See in English
Aprocin 200 mg/100 ml IV Infusion — Ciprofloxacin

আইভি ইনফিউশন

Aprocin 200 mg/100 ml আইভি ইনফিউশন

জেনেরিক: সিপ্রোফ্লক্সাসিন

প্রস্তুতকারক: Aristopharma Limited

থেরাপিউটিক ক্লাস: Fluoroquinolone antibiotic

Aprocin এর কাজ কি?

Aprocin (আইভি ইনফিউশন)-এর উপাদান সিপ্রোফ্লক্সাসিন 200 mg/100 ml, প্রস্তুতকারক Aristopharma Limited। থেরাপিউটিক ক্লাস: Fluoroquinolone antibiotic।

দাম (বাংলাদেশ)

প্যাক মূল্য (টাকা)
প্রতি আইভি ইনফিউশন ৳ 1.00
100ml bot ৳ 1.00

দাম পরিবর্তনশীল — ফার্মেসিভেদে প্রকৃত খুচরা মূল্য ভিন্ন হতে পারে।

Aprocin কী?

Aprocin 200 mg/100 ml IV Infusion-এ ciprofloxacin আছে, যা শিরায় দেওয়া একটি fluoroquinolone অ্যান্টিবায়োটিক। এটি হাসপাতালে সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ, যেমন মূত্রনালি, শ্বাসতন্ত্র, পেট, ত্বক, হাড় বা জয়েন্টের সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়।

Aristopharma Limited-এর তৈরি Aprocin 200 mg/100 ml iv infusion-এ রয়েছে Ciprofloxacin, যা একটি ব্রড-স্পেকট্রাম ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক। মূত্রনালির সংক্রমণ, পেটের সংক্রমণ, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, হাড় ও ত্বকের সংক্রমণ এবং টাইফয়েড জ্বরসহ নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে এটি ব্যবহৃত হয়। Aprocin একটি প্রেসক্রিপশন-নির্ভর ওষুধ এবং অবশ্যই নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে।

Ciprofloxacin ব্যাকটেরিয়ার DNA গাইরেজ ও টপোআইসোমারেজ-IV নামক দুটি এনজাইমকে বাধা দেয়, যেগুলো ছাড়া ব্যাকটেরিয়া তার বংশবৃদ্ধি ও জিনগত উপাদান মেরামত করতে পারে না। ফলে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত ধ্বংস হয়। এটি শুধু ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে বলে সর্দি-কাশি, ফ্লু বা ভাইরাসজনিত গলাব্যথায় Aprocin কোনো কাজ করে না।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

  • জটিল ও সাধারণ মূত্রনালির সংক্রমণ
  • টাইফয়েড ও প্যারাটাইফয়েড জ্বর
  • ব্যাকটেরিয়াজনিত পেটের সংক্রমণ ও ভ্রমণজনিত ডায়রিয়া
  • কিছু শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ
  • হাড়, গাঁট ও ত্বক/নরম-কলার সংক্রমণ
  • কিছু যৌনবাহিত ও পেটের ভেতরের সংক্রমণ

সেবনবিধি ও মাত্রা

ChamberBD শুধু অনুমোদিত লেবেল (প্যাকেটের লিফলেট) থেকে উৎসসহ সেবনবিধি দেখায়, আর Aprocin 200 mg/100 ml আইভি ইনফিউশন-এর লেবেল আমাদের কাছে নেই। ডাক্তারের দেওয়া মাত্রা এবং প্যাকেটের লিফলেটের নির্দেশনা মেনে চলুন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

বেশিরভাগ মানুষ Ciprofloxacin সহ্য করতে পারলেও কারও কারও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো হলো:

  • বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া বা পেটে অস্বস্তি
  • মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা বা ঘুমের সমস্যা
  • চামড়ায় র‌্যাশ বা চুলকানি

বিরল কিন্তু গুরুতর সমস্যার মধ্যে আছে টেন্ডনে (বিশেষত গোড়ালির অ্যাকিলিস টেন্ডন) ব্যথা বা ফোলা, যা বিরল ক্ষেত্রে ছিঁড়ে যেতে পারে, এছাড়া স্নায়ুতে ঝিঁঝিঁ, মেজাজের পরিবর্তন বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন। হঠাৎ টেন্ডনে ব্যথা, তীব্র অ্যালার্জি বা খিঁচুনি হলে Aprocin বন্ধ করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

সতর্কতা

Aprocin একটি প্রেসক্রিপশন-নির্ভর অ্যান্টিবায়োটিক — কখনো নিজে থেকে খাবেন না। শুধু নিবন্ধিত চিকিৎসক আপনার জন্য লিখে দিলে তবেই খান, পরিবারের কারও সঙ্গে ভাগ করবেন না বা ফার্মেসি থেকে নিজে কিনে খাবেন না। সবসময় নির্ধারিত পুরো কোর্স শেষ করুন, কয়েক দিনে ভালো বোধ করলেও — তাড়াতাড়ি বন্ধ করলে শক্তিশালী ব্যাকটেরিয়া বেঁচে গিয়ে আরও জটিল হয়ে ফিরে আসে।

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বাংলাদেশে একটি মারাত্মক জাতীয় স্বাস্থ্য সংকট, আর Ciprofloxacin-এর মতো ওষুধের অপব্যবহার তা আরও বাড়িয়ে তোলে। আপনার টেন্ডনের সমস্যা, মৃগী, কিডনি রোগ বা হৃৎস্পন্দনের সমস্যা থাকলে চিকিৎসককে জানান। চিকিৎসার সময় কড়া রোদ এড়িয়ে চলুন ও ভারী ব্যায়াম সীমিত রাখুন।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

Ciprofloxacin বেশ কিছু ওষুধ ও খাবারের সঙ্গে বিক্রিয়া করতে পারে। আপনি যা যা খান সব চিকিৎসককে জানান। গুরুত্বপূর্ণ বিক্রিয়াগুলো হলো:

  • দুধজাত খাবার, অ্যান্টাসিড, আয়রন, জিংক ও ক্যালসিয়াম — শোষণ কমায়; অন্তত ২ ঘণ্টা ব্যবধান রাখুন
  • থিওফাইলিন ও টিজানিডিন — রক্তে মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বাড়তে পারে
  • ওয়ারফারিন — রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়
  • NSAID ব্যথানাশক — খিঁচুনির ঝুঁকি বাড়ায়
  • হৃৎস্পন্দনে প্রভাব ফেলে এমন ওষুধ (QT বাড়ায় এমন)

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

এই অবস্থাগুলোতে Aprocin খাবেন না:

  • সিপ্রোফ্লক্সাসিন বা অন্য ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিকে অ্যালার্জি থাকলে
  • আগে ফ্লুরোকুইনোলোন খেয়ে টেন্ডনের সমস্যা হলে
  • টিজানিডিন খেলে

বিশেষজ্ঞ ঝুঁকির চেয়ে উপকার বেশি মনে না করলে সাধারণত শিশু ও কিশোরদের দেওয়া হয় না; মৃগী, মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিস বা হৃৎস্পন্দনের সমস্যায় অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হয়।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

হাড়ের গঠন ও কার্টিলেজের উপর সম্ভাব্য প্রভাবের কারণে নিরাপদ বিকল্প না থাকলে গর্ভাবস্থায় সাধারণত Ciprofloxacin দেওয়া হয় না। গর্ভবতী হলে বা গর্ভধারণের পরিকল্পনা থাকলে চিকিৎসককে জানান, যাতে আরও নিরাপদ অ্যান্টিবায়োটিক বেছে নেওয়া যায়।

এই ওষুধ বুকের দুধে চলে যায়, তাই স্তন্যদানকালে সাধারণত এড়িয়ে চলা হয়। উপকার ও ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করুন; তিনি বিকল্প ওষুধ বা সাময়িকভাবে স্তন্যদান বন্ধ রাখার পরামর্শ দিতে পারেন।

সংরক্ষণ

প্যাকেটে লেখা নির্দেশনা অনুযায়ী সংরক্ষণ করুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

Aprocin খাওয়ার সময় কেন দুধ ও অ্যান্টাসিড এড়িয়ে চলব?

দুধ-দইয়ের ক্যালসিয়াম এবং অ্যান্টাসিড, আয়রন ও জিংক সাপ্লিমেন্টের খনিজ উপাদান পাকস্থলীতে সিপ্রোফ্লক্সাসিনের সঙ্গে জুড়ে গিয়ে এর শোষণে বাধা দেয়। এতে Aprocin-এর কার্যকারিতা অনেক কমে যেতে পারে এবং সংক্রমণ থেকে যেতে পারে। এসব খাবার বা ওষুধের অন্তত ২ ঘণ্টা আগে বা ৬ ঘণ্টা পরে Aprocin খান। সাধারণ পানি দিয়ে খাওয়াই ভালো, আর পর্যাপ্ত পানি পান করলে প্রস্রাবে স্ফটিক জমার সামান্য ঝুঁকিও কমে।

Aprocin শুরু করার পর হঠাৎ গোড়ালিতে ব্যথা অনুভব করলে কী করব?

সঙ্গে সঙ্গে Aprocin খাওয়া বন্ধ করুন এবং চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। সিপ্রোফ্লক্সাসিনের মতো ফ্লুরোকুইনোলোন বিরল ক্ষেত্রে টেন্ডনে প্রদাহ বা ছিঁড়ে যাওয়ার কারণ হতে পারে, বিশেষত গোড়ালির পেছনের অ্যাকিলিস টেন্ডনে। বয়স্ক, স্টেরয়েড গ্রহণকারী ও যাঁরা কঠোর ব্যায়াম করেন তাঁদের ঝুঁকি বেশি। আক্রান্ত অঙ্গ বিশ্রামে রাখুন, ভারী কাজ এড়িয়ে চলুন এবং চিকিৎসক নিরাপদ না বলা পর্যন্ত আবার ওষুধ শুরু করবেন না। দ্রুত ব্যবস্থা নিলে সাধারণত স্থায়ী ক্ষতি এড়ানো যায়।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ খুঁজুন →