Dr. A. B. M. Manirul Alam
MBBS, BCS (Health), M.Phil (Radiology & Imaging)
Radiologist
Fotullah, Narayanganj
ChamberBD-তে নারায়ণগঞ্জ (Dhaka বিভাগ)-এ অনুশীলনরত ৩ জন যাচাইকৃত রেডিওলজি ও ইমেজিং বিশেষজ্ঞ-এর তালিকা রয়েছে। তাঁদের যোগ্যতা, চেম্বারের অবস্থান, ভিজিট ফি ও সময়সূচি তুলনা করে কয়েক মিনিটেই অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।
রেডিওলজিস্ট বা রেডিওলজি ও ইমেজিং বিশেষজ্ঞ এমন একজন চিকিৎসক, যিনি মেডিকেল ইমেজিং ব্যবহার করে রোগ নির্ণয় করেন এবং অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসাও করেন। বাংলাদেশে তাঁরা পপুলার, ইবনে সিনা, ল্যাবএইড, স্কয়ার বা বিএসএমএমইউ-এর মতো হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ইমেজিং বিভাগ পরিচালনা করেন এবং এক্স-রে, আল্ট্রাসনোগ্রাম (ইউএসজি), সিটি স্ক্যান, এমআরআই, ম্যামোগ্রাম ও ডপলার পরীক্ষা করে রিপোর্ট দেন। বেশিরভাগ রোগী সরাসরি না এসে অন্য ডাক্তারের রেফারেলে রেডিওলজিস্টের কাছে যান—যেমন পেটব্যথা, কিডনিতে পাথর, সন্দেহজনক চাকা, মাথাব্যথা, স্ট্রোক, হাড় ভাঙা, গর্ভাবস্থার অগ্রগতি, ফ্যাটি লিভার বা ক্যান্সারের স্টেজিং জানতে। তিনি ছবিগুলো তুলে বিশ্লেষণ করে বিস্তারিত রিপোর্ট লেখেন, যা আপনার চিকিৎসার দিকনির্দেশনা দেয়। সাধারণত একই দিনে পরীক্ষা হয় এবং কয়েক ঘণ্টা থেকে এক দিনের মধ্যে স্বাক্ষরিত রিপোর্ট পাওয়া যায়। ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজিস্টরা আল্ট্রাসাউন্ড বা সিটি গাইডেড বায়োপসি, এফএনএসি ও সিস্ট অ্যাসপিরেশনও করেন। ডাক্তার ইমেজিং করতে বললে বা কোনো স্ক্যান বিশেষজ্ঞকে দিয়ে দেখাতে চাইলে রেডিওলজিস্টের পরামর্শ নিন।
সাধারণত আলাদা কনসালটেশন ফি নয়, ইমেজিং পরীক্ষার জন্যই টাকা দিতে হয়। নারায়ণগঞ্জ-এ আল্ট্রাসাউন্ড (ইউএসজি) সাধারণত ৮০০-২,৫০০ টাকা, সাধারণ এক্স-রে ৩০০-৮০০ টাকা, সিটি স্ক্যান ৪,০০০-১০,০০০ টাকা এবং এমআরআই ৬,০০০-১৫,০০০ টাকা—সেন্টার ও শরীরের অংশভেদে কমবেশি হয়। বাইরের স্ক্যান দেখিয়ে রিপোর্ট বা সেকেন্ড ওপিনিয়ন নিতে প্রায়ই ৫০০-১,০০০ টাকা লাগে। পপুলার, ল্যাবএইড, ইবনে সিনার মতো বেসরকারি হাসপাতালে খরচ একটু বেশি, তবে অনেকে প্যাকেজ ছাড় দেয়।
ডাক্তারের রেফারেল বা টেস্টের পরামর্শপত্র ও আগের রিপোর্ট সঙ্গে নিন, এরপর নারায়ণগঞ্জ-এর কোনো ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা হাসপাতালে ফোনে, অনলাইনে বা কাউন্টারে বুকিং দিন। পেটের আল্ট্রাসাউন্ড বা সিটির জন্য খালি পেটে আসতে বা পানি খেয়ে প্রস্রাব আটকে রাখতে বলা হতে পারে; বুকিংয়ের সময় তারা জানিয়ে দেবে। পরীক্ষা কয়েক মিনিট থেকে প্রায় এক ঘণ্টা সময় নেয় এবং রেডিওলজিস্টের স্বাক্ষরিত রিপোর্ট সাধারণত কয়েক ঘণ্টা থেকে এক দিনের মধ্যে পাওয়া যায়। ছবি (ফিল্ম/সিডি) ও লিখিত রিপোর্ট—দুটোই সংগ্রহ করবেন।
আপনার জন্য 'সেরা' রেডিওলজিস্ট তিনিই, যিনি যথাযথভাবে যোগ্য (রেডিওলজি ও ইমেজিং-এ এফসিপিএস বা এমডি, অথবা ডিএমআরডি ডিপ্লোমা), একটি ভালো সরঞ্জামসম্পন্ন ও সুনামধন্য সেন্টারে কাজ করেন এবং আপনার প্রয়োজনীয় নির্দিষ্ট স্ক্যানের রিপোর্ট দেন। এই পেজে আপনি নারায়ণগঞ্জ-এর যাচাইকৃত রেডিওলজিস্টদের যোগ্যতা, হাসপাতাল, অভিজ্ঞতা ও ফি অনুযায়ী তুলনা করতে পারবেন। ক্যান্সার স্টেজিং বা ব্রেন/স্পাইনের এমআরআইয়ের মতো জটিল ক্ষেত্রে উচ্চমানের মেশিনসহ টারশিয়ারি হাসপাতালের একজন সিনিয়র বিশেষজ্ঞ বেছে নিন।
স্ক্যানটি অবশ্যই সশরীরে করতে হবে, কারণ মেশিনকে আপনার শরীরের ছবি তুলতে হয়। তবে বাংলাদেশে টেলিরেডিওলজি এখন প্রচলিত: এক সেন্টারের ছবি আপলোড বা বহন করে দূর থেকে অন্য রেডিওলজিস্টকে দিয়ে রিপোর্ট বা সেকেন্ড ওপিনিয়ন নেওয়া যায়, যা এলাকায় বিশেষজ্ঞ না থাকলে কাজে লাগে। নারায়ণগঞ্জ-এর অনেক ডায়াগনস্টিক সেন্টার হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমেইলে রিপোর্টও পাঠায়, আর সেই রিপোর্ট নিয়ে চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনার রেফারিং ডাক্তারের সঙ্গে অনলাইনে আলোচনা করতে পারেন।