd.

৳3.30 প্রতি ইউনিট

Almoxil 500 mg Capsule

অ্যামোক্সিসিলিন

Aexim Pharmaceuticals Ltd.

৳6.60 প্রতি ইউনিট

Ambeexin 250 mg Capsule

অ্যামোক্সিসিলিন

Ambee Pharmaceuticals Ltd.

৳3.55 প্রতি ইউনিট

Ambeexin 125 mg/5 ml Powder For Suspension

অ্যামোক্সিসিলিন

Ambee Pharmaceuticals Ltd.

৳46.55 প্রতি ইউনিট

Ambeexin 125 mg/1.25 ml Paediatric Drops

অ্যামোক্সিসিলিন

Ambee Pharmaceuticals Ltd.

৳28.42 প্রতি ইউনিট

Amocap 250 mg Capsule

অ্যামোক্সিসিলিন

Sonear Laboratories Ltd.

৳3.59 প্রতি ইউনিট
Amocil 250 mg Capsule — Amoxicillin

Amocil 250 mg Capsule

অ্যামোক্সিসিলিন

MST Pharma and Healthcare Ltd.

৳3.00 প্রতি ইউনিট
Amocil 500 mg Capsule — Amoxicillin

Amocil 500 mg Capsule

অ্যামোক্সিসিলিন

MST Pharma and Healthcare Ltd.

৳5.50 প্রতি ইউনিট
Amocil 125 mg/5 ml Powder For Suspension — Amoxicillin

Amocil 125 mg/5 ml Powder For Suspension

অ্যামোক্সিসিলিন

MST Pharma and Healthcare Ltd.

৳50.00 প্রতি ইউনিট
Amocin 250 mg Capsule — Amoxicillin

Amocin 250 mg Capsule

অ্যামোক্সিসিলিন

Pacific Pharmaceuticals Ltd.

৳3.30 প্রতি ইউনিট
Amocin 500 mg Capsule — Amoxicillin

Amocin 500 mg Capsule

অ্যামোক্সিসিলিন

Pacific Pharmaceuticals Ltd.

৳6.70 প্রতি ইউনিট
Amocin 125 mg/5 ml Powder For Suspension — Amoxicillin

Amocin 125 mg/5 ml Powder For Suspension

অ্যামোক্সিসিলিন

Pacific Pharmaceuticals Ltd.

৳40.00 প্রতি ইউনিট

অ্যামোক্সিসিলিন কী?

অ্যামোক্সিসিলিন বাংলাদেশে বহু ব্র্যান্ড নামে পাওয়া যায় এমন একটি Penicillin (aminopenicillin) antibiotic ওষুধ। নিচে এর ব্যবহার, সেবনমাত্রা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা এবং সব ব্র্যান্ডের বর্তমান দাম দেওয়া হলো।

অ্যামোক্সিসিলিন কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

  • গলা ও টনসিলের সংক্রমণ
  • মধ্যকর্ণের সংক্রমণ
  • সাইনাসের প্রদাহ ও কিছু বুকের সংক্রমণ
  • মূত্রনালির সংক্রমণ
  • ত্বক ও দাঁতের সংক্রমণ
  • পাকস্থলীর H. pylori আলসারের সম্মিলিত চিকিৎসার অংশ হিসেবে

সেবনবিধি ও মাত্রা

অ্যামোক্সিসিলিন-এর মাত্রা সংক্রমণ ও তার তীব্রতার উপর নির্ভর করে। বড়দের জন্য সাধারণ মাত্রা প্রায় ২৫০–৫০০ মি.গ্রা. দিনে তিনবার, অথবা ৫০০–৮৭৫ মি.গ্রা. দিনে দুইবার, ৫ থেকে ৭ দিন; কিছু সংক্রমণে চিকিৎসক ভিন্ন মেয়াদের কোর্স দিতে পারেন। অ্যামোক্সিসিলিন খাবারের সঙ্গে বা ছাড়া—দুভাবেই খাওয়া যায়।

শিশুদের মাত্রা ওজনের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয় এবং তা অবশ্যই চিকিৎসক ঠিক করবেন — নিজে অনুমান করবেন না। দিনের মধ্যে সমান ব্যবধানে ডোজ নিন এবং পুরো কোর্স শেষ করুন। কোনো ডোজ বাদ পড়লে মনে পড়া মাত্র খেয়ে নিন, তবে পরের ডোজের সময় প্রায় হয়ে গেলে বাদ দিন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

অ্যামোক্সিসিলিন সাধারণত ভালোভাবে সহ্য হয়। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে তা সাধারণত মৃদু হয়, যেমন:

  • বমি ভাব, বমি বা ডায়রিয়া
  • হালকা চামড়ার র‌্যাশ
  • বদহজম বা পাতলা পায়খানা
  • দীর্ঘ ব্যবহারে মুখ বা যোনিতে ছত্রাক সংক্রমণ

গুরুতর অ্যালার্জির লক্ষণ — ছড়িয়ে পড়া র‌্যাশ বা আমবাত, মুখ-ঠোঁট-গলা ফুলে যাওয়া, বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে জরুরি চিকিৎসা নিন। চিকিৎসার সময় বা পরে তীব্র বা রক্তযুক্ত ডায়রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসককে জানান।

সতর্কতা

অ্যামোক্সিসিলিন একটি প্রেসক্রিপশন-নির্ভর অ্যান্টিবায়োটিক — কখনো নিজে থেকে খাবেন না। শুধু নিবন্ধিত চিকিৎসক লিখে দিলে খান, পরামর্শ ছাড়া কিনবেন না বা কারও সঙ্গে ভাগ করবেন না। সবসময় নির্ধারিত পুরো কোর্স শেষ করুন, ভালো বোধ করতে শুরু করলেও — তাড়াতাড়ি বন্ধ করলে সবচেয়ে শক্ত ব্যাকটেরিয়া বেঁচে গিয়ে সংক্রমণ আরও জেদি হয়ে ফিরে আসে।

অ্যামোক্সিসিলিন-এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অ্যালার্জি: পেনিসিলিন বা কোনো অ্যান্টিবায়োটিকে কখনো অ্যালার্জি হয়ে থাকলে চিকিৎসককে অবশ্যই জানান। অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বাংলাদেশে একটি মারাত্মক জাতীয় সংকট, আর এ ধরনের ওষুধের অপ্রয়োজনীয় বা অসম্পূর্ণ ব্যবহার সরাসরি তা বাড়িয়ে তোলে।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

আপনি যে সব ওষুধ ও সাপ্লিমেন্ট খান তা চিকিৎসককে জানান। অ্যামোক্সিসিলিন-এর উল্লেখযোগ্য বিক্রিয়াগুলো হলো:

  • অ্যালোপিউরিনল — চামড়ায় র‌্যাশের ঝুঁকি বাড়ায়
  • মেথোট্রেক্সেট — এর বিষক্রিয়া বাড়াতে পারে
  • ওয়ারফারিন — রক্তক্ষরণের প্রবণতা বদলে যেতে পারে
  • মুখে খাওয়ার টাইফয়েড টিকা — কার্যকারিতা কমতে পারে
  • টেট্রাসাইক্লিনের মতো কিছু অ্যান্টিবায়োটিক এর কাজ কমাতে পারে

প্রতিনির্দেশনা

এই অবস্থাগুলোতে অ্যামোক্সিসিলিন খাবেন না:

  • অ্যামোক্সিসিলিন, পেনিসিলিন বা সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিকে কখনো অ্যালার্জি হয়ে থাকলে
  • আগে কোনো অ্যান্টিবায়োটিকে তীব্র র‌্যাশ, ফোলা বা শ্বাসকষ্ট হয়ে থাকলে

কিডনি রোগ, গ্ল্যান্ডুলার ফিভার বা হাঁপানি ও অ্যালার্জির ইতিহাস থাকলে সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করুন ও চিকিৎসককে জানান, কারণ এগুলো অ্যামোক্সিসিলিন উপযুক্ত কিনা তা প্রভাবিত করতে পারে।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

সত্যিকার প্রয়োজনে গর্ভাবস্থায় অ্যামোক্সিসিলিন সাধারণত গ্রহণযোগ্য অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে তা কেবল চিকিৎসকের পরামর্শেই খাওয়া উচিত। গর্ভবতী হলে বা সন্দেহ থাকলে চিকিৎসককে অবশ্যই জানান।

সামান্য পরিমাণ বুকের দুধে যায় এবং তা সাধারণত নিরাপদ ধরা হয়, যদিও শিশুর মাঝে মাঝে পাতলা পায়খানা বা ছত্রাক সংক্রমণ হতে পারে। স্তন্যদানের কথা চিকিৎসককে জানান, যাতে আপনার ও শিশুর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।

সংরক্ষণ

অ্যামোক্সিসিলিন মূল প্যাকেটে, ৩০°C-এর নিচে ঠান্ডা ও শুকনো জায়গায়, রোদ ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের জন্য পানি মিশিয়ে তৈরি সিরাপ পরামর্শ অনুযায়ী (প্রায়ই ফ্রিজে) রাখতে হবে এবং নির্দিষ্ট কয়েক দিন পর ফেলে দিতে হবে। সব ধরন শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন এবং মেয়াদ শেষে ব্যবহার করবেন না।

অ্যামোক্সিসিলিন নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা

আমি অ্যামোক্সিসিলিন-এ অ্যালার্জিক কিনা কীভাবে বুঝব?

শুরু করার আগে পেনিসিলিন বা কোনো অ্যান্টিবায়োটিকে কখনো প্রতিক্রিয়া হয়ে থাকলে চিকিৎসককে জানান। অ্যামোক্সিসিলিন-এ অ্যালার্জির লক্ষণ হলো চুলকানিযুক্ত আমবাত, ঠোঁট-মুখ-গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসে শোঁ শোঁ শব্দ বা শ্বাসকষ্ট — কখনো ডোজের কয়েক মিনিটের মধ্যেই। তীব্র প্রতিক্রিয়া (অ্যানাফাইল্যাক্সিস) একটি জরুরি অবস্থা — সঙ্গে সঙ্গে ওষুধ বন্ধ করে সাহায্য নিন। পেনিসিলিনে অ্যালার্জি থাকলে সম্পর্কিত কিছু অ্যান্টিবায়োটিকেও প্রতিক্রিয়া হতে পারে, তাই এটি সবসময় আপনার মেডিকেল রেকর্ডে রাখুন।

দুই দিনেই ভালো লাগছে — বাকি অ্যামোক্সিসিলিন কি পরের বারের জন্য রেখে দিতে পারি?

না। অ্যামোক্সিসিলিন আগেভাগে বন্ধ করা বা অবশিষ্ট ক্যাপসুল রেখে দেওয়া অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের অন্যতম প্রধান কারণ। ভালো লাগা মানে ওষুধ কাজ করছে, কিন্তু ব্যাকটেরিয়া তখনো থাকে; এখন বন্ধ করলে সবচেয়ে শক্ত ব্যাকটেরিয়া বেঁচে গিয়ে বংশবৃদ্ধি করে রেজিস্ট্যান্ট হয়ে ওঠে। রেখে দেওয়া অ্যান্টিবায়োটিক ভবিষ্যতের রোগে প্রায়ই ভুল ওষুধ বা ভুল মাত্রা হয়। সবসময় চিকিৎসকের দেওয়া পুরো কোর্স শেষ করুন, কিছু রেখে দেবেন না। বাংলাদেশে এই অভ্যাস চিকিৎসা-অযোগ্য সংক্রমণের জাতীয় উত্থানে ভূমিকা রাখছে।

অ্যামোক্সিসিলিন কি খাবারের সঙ্গে খাব, আর এটা কি আমার সর্দি সারাবে?

অ্যামোক্সিসিলিন খাবারের সঙ্গে বা ছাড়া—দুভাবেই খাওয়া যায়; সামান্য খাবারের সঙ্গে খেলে পেটের অস্বস্তি কমে। তবে সাধারণ সর্দি, ফ্লু বা বেশিরভাগ গলাব্যথা-কাশিতে এটি কাজে আসবে না, কারণ এগুলো ভাইরাসজনিত, ব্যাকটেরিয়াজনিত নয়। ভাইরাসজনিত রোগে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে কোনো উপকার নেই বরং রেজিস্ট্যান্স বাড়ে। চিকিৎসক ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ নিশ্চিত করলে তবেই প্রেসক্রিপশনে লেখা সময় ও মাত্রায় অ্যামোক্সিসিলিন খান।

এটি সাধারণ ওষুধ-তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয় — সবসময় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন মেনে চলুন।