জেনেরিক
অ্যাসাইক্লোভির
বাংলাদেশে অ্যাসাইক্লোভির জেনেরিকের ব্র্যান্ড ওষুধসমূহ — দাম, শক্তি ও প্রস্তুতকারক তুলনা করুন।
58টি ওষুধের মধ্যে 1–24 দেখানো হচ্ছে
Acerux 200 mg/5 ml Suspension
অ্যাসাইক্লোভির
Opsonin Pharma Limited
Acerux 3 gm/100 gm Eye Ointment
অ্যাসাইক্লোভির
Opsonin Pharma Limited
Acerux 5 gm/100 gm Cream
অ্যাসাইক্লোভির
Opsonin Pharma Limited
Acerux 200 200 mg Tablet
অ্যাসাইক্লোভির
Opsonin Pharma Limited
Acerux 250 250 mg/VIAL Injection
অ্যাসাইক্লোভির
Opsonin Pharma Limited
Acerux 400 400 mg Tablet
অ্যাসাইক্লোভির
Opsonin Pharma Limited
Acerux 500 mg 500 mg/VIAL Injection
অ্যাসাইক্লোভির
Opsonin Pharma Limited
Aciclon 3 gm/100 gm Eye Ointment
অ্যাসাইক্লোভির
Reman Drug Laboratories Ltd.
Acirux 5 gm/100 gm Cream
অ্যাসাইক্লোভির
Albion Laboratories Ltd.
Acivir 200 mg/5 ml Suspension
অ্যাসাইক্লোভির
The ACME Laboratories Ltd.
Acivir 200 200 mg Tablet
অ্যাসাইক্লোভির
The ACME Laboratories Ltd.
Acivir 400 400 mg Tablet
অ্যাসাইক্লোভির
The ACME Laboratories Ltd.
Acyvir 3 gm/100 gm Eye Ointment
অ্যাসাইক্লোভির
Aristopharma Limited, Gazipur
Acyvir 250 250 mg/VIAL Injection
অ্যাসাইক্লোভির
Aristopharma Limited
Anclovir 200 mg Tablet
অ্যাসাইক্লোভির
Incepta Pharmaceuticals Ltd.
Avir 3 gm/100 gm Eye Ointment
অ্যাসাইক্লোভির
The ACME Laboratories Ltd.
Avirax 250 mg/VIAL Injection
অ্যাসাইক্লোভির
Healthcare Pharmaceuticals Ltd.
Clovir 200 mg Tablet
অ্যাসাইক্লোভির
Ibn Sina Pharmaceutical Ind. Ltd.
Clovir 400 mg Tablet
অ্যাসাইক্লোভির
Ibn Sina Pharmaceutical Ind. Ltd.
Clovir 3 gm/100 gm Eye Ointment
অ্যাসাইক্লোভির
Ibn Sina Pharmaceutical Ind. Ltd.
Clovir 5 gm/100 gm Cream
অ্যাসাইক্লোভির
Ibn Sina Pharmaceutical Ind. Ltd.
Clovir 250 IV 250 mg/VIAL Injection
অ্যাসাইক্লোভির
Ibn Sina Pharmaceutical Ind. Ltd.
Clovir 500 IV 500 mg/VIAL Injection
অ্যাসাইক্লোভির
Ibn Sina Pharmaceutical Ind. Ltd.
Clovirux 250 mg 250 mg/VIAL Injection
অ্যাসাইক্লোভির
General Pharmaceuticals Ltd, Unit-2
অ্যাসাইক্লোভির কী?
অ্যাসাইক্লোভির বাংলাদেশে বহু ব্র্যান্ড নামে পাওয়া যায় এমন একটি Antiviral (Nucleoside Analogue) ওষুধ। নিচে এর ব্যবহার, সেবনমাত্রা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা এবং সব ব্র্যান্ডের বর্তমান দাম দেওয়া হলো।
অ্যাসাইক্লোভির কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
হারপিস-গোত্রের ভাইরাসজনিত সংক্রমণে অ্যাসাইক্লোভির ব্যবহৃত হয়:
- হারপিস সিমপ্লেক্স: জেনিটাল হারপিসের প্রথম আক্রমণ ও পুনরাবৃত্তি, ঠোঁটের কোল্ড সোর এবং ত্বক-মুখের হারপিস
- ঘন ঘন জেনিটাল হারপিস ফিরে এলে তা কমাতে দমনমূলক (সাপ্রেসিভ) চিকিৎসা
- জলবসন্ত (চিকেনপক্স)—বিশেষত প্রাপ্তবয়স্ক ও কিশোরদের, যাদের রোগ তীব্র হয়
- শিংগলস (হারপিস জোস্টার)—দ্রুত শুকাতে ও স্নায়ুব্যথা কমাতে
- দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার রোগীদের হারপিস সংক্রমণ, বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে
এটি আক্রমণের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব কমায়, কিন্তু শরীর থেকে ভাইরাস দূর করে না—তাই পরে আবার হতে পারে।
সেবনবিধি ও মাত্রা
রোগভেদে অ্যাসাইক্লোভির-এর মাত্রা আলাদা—প্রেসক্রিপশন হুবহু মেনে চলুন। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা:
- জেনিটাল হারপিস (প্রথম আক্রমণ): ৪০০ মি.গ্রা. দিনে তিনবার বা ২০০ মি.গ্রা. দিনে পাঁচবার, ৫–১০ দিন
- পুনরাবৃত্ত হারপিস: ৪০০ মি.গ্রা. দিনে তিনবার, ৫ দিন; দমনমূলক চিকিৎসা: ৪০০ মি.গ্রা. দিনে দুইবার, দীর্ঘমেয়াদে
- জলবসন্ত: ৮০০ মি.গ্রা. দিনে চারবার, ৫ দিন
- শিংগলস: ৮০০ মি.গ্রা. দিনে পাঁচবার, ৭ দিন
প্রথম ফোসকা বা ব্যথার ২৪–৭২ ঘণ্টার মধ্যে শুরু করুন, সারাদিন প্রচুর পানি পান করুন এবং জেগে থাকা সময়ে ডোজগুলো সমান ব্যবধানে নিন। শিশুদের মাত্রা ও কিডনি রোগে সমন্বয় চিকিৎসকই ঠিক করবেন।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
অধিকাংশ মানুষ অ্যাসাইক্লোভির ভালোভাবে সহ্য করেন। সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
- বমিভাব, বমি, ডায়রিয়া বা পেটব্যথা
- মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা বা ক্লান্তি
- হালকা ফুসকুড়ি বা চুলকানি; কারও কারও রোদে সংবেদনশীলতা বাড়ে
বিরল কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ: ওষুধের স্ফটিক (ক্রিস্টাল) জমে কিডনির সমস্যা—পানিশূন্য থাকলে বা বেশি মাত্রায় ঝুঁকি বাড়ে, তাই প্রচুর পানি পান এত জরুরি; এবং স্নায়বিক প্রভাব—ভুল বকা, কাঁপুনি, অস্বাভাবিক ঝিমুনি—মূলত বয়স্ক বা কিডনি-দুর্বল রোগীদের। প্রস্রাব কমে যাওয়া, তীব্র ফুসকুড়ি, সহজে কালশিটে, চোখ হলুদ বা আচরণে পরিবর্তন হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।
সতর্কতা
অ্যাসাইক্লোভির-এর সোনালি নিয়ম: দ্রুত শুরু করুন এবং পুরো কোর্স শেষ করুন। প্রথম কয়েক দিনই ভাইরাস সবচেয়ে দ্রুত বাড়ে—৭২ ঘণ্টার পরে শুরু করলে উপকার অনেক কম। মাঝপথে বন্ধ করলে ফোসকা আবার বাড়তে পারে; র্যাশ আগে শুকিয়ে গেলেও কোর্সের শেষ পর্যন্ত প্রতিটি ডোজ নিন।
- কিডনি রক্ষায় চিকিৎসা চলাকালে প্রচুর পানি ও তরল পান করুন
- কিডনি রোগ থাকলে বা বয়স বেশি হলে জানান—মাত্রা সাধারণত কমাতে হয়
- চিকিৎসার পরও আক্রমণ চলাকালে হারপিস অন্যের শরীরে ছড়াতে পারে: ঘা না শুকানো পর্যন্ত ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন, ক্ষতস্থানে হাত দেবেন না
- বছরে ছয়বার বা তার বেশি আক্রমণ ফিরলে বারবার ছোট কোর্সের বদলে দৈনিক দমনমূলক চিকিৎসার কথা চিকিৎসককে জিজ্ঞেস করুন
অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া
অ্যাসাইক্লোভির-এর ওষুধ-মিথস্ক্রিয়া বেশির ভাগ ওষুধের চেয়ে কম, তবে কিছু সমন্বয়ে সাবধানতা দরকার। যা যা খান সব জানান, বিশেষত:
- প্রোবেনেসিড ও সিমেটিডিন: কিডনি দিয়ে অ্যাসাইক্লোভির নিষ্কাশন কমিয়ে রক্তে মাত্রা বাড়ায়
- কিডনির ওপর চাপ ফেলা ওষুধ—অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক, মাত্রাতিরিক্ত এনএসএআইডি ব্যথানাশক, টেনোফোভির, সাইক্লোস্পোরিন বা ট্যাক্রোলিমাস: একসাথে চললে কিডনি ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে, বিশেষত পানিশূন্য অবস্থায়
- থিওফাইলিন (হাঁপানি/সিওপিডির ওষুধ): মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, নজরদারি লাগতে পারে
- মাইকোফেনোলেট (ট্রান্সপ্লান্টের ওষুধ): একসাথে খেলে দুটোরই মাত্রা বাড়তে পারে
কোর্স চলাকালে পর্যাপ্ত পানি পান ও অপ্রয়োজনীয় ব্যথানাশক এড়িয়ে চললে এসব ঝুঁকির বেশির ভাগই কমে।
প্রতিনির্দেশনা
অ্যাসাইক্লোভির বা ভ্যালাসাইক্লোভিরে (যা শরীরে অ্যাসাইক্লোভিরে রূপ নেয়) অ্যালার্জি থাকলে অ্যাসাইক্লোভির খাবেন না। প্রকৃত অ্যালার্জি বিরল, তবে ডোজের পর ফুসকুড়ি, চাকা, মুখ ফুলে যাওয়া বা শ্বাসকষ্ট হলে ওষুধ বন্ধ করে চিকিৎসা নিন।
নিচের ক্ষেত্রে কেবল চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ও মাত্রা সমন্বয় করে অ্যাসাইক্লোভির ব্যবহার করুন:
- উল্লেখযোগ্য কিডনি দুর্বলতা বা ডায়ালাইসিস চললে
- বেশি বয়সে কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে
- দ্রুত সংশোধনযোগ্য নয় এমন তীব্র পানিশূন্যতায়
- দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায়—এমন রোগীদের হারপিসে বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে, কখনও শিরায়, চিকিৎসা লাগে
শুরুর আগে ওষুধ ও রোগের পূর্ণ ইতিহাস চিকিৎসককে দিন।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থা: কয়েক দশকের ব্যবহার ও বড় গর্ভাবস্থা-রেজিস্ট্রিতে অ্যাসাইক্লোভির-এ জন্মগত ত্রুটি বাড়ার প্রমাণ মেলেনি; তাই সত্যিকারের প্রয়োজনে—যেমন গর্ভাবস্থায় জলবসন্ত, যা মারাত্মক হতে পারে ও জরুরি পরামর্শ দরকার—চিকিৎসকরা এটি দেন। গর্ভাবস্থায় কখনও নিজে নিজে খাবেন না; সিদ্ধান্ত চিকিৎসকের।
স্তন্যদান: বুকের দুধে অ্যাসাইক্লোভির যায় সামান্যই—শিশুদের চিকিৎসা-মাত্রার অনেক নিচে—তাই স্তন্যদান সাধারণত চিকিৎসার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। স্তন্যদানের কথা জানান, শিশুর অস্বাভাবিক ঝিমুনি বা খাওয়ার পরিবর্তনে নজর রাখুন, এবং স্তনে সক্রিয় হারপিস ঘা থাকলে সেটি না শুকানো পর্যন্ত সেই পাশ থেকে খাওয়াবেন না।
সংরক্ষণ
অ্যাসাইক্লোভির ৩০° সেলসিয়াসের নিচে শুকনো জায়গায়, সরাসরি রোদ ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। আর্দ্র আবহাওয়ায় বাথরুমের ক্যাবিনেট বা রান্নাঘরের তাকের চেয়ে ঠান্ডা-শুকনো আলমারিই ভালো। ট্যাবলেট খাওয়ার আগমুহূর্ত পর্যন্ত মূল ব্লিস্টারে রাখুন এবং সব ওষুধ শিশুদের নাগাল ও দৃষ্টির বাইরে রাখুন।
- অ্যাসাইক্লোভির সাসপেনশন প্রতিবার ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে খাওয়ান এবং খোলা বোতল কত দিন ব্যবহারযোগ্য তা লেবেলের নির্দেশ মেনে চলুন
- প্যাকে লেখা মেয়াদ পেরোলে অ্যাসাইক্লোভির ব্যবহার করবেন না
- অবশিষ্ট ওষুধ ময়লা বা ড্রেনে না ফেলে ফার্মেসির মাধ্যমে নষ্ট করুন
অ্যাসাইক্লোভির নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা
শিংগলস বা ঠোঁটের ঘা শুরু হলে কত দ্রুত অ্যাসাইক্লোভির শুরু করা উচিত?
যত দ্রুত সম্ভব—আদর্শভাবে প্রথম শিরশিরানি, ব্যথা বা ফোসকার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে, আর অবশ্যই ৭২ ঘণ্টার ভেতরে। প্রথম কয়েক দিনে হারপিস ভাইরাস বিস্ফোরকের মতো বাড়ে; অ্যাসাইক্লোভির সেই বৃদ্ধিটাই আটকায়, কিন্তু হয়ে যাওয়া ক্ষতি ফেরাতে পারে না। আগে শুরু করলে অসুখ ছোট হয়, ফোসকা দ্রুত শুকায়, আর শিংগলসে দীর্ঘস্থায়ী স্নায়ুব্যথার আশঙ্কা কমে। বারবার হওয়া কোল্ড সোর বা জেনিটাল হারপিসের চেনা শিরশিরানি টের পেলে সেদিনই চিকিৎসা শুরুর ব্যাপারে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।
অ্যাসাইক্লোভির কি হারপিস স্থায়ীভাবে সারিয়ে দেয়?
বর্তমানে কোনো ওষুধই তা পারে না। আক্রমণের পর হারপিস ভাইরাস স্নায়ুমূলে লুকিয়ে আজীবন ঘুমিয়ে থাকে; অ্যাসাইক্লোভির আক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু ঘুমন্ত ভাইরাস দূর করে না। সুখবর হলো: চিকিৎসায় প্রতিটি পর্ব ছোট ও হালকা হয়, আর বছরের পর বছর পুনরাবৃত্তিও প্রায়ই কমে আসে। বছরে ছয়বার বা বেশি আক্রমণ হলে অ্যাসাইক্লোভির দিয়ে দৈনিক কম-মাত্রার দমনমূলক চিকিৎসা অধিকাংশ আক্রমণ ঠেকাতে পারে এবং সঙ্গীর শরীরে ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকিও কমায়। এই বিকল্প নিয়ে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন।
অ্যাসাইক্লোভির খাওয়ার সময় এত বেশি পানি পান করতে হয় কেন?
অ্যাসাইক্লোভির কিডনি দিয়ে শরীর থেকে বের হয়, আর ঘন প্রস্রাবে এটি ক্ষুদ্র স্ফটিক (ক্রিস্টাল) তৈরি করে কিডনির ছাঁকনিতে আঁচড় ও বাধা সৃষ্টি করতে পারে—ওষুধটির বিরল কিডনি ক্ষতির মূল কারণ এটিই। পর্যাপ্ত তরল প্রস্রাব পাতলা রাখে, ফলে স্ফটিক জমতে পারে না। উচ্চ মাত্রার কোর্সে (শিংগলস ও জলবসন্ত), গরম আবহাওয়ায়, বয়স্কদের এবং কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে জরুরি। পুরো কোর্স জুড়ে দিনভর নিয়মিত পানি পান করুন—প্রস্রাবের রং হালকা থাকাই লক্ষ্য।
এটি সাধারণ ওষুধ-তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয় — সবসময় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন মেনে চলুন।