জেনেরিক
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
বাংলাদেশে সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট জেনেরিকের ব্র্যান্ড ওষুধসমূহ — দাম, শক্তি ও প্রস্তুতকারক তুলনা করুন।
48টি ওষুধের মধ্যে 1–24 দেখানো হচ্ছে
Convules 200 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Opsonin Pharma Limited
Convules 300 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Opsonin Pharma Limited
Convules 500 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Opsonin Pharma Limited
Convules 200 mg/5 ml Syrup
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Opsonin Pharma Limited
Encorate 500 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Sun Pharmaceutical (Bangladesh) Ltd.
Encorate Chrono 200 200 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Sun Pharmaceutical (Bangladesh) Ltd.
Encorate Chrono 300 300 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Sun Pharmaceuticals (EZ) Ltd., Narayanganj
Encorate Chrono 500 500 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Sun Pharmaceuticals (EZ) Ltd., Narayanganj
Encorte Chrono 200 200 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Sun Pharmaceuticals (EZ) Ltd., Narayanganj
Epilin 200 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Synovia Pharma PLC.
Epilin 300 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Synovia Pharma PLC.
Epival 200 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Albion Laboratories Ltd.
Epival Chrono 300 CR 300 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Albion Laboratories Ltd.
Epival Chrono 500 CR 500 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Albion Laboratories Ltd.
Eval 250 mg/5 ml Syrup
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Unimed Unihealth Pharmaceuticals Ltd.
Eval 250 250 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Unimed Unihealth Pharmaceuticals Ltd.
Eval-CR 200 200 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Unimed Unihealth Pharmaceuticals Ltd.
Eval-CR 300 300 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Unimed Unihealth Pharmaceuticals Ltd.
Eval-CR 500 500 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Unimed Unihealth Pharmaceuticals Ltd.
Nalipsy 200 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Drug International Ltd., Gopalpur
Proval CR 300 300 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
General Pharmaceuticals Ltd.
Proval CR 500 500 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
General Pharmaceuticals Ltd.
Sodival 200 mg Tablet
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Advanced Chemical Industries Limited
Sodival 200 mg/5 ml Syrup
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট
Advanced Chemical Industries Limited
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট কী?
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট বাংলাদেশে বহু ব্র্যান্ড নামে পাওয়া যায় এমন একটি Anticonvulsant / Mood Stabiliser ওষুধ। নিচে এর ব্যবহার, সেবনমাত্রা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা এবং সব ব্র্যান্ডের বর্তমান দাম দেওয়া হলো।
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
চিকিৎসকেরা যেসব ক্ষেত্রে সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট দেন:
- মৃগীরোগ — প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের জেনারালাইজড খিঁচুনি (টনিক-ক্লোনিক ও অ্যাবসেন্স), মায়োক্লোনিক ও অনেক ফোকাল খিঁচুনি
- বাইপোলার ডিসঅর্ডার — ম্যানিয়ার চিকিৎসা ও দীর্ঘমেয়াদে মুড স্থিতিশীল রাখা
- বিশেষজ্ঞের বিবেচনায় নির্বাচিত রোগীর মাইগ্রেন প্রতিরোধে
চিকিৎসা সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি এবং নিউরোলজিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরিকল্পনায় চলা উচিত। সন্তান ধারণে সক্ষম নারী ও কিশোরীদের ক্ষেত্রে সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট তখনই দেওয়া হয় যখন অন্য কোনো চিকিৎসা কাজ করে না — এবং অবশ্যই বিশেষজ্ঞের গর্ভধারণ-প্রতিরোধ পরিকল্পনাসহ।
সেবনবিধি ও মাত্রা
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট সম্পূর্ণভাবে প্রেসক্রিপশন ছাড়া খাওয়া নিষেধ; বিশেষজ্ঞ প্রত্যেক রোগীর জন্য আলাদা মাত্রা ঠিক করেন, অনেক সময় রক্তে ওষুধের মাত্রা দেখে। সাধারণ তথ্য:
- প্রাপ্তবয়স্ক (মৃগীরোগ): সাধারণত দিনে ৬০০ মি.গ্রা. ভাগ করে শুরু, ধীরে বাড়িয়ে সাধারণত ১০০০–২০০০ মি.গ্রা.।
- শিশু: ওজন অনুযায়ী মাত্রা, কঠোরভাবে বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে।
- বাইপোলার ডিসঅর্ডার: মনোরোগ বিশেষজ্ঞ রোগীর সাড়া ও রক্তের মাত্রা দেখে ঠিক করেন।
- পেটের অস্বস্তি কমাতে খাবারের সঙ্গে বা পরে খান; কন্ট্রোলড-রিলিজ ট্যাবলেট না ভেঙে গিলে খেতে হবে।
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট কখনোই হঠাৎ বন্ধ করবেন না — হঠাৎ ছাড়লে তীব্র, এমনকি প্রাণঘাতী খিঁচুনি হতে পারে। যেকোনো পরিবর্তন চিকিৎসকই ধীরে ধীরে করবেন। মদ এড়িয়ে চলুন; খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে না আসা ও ঝিমুনি না কাটা পর্যন্ত গাড়ি চালানোয় সতর্ক থাকুন।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট-এর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
- বমি ভাব, পেটব্যথা, পাতলা পায়খানা — সাধারণত শুরুর দিকে; খাবারের সঙ্গে খেলে কমে
- ওজন ও ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া
- হাতে কাঁপুনি
- ঝিমুনি, মাথা ঘোরা
- চুল পাতলা হওয়া (সাধারণত সাময়িক)
- কিছু নারীর মাসিক অনিয়মিত হওয়া; বিরল ক্ষেত্রে রক্তে অ্যামোনিয়া বেড়ে বিভ্রান্তি
জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসকের কাছে যান যদি হয়: ক্রমাগত বমি, প্রচণ্ড ক্লান্তি, খাওয়ায় অরুচি বা চোখ হলুদ (সম্ভাব্য লিভারের ক্ষতি — প্রথম ৬ মাসে ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি); তীব্র পেটব্যথা (প্যানক্রিয়াটাইটিস); অস্বাভাবিক কালশিটে বা রক্তপাত (প্লাটিলেট কমা); কিংবা ক্রমে বাড়তে থাকা বিভ্রান্তি।
সতর্কতা
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট ব্যবহারে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:
- গর্ভধারণ-সতর্কতা: সন্তান ধারণে সক্ষম নারী ও কিশোরীদের অবশ্যই কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে এবং বিশেষজ্ঞের গর্ভধারণ-প্রতিরোধ কর্মসূচিতে থাকতে হবে। সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে বা মাসিক বন্ধ হলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসককে জানান।
- লিভার পরীক্ষা: শুরু করার আগে এবং প্রথম ৬ মাসে নিয়মিত লিভার ফাংশন টেস্ট; বমি, ক্লান্তি বা জন্ডিস হলে দেরি না করে জানান।
- হঠাৎ বন্ধ করবেন না — তীব্র খিঁচুনি ফিরে আসার ঝুঁকি; কেবল চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ধীরে কমান।
- মদ এড়িয়ে চলুন — ঝিমুনি ও লিভারের ওপর চাপ বাড়ায়।
- গাড়ি চালানো: খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে না আসা ও ঝিমুনি না কাটা পর্যন্ত সতর্ক থাকুন; মৃগীরোগ নিয়ে গাড়ি চালানোর নিয়ম মেনে চলুন।
- লিভারের রোগ, বিপাকীয় রোগ, কিডনির সমস্যা বা রক্তক্ষরণ-প্রবণতা থাকলে চিকিৎসককে জানান; মেজাজের পরিবর্তন বা নিজেকে আঘাতের চিন্তা এলে জানাতে দ্বিধা করবেন না।
অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া
সব ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানান। সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট-এর গুরুত্বপূর্ণ ইন্টার্যাকশন:
- ল্যামোট্রিজিন — ভ্যালপ্রোয়েট এর মাত্রা বাড়িয়ে গুরুতর চর্মরোগের (র্যাশ) ঝুঁকি বাড়ায়; মাত্রা বিশেষজ্ঞকেই ঠিক করতে হবে।
- কার্বামাজেপিন, ফেনিটয়েন, ফেনোবারবিটাল — দুমুখী জটিল ইন্টার্যাকশন; রক্তের মাত্রা পরীক্ষার দরকার হতে পারে।
- কার্বাপেনেম অ্যান্টিবায়োটিক (মেরোপেনেম, ইমিপেনেম) — ভ্যালপ্রোয়েটের মাত্রা দ্রুত কমিয়ে খিঁচুনি ফিরিয়ে আনতে পারে; একসঙ্গে ব্যবহার পরিহার্য।
- অ্যাসপিরিন ও ওয়ারফারিন — রক্তপাতের প্রবণতা বাড়ে ও ভ্যালপ্রোয়েটের মাত্রা বদলায়।
- অন্যান্য ঘুম-আনা ওষুধ ও মদ — ঝিমুনি বাড়ায়।
- ভ্যালপ্রোয়েট কিছু অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ও অ্যান্টিসাইকোটিকের রক্ত-মাত্রা বাড়াতে পারে।
প্রতিনির্দেশনা
নিচের ক্ষেত্রে সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট ব্যবহার করা যাবে না:
- সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট বা ভ্যালপ্রোয়িক অ্যাসিডে অ্যালার্জি
- সক্রিয় লিভারের রোগ, বা নিজের/পরিবারে ওষুধজনিত গুরুতর লিভার সমস্যার ইতিহাস
- ইউরিয়া সাইকেল ডিসঅর্ডার ও POLG জিন-জনিত মাইটোকন্ড্রিয়াল রোগ
- বাইপোলার রোগে গর্ভাবস্থায় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ; মৃগীরোগে গর্ভাবস্থায় কেবল তখনই, যখন আর কোনো বিকল্প নেই
- পরফাইরিয়া
সন্তান ধারণে সক্ষম নারীদের ক্ষেত্রে অন্য চিকিৎসা ব্যর্থ হলে কেবল বিশেষজ্ঞ-তত্ত্বাবধানে গর্ভধারণ-প্রতিরোধ কর্মসূচির মধ্যেই এটি ব্যবহার করা যায়।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থা — বড় সতর্কবার্তা: গর্ভাবস্থায় সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট খেলে প্রায় ১০% শিশুর জন্মগত ত্রুটি হয় (স্পাইনা বিফিডাসহ) এবং ৩০–৪০% পর্যন্ত শিশুর বিকাশ ও শেখার সমস্যা হতে পারে। সন্তান ধারণে সক্ষম নারী ও কিশোরীদের নির্ভরযোগ্য জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করতে হবে এবং নিয়মিত বিশেষজ্ঞের পর্যালোচনায় থাকতে হবে; সন্তান নিতে চাইলে গর্ভধারণের আগেই চিকিৎসা-পরিকল্পনা বদলাতে হবে। গর্ভধারণ টের পেয়ে কখনো হঠাৎ সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট বন্ধ করবেন না — অনিয়ন্ত্রিত খিঁচুনিও মা ও শিশুর জন্য বিপজ্জনক। সেদিনই বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
স্তন্যদান: মায়ের দুধে অল্প পরিমাণ যায়; বিশেষজ্ঞের সম্মতিতে স্তন্যদান প্রায়ই সম্ভব — শিশুর অস্বাভাবিক ঘুম, দুধ টানতে অনীহা বা গায়ে কালশিটের দিকে খেয়াল রাখুন।
সংরক্ষণ
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট ৩০° সেলসিয়াসের নিচে শুকনো জায়গায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন — ভ্যালপ্রোয়েট সহজে আর্দ্রতা টানে, তাই খাওয়ার আগ পর্যন্ত ট্যাবলেট মূল ব্লিস্টারেই রাখুন। অবশ্যই শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদ শেষে ব্যবহার করবেন না; অব্যবহৃত ওষুধ ঘরের ময়লায় না ফেলে ফার্মেসিতে ফেরত দিন।
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা
আমার গর্ভধারণের সম্ভাবনা আছে — আমি কি সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট খেতে পারি?
কেবল শেষ উপায় হিসেবে, কখনোই হালকাভাবে নয়। ভ্যালপ্রোয়েটে প্রতি ১০ শিশুর প্রায় ১ জনের জন্মগত ত্রুটি এবং ১০ জনে ৩–৪ জন পর্যন্ত শিশুর বিকাশগত সমস্যা হয়। তাই সন্তান ধারণে সক্ষম নারী ও কিশোরীদের এটি তখনই দেওয়া হয় যখন অন্য কোনো ওষুধে রোগ নিয়ন্ত্রণ হয় না — এবং অবশ্যই কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ ও নিয়মিত বিশেষজ্ঞ-পর্যালোচনাসহ। সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট খাওয়া অবস্থায় সন্তান নিতে চাইলে চেষ্টার আগেই বিশেষজ্ঞের কাছে যান, যেন নিরাপদে ওষুধ বদলানো যায়। নিজে থেকে হঠাৎ বন্ধ করবেন না।
সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট খাওয়ার সময় রক্ত পরীক্ষা কেন দরকার?
তিনটি কারণে। প্রথমত, ভ্যালপ্রোয়েট বিরল ক্ষেত্রে লিভারের ক্ষতি করতে পারে — প্রথম ৬ মাসে ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি, তাই শুরুর আগে ও পরে নিয়মিত লিভার ফাংশন টেস্ট করা হয়। দ্বিতীয়ত, এটি প্লাটিলেট কমিয়ে রক্তপাতের প্রবণতা বাড়াতে পারে। তৃতীয়ত, রক্তে ওষুধের মাত্রা মেপে বিশেষজ্ঞ খিঁচুনি বা মুড নিয়ন্ত্রণের জন্য ডোজ নিখুঁত করতে পারেন। বমি, অস্বাভাবিক ক্লান্তি, জন্ডিস, সহজে কালশিটে বা রক্তপাত হলে পরের নির্ধারিত পরীক্ষার অপেক্ষা না করে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসককে জানান।
হঠাৎ সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট বন্ধ করলে কী হতে পারে?
হঠাৎ সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট বন্ধ করা বিপজ্জনক। মৃগীরোগে এতে খিঁচুনি ফিরে আসতে পারে — কখনো একটানা, না থামা খিঁচুনি (স্ট্যাটাস এপিলেপটিকাস) হতে পারে, যা জরুরি চিকিৎসার বিষয়। বাইপোলার রোগে হঠাৎ বন্ধ করলে ম্যানিয়া বা বিষণ্নতা ফিরে আসতে পারে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, খরচ বা গর্ভধারণের দুশ্চিন্তায় বন্ধ করতে চাইলে আগে বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন: পরিকল্পনামাফিক ধীরে মাত্রা কমানো বা নিরাপদে ওষুধ বদলানো সম্ভব। সম্পূর্ণ সুস্থ বোধ করলেও ওষুধ চালিয়ে যান — সেটাই সাধারণত ওষুধ কাজ করার লক্ষণ।
এটি সাধারণ ওষুধ-তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয় — সবসময় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন মেনে চলুন।