See in English

সিরাপ

Eofylin 120 mg/5 ml সিরাপ

জেনেরিক: থিওফাইলিন

প্রস্তুতকারক: Salton Pharmaceuticals Ltd.

থেরাপিউটিক ক্লাস: Methylxanthine bronchodilator

Eofylin এর কাজ কি?

Eofylin (সিরাপ)-এর উপাদান থিওফাইলিন 120 mg/5 ml, প্রস্তুতকারক Salton Pharmaceuticals Ltd.। থেরাপিউটিক ক্লাস: Methylxanthine bronchodilator।

Eofylin কী?

এই সিরাপ রূপে ইওফাইলিন-এ প্রতি ৫ মি.লি.-তে ১২০ মি.গ্রা. থিওফাইলিন থাকে, যা একটি মিথাইলজ্যানথিন ব্রঙ্কোডাইলেটর। বিশেষত যেখানে তরল মাত্রা প্রয়োজন, সেখানে হাঁপানি ও সিওপিডির উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে এটি ব্যবহৃত হয়।

Eofylin 120 mg/5 ml syrup হলো Salton Pharmaceuticals Ltd.-এর একটি ওষুধ, যাতে রয়েছে Theophylline — মিথাইলজ্যানথিন গোত্রের শ্বাসনালি প্রসারণকারী। হাঁপানি ও সিওপিডি-তে শ্বাসনালি খোলা রাখতে, বাঁশির শব্দ ও শ্বাসকষ্ট কমাতে এটি ব্যবহৃত হয় — সাধারণত ইনহেলারে যথেষ্ট কাজ না হলে বাড়তি ওষুধ হিসেবে। অনেক প্রস্তুতি সাসটেইনড-রিলিজ, অর্থাৎ সারা দিন বা রাত ধরে ধীরে ধীরে কাজ করে।

Theophylline শ্বাসনালির চারপাশের মসৃণ পেশি শিথিল করে, ফলে নালিগুলো প্রশস্ত হয় এবং বাতাস সহজে চলাচল করে। এটি শ্বাসনালির প্রদাহও কিছুটা কমায় এবং শ্বাসের পেশিকে শক্তি জোগায়। মনে রাখা জরুরি — Theophylline-এর নিরাপত্তার সীমা সংকীর্ণ; উপকারী মাত্রা ও ক্ষতিকর মাত্রার ব্যবধান খুব কম, তাই মাত্রা অবশ্যই চিকিৎসকের নির্ধারণ ও নজরদারিতে চলতে হবে।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

Eofylin যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

  • হাঁপানি (অ্যাজমা) — নিয়মিত (অ্যাড-অন) চিকিৎসা হিসেবে বাঁশির শব্দ ও রাতের উপসর্গ কমাতে
  • সিওপিডি (ক্রনিক ব্রংকাইটিস ও এমফাইসিমা) — দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্ট লাঘবে
  • চিকিৎসকের বিবেচনায় অন্যান্য কারণের প্রত্যাবর্তনযোগ্য শ্বাসনালি সংকোচনে

এটি নিয়মিত খাওয়ার নিয়ন্ত্রক ধরনের ওষুধ; হঠাৎ তীব্র আক্রমণের দ্রুত উপশমে এটি কার্যকর নয় — তখন দ্রুত-কার্যকর ইনহেলার ও জরুরি চিকিৎসা দরকার।

সেবনবিধি ও মাত্রা

ChamberBD শুধু অনুমোদিত লেবেল (প্যাকেটের লিফলেট) থেকে উৎসসহ সেবনবিধি দেখায়, আর Eofylin 120 mg/5 ml সিরাপ-এর লেবেল আমাদের কাছে নেই। ডাক্তারের দেওয়া মাত্রা এবং প্যাকেটের লিফলেটের নির্দেশনা মেনে চলুন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

Eofylin-এর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

  • বমিভাব, বমি, পেট খারাপ বা বুক জ্বালা
  • মাথাব্যথা, অস্থিরতা, ঘুমে অসুবিধা
  • দ্রুত হৃদস্পন্দন বা বুক ধড়ফড়
  • ঘন ঘন প্রস্রাব, কাঁপুনি

বিষক্রিয়ার সতর্ক সংকেত — একটানা বমি, তীব্র ধড়ফড় বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, বিভ্রান্তি, অস্থিরতা বা খিঁচুনি। এগুলো বোঝায় রক্তে ওষুধের মাত্রা বেশি হয়ে গেছে: ওষুধ বন্ধ করে এখনই জরুরি চিকিৎসা নিন। জ্বর, কিছু অ্যান্টিবায়োটিক বা সাম্প্রতিক অসুস্থতায় স্বাভাবিক ডোজেও মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।

সতর্কতা

  • Theophylline-এর নিরাপদ মাত্রার পরিসর সংকীর্ণ — ঠিক নির্ধারিত মাত্রাই খান; ডোজ মিস হলে কখনো দ্বিগুণ খাবেন না।
  • চা, কফি, কোলা ও এনার্জি ড্রিংক কম খান — এগুলোর ক্যাফেইন একই গোত্রের উপাদান, যা ধড়ফড় ও নির্ঘুমতার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বাড়ায়।
  • লিভারের রোগ, হার্ট ফেইলিউর, থাইরয়েড সমস্যা, পেপটিক আলসার, মৃগী বা দীর্ঘ জ্বর থাকলে চিকিৎসককে জানান — প্রায়ই মাত্রা কমাতে হয়।
  • ধূমপান থিওফাইলিনের মাত্রা বদলে দেয়; ধূমপান শুরু বা বন্ধ করলে চিকিৎসককে জানান।
  • যে চিকিৎসকের কাছেই যান, Eofylin খাওয়ার কথা বলুন — বহু প্রচলিত অ্যান্টিবায়োটিক এর সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে।
  • মাঝে মাঝে রক্তে ওষুধের মাত্রা পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে — তা বাদ দেবেন না।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

Theophylline বহু ওষুধের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে; আপনার সম্পূর্ণ ওষুধের তালিকা চিকিৎসককে দেখান। গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ:

  • সিপ্রোফ্লক্সাসিন, এরিথ্রোমাইসিন, ক্লারিথ্রোমাইসিন — থিওফাইলিনের মাত্রা বাড়িয়ে বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে।
  • সিমেটিডিন, কিছু অ্যান্টিফাঙ্গাল, জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল — মাত্রা বাড়ায়।
  • রিফাম্পিসিন, ফেনিটয়েন, কার্বামাজেপিন, ধূমপান — মাত্রা কমিয়ে কার্যকারিতা কমায়।
  • ক্যাফেইন (চা, কফি, কোলা) — উত্তেজক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বাড়ায়।
  • সালবিউটামল/লেভোসালবিউটামল ও ডাইউরেটিক — একসঙ্গে নিলে রক্তের পটাশিয়াম কমতে পারে।
  • লিথিয়াম — থিওফাইলিন এর কার্যকারিতা কমাতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

  • Theophylline বা অন্যান্য জ্যানথিন (ক্যাফেইন, থিওব্রোমিন)-এ অ্যালার্জি থাকলে খাওয়া যাবে না
  • সক্রিয় পেপটিক আলসার ও অনিয়ন্ত্রিত খিঁচুনি রোগে — চিকিৎসক অত্যাবশ্যক মনে করলে তবেই ব্যবহার
  • অনিয়ন্ত্রিত গুরুতর হৃদস্পন্দনের ছন্দজনিত সমস্যা
  • মারাত্মক লিভার রোগ, হার্ট ফেইলিউর ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে সতর্কতা — কম মাত্রা ও নজরদারি প্রয়োজন

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

Theophylline গর্ভফুল (প্লাসেন্টা) পেরিয়ে শিশুর কাছে পৌঁছায়। মায়ের হাঁপানি নিয়ন্ত্রণের উপকার ঝুঁকির চেয়ে বেশি — চিকিৎসক এমন মনে করলে তবেই গর্ভাবস্থায় এটি ব্যবহৃত হয়, প্রায়ই সমন্বিত মাত্রা ও বাড়তি নজরদারিতে। এটি বুকের দুধে যায় এবং শিশুকে অস্থির করতে বা ঘুম নষ্ট করতে পারে; ডোজের ঠিক আগে দুধ খাওয়ালে শিশুর ওপর প্রভাব কম পড়ে। গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালে Eofylin কঠোরভাবে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করুন।

সংরক্ষণ

Eofylin ৩০° সেলসিয়াসের নিচে শুকনো জায়গায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। মূল পাত্রে ভালোভাবে বন্ধ করে শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদ শেষ হলে ব্যবহার করবেন না।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ খুঁজুন →