জেনেরিক
রিফাক্সিমিন
বাংলাদেশে রিফাক্সিমিন জেনেরিকের ব্র্যান্ড ওষুধসমূহ — দাম, শক্তি ও প্রস্তুতকারক তুলনা করুন।
বাংলাদেশে রিফাক্সিমিন-এর ব্র্যান্ড
33টি ওষুধের মধ্যে 1–24 দেখানো হচ্ছে
Aximin 200 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
The ACME Laboratories Ltd.
Aximin 550 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
The ACME Laboratories Ltd.
Efaxim 200 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Square Pharmaceuticals PLC, Pabna
Efaxim 550 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Square Pharmaceuticals PLC, Pabna
Faxan 200 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Drug International Ltd., Gopalpur
Faxan 550 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Drug International Ltd.
Faxigut 200 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Cosmic Pharma Ltd.
Faxigut 550 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Cosmic Pharma Ltd.
Henlix 20 200 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Advanced Chemical Industries Limited
Henlix 550 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Advanced Chemical Industries Limited
Hepatab 200 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Ibn Sina Pharmaceutical Ind. Ltd.
Hepatab 550 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Ibn Sina Pharmaceutical Ind. Ltd.
Hepaximin 200 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Aristopharma Limited
Hepaximin 550 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Aristopharma Limited
Rifabac 200 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Popular Pharmaceuticals PLC
Rifabac 550 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Popular Pharmaceuticals PLC
Rifagut 200 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Opsonin Pharma Limited
Rifagut 550 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Opsonin Pharma Limited
Rifamax 200 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Incepta Pharmaceuticals Ltd.
Rifamax 550 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Incepta Pharmaceuticals Ltd.
Rifax 200 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Beacon Pharmaceuticals PLC
Rifax 550 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Beacon Pharmaceuticals PLC
Rifaximin 550 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Drug International Ltd., Gopalpur
Rifaxin 550 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন
Ziska Pharmaceuticals Ltd.
রিফাক্সিমিন-এর সব ব্র্যান্ড (৩৩টি)
- Aximin 200 mg ট্যাবলেট
- Aximin 550 mg ট্যাবলেট
- Efaxim 200 mg ট্যাবলেট
- Efaxim 550 mg ট্যাবলেট
- Faxan 200 mg ট্যাবলেট
- Faxan 550 mg ট্যাবলেট
- Faxigut 200 mg ট্যাবলেট
- Faxigut 550 mg ট্যাবলেট
- Henlix 20 200 mg ট্যাবলেট
- Henlix 550 mg ট্যাবলেট
- Hepatab 200 mg ট্যাবলেট
- Hepatab 550 mg ট্যাবলেট
- Hepaximin 200 mg ট্যাবলেট
- Hepaximin 550 mg ট্যাবলেট
- Rifabac 200 mg ট্যাবলেট
- Rifabac 550 mg ট্যাবলেট
- Rifagut 200 mg ট্যাবলেট
- Rifagut 550 mg ট্যাবলেট
- Rifamax 200 mg ট্যাবলেট
- Rifamax 550 mg ট্যাবলেট
- Rifax 200 mg ট্যাবলেট
- Rifax 550 mg ট্যাবলেট
- Rifaximin 550 mg ট্যাবলেট
- Rifaxin 550 mg ট্যাবলেট
- Rifectiv 200 mg ট্যাবলেট
- Rifectiv 550 mg ট্যাবলেট
- Rifexa 200 mg ট্যাবলেট
- Rifexa 550 mg ট্যাবলেট
- Rixamin 200 mg ট্যাবলেট
- Rixamin 550 mg ট্যাবলেট
- Rofagyl 200 mg ট্যাবলেট
- Rofagyl 550 mg ট্যাবলেট
- Xifamin 200 mg ট্যাবলেট
রিফাক্সিমিন কী?
রিফাক্সিমিন বাংলাদেশে বহু ব্র্যান্ড নামে পাওয়া যায় এমন একটি Gut-Selective (Non-Absorbable) Antibiotic ওষুধ। নিচে এর ব্যবহার, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা এবং প্রতিটি ব্র্যান্ড ও তার বর্তমান দাম দেওয়া হলো।
রিফাক্সিমিন কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
যেসব রোগে অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া দমনে উপকার হয়, সেখানে রিফাক্সিমিন ব্যবহৃত হয়:
- ডায়রিয়া-প্রধান আইবিএস (IBS-D)—প্রাপ্তবয়স্কদের ১৪ দিনের কোর্সে পেট ফাঁপা, পাতলা পায়খানা ও পেটের অস্বস্তি কমে
- হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি প্রতিরোধ—দীর্ঘমেয়াদি লিভার রোগে অ্যামোনিয়া-উৎপাদনকারী গাট-ব্যাকটেরিয়া কমাতে, প্রায়ই ল্যাকটুলোজের সাথে, নিয়মিত খেতে হয়
- নন-ইনভেসিভ ই. কোলাইজনিত ট্রাভেলার্স ডায়রিয়া
- চিকিৎসকের বিবেচনায় ক্ষুদ্রান্ত্রের ব্যাকটেরিয়া আধিক্য (SIBO)
জ্বর বা পায়খানায় রক্তসহ ডায়রিয়ায় এটি উপযুক্ত নয়—তেমন ক্ষেত্রে ভিন্ন চিকিৎসা লাগে। চিকিৎসক যে রোগ নির্ণয় করেছেন, কেবল সে জন্যই খান।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
রক্তে খুব সামান্যই প্রবেশ করে বলে রিফাক্সিমিন তুলনামূলক সবচেয়ে সহনীয় অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর একটি। সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
- বমিভাব, পেট ফাঁপা বা কোষ্ঠকাঠিন্য
- মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা বা ক্লান্তি
- পায়ের গোড়ালি ফোলা (পেরিফেরাল ইডিমা)—মূলত লিভার রোগীদের
- কখনও মাংসপেশিতে টান বা গাঁটব্যথা
অ্যালার্জিক ফুসকুড়ি, মুখ-গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, কিংবা কোর্স চলাকালে বা পরে তীব্র পানির মতো ডায়রিয়া (সি. ডিফিসাইল সংক্রমণের সম্ভাব্য লক্ষণ) হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। যে ডায়রিয়ার জন্য খাচ্ছেন তা বেড়ে গেলে, বা জ্বর/পায়খানায় রক্ত দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যান।
সতর্কতা
রিফাক্সিমিন শুধুমাত্র প্রেসক্রিপশনে ব্যবহারযোগ্য। এটি অন্ত্রে থেকে কাজ করলেও অপব্যবহারে প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়—আর বাংলাদেশ এমনিতেই অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স সংকটের গভীরে। চিকিৎসক যে রোগ নির্ণয় করেছেন কেবল সে জন্যই খান এবং পুরো নির্ধারিত কোর্স শেষ করুন; আইবিএস বা এনসেফালোপ্যাথির কোর্স মাঝপথে ছাড়লে সমস্যা আবার ফিরে আসে।
- নিজে নিজে ডায়রিয়ায় রিফাক্সিমিন খাবেন না: জ্বর বা রক্তযুক্ত পায়খানার ডায়রিয়ায় দরকার চিকিৎসকের মূল্যায়ন, এই ওষুধ নয়
- গুরুতর লিভার দুর্বলতা থাকলে জানান—শোষণ কম হলেও তদারকি দরকার
- চিকিৎসার সময় বা পরে তীব্র ডায়রিয়া হলে জানান
- প্রত্যাশিত সময়ে উন্নতি না হলে নিজে কোর্স না বাড়িয়ে চিকিৎসকের কাছে ফিরে যান
অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া
রক্তে প্রায় প্রবেশ করে না বলে রিফাক্সিমিন-এর মিথস্ক্রিয়া অধিকাংশ অ্যান্টিবায়োটিকের চেয়ে কম—তবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সব ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানান, বিশেষত:
- সাইক্লোস্পোরিনসহ শক্তিশালী পি-গ্লাইকোপ্রোটিন ইনহিবিটর: রক্তে রিফাক্সিমিনের মাত্রা বহু গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে
- ওয়ারফারিন: রিফাক্সিমিন শুরু বা বন্ধের সময় আইএনআর বাড়া-কমা দুই-ই দেখা গেছে—বাড়তি আইএনআর পরীক্ষা করানো বুদ্ধিমানের কাজ
- অন্যান্য অ্যান্টিবায়োটিক বা দীর্ঘমেয়াদি পেটের ওষুধ: জানিয়ে রাখুন, যাতে চিকিৎসা ঠিকভাবে সাজানো যায়
খাবারের সাথে উল্লেখযোগ্য মিথস্ক্রিয়া নেই, এবং রিফাম্পিসিনের মতো এনজাইম-উদ্দীপক প্রভাব না থাকায় এটি জন্মনিয়ন্ত্রণ পিলের কার্যকারিতা সেভাবে নষ্ট করে না। তবু কোর্স চলাকালে পরামর্শ ছাড়া নতুন ওষুধ যোগ করবেন না।
প্রতিনির্দেশনা
নিচের ক্ষেত্রে রিফাক্সিমিন খাবেন না:
- রিফাক্সিমিন বা রিফাম্পিসিন-রিফাবিউটিনের মতো কোনো রিফামাইসিন অ্যান্টিবায়োটিকে অ্যালার্জি থাকলে
- অন্ত্রে বাধা (ইনটেস্টিনাল অবস্ট্রাকশন) থাকলে বা সন্দেহ হলে
- তীব্র জ্বর বা পায়খানায় রক্তসহ ডায়রিয়ায়—এ অবস্থায় দরকার জরুরি চিকিৎসা-মূল্যায়ন, অন্ত্র-লক্ষ্যী অ্যান্টিবায়োটিক নয়
গুরুতর লিভার দুর্বলতায় (চাইল্ড-পিউ সি) কেবল চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করুন, যদিও লিভার রোগে ওষুধটি বহুল ব্যবহৃত। রিফাক্সিমিন শুরুর আগে অ্যালার্জি, পেট-অন্ত্রের ইতিহাস ও বর্তমান উপসর্গের পূর্ণ বিবরণ চিকিৎসককে দিন।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থা: রিফাক্সিমিন খুব সামান্য শোষিত হলেও প্রাণী-গবেষণায় ভ্রূণের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব দেখা গেছে; তাই চিকিৎসক স্পষ্ট প্রয়োজন মনে না করলে গর্ভাবস্থায় রিফাক্সিমিন এড়িয়ে চলুন। গর্ভবতী হলে বা পরিকল্পনা থাকলে শুরুর আগে জানান।
স্তন্যদান: বুকের দুধে রিফাক্সিমিন কতটা যায় জানা নেই, তবে মায়ের রক্তেই যেহেতু খুব কম ঢোকে, দুধে মাত্রা খুবই কম হওয়ার কথা। স্তন্যদানকালে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করে নিন—চিকিৎসার উপকার বনাম শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায়। শিশুর খাওয়ায় পরিবর্তন বা ডায়রিয়া হলে জানান।
সংরক্ষণ
রিফাক্সিমিন ৩০° সেলসিয়াসের নিচে শুকনো জায়গায়, সরাসরি রোদ ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। বাংলাদেশের আর্দ্র মৌসুমে স্ট্রিপটি মূল বাক্সে ভরে ঠান্ডা আলমারিতে রাখুন—বাথরুমে বা রান্নাঘরের চুলার কাছে নয়। সব ওষুধ শিশুদের নাগাল ও দৃষ্টির বাইরে রাখুন।
- ট্যাবলেট খোলা পাত্রে ঢালবেন না; মূল ব্লিস্টারই আর্দ্রতা থেকে রক্ষা করে
- স্ট্রিপ বা বাক্সে লেখা মেয়াদ পেরোলে রিফাক্সিমিন ব্যবহার করবেন না
- অব্যবহৃত ট্যাবলেট ময়লা বা ড্রেনে না ফেলে ফার্মেসিতে ফেরত দিন—এতে অ্যান্টিবায়োটিক দূষণ ও রেজিস্ট্যান্স কমে
রিফাক্সিমিন নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা
রিফাক্সিমিন কি অন্য অ্যান্টিবায়োটিকের মতো সারা শরীরে ছড়ায়?
না—আর এটিই এর বিশেষত্ব। রিফাক্সিমিনের ১ শতাংশেরও কম রক্তে শোষিত হয়; বাকিটা অন্ত্রের ভেতরে থেকে যায়, যেখানে সমস্যার ব্যাকটেরিয়াগুলো থাকে। এই অন্ত্র-লক্ষ্যী কার্যপদ্ধতির জন্যই আইবিএস-ডি, হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি ও কিছু অন্ত্রের সংক্রমণে চিকিৎসকরা রিফাক্সিমিন বেছে নেন, এবং এ কারণেই সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিকের চেয়ে এর সর্বাঙ্গীণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম। এর মানে এ-ও যে বুক, প্রস্রাব, ত্বক বা গলার সংক্রমণে রিফাক্সিমিন কাজ করবে না—সেসবে ভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক লাগে।
পাঁচ দিনেই পেট ভালো লাগছে—রিফাক্সিমিন কি আগে বন্ধ করা যাবে?
না। আইবিএস-ডির ১৪ দিনের কোর্স হোক বা এনসেফালোপ্যাথি ঠেকানোর দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা—রিফাক্সিমিন-এর উপকার নির্ভর করে চিকিৎসকের ঠিক করা সময়সূচি সম্পূর্ণ করার ওপর। আগে বন্ধ করলে সমস্যার গাট-ব্যাকটেরিয়া আবার বেড়ে ওঠে, উপসর্গ প্রায়ই সরাসরি ফিরে আসে, আর আধা-আক্রমণে বেঁচে যাওয়া ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী হওয়ার সুযোগ পায়—যা বাংলাদেশে এমনিতেই জাতীয় সংকট। দ্রুত উন্নতি হলে বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে কিছু বদলানোর আগে চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন।
ডায়রিয়া হলেই কি নিজে নিজে রিফাক্সিমিন খাওয়া যাবে?
না। রিফাক্সিমিন কেবল নির্দিষ্ট কিছু রোগে কাজ করে—আইবিএস-ডি, হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি প্রতিরোধ এবং নন-ইনভেসিভ জীবাণুর ট্রাভেলার্স ডায়রিয়া। জ্বর, পায়খানায় রক্ত বা আম, কিংবা তীব্র পানিশূন্যতাসহ ডায়রিয়া মানে ইনভেসিভ সংক্রমণ (বা অন্য রোগ), যা এই অন্ত্র-লক্ষ্যী ওষুধে সারে না—আর সঠিক চিকিৎসায় দেরি বিপজ্জনক। বাংলাদেশে অধিকাংশ তীব্র ডায়রিয়ায় প্রথম দরকার খাবার স্যালাইন (ওআরএস) ও তরল, অ্যান্টিবায়োটিক নয়। রোগ নির্ণয়ে চিকিৎসকের কাছে যান; রিফাক্সিমিন তখনই খান যখন সত্যিই প্রেসক্রাইব করা হয়।
রিফাক্সিমিন-এর সাধারণ তথ্য — একই উপাদানের সব ওষুধের জন্য একটি টেমপ্লেট থেকে ChamberBD কনটেন্ট টিম লিখেছে। এই পাতাটি কোনো চিকিৎসক আলাদাভাবে পর্যালোচনা করেননি; এটি ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয় — সবসময় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন মেনে চলুন।