ChamberBD Logo ChamberBD

জেনেরিক

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

বাংলাদেশে ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক জেনেরিকের ব্র্যান্ড ওষুধসমূহ — দাম, শক্তি ও প্রস্তুতকারক তুলনা করুন।

97টি ওষুধের মধ্যে 1–24 দেখানো হচ্ছে

Alfol TR 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Albion Laboratories Ltd.

Animet 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Asiatic Laboratories Ltd.

Apefol 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

APC Pharma Limited

Biofez 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Jayson Pharmaceuticals Ltd.

Biron 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Biopharma Ltd.

Carofol 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Beximco Pharmaceuticals Ltd.

Cif 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Square Pharmaceuticals PLC, Pabna

Erosav 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Save Pharmaceuticals Ltd.

Esiron 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Aristopharma Limited

F TR 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Ablation Pharmaceuticals Ltd.

Fe Sol 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Rasa Pharmaceuticals Ltd.

FE-Z 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Modern Pharmaceuticals Ltd.

Fecel 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Asiatic Laboratories Ltd.

Fecon 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Alco Pharma Limited

Feelbe 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Hallmark Pharmaceuticals Ltd.

Fefa 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Nipa Pharmaceuticals Ltd.

Fefoz 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

National Laboratories Ltd.

Femizin 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Advanced Chemical Industries Limited

Feol 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Medicon Pharmaceuticals Ltd.

Feolet 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Kemiko Pharmaceuticals Ltd.

Feosil 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Silva Pharmaceuticals Ltd.

Feracap 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Oasis Laboratories Ltd.

Feraz 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Amico Laboratories Ltd.

Feriz 150 mg + 500 mcg + 22.5 mg Capsule

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

Medimet Pharmaceuticals Ltd.

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক কী?

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক বাংলাদেশে বহু ব্র্যান্ড নামে পাওয়া যায় এমন একটি Iron, folic acid and zinc supplement (anti-anaemic combination) ওষুধ। নিচে এর ব্যবহার, সেবনমাত্রা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা এবং সব ব্র্যান্ডের বর্তমান দাম দেওয়া হলো।

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

  • গর্ভাবস্থার রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় — এবং গর্ভের শিশুর জন্য বাড়তি আয়রন, ফলিক অ্যাসিড ও জিংকের চাহিদা পূরণে
  • কিশোরী, অতিরিক্ত মাসিকের সমস্যায় ভোগা নারী ও অপুষ্টিতে আক্রান্তদের আয়রন-স্বল্পতাজনিত রক্তশূন্যতায়
  • ফলিক অ্যাসিডের জোগান — পরামর্শ অনুযায়ী গর্ভধারণের আগে বা শুরুতে নিলে শিশুর নিউরাল টিউব ত্রুটি প্রতিরোধে সহায়ক
  • জিংকের ঘাটতিতে — ক্ষুধামন্দা, ঘন ঘন সংক্রমণ, ক্ষত শুকাতে দেরি
  • সন্তান জন্ম বা রক্তক্ষরণের পর পুনরুদ্ধারে, চিকিৎসকের পরামর্শমতো

সেবনবিধি ও মাত্রা

গর্ভবতী নারীসহ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য: ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক-এর স্বাভাবিক মাত্রা দিনে একটি ট্যাবলেট/ক্যাপসুল, বা চিকিৎসকের নির্দেশমতো; রক্তশূন্যতা থাকলে চিকিৎসক মাত্রা বাড়াতে পারেন। গর্ভাবস্থায় সাধারণত পুরো গর্ভকাল এবং প্রসবের পর কয়েক মাস পর্যন্ত এটি চালিয়ে যাওয়া হয় — প্রসবপূর্ব সেবার পরামর্শ অনুযায়ী।

  • ভালো শোষণের জন্য খালি পেটে খান; পেটে অস্বস্তি হলে হালকা খাবারের পরে — অনেকের জন্য রাতে শোবার আগে খাওয়াই সুবিধাজনক।
  • চা, কফি, দুধ, ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টাসিড থেকে ২ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন; ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ খাবার আয়রন শোষণে সাহায্য করে।
  • শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে: কেবল চিকিৎসকের নির্ধারিত মাত্রায়।
  • বাড়তি ডোজ বা একসঙ্গে একাধিক আয়রনজাতীয় ওষুধ খাবেন না।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক সাধারণত ভালো সহনীয়। সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

  • কালো পায়খানা — আয়রনের কারণে স্বাভাবিক ও নিরীহ
  • বমিভাব, হালকা পেট খারাপ বা বুক জ্বালা
  • কোষ্ঠকাঠিন্য, কখনো পাতলা পায়খানা
  • মুখে ধাতব স্বাদ; খালি পেটে জিংকে কখনো বমিভাব হতে পারে
  • বিরল ক্ষেত্রে র‍্যাশের মতো অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া

খাবারের পরে খেলে, প্রচুর পানি পান ও আঁশযুক্ত খাবারে পেটের সমস্যা সাধারণত কমে যায়। একটানা বমি, তীব্র পেটব্যথা বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

  • শিশুদের থেকে কঠোরভাবে দূরে রাখুন — ভুল করে আয়রন খেয়ে ফেলা ছোট শিশুদের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক; খেয়ে ফেললে জরুরি অবস্থা হিসেবে হাসপাতালে নিন।
  • ঘাটতি নিশ্চিত না করে দীর্ঘদিন খাওয়া ঠিক নয়; অন্য কারণের রক্তশূন্যতায় (থ্যালাসেমিয়া, দীর্ঘস্থায়ী রোগ, বি১২ ঘাটতি) ভিন্ন চিকিৎসা দরকার।
  • ফলিক অ্যাসিড ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি আড়াল করতে পারে — হাত-পা অবশ, ঝিনঝিন বা ভারসাম্যের সমস্যা থাকলে চিকিৎসককে জানান।
  • আলসার, অন্ত্রের রোগ, থ্যালাসেমিয়া, বারবার রক্ত গ্রহণ বা লিভারের রোগ থাকলে চিকিৎসককে জানান।
  • চা, কফি, দুধ, ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টাসিড থেকে ২ ঘণ্টার ব্যবধান বজায় রাখুন।
  • গর্ভাবস্থায় নিয়মিত প্রসবপূর্ব চেকআপে যান, যাতে হিমোগ্লোবিন নজরে রাখা যায়।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক-এর উল্লেখযোগ্য মিথস্ক্রিয়া:

  • চা, কফি, দুধ, ক্যালসিয়াম, অ্যান্টাসিড — আয়রন ও জিংকের শোষণ অনেক কমায়; ২ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন।
  • টেট্রাসাইক্লিন ও কুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক (ডক্সিসাইক্লিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন) — আয়রন ও জিংক উভয়েই এদের শোষণ আটকে দেয়; ২–৪ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন।
  • লিভোথাইরক্সিন — শোষণ কমে; অন্তত ৪ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন।
  • পেনিসিলামিন — আয়রন ও জিংকে শোষণ কমে।
  • মৃগীর ওষুধ (ফেনিটয়েন) — ফলিক অ্যাসিড এদের মাত্রা বদলাতে পারে; চিকিৎসককে জানান।
  • অন্য মাল্টিভিটামিন/মিনারেল — অপরিকল্পিতভাবে আয়রন বা জিংক দ্বিগুণ করবেন না।

প্রতিনির্দেশনা

  • আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, জিংক বা কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে খাওয়া যাবে না
  • শরীরে আয়রন জমার রোগ — হিমোক্রোমাটোসিস, হিমোসাইডেরোসিস
  • আয়রন বা ফোলেটের ঘাটতি ছাড়া অন্য কারণের রক্তশূন্যতায় — চিকিৎসক প্রয়োজন নিশ্চিত না করলে নয়
  • চিকিৎসাবিহীন ভিটামিন বি১২ ঘাটতি (পার্নিশাস অ্যানিমিয়া) — শুধু ফলিক অ্যাসিড তা আড়াল করতে পারে; আগে চিকিৎসকের মূল্যায়ন দরকার
  • বারবার রক্ত গ্রহণকারী রোগী — বিশেষজ্ঞের পরামর্শ আবশ্যক

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক মূলত গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের জন্যই: আয়রন মায়ের রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ ও চিকিৎসা করে, ফলিক অ্যাসিড শিশুকে নিউরাল টিউব ত্রুটি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে, আর জিংক বৃদ্ধি ও রোগপ্রতিরোধে সহায়তা করে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য কর্মসূচিতে গর্ভাবস্থায় ও প্রসবের পরে আয়রন-ফলিক অ্যাসিড খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। নির্ধারিত মাত্রায় স্তন্যদানকালেও এটি নিরাপদ বলে বিবেচিত। নিয়মিত প্রসবপূর্ব সেবার অংশ হিসেবে, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শমতো মাত্রায় খান এবং অন্য ওষুধ থেকে বাড়তি আয়রন নেওয়া এড়িয়ে চলুন।

সংরক্ষণ

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক ৩০° সেলসিয়াসের নিচে শুকনো জায়গায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। পাত্রটি ভালোভাবে বন্ধ রাখুন এবং শিশুদের নাগালের সম্পূর্ণ বাইরে রাখুন — শিশু আয়রন ট্যাবলেট খেয়ে ফেললে তা বিপজ্জনক। মেয়াদোত্তীর্ণ হলে ব্যবহার করবেন না।

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা

গর্ভাবস্থায় ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক নিয়মিত দেওয়া হয় কেন?

গর্ভাবস্থায় আয়রনের (মা ও শিশুর জন্য বাড়তি রক্ত তৈরিতে), ফলিক অ্যাসিডের (শিশুর মস্তিষ্ক-মেরুদণ্ড গঠন ও নিউরাল টিউব ত্রুটি প্রতিরোধে) এবং জিংকের (বৃদ্ধি ও রোগপ্রতিরোধে) চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। বাংলাদেশে এসব ঘাটতি খুব প্রচলিত, তাই জাতীয় মাতৃপুষ্টি কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রসবপূর্ব সেবায় প্রতিদিন আয়রন-ফলিক অ্যাসিড খাওয়ানো হয়। ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক এই তিনটি পুষ্টি একটি ট্যাবলেটেই সহজে জোগায়।

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক কখন খাওয়া সবচেয়ে ভালো, আর কী কী এড়িয়ে চলব?

খালি পেটে আয়রন সবচেয়ে ভালো শোষিত হয়, তবে বমিভাব হলে — গর্ভাবস্থায় যা সাধারণ — ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক হালকা খাবারের পরে বা রাতে শোবার আগে খান। চা, কফি, দুধ, ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট ও অ্যান্টাসিড থেকে অন্তত ২ ঘণ্টা দূরত্ব রাখুন — এগুলো শোষণ আটকে দেয়। সঙ্গে লেবু, পেয়ারা বা আমলকীর মতো ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ খাবার খেলে বরং আয়রন শোষণ বাড়ে।

ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক খেয়ে পায়খানা কালো হচ্ছে ও কোষ্ঠকাঠিন্য লাগছে — ওষুধ বন্ধ করব কি?

না — কালো পায়খানা আয়রনের স্বাভাবিক ও নিরীহ প্রভাব, আর শুরুতে হালকা কোষ্ঠকাঠিন্য বা বমিভাব সাধারণ ব্যাপার। বেশি পানি পান করুন, আঁশযুক্ত খাবার (শাকসবজি, ফল, লাল চাল-আটা) খান এবং ট্যাবলেটটি খাবারের পরে নিন; কয়েক দিনেই সমস্যা সাধারণত কমে যায়। নিজে থেকে বন্ধ করবেন না — গর্ভাবস্থার রক্তশূন্যতা মা ও শিশুর দুজনেরই ক্ষতি করে। কোষ্ঠকাঠিন্য তীব্র হলে বা পেটব্যথা বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এটি সাধারণ ওষুধ-তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয় — সবসময় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন মেনে চলুন।