ChamberBD Logo ChamberBD

জেনেরিক

ইট্রাকোনাজল

বাংলাদেশে ইট্রাকোনাজল জেনেরিকের ব্র্যান্ড ওষুধসমূহ — দাম, শক্তি ও প্রস্তুতকারক তুলনা করুন।

56টি ওষুধের মধ্যে 1–24 দেখানো হচ্ছে

Azonox 100 mg 100 mg Capsule

ইট্রাকোনাজল

Opsonin Pharma Limited

৳15.10 প্রতি ইউনিট
Azonox 200 200 mg Tablet — Itraconazole

Azonox 200 200 mg Tablet

ইট্রাকোনাজল

Opsonin Pharma Limited

৳28.00 প্রতি ইউনিট

Azonox Ultra 65 65 mg Capsule

ইট্রাকোনাজল

Opsonin Pharma Limited

Azonox Vet 10 mg/ml Oral Solution

ইট্রাকোনাজল

Opsonin Pharma Limited

Candifast 100 mg Capsule

ইট্রাকোনাজল

Everest Pharmaceuticals Ltd.

Candifast SB 65 mg Capsule — Itraconazole

Candifast SB 65 mg Capsule

ইট্রাকোনাজল

Everest Pharmaceuticals Ltd.

৳20.00 প্রতি ইউনিট

Canditra SB 65 65 mg Capsule

ইট্রাকোনাজল

Sharif Pharmaceuticals Ltd.

Icand 100 100 mg Capsule

ইট্রাকোনাজল

Biopharma Ltd.

ICAND 200 200 mg Tablet

ইট্রাকোনাজল

Biopharma Ltd.

Iconal 100 mg Capsule — Itraconazole

Iconal 100 mg Capsule

ইট্রাকোনাজল

Kemiko Pharmaceuticals Ltd.

৳15.04 প্রতি ইউনিট

Irafast 200mg 200 mg Tablet

ইট্রাকোনাজল

Healthcare Pharmaceuticals Ltd.

Itazol 200 Tablet 200 mg Tablet

ইট্রাকোনাজল

Drug International Ltd., Gopalpur

Itazol Oral Solution 10 mg/ml Oral Solution

ইট্রাকোনাজল

Drug International Ltd., Gopalpur

Itcon 100 100 mg Capsule — Itraconazole

Itcon 100 100 mg Capsule

ইট্রাকোনাজল

Novatek Pharmaceuticals Ltd.

৳14.00 প্রতি ইউনিট
Itcon 200 200 mg Tablet — Itraconazole

Itcon 200 200 mg Tablet

ইট্রাকোনাজল

Novatek Pharmaceuticals Ltd.

৳28.00 প্রতি ইউনিট

Itol 100 mg Capsule

ইট্রাকোনাজল

Ultra Pharma Ltd.

Itra 100 mg Capsule — Itraconazole

Itra 100 mg Capsule

ইট্রাকোনাজল

Square Lifesciences Limited, Pabna

৳15.10 প্রতি ইউনিট

Itra 10 mg/ml Oral Solution

ইট্রাকোনাজল

Square Pharmaceuticals PLC, Pabna

Itra SUBA 65 65 mg Capsule — Itraconazole

Itra SUBA 65 65 mg Capsule

ইট্রাকোনাজল

Square Pharmaceuticals PLC, Gazipur

৳15.00 প্রতি ইউনিট
Itracap 100 mg Capsule — Itraconazole

Itracap 100 mg Capsule

ইট্রাকোনাজল

Benham Pharmaceuticals Ltd.

৳17.00 প্রতি ইউনিট

Itracap 10 mg/ml Oral Solution

ইট্রাকোনাজল

Benham Pharmaceuticals Ltd.

Itracap 200 Tablet 200 mg Tablet

ইট্রাকোনাজল

Benham Pharmaceuticals Ltd.

৳25.00 প্রতি ইউনিট

Itracare 100 SB Capsule 100 mg Capsule

ইট্রাকোনাজল

Delta Pharma Limited

৳20.00 প্রতি ইউনিট

Itracare 65 SB Capsule 65 mg Capsule

ইট্রাকোনাজল

Delta Pharma Limited

ইট্রাকোনাজল কী?

ইট্রাকোনাজল বাংলাদেশে বহু ব্র্যান্ড নামে পাওয়া যায় এমন একটি Triazole Antifungal ওষুধ। নিচে এর ব্যবহার, সেবনমাত্রা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা এবং সব ব্র্যান্ডের বর্তমান দাম দেওয়া হলো।

ইট্রাকোনাজল কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

ইট্রাকোনাজল যেসব ছত্রাক সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়:

  • শরীর, কুঁচকি, পা ও হাতের দাদ (টিনিয়া/রিংওয়ার্ম)—বিশেষত ছড়িয়ে পড়া, বারবার ফেরা বা স্টেরয়েড ক্রিমে জটিল হয়ে ওঠা কেস, যা এখন সারা বাংলাদেশে অতি সাধারণ
  • ছুলি (পিটিরিয়াসিস ভার্সিকলার)—গায়ে হালকা বা গাঢ় ছোপ
  • আঙুল ও পায়ের নখের ছত্রাক (অনাইকোমাইকোসিস)
  • মুখ, খাদ্যনালি ও যোনিপথের ক্যানডিডা সংক্রমণ
  • হিস্টোপ্লাজমোসিসের মতো গুরুতর সিস্টেমিক ছত্রাকরোগ, বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে

রোগ নির্ণয় চিকিৎসকই নিশ্চিত করবেন—অনেক র‍্যাশ ছত্রাকের মতো দেখায়—এবং ত্বক, নখ ও অভ্যন্তরীণ সংক্রমণভেদে চিকিৎসার মেয়াদও ভিন্ন।

সেবনবিধি ও মাত্রা

ইট্রাকোনাজল ক্যাপসুল ভরপেট খাবারের পরপরই খান, সম্ভব হলে কোলার মতো অ্যাসিডিক পানীয়সহ—শোষণের জন্য পাকস্থলীর অ্যাসিড অপরিহার্য। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা:

  • শরীর/কুঁচকির দাদ: ১০০ মি.গ্রা. দিনে একবার ১৫ দিন, বা ২০০ মি.গ্রা. দিনে একবার ৭ দিন
  • পা/হাতের দাদ: ১০০ মি.গ্রা. দিনে একবার ৩০ দিন, বা ২০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার ৭ দিন
  • ছুলি: ২০০ মি.গ্রা. দিনে একবার ৭ দিন
  • নখের ছত্রাক: পালস থেরাপি—মাসে ১ সপ্তাহ ২০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার; আঙুলের নখে ২ মাস, পায়ের নখে ৩ মাস—অথবা টানা ৩ মাস দৈনিক ২০০ মি.গ্রা.

২ ঘণ্টার মধ্যে অ্যান্টাসিড বা গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাবেন না। শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার ব্যতিক্রমী—কেবল বিশেষজ্ঞের সিদ্ধান্তে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

অধিকাংশ মানুষ ইট্রাকোনাজল-এর কোর্স নির্বিঘ্নে শেষ করেন। সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

  • বমিভাব, পেটব্যথা, বদহজম বা ডায়রিয়া
  • মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা
  • ফুসকুড়ি বা চুলকানি; স্বাদের পরিবর্তন
  • রক্ত পরীক্ষায় লিভার এনজাইম সাময়িক বৃদ্ধি

লিভার ক্ষতির লক্ষণ—খাওয়ায় অরুচি, একটানা বমিভাব, গাঢ় প্রস্রাব, ফ্যাকাশে পায়খানা বা চোখ হলুদ—কিংবা হার্ট ফেইলিউরের লক্ষণ—অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্ট, পা ফোলা, দ্রুত ওজন বাড়া, চিত হয়ে শুতে না পারা—দেখা দিলে ওষুধ বন্ধ করে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসকের কাছে যান। বিরল ক্ষেত্রে শ্রবণশক্তি কমা বা হাত-পায়ে ঝিনঝিন হতে পারে; তা-ও জানান।

সতর্কতা

স্টেরয়েড-মেশানো তথাকথিত "ম্যাজিক" ক্রিম আর অসমাপ্ত অ্যান্টিফাঙ্গাল কোর্সের কারণে বাংলাদেশ আজ ওষুধ-প্রতিরোধী দাদের মহামারির সাথে লড়ছে। তাই ইট্রাকোনাজল-এর নিয়ম কঠোর: প্রথম সপ্তাহে র‍্যাশ মিলিয়ে গেলেও কয়েক সপ্তাহের পুরো কোর্স প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী শেষ করুন—ছোট কোর্সে বেঁচে যাওয়া ছত্রাক ফিরে আসে আরও কঠিন রূপে।

  • চিকিৎসকের সুনির্দিষ্ট পরামর্শ ছাড়া স্টেরয়েড-অ্যান্টিফাঙ্গাল মিশ্র ক্রিম ব্যবহার করবেন না
  • হৃদরোগ থাকলে জানান—ইট্রাকোনাজল হৃৎপিণ্ডের পাম্পিং দুর্বল করতে পারে; হার্ট ফেইলিউরে এটি এড়িয়ে চলা হয়
  • এক মাসের বেশি কোর্সে আগে ও মাঝে লিভার পরীক্ষা লাগতে পারে; লিভারের রোগ আগেই জানান
  • শোষণে পাকস্থলীর অ্যাসিড দরকার: খাবারের পর খান এবং অ্যান্টাসিড, পিপিআই ও এইচ-টু ব্লকার ২ ঘণ্টা দূরে রাখুন

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

ইট্রাকোনাজল লিভারের CYP3A4 এনজাইম জোরালোভাবে বন্ধ করে এবং বহু ওষুধের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে—তালিকাটি প্রচলিত ওষুধগুলোর মধ্যে দীর্ঘতমগুলোর একটি। যা যা খান সব চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্টকে দেখান। গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ:

  • সিমভাস্ট্যাটিন বা লোভাস্ট্যাটিন, মুখে খাওয়ার মিডাজোলাম/ট্রায়াজোলাম, আর্গট-জাতীয় ওষুধ, কুইনিডিন—এসবের সাথে কখনোই নয়
  • ডমপেরিডন (বাংলাদেশে বহুল প্রচলিত গ্যাসের ওষুধ) ইট্রাকোনাজলের সাথে বিপজ্জনক হার্ট রিদমের ঝুঁকি তৈরি করে—এড়িয়ে চলুন
  • ওয়ারফারিন, ডিগক্সিন, সাইক্লোস্পোরিন, ট্যাক্রোলিমাস, স্টেরয়েড ও কিছু ডায়াবেটিস ওষুধের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে—নজরদারি বা ডোজ বদল লাগতে পারে
  • রিফাম্পিসিন, ফেনিটোইন ও কার্বামাজেপিন ইট্রাকোনাজলের কার্যকারিতা নষ্ট করে দিতে পারে
  • অ্যান্টাসিড, পিপিআই ও এইচ-টু ব্লকার শোষণ কমায়—২ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন

প্রতিনির্দেশনা

নিচের ক্ষেত্রে ইট্রাকোনাজল খাবেন না:

  • ইট্রাকোনাজল বা অন্য অ্যাজল অ্যান্টিফাঙ্গালে অ্যালার্জি থাকলে
  • হার্ট ফেইলিউর বা দুর্বল হার্ট-পেশি (ভেন্ট্রিকুলার ডিসফাংশন) থাকলে—কেবল প্রাণঘাতী ছত্রাক সংক্রমণে বিশেষজ্ঞের সিদ্ধান্তে ব্যতিক্রম হয়
  • কঠোরভাবে নিষিদ্ধ মিথস্ক্রিয়ার ওষুধ চলমান থাকলে—যেমন সিমভাস্ট্যাটিন, লোভাস্ট্যাটিন, মুখে খাওয়ার মিডাজোলাম, ট্রায়াজোলাম, আর্গটামিন বা কুইনিডিন
  • গর্ভাবস্থায়, যদি চিকিৎসা ত্বক বা নখের ছত্রাকের জন্য হয়—এসব রোগে ঝুঁকিটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়

গুরুতর লিভার রোগেও এটি সাধারণত বাদ। সন্তানধারণক্ষম নারীদের চিকিৎসা চলাকালে এবং বন্ধের পর চিকিৎসকের বলা সময় পর্যন্ত কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করতে হবে।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

গর্ভাবস্থা: ত্বক ও নখের ছত্রাকে গর্ভাবস্থায় ইট্রাকোনাজল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ—প্রাণী-গবেষণায় ভ্রূণের ক্ষতি দেখা গেছে, আর এসব রোগের চিকিৎসা অপেক্ষা করতে পারে বা মলমেই সম্ভব। কেবল প্রাণঘাতী ছত্রাকরোগে, বিকল্প না থাকলে, গর্ভাবস্থায় এটি ব্যবহৃত হয়। সন্তানধারণক্ষম নারীরা কোর্স চলাকালে এবং শেষ ডোজের পর চিকিৎসকের বলা সময় পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করবেন—বিশেষত নখের চিকিৎসার পরে, কারণ ওষুধটি শরীরে কয়েক সপ্তাহ থেকে যায়।

স্তন্যদান: ইট্রাকোনাজল বুকের দুধে যায়, তাই চিকিৎসা চলাকালে স্তন্যদান না করাই ভালো। ইট্রাকোনাজল শুরুর আগে সময়সূচি ও নিরাপদ বিকল্প নিয়ে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন।

সংরক্ষণ

ইট্রাকোনাজল ৩০° সেলসিয়াসের নিচে শুকনো জায়গায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। বাংলাদেশের আর্দ্রতায় ক্যাপসুল দ্রুত নষ্ট হতে পারে, তাই খাওয়ার আগমুহূর্ত পর্যন্ত প্রতিটি ক্যাপসুল মূল ব্লিস্টারে সিল করা অবস্থায় রাখুন—খোলা ক্যাপসুল দীর্ঘদিন পিলবক্সে রাখবেন না। প্যাকেট শিশুদের নাগাল ও দৃষ্টির বাইরে রাখুন।

  • লেবেলে না বললে ফ্রিজে রাখবেন না; বাথরুমের তাক ও রান্নাঘরের গরম এড়িয়ে চলুন
  • মেয়াদ পেরোনো ইট্রাকোনাজল কখনও খাবেন না
  • দীর্ঘ পালস-থেরাপিতে অব্যবহৃত সপ্তাহের স্ট্রিপগুলো বাক্সে ভরে ঠান্ডা আলমারিতে রাখুন এবং চিকিৎসা শেষে বাড়তি ওষুধ ফার্মেসিতে ফেরত দিন

ইট্রাকোনাজল নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা

সবচেয়ে ভালো ফল পেতে ইট্রাকোনাজল কীভাবে খাব?

ইট্রাকোনাজল ক্যাপসুল ভরপেট খাবারের পরপরই খান—ওষুধটি ঠিকমতো শোষণে খাবারের চর্বি ও হজমের সময় তৈরি পাকস্থলীর অ্যাসিড দুটোই দরকার। কোলার মতো অ্যাসিডিক পানীয় দিয়ে খেলে শোষণ আরও বাড়ে, বিশেষত যাঁরা গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খান। অ্যান্টাসিড, ওমিপ্রাজল-জাতীয় ওষুধ ও এইচ-টু ব্লকার ডোজ থেকে অন্তত ২ ঘণ্টা দূরে রাখুন। খালি পেটে ইট্রাকোনাজল খেলে শোষণ এতটাই কমে যেতে পারে যে পুরো কোর্সই ব্যর্থ হয়।

এক সপ্তাহেই দাদ মিলিয়ে গেছে—ইট্রাকোনাজল কি এখন বন্ধ করতে পারি?

না—ঠিক এভাবেই বাংলাদেশে ওষুধ-প্রতিরোধী দাদের মহামারি তৈরি হয়েছে। ছত্রাক ত্বকের গভীর স্তরে বাস করে; জীবাণু আসলে মরার অনেক আগেই দৃশ্যমান র‍্যাশ মিলিয়ে যায়। আগে বন্ধ করলে বেঁচে যাওয়া ছত্রাক কয়েক সপ্তাহেই আবার বাড়ে—এবার ওষুধের বিরুদ্ধে আরও শক্ত হয়ে—আর প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও ছড়ায়। কোর্সের প্রতিটি দিন শেষ করুন—ত্বকের দাদে সাধারণত দুই থেকে চার সপ্তাহ, নখে কয়েক মাস—এবং চিকিৎসকের দেওয়া ক্রিমও চালিয়ে যান। শেষ করার পর চুলকানি ফিরলে নিজে আবার শুরু না করে চিকিৎসকের কাছে যান।

আমার নিয়মিত ওষুধের সাথে কি ইট্রাকোনাজল খাওয়া যাবে?

চিকিৎসক যাচাই করার পরই কেবল—ইট্রাকোনাজলের মিথস্ক্রিয়ার তালিকা ওষুধজগতে দীর্ঘতমগুলোর একটি। সিমভাস্ট্যাটিন, লোভাস্ট্যাটিন, মুখে খাওয়ার মিডাজোলাম, আর্গট-জাতীয় ওষুধ বা কুইনিডিনের সাথে এটি কখনোই চলবে না; আর বাংলাদেশে অতি প্রচলিত গ্যাসের ট্যাবলেট ডমপেরিডনের সাথে খেলে বিপজ্জনক হার্ট রিদমের ঝুঁকি। এটি ওয়ারফারিন, ডিগক্সিন, স্টেরয়েড ও কিছু ডায়াবেটিস ওষুধের মাত্রাও বাড়াতে পারে, আবার গ্যাস্ট্রিকের অ্যাসিড-কমানো ওষুধ এর শোষণই আটকে দেয়। ইট্রাকোনাজল শুরুর আগে আপনার সব ট্যাবলেট, সিরাপ ও হারবাল পণ্য চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে দেখান।

এটি সাধারণ ওষুধ-তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয় — সবসময় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন মেনে চলুন।