ChamberBD Logo ChamberBD
See in English
Ultra-D 20000 20000 iu Capsule — Cholecalciferol (Vitamin D3)

Capsule

Ultra-D 20000 20000 iu Capsule

জেনেরিক: কোলেক্যালসিফেরল (ভিটামিন ডি৩)

প্রস্তুতকারক: Sharif Pharmaceuticals Ltd.

থেরাপিউটিক ক্লাস: Vitamin D analogue — treatment and prevention of vitamin D deficiency

Ultra-D 20000 এর কাজ কি?

শরিফ ফার্মাসিউটিক্যালসের আল্ট্রা-ডি ২০০০০ হলো ২০০০০ আইইউ ভিটামিন ডি৩ সমৃদ্ধ একটি কোলিক্যালসিফেরল ক্যাপসুল। এটি ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় এবং ক্যালসিয়াম মাত্রা ও সুস্থ হাড় বজায় রাখতে সহায়তা করতে ব্যবহৃত হয়।

দাম (বাংলাদেশ)

প্যাক মূল্য (টাকা)
প্রতি Capsule ৳ 17.50
Box of 10 ৳ 175.00

দাম পরিবর্তনশীল — ফার্মেসিভেদে প্রকৃত খুচরা মূল্য ভিন্ন হতে পারে।

Ultra-D 20000 কী?

শরিফ ফার্মাসিউটিক্যালসের আল্ট্রা-ডি ২০০০০ হলো ২০০০০ আইইউ ভিটামিন ডি৩ সমৃদ্ধ একটি কোলিক্যালসিফেরল ক্যাপসুল। এটি ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় এবং ক্যালসিয়াম মাত্রা ও সুস্থ হাড় বজায় রাখতে সহায়তা করতে ব্যবহৃত হয়।

Ultra-D 20000 20000 iu capsule হলো Sharif Pharmaceuticals Ltd.-এর একটি ওষুধ, যার জেনেরিক নাম Cholecalciferol (Vitamin D3)। এটি ভিটামিন ডি-এর প্রাকৃতিক রূপ — রোদে আপনার ত্বক যেটি তৈরি করে, ঠিক সেটিই। ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণ ও প্রতিরোধে এটি দেওয়া হয়। রোদের দেশ হয়েও বাংলাদেশে এই ঘাটতি অবাক করার মতো ব্যাপক — ঘরমুখী জীবনযাপন, শরীর-ঢাকা পোশাক, বায়ুদূষণ আর খাবারে ভিটামিন ডি-এর উৎস কম থাকাই এর কারণ।

কোলেক্যালসিফেরল কাজ করে হরমোনের পূর্বরূপ হিসেবে। শোষণের পর লিভার ও কিডনিতে এটি সক্রিয় ভিটামিন ডি-তে রূপান্তরিত হয়, যা অন্ত্রকে খাবার থেকে ক্যালসিয়াম ও ফসফেট শুষে নিতে সক্ষম করে, রক্তের ক্যালসিয়াম সঠিক মাত্রায় রাখে এবং এই খনিজগুলো হাড় গঠনে ও রক্ষণাবেক্ষণে কাজে লাগায়। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি হাড় মজবুত ও পেশি সচল রাখে; ঘাটতিতে হাড়ব্যথা, পেশিব্যথা ও দুর্বলতা হয় — শিশুদের রিকেটস এবং বড়দের অস্টিওম্যালেশিয়া বা অস্টিওপোরোসিস দেখা দেয়।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

Ultra-D 20000 যেসব ক্ষেত্রে দেওয়া হয়:

  • ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি ও অপ্রতুলতা — রক্ত পরীক্ষায় (সিরাম ২৫-ওএইচ ভিটামিন ডি) নিশ্চিত হলে, বা হাড়ব্যথা, পেশিব্যথা, খিঁচ ও ক্লান্তির মতো উপসর্গে জোরালো সন্দেহ হলে।
  • শিশুদের রিকেটস ও বড়দের অস্টিওম্যালেশিয়া
  • অস্টিওপোরোসিস — ক্যালসিয়াম ও হাড়ের নির্দিষ্ট ওষুধের পাশাপাশি।
  • প্রতিরোধ — উচ্চ ঝুঁকির মানুষদের: রোদে কম যাওয়া, বয়স্ক, গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মা (চিকিৎসকের পরামর্শে), স্থূলতা, শোষণজনিত সমস্যা বা পেটের নির্দিষ্ট অপারেশনের পর।
  • রক্তে ক্যালসিয়াম কম ও হাইপোপ্যারাথাইরয়েডিজম — বিশেষজ্ঞ চিকিৎসার অংশ হিসেবে।

সেবনবিধি ও মাত্রা

Ultra-D 20000-এর মাত্রা পুরোপুরি নির্ভর করে আপনার রক্তের মাত্রা, বয়স ও চিকিৎসার কারণের ওপর — রিপোর্ট দেখে চিকিৎসকই ডোজ ঠিক করবেন। প্রচলিত নিয়মের একটি উদাহরণ: শরীরের ভান্ডার পূরণে ৬–৮ সপ্তাহ সপ্তাহে এক-দুইবার ২০,০০০ আইইউ (বা সপ্তাহে ৪০,০০০ আইইউ) — এরপর রক্ষণ মাত্রা হিসেবে দৈনিক ৮০০–২০০০ আইইউ বা তার সাপ্তাহিক সমতুল্য। শিশুদের ডোজ শিশু-বিশেষজ্ঞ আলাদাভাবে ঠিক করবেন।

  • কিছুটা চর্বিযুক্ত খাবারের সঙ্গে বা ঠিক পরে খান — ভিটামিন ডি চর্বিতে দ্রবণীয়, তাই এতে শোষণ ভালো হয়।
  • ঘাটতি পূরণের কোর্স সম্পূর্ণ করুন এবং ফলোআপ রক্ত পরীক্ষা করান; এরপর সাধারণত ডোজ বদলায়।
  • দ্রুত ফল পেতে বাড়তি ডোজ খাবেন না, একাধিক ভিটামিন ডি ওষুধও মেলাবেন না — এই ভিটামিনে বেশি মানেই ভালো নয়

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

চিকিৎসকের নির্ধারিত মাত্রায় Ultra-D 20000 খুব ভালোভাবে সহ্য হয়; পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিরল। সমস্যা হয় মূলত দীর্ঘদিন অতিরিক্ত মাত্রা খেলে — তখন রক্তের ক্যালসিয়াম বেড়ে যায় (হাইপারক্যালসেমিয়া):

  • অতিরিক্ততার আগাম লক্ষণ — বমিভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, ক্ষুধামান্দ্য, অস্বাভাবিক তৃষ্ণা, ঘনঘন প্রস্রাব, মাথাব্যথা ও ক্লান্তি।
  • পরের ধাপের ক্ষতি — বিভ্রান্তি, পেশি দুর্বলতা, হাড়ব্যথা, কিডনিতে পাথর — আর দীর্ঘস্থায়ী হলে কিডনি, হৃদযন্ত্র ও রক্তনালিতে ক্যালসিয়াম জমে ক্ষতি।
  • স্বাভাবিক মাত্রায় কখনো কখনো হালকা পেটের অস্বস্তি বা বিরল ক্ষেত্রে অ্যালার্জিক র‍্যাশ হতে পারে।

অতিরিক্ততার লক্ষণ দেখা দিলে ওষুধ বন্ধ রেখে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান — রক্তের ক্যালসিয়াম পরীক্ষাতেই বিষয়টি ধরা পড়ে।

সতর্কতা

Ultra-D 20000 ব্যবহারে বিচক্ষণ সতর্কতা:

  • নির্ধারিত মাত্রাই মেনে চলুন — উচ্চ ক্ষমতার ক্যাপসুল (যেমন ২০,০০০–৪০,০০০ আইইউ) সপ্তাহে বা মাসে খাওয়ার জন্য, প্রতিদিন নয়; প্রতিদিন খেলে বিষক্রিয়ার চিরচেনা পথ তৈরি হয়।
  • কিডনির রোগ বা কিডনিতে পাথর, সারকয়ডোসিস বা অন্য গ্র্যানুলোমাটাস রোগ, বা ক্যালসিয়াম বেশি থাকে এমন কোনো অবস্থা থাকলে চিকিৎসককে জানান।
  • চিকিৎসককে না জানিয়ে একসঙ্গে একাধিক ভিটামিন ডি-যুক্ত সাপ্লিমেন্ট (মাল্টিভিটামিন, ক্যালসিয়াম-ডি কম্বিনেশন, কড লিভার অয়েল) খাবেন না — মাত্রা চুপিচুপি যোগ হয়ে যায়।
  • দীর্ঘমেয়াদি বা উচ্চমাত্রার চিকিৎসায় মাঝে মাঝে রক্তের ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি পরীক্ষা দরকার।
  • নিরাপদ রোদ লাগানো ও ভিটামিন ডি-সমৃদ্ধ খাবার (তেলযুক্ত মাছ, ডিম, ফর্টিফায়েড দুধ) চালিয়ে যান — ট্যাবলেট এগুলোর সম্পূরক, বিকল্প নয়।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

Ultra-D 20000-এর সঙ্গে চিকিৎসককে জানানোর মতো ইন্টার‍্যাকশন:

  • থায়াজাইড ডাইউরেটিক (হাইড্রোক্লোরোথায়াজাইড, ইন্ডাপামাইড) — প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম বের হওয়া কমায়; একসঙ্গে খেলে রক্তের ক্যালসিয়াম বেড়ে যেতে পারে।
  • ডিগক্সিন — ভিটামিন ডি-তে ক্যালসিয়াম বাড়লে ডিগক্সিনের বিষক্রিয়া ও হৃদস্পন্দনের ছন্দের সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে।
  • অরলিস্ট্যাট, কোলেস্টাইরামিন ও লিকুইড প্যারাফিন — চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন ডি-এর শোষণ কমায়; সময়ের ব্যবধান রাখুন।
  • মৃগীর ওষুধ (ফেনিটয়েন, কার্বামাজেপিন, ফেনোবারবিটাল) ও রিফাম্পিসিন — ভিটামিন ডি দ্রুত ভেঙে ফেলে; বেশি ডোজ লাগতে পারে।
  • কর্টিকোস্টেরয়েড — ক্যালসিয়ামের ওপর ভিটামিন ডি-এর কাজের বিরোধিতা করে।
  • কিডনি অকার্যকারিতায় ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত অ্যান্টাসিড — ম্যাগনেসিয়াম বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি।
  • উচ্চমাত্রার ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট — একসঙ্গে প্রেসক্রাইব হলে ঠিক আছে, তবে মোট পরিমাণ তদারকিতে রাখতে হয়।

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

নিচের ক্ষেত্রে Ultra-D 20000 খাওয়া উচিত নয়:

  • হাইপারক্যালসেমিয়া (রক্তে ক্যালসিয়াম আগে থেকেই বেশি) বা হাইপারক্যালসিউরিয়া (প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম বেশি)।
  • ভিটামিন ডি-এর বিষক্রিয়া (হাইপারভিটামিনোসিস ডি)।
  • কিডনির গুরুতর অকার্যকারিতা বা সক্রিয় কিডনি পাথর — কেবল বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে; প্রায়ই ভিটামিন ডি-এর বিশেষ রূপ লাগে।
  • কোলেক্যালসিফেরল বা কোনো উপাদানে অ্যালার্জি (কিছু ক্যাপসুলে চিনাবাদাম বা সয়া তেল থাকে — এমন অ্যালার্জি থাকলে দেখে নিন)।
  • সারকয়ডোসিস ও সমজাতীয় রোগ — ভিটামিন ডি-র প্রতি সংবেদনশীলতা বেড়ে যায় বলে কেবল বিশেষজ্ঞের নজরদারিতে।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

গর্ভাবস্থা: মায়ের স্বাস্থ্য এবং শিশুর হাড় ও দাঁতের জন্য পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি গুরুত্বপূর্ণ; চিকিৎসকের সুপারিশকৃত মাত্রায় সাপ্লিমেন্ট গর্ভাবস্থায় প্রচলিত ও নিরাপদ বলে বিবেচিত। যা এড়াতে হবে তা হলো তদারকিহীন উচ্চমাত্রার ব্যবহার — দীর্ঘ অতিরিক্ততা ও বাড়তি ক্যালসিয়াম শিশুর ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় Ultra-D 20000 খান চিকিৎসকের ঠিক করা মাত্রায় — সাধারণত প্রমাণিত ঘাটতি না থাকলে প্রচলিত সাপ্লিমেন্ট মাত্রার মধ্যেই।

স্তন্যদান: বুকের দুধে ভিটামিন ডি সামান্য পরিমাণে যায় এবং স্বাভাবিক সাপ্লিমেন্ট মাত্রা স্তন্যদানকালে নিরাপদ; বরং বুকের দুধে ভিটামিন ডি প্রাকৃতিকভাবে কম বলে অনেক চিকিৎসক মাকে এটি দেন এবং শিশুর জন্য আলাদা ড্রপের পরামর্শ দেন। মায়ের উচ্চমাত্রা কেবল চিকিৎসকের তদারকিতে।

সংরক্ষণ

Ultra-D 20000 ৩০° সেলসিয়াসের নিচে ঠান্ডা, শুকনো ও আলো থেকে সুরক্ষিত জায়গায় রাখুন — তাপ ও রোদে ভিটামিন ডি নষ্ট হয়, তাই রোদ পড়া জানালার পাশে বা গাড়িতে প্যাকেট ফেলে রাখবেন না। ক্যাপসুল মূল ব্লিস্টারে বা শক্ত করে বন্ধ পাত্রে রাখুন এবং অবশ্যই শিশুদের নাগাল ও দৃষ্টির বাইরে — উচ্চ ক্ষমতার ক্যাপসুল শিশুদের জন্য বিশেষ বিপজ্জনক। মেয়াদ পেরোলে ব্যবহার করবেন না; মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফার্মেসিতে ফেরত দিন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

Ultra-D 20000 বেশি খেলে কি ক্ষতি হতে পারে?

হ্যাঁ — ভিটামিন ডি এমন এক ভিটামিন, যা মাত্রাতিরিক্ত খেলে সত্যিই ক্ষতি করে। এটি চর্বিতে দ্রবণীয়, তাই বাড়তিটা প্রস্রাবে বেরিয়ে না গিয়ে শরীরে জমে। দীর্ঘদিন উচ্চমাত্রায় খেলে রক্তের ক্যালসিয়াম বেড়ে বমিভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, তীব্র তৃষ্ণা, ঘনঘন প্রস্রাব, বিভ্রান্তি ও দুর্বলতা দেখা দেয়; কালক্রমে কিডনিতে পাথর আর কিডনি, হৃদযন্ত্র ও রক্তনালিতে ক্যালসিয়াম জমে। বিষক্রিয়া প্রায় সবসময় ঘটে সপ্তাহে খাওয়ার উচ্চ ক্ষমতার ক্যাপসুল প্রতিদিন খেলে, একাধিক সাপ্লিমেন্ট একসঙ্গে চালালে, বা ঘাটতি-পূরণের ডোজ অনির্দিষ্টকাল টেনে নিলে। চিকিৎসক যা লিখেছেন ঠিক ততটুকু, ঠিক ততদিন খান — এবং ফলোআপ রক্ত পরীক্ষা করান।

বাংলাদেশে তো প্রচুর রোদ — তবু আমার Ultra-D 20000 লাগবে কেন?

রোদ তখনই কাজে লাগে যখন তা সরাসরি খোলা ত্বকে পড়ে। বাংলাদেশে আমরা বেশিরভাগই দিনের বেলা ঘরে বা অফিসে থাকি, ঢাকা যানবাহনে চলি, শরীর-ঢাকা পোশাক পরি, আর শহরের দূষিত ধোঁয়াটে বাতাস ভিটামিন ডি তৈরির জন্য দরকারি ইউভিবি রশ্মি ছেঁকে ফেলে; গাঢ় ত্বকে একই পরিমাণ ভিটামিন তৈরি হতে সময়ও বেশি লাগে। দেশীয় খাবারে ভিটামিন ডি-এর উৎসও খুব কম। এ কারণেই রোদের দেশ হয়েও এখানে ঘাটতি ব্যাপক — আর রক্তের মাত্রা বা উপসর্গ দেখে চিকিৎসক আপনার ভান্ডার পূরণে Ultra-D 20000 দিয়েছেন। কোর্সের পাশাপাশি সপ্তাহে কয়েক দিন ১৫–৩০ মিনিট হাত-মুখে রোদ লাগালে অর্জনটুকু ধরে রাখা সহজ হয়।

Ultra-D 20000 কত দিন খেতে হবে — সারাজীবন কি লাগবে?

সাধারণত সারাজীবন নয় — তবে উত্তরটা আসবে রক্ত পরীক্ষা থেকে, অনুভূতি থেকে নয়। ঘাটতি পূরণে সাধারণত ৬–৮ সপ্তাহ সাপ্তাহিক উচ্চ ডোজ লাগে; এরপর চিকিৎসক মাত্রা আবার পরীক্ষা করেন। মাত্রা স্বাভাবিক হলে চিকিৎসা হয় বন্ধ হয়, নয়তো ছোট দৈনিক বা সাপ্তাহিক রক্ষণ মাত্রায় নেমে আসে — আপনার জীবনযাপন, বয়স বা রোগ আবার ঘাটতির ঝুঁকি তৈরি করে কি না তার ওপর নির্ভর করে। মাঝপথে কোর্স ছেড়ে দেওয়া, কিংবা পরীক্ষা না করিয়ে উচ্চ ডোজ অনির্দিষ্টকাল চালিয়ে যাওয়া — এই দুটিই সবচেয়ে প্রচলিত ভুল; চিকিৎসকের সূচি মেনে চলা আর ফলোআপ পরীক্ষাটি করানোতেই দুটো ভুল এড়ানো যায়।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

সর্বশেষ হালনাগাদ:

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের সেরা পুষ্টিবিদ খুঁজুন →