ChamberBD Logo ChamberBD

জেনেরিক

এমপাগ্লিফ্লোজিন

বাংলাদেশে এমপাগ্লিফ্লোজিন জেনেরিকের ব্র্যান্ড ওষুধসমূহ — দাম, শক্তি ও প্রস্তুতকারক তুলনা করুন।

61টি ওষুধের মধ্যে 1–24 দেখানো হচ্ছে

Adempa 10 mg 10 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

Unimed Unihealth Pharmaceuticals Ltd.

৳25.00 প্রতি ইউনিট

Adempa 25 mg 25 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

Unimed Unihealth Pharmaceuticals Ltd.

৳50.00 প্রতি ইউনিট
Ajardy 10 10 mg Tablet — Empagliflozin

Ajardy 10 10 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

Ziska Pharmaceuticals Ltd.

৳25.00 প্রতি ইউনিট
Ajardy 25 25 mg Tablet — Empagliflozin

Ajardy 25 25 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

Ziska Pharmaceuticals Ltd.

৳40.00 প্রতি ইউনিট
Ardance 10 10 mg Tablet — Empagliflozin

Ardance 10 10 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

Pharmacil Ltd.

৳30.00 প্রতি ইউনিট
Ardance 25 25 mg Tablet — Empagliflozin

Ardance 25 25 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

Pharmacil Ltd.

৳50.00 প্রতি ইউনিট

Coport f/c 10 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

Advanced Chemical Industries Limited

Coport F/c 25 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

Advanced Chemical Industries Limited

D-Fozin 10 10 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

Desh Pharmaceuticals Ltd.

D-Fozin 25 25 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

Desh Pharmaceuticals Ltd.

Diampa 25 25 mg Tablet — Empagliflozin

Diampa 25 25 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

Renata PLC

৳50.00 প্রতি ইউনিট

Diampa-10 10 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

Renata PLC

Diastat 10 10 mg Tablet — Empagliflozin

Diastat 10 10 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

The White Horse Pharmaceuticals Ltd.

৳25.00 প্রতি ইউনিট
Diastat25 25 mg Tablet — Empagliflozin

Diastat25 25 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

The White Horse Pharmaceuticals Ltd.

৳40.00 প্রতি ইউনিট

Eflow 10 Tablet 10 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

Naafco Pharma Ltd.

৳15.00 প্রতি ইউনিট

Eflow 25 Tablet 25 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

Naafco Pharma Ltd.

Emagli 10 10 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

DBL Pharmaceuticals Limited

Emagli 25 25 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

DBL Pharmaceuticals Limited

EMAZID 10 10 mg Tablet — Empagliflozin

EMAZID 10 10 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

Eskayef Pharmaceuticals Ltd., Tongi,Gazipur

৳25.00 প্রতি ইউনিট
EMAZID25 25 mg Tablet — Empagliflozin

EMAZID25 25 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

Eskayef Pharmaceuticals Ltd., Tongi,Gazipur

৳40.00 প্রতি ইউনিট
Emfogen 10 10 mg Tablet — Empagliflozin

Emfogen 10 10 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

General Pharmaceuticals Ltd.

৳25.00 প্রতি ইউনিট
Emfogen 25 25 mg Tablet — Empagliflozin

Emfogen 25 25 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

General Pharmaceuticals Ltd.

৳40.00 প্রতি ইউনিট
Emglif 10 10 mg Tablet — Empagliflozin

Emglif 10 10 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

Orion Pharma Ltd.

৳25.00 প্রতি ইউনিট

Emglif 25 25 mg Tablet

এমপাগ্লিফ্লোজিন

Orion Pharma Ltd.

৳45.00 প্রতি ইউনিট

এমপাগ্লিফ্লোজিন কী?

এমপাগ্লিফ্লোজিন বাংলাদেশে বহু ব্র্যান্ড নামে পাওয়া যায় এমন একটি Sodium-glucose co-transporter-2 (SGLT2) inhibitor — oral antidiabetic with heart and kidney benefits ওষুধ। নিচে এর ব্যবহার, সেবনমাত্রা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা এবং সব ব্র্যান্ডের বর্তমান দাম দেওয়া হলো।

এমপাগ্লিফ্লোজিন কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

চিকিৎসক এমপাগ্লিফ্লোজিন দিতে পারেন:

  • টাইপ ২ ডায়াবেটিসে—খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ও ব্যায়ামের পাশাপাশি; এককভাবে বা মেটফরমিন, অন্য ডায়াবেটিসের ওষুধ কিংবা ইনসুলিনের সাথে
  • হার্ট ফেইলিউরে—হার্ট ফেইলিউরের অবনতি ও হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকি কমাতে; কিছু রোগীর ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস না থাকলেও
  • দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে—নির্বাচিত রোগীদের কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া ধীর করতে

টাইপ ১ ডায়াবেটিস বা ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিসের চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয় না। এমপাগ্লিফ্লোজিন আপনার জন্য উপযুক্ত কি না এবং কোন উদ্দেশ্যে, তা কিডনির কার্যক্ষমতা ও সার্বিক অবস্থা দেখে চিকিৎসকই ঠিক করবেন।

সেবনবিধি ও মাত্রা

এমপাগ্লিফ্লোজিন-এর স্বাভাবিক শুরুর মাত্রা দিনে একবার ১০ মি.গ্রা., সকালে, খাবারের সাথে বা খালি পেটে; পরে কারও কারও ক্ষেত্রে ২৫ মি.গ্রা. করা হয়। তবে এমপাগ্লিফ্লোজিন-এর সঠিক মাত্রা ও মেয়াদ চিকিৎসকই ঠিক করবেন এবং শুরুর আগে কিডনির কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করবেন।

  • প্রতিদিন সকালে একই সময়ে খান এবং সারাদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
  • ডোজ বাদ পড়লে সেদিন মনে পড়ামাত্র খেয়ে নিন; পরের ডোজের সময় কাছাকাছি হলে বাদ দিন—কখনো দ্বিগুণ ডোজ নয়।
  • বড় অস্ত্রোপচারের আগে, গুরুতর অসুস্থতায় বা দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার (রোজা) সময় চিকিৎসক এমপাগ্লিফ্লোজিন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে বলতে পারেন—সে পরামর্শ কঠোরভাবে মেনে চলুন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

এমপাগ্লিফ্লোজিন প্রস্রাবের মাধ্যমে গ্লুকোজ বের করে বলে সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো হলো:

  • গোপনাঙ্গে ছত্রাক সংক্রমণ—চুলকানি, লালচে ভাব বা স্রাব; নারীদের মধ্যে বেশি
  • প্রস্রাবের সংক্রমণ—প্রস্রাবের সময় জ্বালা বা ব্যথা
  • ঘন ঘন প্রস্রাব, পিপাসা এবং কখনো কখনো পানিশূন্যতার কারণে মাথা ঘোরা বা রক্তচাপ কমে যাওয়া

বিরল কিন্তু গুরুতর: ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস (ডিকেএ)—রক্তের গ্লুকোজ প্রায় স্বাভাবিক থাকলেও হতে পারে; বমি ভাব, বমি, পেটব্যথা, দ্রুত শ্বাস, অস্বাভাবিক ক্লান্তি বা নিঃশ্বাসে ফলের মতো গন্ধ হলে জরুরি হাসপাতালে যান। খুব বিরলভাবে গোপনাঙ্গের আশপাশের টিস্যুতে মারাত্মক সংক্রমণ (ফোরনিয়ার্স গ্যাংগ্রিন)—ওই স্থানে তীব্র ব্যথা, ফোলা ও জ্বর—একটি জরুরি অবস্থা। ইনসুলিন বা সালফোনাইলইউরিয়ার সাথে খেলে রক্তের গ্লুকোজ কমে যেতে পারে।

সতর্কতা

এমপাগ্লিফ্লোজিন নিরাপদে ব্যবহারের জন্য:

  • গোপনাঙ্গের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন—প্রতিদিন আলতোভাবে ধুয়ে জায়গাটি শুকনো রাখুন; এতে ছত্রাক সংক্রমণ অনেক কমে। চুলকানি বা স্রাব দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসক দেখান।
  • পানিশূন্যতা এড়িয়ে চলুন—পর্যাপ্ত পানি পান করুন, বিশেষত গরম আবহাওয়ায়, জ্বর বা ডায়রিয়ার সময়, কিংবা ডাইইউরেটিক খেলে; বয়স্কদের ঝুঁকি বেশি।
  • পরিকল্পিত অস্ত্রোপচার, গুরুতর অসুস্থতা বা রোজার মতো দীর্ঘ উপবাসের আগে চিকিৎসককে জানান—ডিকেএ এড়াতে ওষুধটি প্রায়ই সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।
  • এই ওষুধ চলাকালীন প্রস্রাব পরীক্ষায় গ্লুকোজ পাওয়া যাবে—এটি প্রত্যাশিত, ডায়াবেটিস খারাপ হওয়ার লক্ষণ নয়।

নিজে থেকে এমপাগ্লিফ্লোজিন বন্ধ করবেন না; নিয়মিত খেলেই কেবল এর হার্ট ও কিডনি সুরক্ষা কাজ করে।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

আপনি যেসব ওষুধ খান, সবই চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্টকে জানান। এমপাগ্লিফ্লোজিন-এর গুরুত্বপূর্ণ মিথস্ক্রিয়া:

  • ডাইইউরেটিক (পানি বের করার ওষুধ)—দুটির সম্মিলিত প্রভাবে পানিশূন্যতা, মাথা ঘোরা ও রক্তচাপ কমে যেতে পারে; মাত্রা সমন্বয় লাগতে পারে।
  • ইনসুলিন ও সালফোনাইলইউরিয়া (যেমন গ্লিমেপিরাইড, গ্লিক্লাজাইড)—হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়ে; এমপাগ্লিফ্লোজিন শুরুর সময় চিকিৎসক এগুলোর মাত্রা কমাতে পারেন।
  • রক্তচাপের ওষুধ—বাড়তি রক্তচাপ-কমানো প্রভাবে বিশেষত দাঁড়ানোর সময় মাথা হালকা লাগতে পারে।
  • লিথিয়াম—এমপাগ্লিফ্লোজিন রক্তে লিথিয়ামের মাত্রা কমাতে পারে; বাড়তি পর্যবেক্ষণ দরকার।

এনএসএআইডি ব্যথানাশক এবং ভেষজ বা ফার্মেসি থেকে কেনা যেকোনো পণ্যের কথাও জানান, কারণ এগুলো কিডনির কার্যক্ষমতা ও শরীরের পানির ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

এমপাগ্লিফ্লোজিন খাবেন না যদি:

  • আপনার এমপাগ্লিফ্লোজিন বা এর কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকে
  • আপনার টাইপ ১ ডায়াবেটিস থাকে—এতে কিটোঅ্যাসিডোসিসের ঝুঁকি বেশি
  • আপনার এই মুহূর্তে ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস চলছে—এই ওষুধ তা সারায় না

কিডনির কার্যক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে গেলে বা ডায়ালাইসিস চললে (চিকিৎসার উদ্দেশ্য অনুযায়ী চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেবেন), তীব্র পানিশূন্যতায় এবং গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালে এটি সাধারণত এড়িয়ে চলা হয়। বারবার গোপনাঙ্গে সংক্রমণ, খুব কম রক্তচাপ বা আগে ডিকেএ-র ইতিহাস থাকলে এমপাগ্লিফ্লোজিন শুরুর আগে চিকিৎসকের সাথে ভালোভাবে আলোচনা করুন।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

গর্ভাবস্থায় এমপাগ্লিফ্লোজিন ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না, বিশেষত চতুর্থ মাস থেকে, কারণ প্রাণী-গবেষণায় শিশুর বিকাশমান কিডনিতে সম্ভাব্য প্রভাবের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। গর্ভবতী ডায়াবেটিস রোগীদের সাধারণত ইনসুলিন দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। গর্ভবতী হলে বা পরিকল্পনা করলে দ্রুত চিকিৎসককে জানান যাতে নিরাপদে চিকিৎসা বদলানো যায়—ডায়াবেটিসের চিকিৎসা একেবারে বন্ধ করে দেবেন না।

এমপাগ্লিফ্লোজিন মায়ের বুকের দুধে যায় কি না জানা নেই, তাই স্তন্যদানকালে এটি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না। এই সময়ের জন্য চিকিৎসক উপযুক্ত বিকল্প দেবেন।

সংরক্ষণ

এমপাগ্লিফ্লোজিন ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে ঠান্ডা ও শুকনো জায়গায়, সরাসরি সূর্যালোক ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। খাওয়ার আগ পর্যন্ত মূল ব্লিস্টার বা প্যাকেটে রাখুন এবং আর্দ্রতা বেশি বলে বাথরুম বা রান্নাঘরে ওষুধ রাখবেন না।

  • সব ওষুধ শিশুদের নাগাল ও দৃষ্টির বাইরে রাখুন।
  • প্যাকেটে লেখা মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ওষুধ ব্যবহার করবেন না।
  • অব্যবহৃত ওষুধ ময়লা বা নালায় ফেলবেন না; নিরাপদে নষ্ট করার নিয়ম ফার্মাসিস্টের কাছে জেনে নিন।

এমপাগ্লিফ্লোজিন নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা

ভালো বোধ করলে কি এমপাগ্লিফ্লোজিন বন্ধ করে দিতে পারি?

না। এমপাগ্লিফ্লোজিন শুধু রক্তের গ্লুকোজ কমায় না—নিয়মিত খেলে এটি হার্ট ও কিডনিও রক্ষা করে, আর সেই সুরক্ষা ওষুধ চলাকালীনই বজায় থাকে। নিজে থেকে বন্ধ করলে গ্লুকোজ নীরবে বেড়ে যায় এবং সুরক্ষাটুকুও হারিয়ে যায়। গ্লুকোজের রিপোর্ট খুব ভালো দেখালেও সেটি সাধারণত ওষুধ কাজ করছে বলেই। ওষুধ কমানো, বদলানো বা বন্ধের সিদ্ধান্ত রিপোর্ট দেখে কেবল চিকিৎসকই নেবেন।

এমপাগ্লিফ্লোজিন খেলে গোপনাঙ্গে চুলকানি বা সংক্রমণ কেন হয়, কীভাবে প্রতিরোধ করব?

এমপাগ্লিফ্লোজিন প্রস্রাবের মাধ্যমে অতিরিক্ত গ্লুকোজ বের করে, আর সেই গ্লুকোজ গোপনাঙ্গের আশপাশে ছত্রাক জন্মাতে সাহায্য করে—ফলে চুলকানি, লালচে ভাব বা স্রাব হতে পারে; নারীদের মধ্যে বেশি। প্রতিরোধ সহজ: প্রতিদিন জায়গাটি পানি দিয়ে আলতোভাবে ধুয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন, পরিষ্কার সুতির অন্তর্বাস পরুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন। লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসক দেখান—এসব সংক্রমণ সাধারণত হালকা হয়, অ্যান্টিফাঙ্গাল ক্রিম বা ট্যাবলেটে সহজে সারে এবং ডায়াবেটিসের ওষুধ সাধারণত চালিয়ে যাওয়া যায়।

রোজা বা খুব অসুস্থ অবস্থায় কি এমপাগ্লিফ্লোজিন চালিয়ে যাব?

রোজা রাখার আগে বা যেকোনো গুরুতর অসুস্থতায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে, কিংবা বমি, জ্বর বা অস্ত্রোপচারের কারণে খেতে না পারলে এমপাগ্লিফ্লোজিন পানিশূন্যতা এবং কিটোঅ্যাসিডোসিস নামের বিরল কিন্তু বিপজ্জনক অবস্থার ঝুঁকি বাড়াতে পারে—যা রক্তের গ্লুকোজ প্রায় স্বাভাবিক থাকলেও হতে পারে। এমন দিনে চিকিৎসকেরা প্রায়ই ওষুধটি সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া শুরুর পর আবার চালু করতে বলেন—তবে সিদ্ধান্তটি চিকিৎসকের, নিজে নেবেন না।

এটি সাধারণ ওষুধ-তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয় — সবসময় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন মেনে চলুন।