ChamberBD Logo ChamberBD

জেনেরিক

মিউপিরোসিন

বাংলাদেশে মিউপিরোসিন জেনেরিকের ব্র্যান্ড ওষুধসমূহ — দাম, শক্তি ও প্রস্তুতকারক তুলনা করুন।

32টি ওষুধের মধ্যে 1–24 দেখানো হচ্ছে

Bacron 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Biopharma Ltd.

Bactoderm 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Unimed Unihealth Pharmaceuticals Ltd.

Bactofree 2% 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Albion Laboratories Ltd.

Bactover 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Beacon Pharmaceuticals PLC

Bactriben 2% 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

DBL Pharmaceuticals Limited

Bactroban 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

GlaxoSmithKline Bangladesh Ltd.

Bactrobex 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Beximco Pharmaceuticals Ltd.

Bactrocin 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Square Pharmaceuticals PLC, Pabna

Batrocin 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Supreme Pharmaceuticals Ltd.

Dermaskin 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Zenith Pharmaceuticals Ltd.

Dermoban 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Opsonin Pharma Limited

Dermupin 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

The ACME Laboratories Ltd.

Emcin 20% Ointment 100 mg/5 gm Ointment — Mupirocin

Emcin 20% Ointment 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Ethical Drug Ltd.

৳135.00 প্রতি ইউনিট

Muderm 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Globe Pharmaceuticals Ltd.

Mupi 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Alco Pharma Limited

Mupibac 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Pharmasia Ltd.

Mupicin 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Orion Pharma Ltd.

Mupiderm 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Healthcare Pharmaceuticals Ltd.

Mupiron 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Eskayef Pharmaceuticals Ltd., Narayanganj

Mupiskin 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Euro Pharma Ltd.

Mupitas 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Kumudini Pharma Ltd.

MUPITOP 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Renata PLC

Murocin 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Kemiko Pharmaceuticals Ltd.

Muron 100 mg/5 gm Ointment

মিউপিরোসিন

Drug International Ltd.

মিউপিরোসিন কী?

মিউপিরোসিন বাংলাদেশে বহু ব্র্যান্ড নামে পাওয়া যায় এমন একটি Topical antibiotic ওষুধ। নিচে এর ব্যবহার, সেবনমাত্রা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা এবং সব ব্র্যান্ডের বর্তমান দাম দেওয়া হলো।

মিউপিরোসিন কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

মিউপিরোসিন ত্বকের ছোট জায়গার ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়, যেমন:

  • ইমপেটিগো — শিশুদের মধ্যে সাধারণ, মধু-রঙা মামড়িযুক্ত ঘা, প্রায়ই নাক-মুখের চারপাশে
  • সংক্রমিত ছোট কাটা, আঁচড়, ছিলে যাওয়া ও ছোটখাটো ক্ষত
  • ফলিকিউলাইটিস — লোমকূপের সংক্রমণ ও খুব ছোট ফোঁড়া
  • চিকিৎসকের পরামর্শে পরে সংক্রমিত হয়ে পড়া ত্বকের সমস্যা — যেমন একজিমা বা পোকার কামড়ে সংক্রমণ

নাকের ভেতরে বাসা বাঁধা স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস দূর করতে চিকিৎসকের নির্দেশে আলাদা ন্যাজাল মলম ব্যবহৃত হয়। মিউপিরোসিন শুধু ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে কাজ করে — ছত্রাক বা ভাইরাসজনিত ত্বকের সমস্যায় নয়।

সেবনবিধি ও মাত্রা

আক্রান্ত জায়গায় অল্প পরিমাণ মিউপিরোসিন দিনে ২–৩ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শমতো লাগান।

  • লাগানোর আগে ও পরে হাত ধুয়ে নিন; প্রথমে জায়গাটি আলতোভাবে পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিন
  • পরিষ্কার আঙুল, কটন বাড বা গজ দিয়ে পাতলা প্রলেপ দিন; চিকিৎসক সম্মতি দিলে হালকা গজ ব্যান্ডেজে ঢেকে রাখা যায়
  • স্বাভাবিক কোর্স ৫–১০ দিন — এর বেশি ব্যবহার করবেন না
  • কেবল ত্বকের ছোট জায়গায় ব্যবহার করুন; বড় ক্ষত বা পোড়ার জন্য এটি নয়
  • শিশুদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে ব্যবহার করুন

৩–৫ দিনে সংক্রমণের উন্নতি না হলে আবার চিকিৎসকের কাছে যান। ত্বক আগে ভালো দেখালেও নির্ধারিত কোর্স শেষ করুন, যাতে সংক্রমণ ফিরে না আসে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

মিউপিরোসিন সাধারণত ভালোভাবে সহনীয়। সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, যা মূলত লাগানোর জায়গাতেই সীমাবদ্ধ:

  • লাগানোর পরপরই জ্বালা বা হুল ফোটানো অনুভূতি
  • চুলকানি
  • ত্বকে লালভাব বা শুষ্কতা
  • বিরল ক্ষেত্রে — অ্যালার্জিক কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস: ফোলা, ফোসকা বা ছড়িয়ে পড়া র‍্যাশ

হালকা জ্বালা সাধারণত কয়েক মিনিটেই কমে যায়। জ্বালা তীব্র হলে বা বাড়তে থাকলে, চিকিৎসা করা জায়গা আরও ফুলে ব্যথা করলে, কিংবা মিউপিরোসিন ব্যবহারের পর মুখ ফুলে যাওয়া বা শ্বাসকষ্টের মতো সার্বিক অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে মলম বন্ধ করে চিকিৎসককে জানান

সতর্কতা

  • শুধু ছোট জায়গায়, স্বল্পমেয়াদি কোর্সে ব্যবহার করুন। দীর্ঘ বা বারবার ব্যবহারে প্রতিরোধী (রেজিস্ট্যান্ট) ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়, ফলে মূল্যবান এই অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করে না — যেকোনো ফুসকুড়ি বা ছিলে যাওয়ায় যখন-তখন ব্যবহার করবেন না
  • বড় খোলা ক্ষত বা পোড়ায় লাগাবেন না — মলমের বেস (পলিইথিলিন গ্লাইকল) ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক দিয়ে শোষিত হয়ে কিডনির ক্ষতি করতে পারে, বিশেষত কিডনি রোগীদের
  • চোখে ও নাকের ভেতরে লাগাবেন না (বিশেষ ন্যাজাল প্রস্তুতি দেওয়া না হলে); লেগে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন
  • শরীরে নল বা ক্যানুলা ঢোকার জায়গায় ব্যবহার করবেন না
  • এটি শুধু ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের চিকিৎসা — সমস্যাটি ছত্রাক, ভাইরাস বা অন্য কিছু হতে পারে মনে হলে চিকিৎসক দেখান
  • সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে বা জ্বর এলে চিকিৎসকের কাছে যান — খাওয়ার অ্যান্টিবায়োটিক লাগতে পারে

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

মিউপিরোসিন ত্বকের উপরিভাগে কাজ করে এবং রক্তে প্রায় কিছুই প্রবেশ করে না, তাই ট্যাবলেট, ক্যাপসুল বা ইনজেকশনের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য মিথস্ক্রিয়ার আশঙ্কা কম। ব্যবহারিক বিষয়:

  • অন্যান্য ক্রিম ও মলম — একই জায়গায় একই সময়ে অন্য ত্বকের পণ্য মেশাবেন না বা স্তর করে লাগাবেন না; এতে অ্যান্টিবায়োটিক পাতলা হয়ে কার্যকারিতা কমে যায়। চিকিৎসকের পরামর্শমতো সময়ের ব্যবধান রাখুন
  • অন্য টপিক্যাল অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক — একসঙ্গে ব্যবহারে সাধারণত লাভ নেই; কেবল চিকিৎসকের পরামর্শেই করুন

বরাবরের মতো, মিউপিরোসিন শুরুর আগে আপনার সব ওষুধ ও ত্বকের পণ্যের কথা চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।

প্রতিনির্দেশনা

নিচের ক্ষেত্রে মিউপিরোসিন ব্যবহার করবেন না:

  • মিউপিরোসিন বা মলম/ক্রিমের অন্য কোনো উপাদানে — পলিইথিলিন গ্লাইকল বেসসহ — অ্যালার্জি থাকলে
  • আগে এই ওষুধে ত্বকের বা অ্যালার্জির তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়ে থাকলে

চোখে, বড় বা গভীর ক্ষতে, মারাত্মক পোড়ায় কিংবা শরীরে ঢোকানো মেডিকেল ডিভাইসের জায়গায় লাগাবেন না। বড় কাঁচা ক্ষতের ক্ষেত্রে মাঝারি থেকে গুরুতর কিডনি রোগে সতর্ক থাকুন, কারণ মলমের বেস শোষিত হতে পারে। আপনার ক্ষতের জন্য মিউপিরোসিন উপযুক্ত কি না নিশ্চিত না হলে আগে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জিজ্ঞেস করুন।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

গর্ভাবস্থায়: অক্ষত ত্বক দিয়ে মিউপিরোসিন প্রায় শোষিতই হয় না, তাই ছোট জায়গার চিকিৎসায় শিশুর ক্ষতির আশঙ্কা নেই বললেই চলে। তবু গর্ভাবস্থায় মিউপিরোসিন কেবল চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে এবং ঠিক নির্দেশমতো ব্যবহার করুন।

স্তন্যদানকালে: ত্বকে ব্যবহার স্তন্যদানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ধরা হয়। সংক্রমণ স্তনবৃন্তে বা তার কাছে হলে চিকিৎসককে না জিজ্ঞেস করে সেই পাশ থেকে দুধ খাওয়াবেন না — খাওয়ানোর আগে জায়গাটি ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে যাতে মলম শিশুর পেটে না যায়; চিকিৎসক দুধ খাওয়ানোর ফাঁকে ফাঁকে কখন লাগাবেন তা বলে দিতে পারেন।

সংরক্ষণ

মিউপিরোসিন ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে ঠান্ডা ও শুকনো জায়গায়, সরাসরি রোদ থেকে দূরে রাখুন। ফ্রিজে জমাবেন না।

  • ব্যবহারের পর টিউবের মুখ ভালোভাবে বন্ধ রাখুন
  • শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন
  • টিউব বা প্যাকেটে লেখা মেয়াদ পেরোলে ব্যবহার করবেন না
  • প্রথম খোলার পর লেবেলে লেখা সময়ের মধ্যে ব্যবহার শেষ করুন; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বেঁচে যাওয়া মলম পরের সংক্রমণের জন্য রেখে দেবেন না

মিউপিরোসিন নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা

ব্রণ বা পিম্পলে কি মিউপিরোসিন ব্যবহার করা যাবে?

না — মিউপিরোসিন ব্রণের চিকিৎসা নয়। ব্রণ হয় তেলগ্রন্থি বন্ধ হয়ে এবং ভিন্ন এক জীবাণুর কারণে; মিউপিরোসিনের মতো শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক যখন-তখন ব্রণে মাখলে লাভ প্রায় হয় না, বরং ত্বকে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়। এটি কেবল ইমপেটিগো ও সংক্রমিত ক্ষতের মতো সত্যিকারের ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে, স্বল্পমেয়াদি কোর্সে ব্যবহারের জন্য তুলে রাখা উচিত। ব্রণের জন্য চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের কাছ থেকে সঠিক চিকিৎসা — যেমন বেনজয়েল পারক্সাইড, রেটিনয়েড বা প্রেসক্রাইব করা ওষুধ — নিন।

মিউপিরোসিন কত দিন পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়?

সাধারণত ৫ থেকে ১০ দিন — চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া এর বেশি নয়। ছোট জায়গায় স্বল্পমেয়াদি, সম্পূর্ণ কোর্সে ব্যবহারেই মিউপিরোসিন সবচেয়ে ভালো কাজ করে। সপ্তাহের পর সপ্তাহ, বারবার বা বড় জায়গাজুড়ে ব্যবহারে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী হয়ে ওঠে — তখন সত্যিকারের প্রয়োজনের সময় ওষুধটি আপনার বা পরিবারের কাজে না-ও লাগতে পারে। ৩–৫ দিনে সংক্রমণের স্পষ্ট উন্নতি না হলে, বা কোর্স শেষেও পুরোপুরি না সারলে, মিউপিরোসিন চালিয়ে না গিয়ে আবার চিকিৎসকের কাছে যান।

বড় কাটা, ক্ষত বা পোড়া জায়গায় কি মিউপিরোসিন লাগানো যাবে?

না। মিউপিরোসিন কেবল ত্বকের ছোট সংক্রমিত জায়গার জন্য। বড়, গভীর বা পোড়া জায়গায় ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক দিয়ে মলমের পলিইথিলিন গ্লাইকল বেস উল্লেখযোগ্য পরিমাণে শোষিত হতে পারে, যা কিডনির জন্য ক্ষতিকর — বিশেষত আগে থেকেই কিডনির সমস্যা থাকলে, বয়স্কদের এবং ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে। তা ছাড়া বড় ক্ষত ও পোড়ায় দরকার সঠিক পরিচ্ছন্নতা, ড্রেসিং এবং প্রায়ই খাওয়ার বা ইনজেকশনের অ্যান্টিবায়োটিক — তাই এসব ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের মূল্যায়ন ও ব্যবস্থাপনা লাগবে।

এটি সাধারণ ওষুধ-তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয় — সবসময় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন মেনে চলুন।