See in English

Pellets

Ferrous Sulphate + Folic Acid 177.78 gm + 1.111 gm + 137.333 gm/KG Pellets

জেনেরিক: ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক

প্রস্তুতকারক: Eskayef Pharmaceuticals Ltd., Tongi,Gazipur

থেরাপিউটিক ক্লাস: Iron, folic acid and zinc supplement (anti-anaemic combination)

Ferrous Sulphate + Folic Acid এর কাজ কি?

Ferrous Sulphate + Folic Acid (Pellets)-এর উপাদান ফেরাস সালফেট + ফলিক অ্যাসিড + জিংক 177.78 gm + 1.111 gm + 137.333 gm/KG, প্রস্তুতকারক Eskayef Pharmaceuticals Ltd., Tongi,Gazipur। থেরাপিউটিক ক্লাস: Iron, folic acid and zinc supplement (anti-anaemic combination)।

Ferrous Sulphate + Folic Acid কী?

Ferrous Sulphate + Folic Acid হলো ফেরাস সালফেট, ফলিক অ্যাসিড ও জিঙ্কযুক্ত পেলেট ফর্মুলেশন। ঘাটতিজনিত পুষ্টিগত রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ বা ব্যবস্থাপনায় এটি আয়রন, ফোলেট ও জিঙ্ক সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Ferrous Sulphate + Folic Acid 177.78 gm + 1.111 gm + 137.333 gm/KG pellets হলো Eskayef Pharmaceuticals Ltd., Tongi,Gazipur-এর একটি ওষুধ, যাতে রয়েছে Ferrous Sulphate + Folic Acid + Zinc — এমন তিনটি পুষ্টি উপাদান, যেগুলোর ঘাটতি বাংলাদেশে খুবই প্রচলিত, বিশেষত গর্ভবতী নারী, কিশোরী ও শিশুদের মধ্যে। পুষ্টিজনিত রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় এবং সুস্থ গর্ভাবস্থার সহায়তায় এটি বহুল ব্যবহৃত; আয়রন-ফলিক অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট বাংলাদেশের জাতীয় মাতৃপুষ্টি কর্মসূচিরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

প্রতিটি উপাদানের কাজ আলাদা। আয়রন হিমোগ্লোবিনের মূল উপাদান, যা রক্তে অক্সিজেন বহন করে — এর ঘাটতি পূরণে রক্তশূন্যতা সারে। ফলিক অ্যাসিড একটি বি-ভিটামিন, যা নতুন কোষ ও লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে এবং গর্ভের শুরুতে শিশুর মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ড গঠনে অপরিহার্য। জিংক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা, বৃদ্ধি, ক্ষুধা ও ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। তিনটি মিলে Ferrous Sulphate + Folic Acid সুস্থ রক্ত পুনর্গঠনে এবং মা ও শিশুর সুরক্ষায় কাজ করে।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

Ferrous Sulphate + Folic Acid যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

  • গর্ভাবস্থার রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় — এবং গর্ভের শিশুর জন্য বাড়তি আয়রন, ফলিক অ্যাসিড ও জিংকের চাহিদা পূরণে
  • কিশোরী, অতিরিক্ত মাসিকের সমস্যায় ভোগা নারী ও অপুষ্টিতে আক্রান্তদের আয়রন-স্বল্পতাজনিত রক্তশূন্যতায়
  • ফলিক অ্যাসিডের জোগান — পরামর্শ অনুযায়ী গর্ভধারণের আগে বা শুরুতে নিলে শিশুর নিউরাল টিউব ত্রুটি প্রতিরোধে সহায়ক
  • জিংকের ঘাটতিতে — ক্ষুধামন্দা, ঘন ঘন সংক্রমণ, ক্ষত শুকাতে দেরি
  • সন্তান জন্ম বা রক্তক্ষরণের পর পুনরুদ্ধারে, চিকিৎসকের পরামর্শমতো

সেবনবিধি ও মাত্রা

ChamberBD শুধু অনুমোদিত লেবেল (প্যাকেটের লিফলেট) থেকে উৎসসহ সেবনবিধি দেখায়, আর Ferrous Sulphate + Folic Acid 177.78 gm + 1.111 gm + 137.333 gm/KG Pellets-এর লেবেল আমাদের কাছে নেই। ডাক্তারের দেওয়া মাত্রা এবং প্যাকেটের লিফলেটের নির্দেশনা মেনে চলুন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

Ferrous Sulphate + Folic Acid সাধারণত ভালো সহনীয়। সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

  • কালো পায়খানা — আয়রনের কারণে স্বাভাবিক ও নিরীহ
  • বমিভাব, হালকা পেট খারাপ বা বুক জ্বালা
  • কোষ্ঠকাঠিন্য, কখনো পাতলা পায়খানা
  • মুখে ধাতব স্বাদ; খালি পেটে জিংকে কখনো বমিভাব হতে পারে
  • বিরল ক্ষেত্রে র‍্যাশের মতো অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া

খাবারের পরে খেলে, প্রচুর পানি পান ও আঁশযুক্ত খাবারে পেটের সমস্যা সাধারণত কমে যায়। একটানা বমি, তীব্র পেটব্যথা বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

  • শিশুদের থেকে কঠোরভাবে দূরে রাখুন — ভুল করে আয়রন খেয়ে ফেলা ছোট শিশুদের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক; খেয়ে ফেললে জরুরি অবস্থা হিসেবে হাসপাতালে নিন।
  • ঘাটতি নিশ্চিত না করে দীর্ঘদিন খাওয়া ঠিক নয়; অন্য কারণের রক্তশূন্যতায় (থ্যালাসেমিয়া, দীর্ঘস্থায়ী রোগ, বি১২ ঘাটতি) ভিন্ন চিকিৎসা দরকার।
  • ফলিক অ্যাসিড ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি আড়াল করতে পারে — হাত-পা অবশ, ঝিনঝিন বা ভারসাম্যের সমস্যা থাকলে চিকিৎসককে জানান।
  • আলসার, অন্ত্রের রোগ, থ্যালাসেমিয়া, বারবার রক্ত গ্রহণ বা লিভারের রোগ থাকলে চিকিৎসককে জানান।
  • চা, কফি, দুধ, ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টাসিড থেকে ২ ঘণ্টার ব্যবধান বজায় রাখুন।
  • গর্ভাবস্থায় নিয়মিত প্রসবপূর্ব চেকআপে যান, যাতে হিমোগ্লোবিন নজরে রাখা যায়।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

Ferrous Sulphate + Folic Acid + Zinc-এর উল্লেখযোগ্য মিথস্ক্রিয়া:

  • চা, কফি, দুধ, ক্যালসিয়াম, অ্যান্টাসিড — আয়রন ও জিংকের শোষণ অনেক কমায়; ২ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন।
  • টেট্রাসাইক্লিন ও কুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক (ডক্সিসাইক্লিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন) — আয়রন ও জিংক উভয়েই এদের শোষণ আটকে দেয়; ২–৪ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন।
  • লিভোথাইরক্সিন — শোষণ কমে; অন্তত ৪ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন।
  • পেনিসিলামিন — আয়রন ও জিংকে শোষণ কমে।
  • মৃগীর ওষুধ (ফেনিটয়েন) — ফলিক অ্যাসিড এদের মাত্রা বদলাতে পারে; চিকিৎসককে জানান।
  • অন্য মাল্টিভিটামিন/মিনারেল — অপরিকল্পিতভাবে আয়রন বা জিংক দ্বিগুণ করবেন না।

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

  • আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, জিংক বা কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে খাওয়া যাবে না
  • শরীরে আয়রন জমার রোগ — হিমোক্রোমাটোসিস, হিমোসাইডেরোসিস
  • আয়রন বা ফোলেটের ঘাটতি ছাড়া অন্য কারণের রক্তশূন্যতায় — চিকিৎসক প্রয়োজন নিশ্চিত না করলে নয়
  • চিকিৎসাবিহীন ভিটামিন বি১২ ঘাটতি (পার্নিশাস অ্যানিমিয়া) — শুধু ফলিক অ্যাসিড তা আড়াল করতে পারে; আগে চিকিৎসকের মূল্যায়ন দরকার
  • বারবার রক্ত গ্রহণকারী রোগী — বিশেষজ্ঞের পরামর্শ আবশ্যক

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

Ferrous Sulphate + Folic Acid মূলত গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের জন্যই: আয়রন মায়ের রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ ও চিকিৎসা করে, ফলিক অ্যাসিড শিশুকে নিউরাল টিউব ত্রুটি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে, আর জিংক বৃদ্ধি ও রোগপ্রতিরোধে সহায়তা করে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য কর্মসূচিতে গর্ভাবস্থায় ও প্রসবের পরে আয়রন-ফলিক অ্যাসিড খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। নির্ধারিত মাত্রায় স্তন্যদানকালেও এটি নিরাপদ বলে বিবেচিত। নিয়মিত প্রসবপূর্ব সেবার অংশ হিসেবে, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শমতো মাত্রায় খান এবং অন্য ওষুধ থেকে বাড়তি আয়রন নেওয়া এড়িয়ে চলুন।

সংরক্ষণ

প্যাকেটে লেখা নির্দেশনা অনুযায়ী সংরক্ষণ করুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের পুষ্টিবিদ খুঁজুন →