ChamberBD Logo ChamberBD

জেনেরিক

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

বাংলাদেশে ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল জেনেরিকের ব্র্যান্ড ওষুধসমূহ — দাম, শক্তি ও প্রস্তুতকারক তুলনা করুন।

66টি ওষুধের মধ্যে 1–24 দেখানো হচ্ছে

Aroflo 125 mcg + 25 mcg/METERED INHALATION Aerosol Inhalation

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Aristopharma Limited

Aroflo 250 mcg + 25 mcg/METERED INHALATION Aerosol Inhalation

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Aristopharma Limited

Aroflo 50 mcg + 25 mcg/METERED INHALATION Aerosol Inhalation

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Aristopharma Limited

Aroflo-100 100 mcg + 50 mcg Inhalation Capsule

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Aristopharma Limited

Aroflo-250 250 mcg + 50 mcg Inhalation Capsule

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Aristopharma Limited

Aroflo-500 500 mcg + 50 mcg Inhalation Capsule

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Aristopharma Limited

Arotide 100 100 mcg + 50 mcg Inhalation Capsule

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Eskayef Pharmaceuticals Ltd., Tongi,Gazipur

Arotide 125 125 mcg + 25 mcg/METERED INHALATION Aerosol Inhalation

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Eskayef Pharmaceuticals Ltd., Tongi,Gazipur

Arotide 250 250 mcg + 50 mcg Inhalation Capsule

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Eskayef Pharmaceuticals Ltd., Tongi,Gazipur

Arotide 250 250 mcg + 25 mcg/METERED INHALATION Aerosol Inhalation

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Eskayef Pharmaceuticals Ltd., Tongi,Gazipur

Arotide 50 50 mcg + 25 mcg/METERED INHALATION Aerosol Inhalation

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Eskayef Pharmaceuticals Ltd., Tongi,Gazipur

Arotide 500 500 mcg + 50 mcg Inhalation Capsule

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Eskayef Pharmaceuticals Ltd., Tongi,Gazipur

Bexitrol 125 mcg + 25 mcg/METERED INHALATION Aerosol Inhalation

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Beximco Pharmaceuticals Ltd.

Bexitrol 250 mcg + 25 mcg/METERED INHALATION Aerosol Inhalation

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Beximco Pharmaceuticals Ltd.

Bexitrol 50 mcg + 25 mcg/METERED INHALATION Aerosol Inhalation

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Beximco Pharmaceuticals Ltd.

Bexitrol F 100 mcg + 50 mcg Inhalation Capsule

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Beximco Pharmaceuticals Ltd.

Bexitrol F 250 mcg + 50 mcg Inhalation Capsule

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Beximco Pharmaceuticals Ltd.

Bexitrol F 500 mcg + 50 mcg Inhalation Capsule

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Beximco Pharmaceuticals Ltd.

Floriva -F 100/50 100 mcg + 50 mcg Capsule

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Opsonin Pharma Limited

Floriva- F 250/50 250 mcg + 50 mcg Capsule

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Opsonin Pharma Limited

Floriva-F 25/125 Inhaler 125 mcg + 25 mcg/METERED INHALATION Aerosol Inhalation

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Opsonin Pharma Limited

Floriva-F 25/250 Inhaler 250 mcg + 25 mcg/METERED INHALATION Aerosol Inhalation

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Opsonin Pharma Limited

Floriva-F 25/50 Inhaler 50 mcg + 25 mcg/METERED INHALATION Aerosol Inhalation

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Opsonin Pharma Limited

Floriva-F 500/50 Respicap 500 mcg + 50 mcg Inhalation Capsule

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল

Opsonin Pharma Limited

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল কী?

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল বাংলাদেশে বহু ব্র্যান্ড নামে পাওয়া যায় এমন একটি Inhaled corticosteroid + long-acting beta-2 agonist (ICS/LABA) combination ওষুধ। নিচে এর ব্যবহার, সেবনমাত্রা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা এবং সব ব্র্যান্ডের বর্তমান দাম দেওয়া হলো।

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল যেসব ক্ষেত্রে নিয়মিত, দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়:

  • হাঁপানি (অ্যাজমা) — যাঁদের উপসর্গ শুধু ইনহেল করা স্টেরয়েডে নিয়ন্ত্রণে আসে না, কিংবা যাঁদের স্টেরয়েড ও দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসনালি-প্রসারক দুটোই দরকার
  • সিওপিডি (দীর্ঘমেয়াদি ফুসফুসের রোগ) — শ্বাস-প্রশ্বাস সহজ করতে এবং বারবার রোগ বেড়ে যাওয়া (এক্সাসারবেশন) কমাতে

এটি একটি মেইনটেন্যান্স চিকিৎসা — প্রতিদিন ব্যবহারে ধীরে ধীরে কাজ করে। হঠাৎ হাঁপানির অ্যাটাক সামলাতে এটি নয় — তার জন্য আলাদা দ্রুত কার্যকর রিলিভার ইনহেলার (যেমন সালবিউটামল) লাগবে। ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল আপনার জন্য উপযুক্ত কি না তা চিকিৎসকই ঠিক করবেন।

সেবনবিধি ও মাত্রা

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল ঠিক চিকিৎসকের নির্দেশমতো ব্যবহার করুন — সাধারণত সকালে ও রাতে দিনে দুইবার, এক বা দুই টান (পাফ); ভালো বোধ করলেও প্রতিদিন নিতে হবে। শিশুরা কেবল চিকিৎসকের নির্ধারিত মাত্রায় ব্যবহার করবে।

  • এটি কন্ট্রোলার, রিলিভার নয়: হঠাৎ অ্যাটাক এটি থামাবে না — সালবিউটামলের মতো দ্রুত কার্যকর রিলিভার ইনহেলার সবসময় সঙ্গে রাখুন
  • সঠিক নিয়মে টানুন: আগে পুরো শ্বাস ছেড়ে দিন, মাউথপিস ঠোঁট দিয়ে ভালোভাবে চেপে ধরুন, ডোজ ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গভীরভাবে শ্বাস টানুন, তারপর প্রায় ১০ সেকেন্ড শ্বাস ধরে রাখুন। মাঝে মাঝে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে দিয়ে আপনার টেকনিক পরীক্ষা করিয়ে নিন
  • প্রতিবার ব্যবহারের পর পানি দিয়ে কুলকুচি করে ফেলে দিন — এতে মুখের ছত্রাক সংক্রমণ (ওরাল থ্রাশ) ও গলা ভাঙা প্রতিরোধ হয়
  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা বদলাবেন না বা বন্ধ করবেন না

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল-এর সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

  • মুখে ছত্রাক সংক্রমণ — ওরাল থ্রাশ (মুখের ভেতর সাদা দাগ) ও গলা ভাঙা — প্রতিবার ব্যবহারের পর কুলকুচি করলে ঝুঁকি অনেক কমে
  • গলায় খুসখুস বা কাশি
  • মাথাব্যথা
  • হাত কাঁপা, বুক ধড়ফড় বা দ্রুত হৃদস্পন্দন, পেশিতে টান
  • সিওপিডি রোগীদের নিউমোনিয়ার ঝুঁকি কিছুটা বাড়ে — কফ বেড়ে যাওয়া, জ্বর বা শ্বাসকষ্ট বাড়লে জানান

বিরল ক্ষেত্রে ইনহেলার নেওয়ার পরপরই শ্বাসকষ্ট বেড়ে যেতে পারে (প্যারাডক্সিক্যাল ব্রঙ্কোস্পাজম) — রিলিভার ব্যবহার করে দ্রুত চিকিৎসা নিন। দীর্ঘদিন উচ্চ মাত্রায় ব্যবহারে হাড়, চোখ, রক্তের সুগার, অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি ও শিশুর বৃদ্ধিতে প্রভাব পড়তে পারে, তাই নিয়মিত চিকিৎসকের ফলোআপ জরুরি।

সতর্কতা

  • প্রতিদিন ব্যবহার করুন, উপসর্গ না থাকলেও — হঠাৎ বন্ধ করলে শ্বাসনালির প্রদাহ ও অ্যাটাক ফিরে আসতে পারে
  • রিলিভার ইনহেলার সবসময় সঙ্গে রাখুন। আগের চেয়ে ঘন ঘন রিলিভার লাগলে বুঝবেন হাঁপানি বাড়ছে — দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান
  • প্রতিটি ডোজের পর কুলকুচি করুন — থ্রাশ ও গলা ভাঙা প্রতিরোধে
  • হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের সমস্যা কিংবা বর্তমান বা আগের যক্ষ্মা/বুকের সংক্রমণ থাকলে চিকিৎসককে জানান
  • চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসনালি-প্রসারক (LABA) আছে এমন অন্য কোনো ইনহেলার একসঙ্গে ব্যবহার করবেন না
  • নিয়মিত ফলোআপে যান, যাতে চিকিৎসক সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রায় রাখতে পারেন এবং আপনার ইনহেলার টেকনিক পরীক্ষা করতে পারেন

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল শুরুর আগে আপনার সব ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানান। গুরুত্বপূর্ণ মিথস্ক্রিয়া:

  • শক্তিশালী CYP3A4 ইনহিবিটর — কিটোকোনাজল, ইট্রাকোনাজল, রিটোনাভিরসহ কিছু এইচআইভির ওষুধ, ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন: এগুলো ফ্লুটিকাসন ও সালমেটেরলের মাত্রা বাড়িয়ে স্টেরয়েড ও হার্ট-সংক্রান্ত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়
  • বিটা-ব্লকার — প্রোপ্রানোলল ট্যাবলেট এমনকি টিমোলল চোখের ড্রপও — সালমেটেরলের কাজ আটকে দিতে পারে এবং শ্বাসনালি সরু করে দিতে পারে; হাঁপানিতে সাধারণত এড়িয়ে চলা হয়
  • ডাইউরেটিক (পানি বের করার ওষুধ), থিওফাইলিন ও অন্যান্য স্টেরয়েড — রক্তে পটাশিয়াম কমিয়ে দুর্বলতা বা বুক ধড়ফড় বাড়াতে পারে
  • LABA-যুক্ত অন্য ইনহেলার — একসঙ্গে ব্যবহার করা যাবে না

প্রতিনির্দেশনা

নিচের ক্ষেত্রে ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল ব্যবহার করবেন না:

  • ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট, সালমেটেরল বা অন্য কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে
  • তীব্র দুধের প্রোটিনে অ্যালার্জি থাকলে — কিছু ড্রাই-পাউডার ডিভাইসে দুধের প্রোটিনসহ ল্যাকটোজ থাকে

হঠাৎ তীব্র হাঁপানির অ্যাটাকের প্রথম চিকিৎসা হিসেবে ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল ব্যবহার করা যাবে না — তখন দ্রুত কার্যকর রিলিভার ও জরুরি চিকিৎসা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত হৃদরোগ, মারাত্মক উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের রোগ ও সক্রিয় যক্ষ্মায় বাড়তি তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করতে হয়। এটি আপনার জন্য উপযুক্ত কি না চিকিৎসকই বিচার করবেন।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

গর্ভাবস্থায়: অনিয়ন্ত্রিত হাঁপানি নিজেই মা ও গর্ভের শিশুর জন্য বিপজ্জনক, তাই প্রয়োজন হলে গর্ভাবস্থায়ও চিকিৎসকেরা সাধারণত ইনহেলার চিকিৎসা চালিয়ে যান। গর্ভাবস্থায় ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল কেবল চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করুন — নিজে থেকে বন্ধ করবেন না, কারণ হাঁপানির অ্যাটাক ওষুধের চেয়ে শিশুর বেশি ক্ষতি করতে পারে।

স্তন্যদানকালে: ইনহেলারের মাত্রা কম এবং বুকের দুধে খুব সামান্যই পৌঁছায়, তাই ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল ব্যবহারের সময় সাধারণত স্তন্যদান চালিয়ে যাওয়া যায়। তবু চিকিৎসকের সঙ্গে নিশ্চিত হয়ে নিন — তিনি উপকারিতা বিবেচনা করে সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা ঠিক করবেন।

সংরক্ষণ

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে শুকনো জায়গায়, তাপ ও সরাসরি রোদ থেকে দূরে রাখুন। মাউথপিসের ঢাকনা বন্ধ ও পরিষ্কার রাখুন।

  • প্রেসারাইজড ইনহেলারের ক্যানিস্টার খালি মনে হলেও ফুটো করা, ভাঙা বা আগুনে ফেলা যাবে না
  • ড্রাই-পাউডার ডিভাইস আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন এবং ডিভাইসের ভেতরে শ্বাস ছাড়বেন না
  • ডোজ কাউন্টার খেয়াল রাখুন — ডোজ শেষ হলে বা লেবেলের নির্ধারিত তারিখে ইনহেলার বদলে নিন
  • শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা

হঠাৎ হাঁপানির অ্যাটাক হলে কি ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল কাজ করবে?

না। ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল একটি কন্ট্রোলার (প্রতিরোধক) ইনহেলার — এটি দিনের পর দিন ব্যবহারে ধীরে ধীরে শ্বাসনালির প্রদাহ কমিয়ে অ্যাটাক প্রতিরোধ করে। হঠাৎ অ্যাটাকের সময় দ্রুত শ্বাসনালি খোলার ক্ষমতা এর নেই। হঠাৎ শ্বাসকষ্ট বা বুকে শাঁই শাঁই শব্দ হলে সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত কার্যকর রিলিভার ইনহেলার (যেমন সালবিউটামল) ব্যবহার করুন। কয়েক মিনিটে রিলিভারে কাজ না হলে বা উপসর্গ তীব্র হলে দেরি না করে জরুরি চিকিৎসা নিন।

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল ব্যবহারের পর কুলকুচি করতে হয় কেন?

ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল-এ ইনহেল করা স্টেরয়েড (ফ্লুটিকাসন) থাকে, যার সামান্য অংশ প্রতিবার মুখ ও গলায় জমে যায়। জমে থাকলে এতে ওরাল থ্রাশ — মুখে সাদা দাগ ও ব্যথাযুক্ত ছত্রাক সংক্রমণ — এবং গলা ভেঙে যাওয়ার সমস্যা হতে পারে। প্রতিবার ব্যবহারের পর পানি দিয়ে ভালোভাবে কুলকুচি করে ফেলে দিলে এই অবশিষ্টাংশ ধুয়ে যায় এবং দুটি সমস্যাই অনেকাংশে প্রতিরোধ হয়। প্রেসারাইজড ইনহেলারের সঙ্গে স্পেসার ব্যবহার করলেও উপকার পাবেন।

শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক লাগলে কি ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল বন্ধ করে দেওয়া যাবে?

না — নিজে থেকে বন্ধ করবেন না। আপনার শ্বাস স্বাভাবিক লাগছে কারণ ফ্লুটিকাসন প্রোপিওনেট + সালমেটেরল প্রতিনিয়ত শ্বাসনালির প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে রাখছে। হঠাৎ বন্ধ করলে প্রদাহ আবার বেড়ে যায় এবং কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে উপসর্গ, এমনকি মারাত্মক অ্যাটাক ফিরে আসতে পারে। হাঁপানি দীর্ঘদিন ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকলে চিকিৎসক ধাপে ধাপে মাত্রা কমিয়ে দেখতে পারেন। যেকোনো পরিবর্তন কেবল চিকিৎসকের পরামর্শেই করুন।

এটি সাধারণ ওষুধ-তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয় — সবসময় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন মেনে চলুন।