ChamberBD Logo ChamberBD

জেনেরিক

সেফটিবিউটেন

বাংলাদেশে সেফটিবিউটেন জেনেরিকের ব্র্যান্ড ওষুধসমূহ — দাম, শক্তি ও প্রস্তুতকারক তুলনা করুন।

45টি ওষুধের মধ্যে 1–24 দেখানো হচ্ছে

Butibac 400 mg Capsule — Ceftibuten

Butibac 400 mg Capsule

সেফটিবিউটেন

Drug International Ltd., Squib Road

৳120.00 প্রতি ইউনিট

Buticef 1.8 gm/100 ml Powder For Suspension

সেফটিবিউটেন

Ibn Sina Pharmaceutical Ind. Ltd.

Buticef 400 400 mg Capsule — Ceftibuten

Buticef 400 400 mg Capsule

সেফটিবিউটেন

Ibn Sina Pharmaceutical Ind. Ltd.

৳120.00 প্রতি ইউনিট

Cebumax 1.8 gm/100 ml Powder For Suspension

সেফটিবিউটেন

General Pharmaceuticals Ltd.

Cebumax 400 400 mg Capsule — Ceftibuten

Cebumax 400 400 mg Capsule

সেফটিবিউটেন

General Pharmaceuticals Ltd.

৳120.00 প্রতি ইউনিট
Cebuten 400 mg Capsule — Ceftibuten

Cebuten 400 mg Capsule

সেফটিবিউটেন

Renata PLC, Gazipur

৳120.00 প্রতি ইউনিট

Cefamax 1.8 gm/100 ml Powder For Suspension

সেফটিবিউটেন

Incepta Pharmaceuticals Ltd.

Cefamax DS 180 mg/5 ml Powder For Suspension

সেফটিবিউটেন

Incepta Pharmaceuticals Ltd.

Cefaten 400 mg Capsule

সেফটিবিউটেন

Eskayef Pharmaceuticals Ltd., Tongi,Gazipur

৳120.00 প্রতি ইউনিট

Cefaten 1.8 gm/100 ml Powder For Suspension

সেফটিবিউটেন

Eskayef Pharmaceuticals Ltd., Tongi,Gazipur

CEFSOL 1.8 gm/100 ml Powder For Suspension

সেফটিবিউটেন

Biopharma Ltd.

CEFSOL 400 400 mg Capsule

সেফটিবিউটেন

Biopharma Ltd.

Cefteria 1.8 gm/100 ml Powder For Suspension

সেফটিবিউটেন

Advanced Chemical Industries Limited

Cefteria 200 200 mg Capsule

সেফটিবিউটেন

Advanced Chemical Industries Limited

Cefteria 400 mg 400 mg Capsule

সেফটিবিউটেন

Advanced Chemical Industries Limited

৳140.00 প্রতি ইউনিট
Ceftiben 400 mg Capsule — Ceftibuten

Ceftiben 400 mg Capsule

সেফটিবিউটেন

Square Pharmaceuticals PLC, Gazipur

৳120.00 প্রতি ইউনিট

Ceftiben 1.8 gm/100 ml Powder For Suspension

সেফটিবিউটেন

Square Pharmaceuticals PLC, Gazipur

Ceftidex 200 200 mg Capsule

সেফটিবিউটেন

Delta Pharma Limited

Ceftidex 400 400 mg Capsule

সেফটিবিউটেন

Delta Pharma Limited

Ceftiten 1.8 gm/100 ml Powder For Suspension

সেফটিবিউটেন

Asiatic Laboratories Ltd.

Ceftiten 400 400 mg Capsule

সেফটিবিউটেন

Asiatic Laboratories Ltd.

Ceftoril 400 mg Capsule — Ceftibuten

Ceftoril 400 mg Capsule

সেফটিবিউটেন

Beximco Pharmaceuticals Ltd.

৳120.00 প্রতি ইউনিট

Ceftoril powder For Suspension 1.8 gm/100 ml Powder For Suspension

সেফটিবিউটেন

Beximco Pharmaceuticals Ltd.

Inbuten 200 200 mg Capsule

সেফটিবিউটেন

Pharmacil Ltd.

সেফটিবিউটেন কী?

সেফটিবিউটেন বাংলাদেশে বহু ব্র্যান্ড নামে পাওয়া যায় এমন একটি Third-Generation Oral Cephalosporin Antibiotic ওষুধ। নিচে এর ব্যবহার, সেবনমাত্রা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা এবং সব ব্র্যান্ডের বর্তমান দাম দেওয়া হলো।

সেফটিবিউটেন কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

সেফটিবিউটেন-সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে সেফটিবিউটেন ব্যবহৃত হয়:

  • প্রাপ্তবয়স্কদের ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিসের ব্যাকটেরিয়াজনিত হঠাৎ অবনতি
  • মধ্যকর্ণের তীব্র সংক্রমণ (ওটাইটিস মিডিয়া), বিশেষত শিশুদের
  • স্ট্রেপটোকক্কাসজনিত গলা ও টনসিলের সংক্রমণ
  • জটিলতাহীন প্রস্রাবের সংক্রমণ

দিনে একবার ডোজ সুবিধাজনক হলে বা পুরোনো অ্যান্টিবায়োটিকে প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সন্দেহ থাকলে চিকিৎসক সেফটিবিউটেন বেছে নিতে পারেন। সর্দি, ফ্লু বা ডেঙ্গুর মতো ভাইরাসজনিত রোগে এটি কখনোই খাবেন না—ভাইরাসে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না, বরং অপব্যবহারে রেজিস্ট্যান্স বাড়ে।

সেবনবিধি ও মাত্রা

চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ীই সেফটিবিউটেন খান। সাধারণ মাত্রা:

  • প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছরের বেশি বয়সীরা: ৪০০ মি.গ্রা. দিনে একবার, সাধারণত ১০ দিন
  • শিশুরা: দৈনিক ৯ মি.গ্রা./কেজি একবার (সর্বোচ্চ ৪০০ মি.গ্রা.), অবশ্যই চিকিৎসকের হিসাব অনুযায়ী

ক্যাপসুল খাবারের আগে-পরে যেকোনো সময় খাওয়া যায়। তবে সাসপেনশন খালি পেটে খেতে হবে—খাবারের অন্তত ২ ঘণ্টা আগে বা ১ ঘণ্টা পরে—কারণ খাবার এর শোষণ কমিয়ে দেয়। রক্তে মাত্রা ঠিক রাখতে প্রতিদিন একই সময়ে ডোজ নিন। কিডনি রোগে মাত্রা বা ব্যবধান সমন্বয় লাগতে পারে। পুরো কোর্স শেষ করুন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

অধিকাংশ মানুষ সেফটিবিউটেন নির্বিঘ্নে খেতে পারেন। সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

  • বমিভাব, ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা—সবচেয়ে সাধারণ, বিশেষত ছোট শিশুদের
  • পেটব্যথা, বমি বা বদহজম
  • মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা
  • চামড়ায় ফুসকুড়ি বা চুলকানি; শিশুদের ডায়াপার র‍্যাশ ও মুখে থ্রাশ

বিরল কিন্তু গুরুতর: মুখ ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট বা সারা গায়ে চাকার মতো তীব্র অ্যালার্জি, চিকিৎসার সময় বা কয়েক সপ্তাহ পরেও অবিরাম পানির মতো/রক্তমিশ্রিত পায়খানা, তীব্র ফোসকাযুক্ত ফুসকুড়ি, অস্বাভাবিক কালশিটে বা চোখ হলুদ হওয়া। এমন হলে ওষুধ বন্ধ করে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

সতর্কতা

সেফটিবিউটেন শুধুমাত্র প্রেসক্রিপশনে ব্যবহারযোগ্য। প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি ও অসমাপ্ত কোর্সের কারণে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বাংলাদেশে জাতীয় সংকটে রূপ নিয়েছে। কেবল চিকিৎসকের পরামর্শে সেফটিবিউটেন খান এবং পুরো কোর্স শেষ করুন—কয়েক দিনে ভালো বোধ করলেও মাঝপথে বন্ধ করলে সবচেয়ে শক্ত ব্যাকটেরিয়াগুলো বেঁচে গিয়ে প্রতিরোধী হয়ে ওঠে।

  • পেনিসিলিন বা সেফালোস্পোরিনে অ্যালার্জি থাকলে শুরুর আগে জানান
  • কিডনি রোগ থাকলে বলুন—মাত্রা সমন্বয় লাগতে পারে
  • কোলাইটিসের ইতিহাস বা চিকিৎসা চলাকালে তীব্র ডায়রিয়া হলে জানান
  • ডায়াবেটিস রোগীরা মনে রাখবেন—সাসপেনশনে চিনি থাকে

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

সেফটিবিউটেন-এর গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ-মিথস্ক্রিয়া কম, তবু হারবাল ও ফার্মেসি থেকে কেনা ওষুধসহ সবকিছুর কথা চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্টকে জানান। জেনে রাখুন:

  • অ্যালুমিনিয়াম-ম্যাগনেসিয়াম অ্যান্টাসিড ও রেনিটিডিনের মতো গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেফটিবিউটেনের মাত্রায় কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে; চিকিৎসকের পরামর্শমতো ব্যবধান রাখুন
  • ওয়ারফারিনের মতো রক্ত পাতলাকারী ওষুধের কার্যকারিতা কখনও কখনও বেড়ে যায়; কোর্স চলাকালে আইএনআর পরীক্ষা করানো ভালো
  • মুখে খাওয়ার টাইফয়েড টিকা অ্যান্টিবায়োটিক চলাকালে কাজ নাও করতে পারে—নির্দেশমতো ব্যবধান রাখুন
  • কিডনির ওপর চাপ ফেলা ওষুধের (অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড, শক্তিশালী ডাইউরেটিক) সাথে সতর্কতা দরকার

প্রতিনির্দেশনা

নিচের ক্ষেত্রে সেফটিবিউটেন খাবেন না:

  • সেফটিবিউটেন বা অন্য কোনো সেফালোস্পোরিনে অ্যালার্জি থাকলে
  • পেনিসিলিনে আগে তীব্র ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া (অ্যানাফাইল্যাক্সিস, গলা ফুলে যাওয়া, জ্ঞান হারানো) হয়ে থাকলে—ক্রস-রিঅ্যাকশন সম্ভব
  • কোনো বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিকে গুরুতর ফোসকাযুক্ত চর্মপ্রতিক্রিয়া হয়ে থাকলে

উল্লেখযোগ্য কিডনি দুর্বলতা, অ্যান্টিবায়োটিকজনিত কোলাইটিসের ইতিহাস বা চিনি হজমের বিরল জন্মগত সমস্যা (চিনিযুক্ত সাসপেনশনের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক) থাকলে কেবল চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করুন। শুরুর আগে অতীতের ওষুধ-প্রতিক্রিয়া ও দীর্ঘমেয়াদি রোগের পূর্ণ বিবরণ দিন।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

গর্ভাবস্থা: প্রাণী-গবেষণায় সেফটিবিউটেন-এ ভ্রূণের ক্ষতি দেখা যায়নি, তবে গর্ভবতী নারীদের ওপর পর্যাপ্ত গবেষণা নেই। অন্যান্য সেফালোস্পোরিনের মতো, সত্যিকারের প্রয়োজনে গর্ভাবস্থায় এটি গ্রহণযোগ্য বিকল্প হিসেবে বিবেচিত—তবে অবশ্যই গর্ভাবস্থার কথা জানিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শে খাবেন।

স্তন্যদান: গবেষণায় বুকের দুধে সেফটিবিউটেন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পাওয়া যায়নি, তাই স্তন্যদান সাধারণত চালিয়ে যাওয়া যায়। তবু স্তন্যদানকালে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং কোর্স চলাকালে শিশুর পাতলা পায়খানা, ফুসকুড়ি বা খাওয়ার পরিবর্তনে নজর রাখুন।

সংরক্ষণ

সেফটিবিউটেন ক্যাপসুল ৩০° সেলসিয়াসের নিচে শুকনো জায়গায়, সরাসরি রোদ ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। বাংলাদেশের আর্দ্র আবহাওয়ায় বাথরুম বা রান্নাঘরে ওষুধ রাখবেন না; ঠান্ডা-শুকনো আলমারিই ভালো। স্ট্রিপ বা বোতল মূল প্যাকে ভালোভাবে বন্ধ রাখুন এবং শিশুদের নাগাল ও দৃষ্টির বাইরে রাখুন।

  • পানি মেশানোর পর সাসপেনশন ফ্রিজে রাখুন, প্রতিবার খাওয়ানোর আগে ভালোভাবে ঝাঁকান এবং ১৪ দিন পর ফেলে দিন
  • মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কখনও খাবেন না
  • অবশিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক ড্রেনে বা ময়লায় না ফেলে সম্ভব হলে ফার্মেসিতে ফেরত দিন

সেফটিবিউটেন নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা

সেফটিবিউটেন কি খালি পেটে খাব, নাকি খাবারের সাথে?

ওষুধের ধরনের ওপর নির্ভর করে। সেফটিবিউটেন ক্যাপসুল খাবারের আগে-পরে যেকোনো সময় খাওয়া যায়। কিন্তু সাসপেনশন খালি পেটে খেতে হবে—খাবারের অন্তত ২ ঘণ্টা আগে বা ১ ঘণ্টা পরে—কারণ খাবার তরল ফর্ম থেকে সেফটিবিউটেনের শোষণ অনেকটা কমিয়ে দেয়। যে ফর্মই খান, প্রতিদিন একই সময়ে নিন এবং চিকিৎসকের দেওয়া পুরো কোর্স শেষ করুন।

চার দিনেই ভালো বোধ করছি—সেফটিবিউটেন কি আগে বন্ধ করা যাবে?

না। দ্রুত ভালো লাগা মানে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে, সংক্রমণ শেষ হয়ে গেছে তা নয়। সবচেয়ে প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া সবশেষে মরে; আগে বন্ধ করলে সেগুলো বেঁচে গিয়ে বংশবৃদ্ধি করে এবং এমন সংক্রমণ হয়ে ফিরে আসতে পারে যেখানে এই ওষুধ আর কাজ করবে না। এ ধরনের অসমাপ্ত কোর্সই বাংলাদেশের অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স সংকটের বড় কারণ। সম্পূর্ণ সুস্থ বোধ করলেও পুরো নির্ধারিত সময়—সাধারণত ১০ দিন—সেফটিবিউটেন খান।

সেফটিবিউটেন-এর দৈনিক ডোজ ভুলে গেলে কী করব?

মনে পড়ামাত্র সেদিনই ডোজটি নিয়ে নিন। পরের ডোজের সময় প্রায় হয়ে গেলে বাদ পড়া ডোজটি বাদ দিয়ে নিয়মিত সময়সূচিতে ফিরে যান—কখনও পুষিয়ে নিতে দ্বিগুণ ডোজ খাবেন না। সেফটিবিউটেন দিনে একবার খাওয়ার ওষুধ বলে প্রতিদিন একই সময়ে ফোনে অ্যালার্ম দিয়ে রাখা সুবিধাজনক। পরপর কয়েকটি ডোজ বাদ গেলে সংক্রমণ আবার বাড়তে পারে; এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এটি সাধারণ ওষুধ-তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয় — সবসময় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন মেনে চলুন।