জেনেরিক
সিলনিডিপিন
বাংলাদেশে সিলনিডিপিন জেনেরিকের ব্র্যান্ড ওষুধসমূহ — দাম, শক্তি ও প্রস্তুতকারক তুলনা করুন।
43টি ওষুধের মধ্যে 1–24 দেখানো হচ্ছে
Bidip 10 10 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Ziska Pharmaceuticals Ltd.
Bidip 5 5 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Ziska Pharmaceuticals Ltd.
Cardicil 10 10 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Radiant Pharmaceuticals Ltd.
Cardicil 5 5 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Radiant Pharmaceuticals Ltd.
Cardocal 10 10 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Beximco Pharmaceuticals Ltd.
Cardocal 5 5 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Beximco Pharmaceuticals Ltd.
Cildip 10 mg 10 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Opsonin Pharma Limited
Cildip 5 mg 5 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Opsonin Pharma Limited
Cildocal 10 10 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Delta Pharma Limited
Cildocal 5 5 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Delta Pharma Limited
Cilma-10 10 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Renata PLC
Cilma-5 5 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Renata PLC
Cilmedip 10 10 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Ibn Sina Pharmaceutical Ind. Ltd.
Cilmedip 5 5 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Ibn Sina Pharmaceutical Ind. Ltd.
Cilnical 10 mg 10 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Unimed Unihealth Pharmaceuticals Ltd.
Cilnidip 10 10 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Biopharma Ltd.
Cilnidip 5 5 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Biopharma Ltd.
Cilnior 10 10 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Orion Pharma Ltd.
Cilnior 5 5 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Orion Pharma Ltd.
Cilnipin 10 10 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Aristopharma Limited
Cilnipin 5 5 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Aristopharma Limited
Cilnivas 10 10 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Popular Pharmaceuticals PLC
Cilnivas 5 5 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Popular Pharmaceuticals PLC
Cilny 10 10 mg Tablet
সিলনিডিপিন
Eskayef Pharmaceuticals Ltd., Tongi,Gazipur
সিলনিডিপিন কী?
সিলনিডিপিন বাংলাদেশে বহু ব্র্যান্ড নামে পাওয়া যায় এমন একটি Calcium Channel Blocker (Dual L/N-type, Antihypertensive) ওষুধ। নিচে এর ব্যবহার, সেবনমাত্রা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা এবং সব ব্র্যান্ডের বর্তমান দাম দেওয়া হলো।
সিলনিডিপিন কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
- উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) — এককভাবে বা অন্য রক্তচাপের ওষুধের সাথে
- অ্যামলোডিপিনে যাঁদের গোড়ালি ফুলে যায় — চিকিৎসকরা প্রায়ই এ কারণে সিলনিডিপিনে বদলে দেন
- প্রস্রাবে প্রোটিনসহ বা প্রাথমিক কিডনি রোগসহ উচ্চ রক্তচাপ — এর N-টাইপ চ্যানেল কার্যক্রম প্রোটিন যাওয়া কমাতে সাহায্য করতে পারে
সেবনবিধি ও মাত্রা
আপনার রক্তচাপের রিডিং ও সামগ্রিক স্বাস্থ্য দেখে চিকিৎসক সিলনিডিপিন-এর সঠিক মাত্রা ঠিক করবেন এবং কয়েক সপ্তাহ পর্যবেক্ষণের পর প্রয়োজনে সমন্বয় করবেন।
- দিনে একবার (বা প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী), প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে খান — সাধারণত সকালের নাস্তার পরে।
- পানি দিয়ে গিলে খান; পরামর্শ ছাড়া ভেঙে বা চিবিয়ে খাবেন না।
- ডোজ মিস হলে মনে পড়ামাত্র খান, তবে পরের ডোজের সময় কাছে হলে বাদ দিন — কখনো ডাবল ডোজ নয়।
এটি দীর্ঘমেয়াদি ওষুধ। রক্তচাপ স্বাভাবিক দেখালেও নিজে থেকে সিলনিডিপিন বন্ধ করবেন না — ওষুধ কাজ করছে বলেই চাপ স্বাভাবিক।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সিলনিডিপিন সাধারণত ভালোভাবে সহ্য হয়; পুরোনো ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকারের চেয়ে গোড়ালি ফোলা কম হয়। সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
- মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা বা ঝিমঝিম ভাব
- মুখ লাল হয়ে গরম লাগা
- বুক ধড়ফড় (অ্যামলোডিপিনের চেয়ে কম)
- গোড়ালি বা পায়ের পাতা হালকা ফোলা (অ্যামলোডিপিনের চেয়ে অনেক কম)
- বমি ভাব, পেটে অস্বস্তি, ক্লান্তি
- অল্প কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ: রক্তচাপ খুব কমে মূর্ছা ভাব, বা দ্রুত অনিয়মিত হৃদস্পন্দন — চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন
সতর্কতা
- নিয়মিত রক্তচাপ মাপুন এবং সব ফলো-আপে যান।
- মাথা ঘোরা এড়াতে শোয়া বা বসা থেকে ধীরে উঠুন, বিশেষত প্রথম কয়েক সপ্তাহে।
- লিভার রোগ, কিডনি রোগ, হার্ট ফেইলিউর বা হার্টের ভাল্ভ মারাত্মক সরু (অ্যাওর্টিক স্টেনোসিস) থাকলে চিকিৎসককে জানান।
- বেশি পরিমাণ জাম্বুরা/গ্রেপফ্রুট জুস এড়িয়ে চলুন — এটি এই গ্রুপের ওষুধের রক্তমাত্রা বাড়াতে পারে।
- ওষুধে কেমন লাগে বুঝার আগে গাড়ি বা যন্ত্র চালাবেন না।
- মদ্যপান সীমিত করুন — রক্তচাপ অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে।
- জীবনযাত্রার নিয়ম চালিয়ে যান: কম লবণ, নিয়মিত হাঁটা, ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ধূমপান বর্জন।
অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া
- অন্যান্য রক্তচাপের ওষুধ ও ডাইউরেটিক: মিলিত প্রভাবে চাপ বেশি কমে যেতে পারে
- বিটা-ব্লকার (মেটোপ্রোলল, বিসোপ্রোলল): প্রায়ই নিরাপদে একসাথে দেওয়া হয়, তবে চাপ বেশি কমা বা পালস ধীর হওয়ার দিকে খেয়াল রাখুন
- শক্তিশালী CYP3A4 ব্লকার (কিটোকোনাজল, ইট্রাকোনাজল, ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন): সিলনিডিপিনের রক্তমাত্রা বাড়াতে পারে
- CYP3A4 ইনডিউসার (রিফাম্পিসিন, কার্বামাজেপিন, ফেনিটয়েন): কার্যকারিতা কমাতে পারে
- জাম্বুরা/গ্রেপফ্রুট জুস: ওষুধের মাত্রা বাড়াতে পারে
- ব্যথানাশক NSAID: রক্তচাপ কমানোর কাজ কমিয়ে দিতে পারে
- সিমেটিডিন: ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকারের মাত্রা বাড়াতে পারে
আপনার সব ওষুধ, সাপ্লিমেন্ট ও ভেষজ পণ্যের কথা চিকিৎসককে জানান।
প্রতিনির্দেশনা
- সিলনিডিপিন বা অন্য ডাইহাইড্রোপাইরিডিন ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকারে অ্যালার্জি
- কার্ডিওজেনিক শক বা রক্তচাপ অতিরিক্ত কম
- মারাত্মক অ্যাওর্টিক স্টেনোসিস
- আনস্টেবল অ্যানজাইনা বা তীব্র হার্ট অ্যাটাকের পরপরই — বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া নয়
- গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান (নিরাপত্তা প্রমাণিত নয়)
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় সিলনিডিপিন খাওয়া অনুচিত, কারণ মানুষের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা-তথ্য নেই। ওষুধ খাওয়া অবস্থায় গর্ভধারণ করলে বা পরিকল্পনা থাকলে সাথে সাথে চিকিৎসককে জানান — গর্ভাবস্থার জন্য ভালোভাবে গবেষণা করা বিকল্প রক্তচাপের ওষুধ আছে।
স্তন্যদান: মায়ের দুধে সিলনিডিপিন কতটা যায় তা জানা নেই, তাই বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় এটি সাধারণত এড়িয়ে চলা হয়। চিকিৎসক স্তন্যদানে প্রমাণিত নিরাপদ বিকল্পে বদলে দিতে পারবেন।
সংরক্ষণ
৩০° সেলসিয়াসের নিচে ঠান্ডা ও শুকনো জায়গায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে সুরক্ষিত রাখুন। খাওয়ার আগ পর্যন্ত ট্যাবলেট মূল ব্লিস্টার প্যাকে রাখুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ব্যবহার করবেন না।
সিলনিডিপিন নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা
ভালো লাগলে কি সিলনিডিপিন বন্ধ করে দিতে পারি?
না। উচ্চ রক্তচাপ একটি নীরব রোগ — সিলনিডিপিন প্রতিদিন কাজ করছে বলেই আপনি ভালো বোধ করছেন ও রিডিং স্বাভাবিক দেখাচ্ছে। নিজে থেকে বন্ধ করলে চাপ আবার নীরবে বেড়ে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক ও কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াবে। প্রতিদিন ওষুধ চালিয়ে যান এবং কেবল চিকিৎসকের পরামর্শেই মাত্রা পরিবর্তন বা বন্ধ করুন।
অ্যামলোডিপিন থেকে সিলনিডিপিন কীভাবে আলাদা?
দুটিই ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার পরিবারের ওষুধ এবং ধমনির দেয়াল শিথিল করে রক্তচাপ কমায়। সিলনিডিপিন (সিলনিডিপিন) নতুন চতুর্থ প্রজন্মের ওষুধ, যা বাড়তি হিসেবে স্নায়ুপ্রান্তের N-টাইপ ক্যালসিয়াম চ্যানেলও ব্লক করে। বাস্তবে এর মানে — গোড়ালি ফোলা উল্লেখযোগ্যভাবে কম, বুক ধড়ফড় কম এবং সম্ভবত কিডনির জন্য বাড়তি সুরক্ষা। অ্যামলোডিপিনে পা ফুলে গেলে চিকিৎসকরা প্রায়ই সিলনিডিপিনে বদলে দেন। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে দুটির কার্যকারিতা প্রায় সমান।
সিলনিডিপিন খাওয়ার সবচেয়ে ভালো সময় কোনটি? ডোজ মিস হলে কী করব?
সিলনিডিপিন দিনে একবার, প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে খান — অনেক চিকিৎসক সকালের নাস্তার পরে খেতে বলেন, তবে আসল কথা হলো নিয়মিততা, যাতে রক্তে ওষুধের মাত্রা স্থির থাকে। ডোজ মিস হলে ওই দিনই মনে পড়ামাত্র খেয়ে নিন; পরের ডোজের সময় প্রায় হয়ে গেলে মিস হওয়াটি বাদ দিয়ে স্বাভাবিক নিয়মে চলুন। পুষিয়ে নিতে কখনো দুটি ডোজ একসাথে খাবেন না — এতে চাপ বেশি কমে মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে।
এটি সাধারণ ওষুধ-তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয় — সবসময় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন মেনে চলুন।