জেনেরিক
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
বাংলাদেশে বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট জেনেরিকের ব্র্যান্ড ওষুধসমূহ — দাম, শক্তি ও প্রস্তুতকারক তুলনা করুন।
130টি ওষুধের মধ্যে 1–24 দেখানো হচ্ছে
Acubis 2.5 2.5 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Concord Pharmaceuticals Ltd.
Acubis 5 5 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Concord Pharmaceuticals Ltd.
Adorbis 10 10 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Ziska Pharmaceuticals Ltd.
Adorbis 2.5 2.5 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Ziska Pharmaceuticals Ltd.
Adorbis 5 5 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Ziska Pharmaceuticals Ltd.
Ancor 2.5 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Aristopharma Limited
Ancor 5 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Aristopharma Limited
Ancor-10 10 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Aristopharma Limited
B-prolol 5 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Sharif Pharmaceuticals Ltd.
Betabis 2.5 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
The ACME Laboratories Ltd.
BETABIS 10 TABLET 10 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
The ACME Laboratories Ltd.
Betabis-5 5 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
The ACME Laboratories Ltd.
Betacor 10 10 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Popular Pharmaceuticals PLC
Betacor 2.5 2.5 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Popular Pharmaceuticals PLC
Betacor 5 5 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Popular Pharmaceuticals PLC
Betacor-1.25 Tablet 1.25 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Popular Pharmaceuticals PLC
Betacor-10 Tablet 7.5 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Popular Pharmaceuticals PLC
Betafix 10 mg 10 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Healthcare Pharmaceuticals Ltd.
Betafix 2.5 mg 2.5 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Healthcare Pharmaceuticals Ltd.
Betafix 5 mg 5 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Healthcare Pharmaceuticals Ltd.
Betapro 2.5 2.5 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Beximco Pharmaceuticals Ltd.
Betapro 5 5 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Beximco Pharmaceuticals Ltd.
Bibloc 2.5 2.5 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Nevian Lifescience PLC
Bioprolol 2.5 2.5 mg Tablet
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট
Biogen Pharmaceuticals Ltd.
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট কী?
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট বাংলাদেশে বহু ব্র্যান্ড নামে পাওয়া যায় এমন একটি Cardioselective beta-blocker — antihypertensive, anti-anginal, heart failure therapy ওষুধ। নিচে এর ব্যবহার, সেবনমাত্রা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা এবং সব ব্র্যান্ডের বর্তমান দাম দেওয়া হলো।
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট যেসব ক্ষেত্রে দেওয়া হয়:
- উচ্চ রক্তচাপ — এককভাবে বা অন্য রক্তচাপের ওষুধের সঙ্গে।
- ক্রনিক স্টেবল অ্যানজাইনা — হৃদপিণ্ডের অক্সিজেন চাহিদা কমিয়ে পরিশ্রমজনিত বুকব্যথা প্রতিরোধ।
- স্থিতিশীল ক্রনিক হার্ট ফেইলিউর — অন্য হার্ট ফেইলিউরের ওষুধের সঙ্গে খুব ছোট মাত্রায় শুরু করে ধীরে ধীরে বাড়িয়ে।
- হৃদস্পন্দনের গতি ও ছন্দ নিয়ন্ত্রণ — যেমন অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন বা একটানা দ্রুত হৃদস্পন্দনে, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের নির্দেশে।
- হার্ট অ্যাটাকের পর — নির্বাচিত রোগীদের হৃদপিণ্ড সুরক্ষায়।
সেবনবিধি ও মাত্রা
আপনার রোগ অনুযায়ী চিকিৎসকই বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট-এর ডোজ ঠিক করবেন। রক্তচাপ ও অ্যানজাইনায় সাধারণ মাত্রা দিনে একবার ৫ মি.গ্রা.; পরিসর ২.৫ মি.গ্রা. থেকে সর্বোচ্চ ১০–২০ মি.গ্রা.। হার্ট ফেইলিউরে খুব কম মাত্রায় (দৈনিক ১.২৫ মি.গ্রা.) শুরু করে তত্ত্বাবধানে কয়েক সপ্তাহ ধরে ধীরে বাড়ানো হয়।
- প্রতিদিন সকালে একই সময়ে একবার খান — খাবারসহ বা খালি পেটে; পানি দিয়ে গিলে খান।
- নিয়মিত নিজের পালস (নাড়ির গতি) দেখুন — মিনিটে প্রায় ৫৫–৬০-এর নিচে থাকলে বা মাথা ঝিমঝিম করলে পরের ডোজের আগে চিকিৎসককে জানান।
- ডোজ মিস হলে পরেরটি কাছাকাছি থাকলে বাদ দিন; কখনো ডাবল নয়।
- বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট কখনোই হঠাৎ বা নিজে থেকে বন্ধ করবেন না — আচমকা বন্ধ করলে হৃদস্পন্দন লাফিয়ে বেড়ে যাওয়া, তীব্র অ্যানজাইনা এমনকি হার্ট অ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে। বন্ধ করার দরকার হলে চিকিৎসক ১–২ সপ্তাহ ধরে ধাপে ধাপে কমান।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট-এর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশিরভাগই হালকা এবং প্রায়ই কমে যায়:
- ক্লান্তি ও পরিশ্রম-ক্ষমতা কমা — প্রথম কয়েক সপ্তাহে বেশি টের পাওয়া যায়।
- নাড়ির গতি কমা (ব্র্যাডিকার্ডিয়া) — কিছুটা কমা স্বাভাবিক; তবে একটানা ৫৫-এর নিচে থাকলে, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হলে জানান।
- হাত-পা ঠান্ডা লাগা।
- মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা।
- ঘুমের ব্যাঘাত বা অদ্ভুত স্বপ্ন।
- পেটের সমস্যা — বমিভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া।
- হার্ট ফেইলিউরে ডোজ বাড়ানোর সময় শ্বাসকষ্ট বা ফোলা সাময়িক বাড়তে পারে — দ্রুত জানান।
- তুলনামূলক কম: মন খারাপ ভাব, যৌনক্ষমতা কমা, বা ডায়াবেটিস রোগীদের সুগার কমার সতর্ক লক্ষণ চাপা পড়া।
সতর্কতা
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট ব্যবহারে সতর্কতা:
- কখনো হঠাৎ বন্ধ করবেন না — বিটা-ব্লকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম; বন্ধ করতে হলে চিকিৎসকের তদারকিতে ধাপে ধাপে।
- হাঁপানি বা সিওপিডি থাকলে চিকিৎসককে জানান — কার্ডিওসিলেক্টিভ হলেও বেশি ডোজে শ্বাসনালি সংকুচিত হতে পারে।
- ডায়াবেটিস — ওষুধটি সুগার কমার কাঁপুনি ও ধড়ফড়ানি চাপা দিতে পারে; সুগার আরও ঘনঘন মাপুন।
- নিয়মিত পালস ও রক্তচাপ মাপুন; রেকর্ড রাখুন।
- যেকোনো অপারেশন বা অজ্ঞান করার আগে জানিয়ে দিন যে আপনি বিটা-ব্লকার খান।
- হাত-পায়ের রক্ত চলাচলের সমস্যা, সোরিয়াসিস ও থাইরয়েড রোগে সাবধানতা — বিটা-ব্লকার অতিসক্রিয় থাইরয়েডের লক্ষণ আড়াল করতে পারে।
- শুরুতে ক্লান্তি বা মাথা ঘোরা হতে পারে — নিজের অবস্থা বুঝে তবেই গাড়ি চালান।
অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট-এর গুরুত্বপূর্ণ ইন্টার্যাকশন:
- ভেরাপামিল ও ডিলটিয়াজেম — বিটা-ব্লকারের সঙ্গে মিললে হৃদস্পন্দন বিপজ্জনকভাবে ধীর হতে বা পাম্পিং দুর্বল হতে পারে; সাধারণত একসঙ্গে দেওয়া হয় না।
- ডিগক্সিন, অ্যামিওডারোন, ক্লোনিডিন — হৃদস্পন্দন ও পরিবহন একসঙ্গে বেশি ধীর হতে পারে; সতর্ক নজরদারি দরকার (ক্লোনিডিনও কখনো হঠাৎ বন্ধ করা যায় না)।
- ইনসুলিন ও মুখে খাওয়ার ডায়াবেটিসের ওষুধ — সুগার কমার সতর্ক লক্ষণ চাপা পড়তে পারে।
- অন্যান্য রক্তচাপের ওষুধ — মিলিতভাবে চাপ বেশি কমে।
- NSAID ব্যথানাশক — রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করতে পারে।
- সালবিউটামল-জাতীয় ইনহেলার — বিটা-ব্লকার এদের কাজ কিছুটা কমাতে পারে; ইনহেলার ব্যবহার করলে চিকিৎসককে জানান।
- অজ্ঞান করার ওষুধ — অ্যানেসথেটিস্টকে আগে জানান।
প্রতিনির্দেশনা
নিচের ক্ষেত্রে বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট ব্যবহার করা যাবে না:
- মারাত্মক ব্র্যাডিকার্ডিয়া (খুব ধীর হৃদস্পন্দন) বা পেসমেকার ছাড়া সিক সাইনাস সিনড্রোম।
- পেসমেকার ছাড়া দ্বিতীয় বা তৃতীয় ডিগ্রি হার্ট ব্লক।
- শিরায় ওষুধ লাগে এমন তীব্র বা অনিয়ন্ত্রিত হার্ট ফেইলিউর।
- কার্ডিওজেনিক শক বা খুব নিম্ন রক্তচাপ।
- মারাত্মক হাঁপানি।
- হাত-পায়ের ধমনির গুরুতর রোগ বা রেনডস ফেনোমেনন।
- চিকিৎসা-না-হওয়া ফিওক্রোমোসাইটোমা।
- মেটাবলিক অ্যাসিডোসিস।
- বিসোপ্রোলল বা কোনো উপাদানে অ্যালার্জি।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থা: বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট-এর মতো বিটা-ব্লকার গর্ভাবস্থায় কেবল তখনই দেওয়া হয় যখন চিকিৎসক মনে করেন উপকার ঝুঁকির চেয়ে বেশি — এগুলো গর্ভফুলের রক্তপ্রবাহ কমাতে পারে, শিশুর বৃদ্ধি ধীর হওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত, এবং প্রসবের কাছাকাছি সময়ে ব্যবহারে নবজাতকের হৃদস্পন্দন ধীর বা সুগার কম হতে পারে। প্রায়ই গর্ভ-নিরাপদ বিকল্প (যেমন ল্যাবেটালোল) ব্যবহৃত হয়। গর্ভধারণ জানতে পেরে হঠাৎ ট্যাবলেট বন্ধ করবেন না; তদারকিতে ওষুধ বদলাতে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
স্তন্যদান: বুকের দুধে সামান্য পরিমাণ যেতে পারে; তথ্য সীমিত। কেবল চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করুন এবং শিশুর অস্বাভাবিক ঝিমুনি, দুধ টানায় দুর্বলতা বা ওজন না বাড়া খেয়াল রাখুন।
সংরক্ষণ
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট ৩০° সেলসিয়াসের নিচে শুকনো জায়গায় রাখুন — সরাসরি রোদ ও আর্দ্রতা থেকে দূরে; ব্যবহারের আগ পর্যন্ত ট্যাবলেট মূল ব্লিস্টারে রাখুন। শিশুদের নাগাল ও দৃষ্টির বাইরে রাখুন। প্যাকেটে লেখা মেয়াদ পেরোলে ব্যবহার করবেন না; মেয়াদোত্তীর্ণ ট্যাবলেট ঘরের ময়লায় না ফেলে নিরাপদ নিষ্পত্তির জন্য ফার্মেসিতে ফেরত দিন।
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা
ভালো বোধ করলে আর প্রেশার-পালস স্বাভাবিক মনে হলে কি বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট বন্ধ করতে পারি?
না — বিটা-ব্লকারের ক্ষেত্রে এই নিয়ম দ্বিগুণ গুরুত্বপূর্ণ। আপনার প্রেশার স্বাভাবিক ও নাড়ি স্থির আছে কারণ বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট প্রতিদিন স্ট্রেস হরমোন আটকে রাখছে। হঠাৎ বন্ধ করলে উল্টো প্রতিক্রিয়া হয়: হৃদস্পন্দন লাফিয়ে বাড়ে, রক্তচাপ হঠাৎ চড়ে যায়, অ্যানজাইনার ব্যথা তীব্রভাবে ফিরে আসতে পারে, আর হৃদরোগীদের কয়েক দিনের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে। কখনো বন্ধ করার দরকার হলে চিকিৎসক এক-দুই সপ্তাহ ধরে ধাপে ধাপে কমাবেন। ট্যাবলেট যেন কখনো ফুরিয়ে না যায় — স্ট্রিপ শেষ হওয়ার আগেই কিনে রাখুন, ভ্রমণেও।
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট খাওয়ার সময় পালস কেন দেখব, আর কত কম হলে বিপদ?
বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট হৃদস্পন্দন ধীর করেই কাজ করে, তাই ডোজটি আপনার জন্য ঠিক আছে কি না বোঝার সবচেয়ে সহজ দৈনিক মাপকাঠি হলো পালস। বিশ্রামে মাপুন: কব্জির বুড়ো আঙুলের পাশে দুই আঙুল রেখে ৬০ সেকেন্ড গুনুন। চিকিৎসা চলাকালীন বিশ্রামের পালস সাধারণত ৬০–৮০ থাকে; কিছুটা ধীর হওয়াই প্রত্যাশিত। কিন্তু পালস যদি একটানা প্রায় ৫৫-এর নিচে থাকে, বা মাথা ঘোরে, অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগে বা অজ্ঞান-অজ্ঞান ভাব হয় — নিজের বিবেচনায় পরের ডোজ না খেয়ে সেদিনই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। প্রতিটি ফলোআপে পালসের রেকর্ড নিয়ে যান।
আমার হাঁপানি ও ডায়াবেটিস আছে — বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট খেতে পারব কি?
কেবল দুটি রোগের কথাই চিকিৎসককে পুরোপুরি জানিয়ে তাঁর সিদ্ধান্তে। বিসোপ্রোলল হেমিফিউমারেট কার্ডিওসিলেক্টিভ — মূলত হৃদপিণ্ডে কাজ করে — তাই হালকা ও নিয়ন্ত্রিত শ্বাসনালির রোগে কম ডোজে প্রায়ই ব্যবহার করা যায়; কিন্তু মারাত্মক হাঁপানিতে এটি নিষিদ্ধ, আর নতুন করে বুকে সাঁই সাঁই শব্দ বা শ্বাসকষ্ট হলে সঙ্গে সঙ্গে জানাতে হবে। ডায়াবেটিসে ওষুধটি সুগার কমার সতর্ক সংকেত — কাঁপুনি ও বুক ধড়ফড় — চাপা দিতে পারে (ঘাম সাধারণত থেকে যায়), তাই সুগার ঘনঘন মাপুন এবং সালফোনাইলইউরিয়া বা ইনসুলিন চলাকালীন কোনো বেলার খাবার বাদ দেবেন না। হার্টের উপকারের সঙ্গে এই ঝুঁকিগুলো মিলিয়ে চিকিৎসকই ভারসাম্য ঠিক করবেন।
এটি সাধারণ ওষুধ-তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয় — সবসময় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন মেনে চলুন।