ChamberBD Logo ChamberBD

জেনেরিক

মেট্রোনিডাজল

বাংলাদেশে মেট্রোনিডাজল জেনেরিকের ব্র্যান্ড ওষুধসমূহ — দাম, শক্তি ও প্রস্তুতকারক তুলনা করুন।

358টি ওষুধের মধ্যে 1–24 দেখানো হচ্ছে

Acimetro Vet 30 gm/100 gm Water Soluble Powder

মেট্রোনিডাজল

Advanced Chemical Industries Limited

Adis-400 400 mg Tablet

মেট্রোনিডাজল

Avert Pharma Ltd.

Adzyl 2 gm Bolus

মেট্রোনিডাজল

Advent Pharma Ltd.

Al-Metro 2 gm Bolus

মেট্রোনিডাজল

Albion Laboratories Ltd.

Al-Metro 500 500 mg Tablet

মেট্রোনিডাজল

Albion Laboratories Ltd.

Alkazol 200 mg/5 ml Suspension

মেট্রোনিডাজল

Alkad Laboratories

Almazole 200 mg Tablet

মেট্রোনিডাজল

Eastern Drug Co. (Pvt.) Ltd.

Almazole 400 mg Tablet

মেট্রোনিডাজল

Eastern Drug Co. (Pvt.) Ltd.

Almazole 200 mg/5 ml Suspension

মেট্রোনিডাজল

Eastern Drug Co. (Pvt.) Ltd.

Ameryl 400 mg Tablet

মেট্রোনিডাজল

KDH Laboratories Ltd.

Ameryl 200 mg/5 ml Suspension

মেট্রোনিডাজল

KDH Laboratories Ltd.

Ametri 400 mg Tablet

মেট্রোনিডাজল

United Chemicals & Pharmaceuticals Ltd.

Ametrol 800 mg Tablet

মেট্রোনিডাজল

Ambee Pharmaceuticals Ltd.

Amezol 400 mg Tablet

মেট্রোনিডাজল

Cosmic Pharma Ltd.

৳1.25 প্রতি ইউনিট

Amezol 200 mg/5 ml Suspension

মেট্রোনিডাজল

Cosmic Pharma Ltd.

৳24.21 প্রতি ইউনিট

Amirid 400 mg Tablet

মেট্রোনিডাজল

Veritas Pharmaceuticals Ltd.

Amobin 200 mg Tablet

মেট্রোনিডাজল

Doctor's Chemicals Works Ltd.

৳0.53 প্রতি ইউনিট

Amobin 400 mg Tablet

মেট্রোনিডাজল

Doctor's Chemicals Works Ltd.

৳1.14 প্রতি ইউনিট

Amobin 200 mg/5 ml Suspension

মেট্রোনিডাজল

Doctor's Chemicals Works Ltd.

৳24.00 প্রতি ইউনিট

Amodis 200 mg Tablet

মেট্রোনিডাজল

Square Pharmaceuticals PLC, Pabna

Amodis 400 mg Tablet — Metronidazole

Amodis 400 mg Tablet

মেট্রোনিডাজল

Square Pharmaceuticals PLC, Pabna

৳1.70 প্রতি ইউনিট

Amodis 500 mg Tablet

মেট্রোনিডাজল

Square Pharmaceuticals PLC, Pabna

Amodis 800 mg Tablet

মেট্রোনিডাজল

Square Pharmaceuticals PLC, Pabna

Amodis 200 mg/5 ml Suspension — Metronidazole

Amodis 200 mg/5 ml Suspension

মেট্রোনিডাজল

Square Pharmaceuticals PLC, Pabna

৳35.00 প্রতি ইউনিট

মেট্রোনিডাজল কী?

মেট্রোনিডাজল বাংলাদেশে বহু ব্র্যান্ড নামে পাওয়া যায় এমন একটি Antiprotozoal & Antibacterial (Nitroimidazole) ওষুধ। নিচে এর ব্যবহার, সেবনমাত্রা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা এবং সব ব্র্যান্ডের বর্তমান দাম দেওয়া হলো।

মেট্রোনিডাজল কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

  • আমাশয় (অ্যামিবিক ডিসেন্ট্রি) ও লিভারে অ্যামিবিক ফোড়া
  • জিয়ার্ডিয়াসিস (অন্ত্রের জিয়ার্ডিয়া সংক্রমণ)
  • ট্রাইকোমোনিয়াসিস ও ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস
  • অ্যানারোবিক ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ (দাঁত, পেট, পেলভিক)
  • হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি নির্মূল (কম্বিনেশন চিকিৎসার অংশ হিসেবে)
  • কিছু অপারেশনের পর সংক্রমণ প্রতিরোধ

সেবনবিধি ও মাত্রা

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মেট্রোনিডাজল সেবন করুন। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে সংক্রমণভেদে সাধারণত দিনে ২–৩ বার ৪০০–৮০০ মি.গ্রা. করে ৫–১০ দিন দেওয়া হয়। খাবারের সাথে বা পরে খেলে পেটের অস্বস্তি কম হয়। শিশুদের ডোজ ওজন অনুযায়ী চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন।

মেট্রোনিডাজল একটি অ্যান্টিবায়োটিক — ভালো বোধ করলেও পুরো কোর্স শেষ করুন এবং প্রেসক্রিপশন ছাড়া কখনো খাবেন না। কোর্স অসম্পূর্ণ রাখলে সংক্রমণ ফিরে আসতে পারে এবং অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

মেট্রোনিডাজলের সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বমিভাব, মুখে ধাতব বা তেতো স্বাদ, ক্ষুধামন্দা, পেটের অস্বস্তি ও মাথাব্যথা। প্রস্রাবের রং সামান্য গাঢ় হতে পারে, যা ক্ষতিকর নয়। কখনো কখনো মাথা ঘোরা বা মুখে ঘা হতে পারে। দীর্ঘদিন বা বেশি মাত্রায় খেলে বিরল ক্ষেত্রে হাত-পায়ে ঝিনঝিন বা অবশভাব হতে পারে — এমন হলে ওষুধ বন্ধ করে চিকিৎসককে জানান। র‍্যাশ, মুখ ফুলে যাওয়া বা খিঁচুনি হলে দ্রুত হাসপাতালে যান।

সতর্কতা

মেট্রোনিডাজল চলাকালীন এবং শেষ ডোজের পর অন্তত ৪৮ ঘণ্টা সম্পূর্ণভাবে অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন — একসাথে নিলে মুখ লাল হওয়া, বমি, বুক ধড়ফড় ও তীব্র মাথাব্যথাসহ মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হয়। লিভারের রোগ, রক্তের সমস্যা, খিঁচুনি বা স্নায়ুর সমস্যার ইতিহাস থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন। ১০ দিনের বেশি চিকিৎসা চললে চিকিৎসক রক্ত পরীক্ষা করাতে পারেন। আপনার সব ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানান এবং এই অ্যান্টিবায়োটিক অন্য কারো সাথে ভাগ করবেন না।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

মেট্রোনিডাজল অ্যালকোহলের সাথে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া করে (সম্পূর্ণ নিষেধ), ওয়ারফারিন ও অন্যান্য রক্ত পাতলাকারী ওষুধের সাথে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়, লিথিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, এবং ফেনিটয়েন ও ফেনোবারবিটালের সাথে পারস্পরিক প্রভাব ফেলে। ডিসালফিরামের সাথে নিলে মানসিক বিভ্রান্তি হতে পারে। মেট্রোনিডাজল শুরুর আগে আপনার সেবন করা সব ওষুধ, ভেষজ ও সাপ্লিমেন্টের কথা চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্টকে জানান।

প্রতিনির্দেশনা

মেট্রোনিডাজল বা অন্য নাইট্রোইমিডাজল জাতীয় ওষুধে অ্যালার্জি থাকলে এটি ব্যবহার করা যাবে না। গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে সাধারণত এড়িয়ে চলা হয়। সাম্প্রতিক অ্যালকোহল সেবন বা গত দুই সপ্তাহে ডিসালফিরাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি নিষিদ্ধ। গুরুতর লিভারের রোগ ও সক্রিয় স্নায়ুরোগে চিকিৎসকের বিবেচনা ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

গর্ভাবস্থা: প্রথম তিন মাসে এড়িয়ে চলুন। পরবর্তী সময়ে কেবল চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলেই ব্যবহার করা যায়। স্তন্যদান: ওষুধটি বুকের দুধে যায় এবং দুধের স্বাদ তেতো করতে পারে। একক বড় ডোজের ক্ষেত্রে চিকিৎসকেরা সাধারণত ১২–২৪ ঘণ্টা স্তন্যদান বন্ধ রাখতে বলেন। গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সংরক্ষণ

৩০° সেলসিয়াসের নিচে ঠান্ডা ও শুকনো জায়গায়, সরাসরি রোদ থেকে দূরে রাখুন। ওষুধ মূল প্যাকেটে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ব্যবহার করবেন না। সাসপেনশন ব্যবহারের আগে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন এবং লেবেলের নির্দেশনা অনুযায়ী সংরক্ষণ করুন।

মেট্রোনিডাজল নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা

মেট্রোনিডাজল খাওয়ার সময় কি অ্যালকোহল পান করা যাবে?

না, একেবারেই না। মেট্রোনিডাজলের সাথে অ্যালকোহল নিলে মুখ লাল হওয়া, বমি, বুক ধড়ফড় ও তীব্র মাথাব্যথাসহ মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হয়। চিকিৎসা চলাকালীন এবং মেট্রোনিডাজল এর শেষ ডোজের পর অন্তত ৪৮ ঘণ্টা অ্যালকোহল সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলুন।

ডায়রিয়া বা ব্যথা কমে গেলে কি মেট্রোনিডাজল বন্ধ করা যাবে?

না। মেট্রোনিডাজল একটি অ্যান্টিবায়োটিক, তাই কয়েক দিনে উপসর্গ কমে গেলেও চিকিৎসকের দেওয়া পুরো কোর্স শেষ করতে হবে। আগে বন্ধ করলে অ্যামিবা বা ব্যাকটেরিয়া বেঁচে যেতে পারে, সংক্রমণ ফিরে আসে এবং চিকিৎসা কঠিন হয়ে পড়ে।

মেট্রোনিডাজল খাওয়ার পর মুখে ধাতব স্বাদ লাগে কেন?

মুখে ধাতব বা তেতো স্বাদ মেট্রোনিডাজল এর সক্রিয় উপাদান মেট্রোনিডাজলের খুব সাধারণ ও নিরীহ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। কোর্স শেষ হলে এটি চলে যায়। খাবারের সাথে ওষুধ খাওয়া, প্রচুর পানি পান করা বা চিনিমুক্ত চুইংগাম চিবানো এই সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

এটি সাধারণ ওষুধ-তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয় — সবসময় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন মেনে চলুন।