See in English
Amocin 250 mg Capsule — Amoxicillin

ক্যাপসুল

Amocin 250 mg ক্যাপসুল

জেনেরিক: অ্যামোক্সিসিলিন

প্রস্তুতকারক: Pacific Pharmaceuticals Ltd.

থেরাপিউটিক ক্লাস: Penicillin (aminopenicillin) antibiotic

Amocin এর কাজ কি?

Amocin (ক্যাপসুল)-এর উপাদান অ্যামোক্সিসিলিন 250 mg, প্রস্তুতকারক Pacific Pharmaceuticals Ltd.। থেরাপিউটিক ক্লাস: Penicillin (aminopenicillin) antibiotic।

দাম (বাংলাদেশ)

প্যাক মূল্য (টাকা)
প্রতি ক্যাপসুল ৳ 3.30
Capsule ৳ 3.30

দাম পরিবর্তনশীল — ফার্মেসিভেদে প্রকৃত খুচরা মূল্য ভিন্ন হতে পারে।

Amocin কী?

Amocin 250 mg Capsule-এ amoxicillin আছে, যা Pacific Pharmaceuticals Ltd. উৎপাদিত পেনিসিলিন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক। জীবাণু সংবেদনশীল হলে এটি শ্বাসতন্ত্র, কান, মূত্রনালি, ত্বক ও দাঁতের সাধারণ ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়।

Pacific Pharmaceuticals Ltd.-এর তৈরি Amocin 250 mg capsule-এ রয়েছে Amoxicillin, যা পেনিসিলিন গ্রুপের একটি বহুল ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক। গলা, কান, সাইনাস, বুক, মূত্রনালি ও ত্বকের নানা সাধারণ ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে এটি ব্যবহৃত হয় এবং বড় ও ছোট উভয়ের জন্যই এটি সবচেয়ে বেশি লেখা অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর একটি। Amocin একটি প্রেসক্রিপশন-নির্ভর ওষুধ এবং অবশ্যই নিবন্ধিত চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী খেতে হবে।

Amoxicillin ব্যাকটেরিয়ার চারপাশের সুরক্ষাকারী কোষপ্রাচীর দুর্বল করে দেয়। ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পাওয়ার চেষ্টা করলে এই ক্ষতিগ্রস্ত প্রাচীর ফেটে গিয়ে কোষ মারা যায়। এটি কেবল ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে থাকা একটি গঠনকে লক্ষ্য করে বলে সর্দি, ফ্লু বা সাধারণ কাশি-গলাব্যথার মতো ভাইরাসজনিত রোগে Amocin কাজ করে না।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

  • গলা ও টনসিলের সংক্রমণ
  • মধ্যকর্ণের সংক্রমণ
  • সাইনাসের প্রদাহ ও কিছু বুকের সংক্রমণ
  • মূত্রনালির সংক্রমণ
  • ত্বক ও দাঁতের সংক্রমণ
  • পাকস্থলীর H. pylori আলসারের সম্মিলিত চিকিৎসার অংশ হিসেবে

সেবনবিধি ও মাত্রা

ChamberBD শুধু অনুমোদিত লেবেল (প্যাকেটের লিফলেট) থেকে উৎসসহ সেবনবিধি দেখায়, আর Amocin 250 mg ক্যাপসুল-এর লেবেল আমাদের কাছে নেই। ডাক্তারের দেওয়া মাত্রা এবং প্যাকেটের লিফলেটের নির্দেশনা মেনে চলুন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

Amoxicillin সাধারণত ভালোভাবে সহ্য হয়। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে তা সাধারণত মৃদু হয়, যেমন:

  • বমি ভাব, বমি বা ডায়রিয়া
  • হালকা চামড়ার র‌্যাশ
  • বদহজম বা পাতলা পায়খানা
  • দীর্ঘ ব্যবহারে মুখ বা যোনিতে ছত্রাক সংক্রমণ

গুরুতর অ্যালার্জির লক্ষণ — ছড়িয়ে পড়া র‌্যাশ বা আমবাত, মুখ-ঠোঁট-গলা ফুলে যাওয়া, বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে জরুরি চিকিৎসা নিন। চিকিৎসার সময় বা পরে তীব্র বা রক্তযুক্ত ডায়রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসককে জানান।

সতর্কতা

Amocin একটি প্রেসক্রিপশন-নির্ভর অ্যান্টিবায়োটিক — কখনো নিজে থেকে খাবেন না। শুধু নিবন্ধিত চিকিৎসক লিখে দিলে খান, পরামর্শ ছাড়া কিনবেন না বা কারও সঙ্গে ভাগ করবেন না। সবসময় নির্ধারিত পুরো কোর্স শেষ করুন, ভালো বোধ করতে শুরু করলেও — তাড়াতাড়ি বন্ধ করলে সবচেয়ে শক্ত ব্যাকটেরিয়া বেঁচে গিয়ে সংক্রমণ আরও জেদি হয়ে ফিরে আসে।

Amoxicillin-এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অ্যালার্জি: পেনিসিলিন বা কোনো অ্যান্টিবায়োটিকে কখনো অ্যালার্জি হয়ে থাকলে চিকিৎসককে অবশ্যই জানান। অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বাংলাদেশে একটি মারাত্মক জাতীয় সংকট, আর এ ধরনের ওষুধের অপ্রয়োজনীয় বা অসম্পূর্ণ ব্যবহার সরাসরি তা বাড়িয়ে তোলে।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

আপনি যে সব ওষুধ ও সাপ্লিমেন্ট খান তা চিকিৎসককে জানান। Amoxicillin-এর উল্লেখযোগ্য বিক্রিয়াগুলো হলো:

  • অ্যালোপিউরিনল — চামড়ায় র‌্যাশের ঝুঁকি বাড়ায়
  • মেথোট্রেক্সেট — এর বিষক্রিয়া বাড়াতে পারে
  • ওয়ারফারিন — রক্তক্ষরণের প্রবণতা বদলে যেতে পারে
  • মুখে খাওয়ার টাইফয়েড টিকা — কার্যকারিতা কমতে পারে
  • টেট্রাসাইক্লিনের মতো কিছু অ্যান্টিবায়োটিক এর কাজ কমাতে পারে

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

এই অবস্থাগুলোতে Amocin খাবেন না:

  • অ্যামোক্সিসিলিন, পেনিসিলিন বা সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিকে কখনো অ্যালার্জি হয়ে থাকলে
  • আগে কোনো অ্যান্টিবায়োটিকে তীব্র র‌্যাশ, ফোলা বা শ্বাসকষ্ট হয়ে থাকলে

কিডনি রোগ, গ্ল্যান্ডুলার ফিভার বা হাঁপানি ও অ্যালার্জির ইতিহাস থাকলে সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করুন ও চিকিৎসককে জানান, কারণ এগুলো Amocin উপযুক্ত কিনা তা প্রভাবিত করতে পারে।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

সত্যিকার প্রয়োজনে গর্ভাবস্থায় Amoxicillin সাধারণত গ্রহণযোগ্য অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে তা কেবল চিকিৎসকের পরামর্শেই খাওয়া উচিত। গর্ভবতী হলে বা সন্দেহ থাকলে চিকিৎসককে অবশ্যই জানান।

সামান্য পরিমাণ বুকের দুধে যায় এবং তা সাধারণত নিরাপদ ধরা হয়, যদিও শিশুর মাঝে মাঝে পাতলা পায়খানা বা ছত্রাক সংক্রমণ হতে পারে। স্তন্যদানের কথা চিকিৎসককে জানান, যাতে আপনার ও শিশুর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।

সংরক্ষণ

প্যাকেটে লেখা নির্দেশনা অনুযায়ী সংরক্ষণ করুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ খুঁজুন →