ChamberBD Logo ChamberBD
See in English

Tablet

PHYTOCAL D 500 mg + 200 iu Tablet

জেনেরিক: ক্যালসিয়াম (শৈবাল উৎস) + ভিটামিন ডি৩

প্রস্তুতকারক: Eskayef Pharmaceuticals Ltd. Chandana, Gazipur

থেরাপিউটিক ক্লাস: Calcium and vitamin D supplement

PHYTOCAL D এর কাজ কি?

Eskayef Pharmaceuticals Ltd. Chandana, Gazipur উৎপাদিত PHYTOCAL D 500 mg + 200 iu tablet একটি ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট, যাতে Calcium (Algae Source) + Vitamin D3 রয়েছে।

PHYTOCAL D কী?

Eskayef Pharmaceuticals Ltd. Chandana, Gazipur উৎপাদিত PHYTOCAL D 500 mg + 200 iu tablet একটি ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট, যাতে Calcium (Algae Source) + Vitamin D3 রয়েছে। বাংলাদেশে এটি প্রধানত খাবার থেকে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি না পেলে ঘাটতি প্রতিরোধ বা চিকিৎসা এবং হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার করা হয়।

Calcium (Algae Source) + Vitamin D3 শরীরে ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে কাজ করে—ক্যালসিয়াম হাড়, দাঁত, পেশি ও স্নায়ুর জন্য একটি জরুরি মিনারেল (mineral)। ভিটামিন D3 শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ ও ব্যবহারে সাহায্য করে। একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা হলো, অতিরিক্ত গ্রহণ করলে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে বা কিডনি-সংক্রান্ত সমস্যা হতে পারে, বিশেষ করে যাদের কিডনির রোগ আছে বা যারা অন্য ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি পণ্য নিচ্ছেন।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

  • খাবার থেকে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম না পেলে ক্যালসিয়াম ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসা।
  • সাপ্লিমেন্ট প্রয়োজন হলে ভিটামিন ডি ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসা।
  • স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীর পরামর্শ অনুযায়ী অস্টিওপোরোসিস (osteoporosis) বা অস্টিওপেনিয়া (osteopenia)-তে সহায়ক সাপ্লিমেন্ট হিসেবে।
  • গর্ভাবস্থা, বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় বা বয়স্ক বয়সে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর চাহিদা বেড়ে গেলে, ডাক্তারের পরামর্শে সাপ্লিমেন্ট হিসেবে।

সেবনবিধি ও মাত্রা

প্রাপ্তবয়স্কদের ডোজ ট্যাবলেটে থাকা এলিমেন্টাল ক্যালসিয়াম (elemental calcium) ও ভিটামিন D3-এর পরিমাণ, খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ, বয়স, কিডনির কার্যক্ষমতা এবং ব্যবহারের কারণের ওপর নির্ভর করে। ক্যালসিয়াম শোষণ ভালো করতে এবং পেটের অস্বস্তি কমাতে এটি সাধারণত খাবারের সঙ্গে নেওয়া হয়। ডাক্তার যে ডোজ ও সময়কাল নির্ধারণ করেছেন তা অনুসরণ করুন; পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি পণ্য নেবেন না।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

  • সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, গ্যাস, বমি বমি ভাব বা পেটের অস্বস্তি থাকতে পারে।
  • অতিরিক্ত গ্রহণে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে; লক্ষণ হিসেবে বেশি পিপাসা, বারবার প্রস্রাব, ক্ষুধামন্দা, বমি, দুর্বলতা, বিভ্রান্তি বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন দেখা দিতে পারে।
  • যাদের ঝুঁকি আছে তাদের কিডনিতে পাথর বা কিডনির সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।
  • অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া সাধারণত বিরল, তবে র‍্যাশ, চুলকানি, ফোলা বা শ্বাসকষ্ট হতে পারে; এসব হলে জরুরি চিকিৎসা নিন।

সতর্কতা

কিডনির রোগ, আগে কিডনিতে পাথর হওয়ার ইতিহাস, রক্তে ক্যালসিয়াম বেশি থাকা, প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম বেশি থাকা, সারকয়ডোসিস (sarcoidosis) বা অন্যান্য গ্র্যানুলোমাটাস রোগ (granulomatous diseases), প্যারাথাইরয়েডের সমস্যা, হৃদরোগ, অথবা ডিগক্সিন (digoxin), থায়াজাইড ডাইইউরেটিক (thiazide diuretics) বা ক্যালসিয়াম/ভিটামিন ডি-যুক্ত অন্য সাপ্লিমেন্ট গ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে। নির্ধারিত ডোজের বেশি নেবেন না এবং খাবার ও অন্যান্য ওষুধ থেকে মোট ক্যালসিয়াম গ্রহণের পরিমাণ বিবেচনা করুন। নিবন্ধিত ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শে ব্যবহার করুন।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • ক্যালসিয়াম লেভোথাইরক্সিন (levothyroxine), টেট্রাসাইক্লিন অ্যান্টিবায়োটিক, কুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক, বিসফসফোনেট (bisphosphonates) এবং কিছু আয়রন বা জিঙ্ক সাপ্লিমেন্টের শোষণ কমাতে পারে; এগুলো সাধারণত আলাদা সময়ে নিতে হয়।
  • থায়াজাইড ডাইইউরেটিক রক্তে ক্যালসিয়াম বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • রক্তে ক্যালসিয়াম বেড়ে গেলে ডিগক্সিন বা অন্যান্য কার্ডিয়াক গ্লাইকোসাইড (cardiac glycosides) গ্রহণকারীদের হৃদস্পন্দনের সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
  • ভিটামিন ডি অ্যানালগ (vitamin D analogues) বা অন্য ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট ভিটামিন ডি টক্সিসিটি ও হাইপারক্যালসেমিয়া (hypercalcaemia)-এর ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • উচ্চ আঁশযুক্ত খাবার, ব্র্যান, অক্সালেট-সমৃদ্ধ খাবার যেমন পালং শাক, এবং ফাইটেট-সমৃদ্ধ খাবার একই সময়ে খেলে ক্যালসিয়াম শোষণ কমতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

  • এই পণ্যের কোনো উপাদানে পরিচিত অতিসংবেদনশীলতা বা অ্যালার্জি।
  • হাইপারক্যালসেমিয়া (hypercalcaemia) বা রক্তে ক্যালসিয়াম স্থায়ীভাবে বেশি থাকার অবস্থা।
  • গুরুতর হাইপারক্যালসিউরিয়া (hypercalciuria) বা ক্যালসিয়ামযুক্ত কিডনি পাথর, যদি না ডাক্তার বিশেষভাবে পরামর্শ দেন।
  • ভিটামিন ডি টক্সিসিটি।
  • গুরুতর কিডনি অকার্যকারিতা, যেখানে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান ছাড়া ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট নেওয়া উচিত নয়।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গুরুত্বপূর্ণ, তবে খাবার ও সাপ্লিমেন্ট মিলিয়ে মোট দৈনিক গ্রহণ নিরাপদ সুপারিশকৃত সীমার মধ্যে থাকা উচিত। গর্ভবতী বা বুকের দুধ খাওয়ানো নারীরা, বিশেষ করে যদি আগে থেকেই প্রিনাটাল ভিটামিন বা অন্য সাপ্লিমেন্ট নেন, তাহলে এই ওষুধ শুধু ডাক্তারের পরামর্শে ব্যবহার করবেন।

সংরক্ষণ

সরাসরি রোদ ও আর্দ্রতা থেকে দূরে ঠান্ডা, শুকনা স্থানে সংরক্ষণ করুন। কনটেইনার ভালোভাবে বন্ধ রাখুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। প্যাকেটে মুদ্রিত মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখের পরে ব্যবহার করবেন না।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

PHYTOCAL D কী কাজে ব্যবহার করা হয়?

PHYTOCAL D একটি ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D3 সাপ্লিমেন্ট। খাবার থেকে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি না পেলে ঘাটতি প্রতিরোধ বা চিকিৎসা এবং হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় এটি ব্যবহার করা হয়। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করুন।

PHYTOCAL D কীভাবে খাব?

ক্যালসিয়াম শোষণ ভালো করতে এবং পেটের অস্বস্তি কমাতে এটি সাধারণত খাবারের সঙ্গে নেওয়া হয়। সঠিক ডোজ পণ্যের শক্তি, খাবার, বয়স, কিডনির কার্যক্ষমতা ও ব্যবহারের কারণের ওপর নির্ভর করে, তাই ডাক্তারের নির্দেশনা মেনে চলুন।

PHYTOCAL D কি অন্য ওষুধ বা সাপ্লিমেন্টের সঙ্গে নেওয়া যাবে?

লেভোথাইরক্সিন, টেট্রাসাইক্লিন বা কুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক, বিসফসফোনেট, আয়রন ও জিঙ্ক সাপ্লিমেন্টের মতো কিছু ওষুধ ক্যালসিয়াম থেকে আলাদা সময়ে নিতে হতে পারে। আপনি যে সব ওষুধ ও সাপ্লিমেন্ট নেন তা ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টকে জানান।

PHYTOCAL D খেলে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার দিকে খেয়াল রাখব?

কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, গ্যাস, বমি বমি ভাব বা পেটের অস্বস্তি হতে পারে। অতিরিক্ত পিপাসা, বারবার প্রস্রাব, বমি, দুর্বলতা, বিভ্রান্তি, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

সর্বশেষ হালনাগাদ:

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের সেরা পুষ্টিবিদ খুঁজুন →