See in English
Triocim DS 200 mg/5 ml Powder For Suspension — Cefixime

সাসপেনশন পাউডার

Triocim DS 200 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার

জেনেরিক: সেফিক্সিম

প্রস্তুতকারক: Beximco Pharmaceuticals Ltd.

থেরাপিউটিক ক্লাস: Third-generation cephalosporin antibiotic

Triocim DS এর কাজ কি?

Triocim DS (সাসপেনশন পাউডার)-এর উপাদান সেফিক্সিম 200 mg/5 ml, প্রস্তুতকারক Beximco Pharmaceuticals Ltd.। থেরাপিউটিক ক্লাস: Third-generation cephalosporin antibiotic।

দাম (বাংলাদেশ)

প্যাক মূল্য (টাকা)
প্রতি সাসপেনশন পাউডার ৳ 320.00
50ml bot ৳ 320.00

দাম পরিবর্তনশীল — ফার্মেসিভেদে প্রকৃত খুচরা মূল্য ভিন্ন হতে পারে।

Triocim DS কী?

Triocim DS হলো Beximco Pharmaceuticals Ltd. এর cefixime 200 mg/5 ml পাউডার ফর সাসপেনশন। এটি তৃতীয় প্রজন্মের cephalosporin অ্যান্টিবায়োটিক, যা সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়াজনিত শ্বাসনালী, মূত্রনালী ও কানের সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়।

Beximco Pharmaceuticals Ltd.-এর তৈরি Triocim DS 200 mg/5 ml powder for suspension-এ রয়েছে Cefixime, যা মুখে খাওয়ার একটি থার্ড-জেনারেশন সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক। মূত্রনালি, কান, গলা, সাইনাস ও বুকের নানা ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে এটি ব্যবহৃত হয় এবং চিকিৎসক উপযুক্ত মনে করলে টাইফয়েড জ্বরের চিকিৎসায়ও দেওয়া হয়। Triocim DS একটি প্রেসক্রিপশন-নির্ভর ওষুধ এবং অবশ্যই নিবন্ধিত চিকিৎসকের নির্দেশ মতো খেতে হবে।

Cefixime ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর গঠনে বাধা দিয়ে কাজ করে। বেঁচে থাকতে ব্যাকটেরিয়ার শক্ত প্রাচীর দরকার; Cefixime তা দুর্বল করলে প্রাচীর ভেঙে পড়ে ও ব্যাকটেরিয়া মারা যায়। অন্যান্য অ্যান্টিবায়োটিকের মতো এটি শুধু ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে, সর্দি, ফ্লু বা সাধারণ কাশির মতো ভাইরাসজনিত রোগে কাজ করে না।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

  • মূত্রনালির সংক্রমণ
  • কানের সংক্রমণ
  • গলা ও টনসিলের সংক্রমণ
  • সাইনাসের প্রদাহ ও কিছু বুকের সংক্রমণ
  • চিকিৎসক নির্ধারণ করলে টাইফয়েড জ্বর
  • কিছু যৌনবাহিত সংক্রমণ (যেমন জটিলতাহীন গনোরিয়া)

সেবনবিধি ও মাত্রা

ChamberBD শুধু অনুমোদিত লেবেল (প্যাকেটের লিফলেট) থেকে উৎসসহ সেবনবিধি দেখায়, আর Triocim DS 200 mg/5 ml সাসপেনশন পাউডার-এর লেবেল আমাদের কাছে নেই। ডাক্তারের দেওয়া মাত্রা এবং প্যাকেটের লিফলেটের নির্দেশনা মেনে চলুন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

Cefixime সাধারণত ভালোভাবে সহ্য হয়। সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

  • ডায়রিয়া, বমি ভাব বা পেটব্যথা
  • বদহজম বা পেট ফাঁপা
  • মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা
  • হালকা চামড়ার র‌্যাশ

কম ক্ষেত্রে ছত্রাক সংক্রমণ হতে পারে, আর বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর অ্যালার্জি বা অন্ত্রের সংক্রমণজনিত তীব্র ও একটানা ডায়রিয়া হতে পারে। Triocim DS খাওয়ার সময় মুখ ফোলা, শ্বাসকষ্ট, ছড়িয়ে পড়া র‌্যাশ বা রক্তযুক্ত ডায়রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

সতর্কতা

Triocim DS একটি প্রেসক্রিপশন-নির্ভর অ্যান্টিবায়োটিক — কখনো নিজে থেকে খাবেন না। শুধু নিবন্ধিত চিকিৎসক লিখে দিলে খান, নিজে কিনবেন না বা কারও সঙ্গে ভাগ করবেন না। সবসময় নির্ধারিত পুরো কোর্স শেষ করুন, ভালো বোধ করলেও — টাইফয়েডের মতো রোগে ব্যাকটেরিয়া পুরোপুরি দূর হওয়ার অনেক আগেই জ্বর নেমে যেতে পারে, আর আগেভাগে বন্ধ করলে রোগ ফিরে আসে ও রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়।

পেনিসিলিন বা সেফালোস্পোরিনে অ্যালার্জি এবং কিডনি রোগ থাকলে চিকিৎসককে জানান। অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বাংলাদেশে মারাত্মক জাতীয় সংকট, আর Cefixime-এর মতো সেফালোস্পোরিন অপ্রয়োজনে ব্যবহার করলে ভবিষ্যতের সংক্রমণ সবার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

আপনার সব ওষুধ ও সাপ্লিমেন্টের কথা চিকিৎসককে জানান। Cefixime-এর উল্লেখযোগ্য বিক্রিয়া:

  • ওয়ারফারিন ও অন্যান্য রক্ত পাতলা করার ওষুধ — রক্তক্ষরণের প্রবণতা বাড়তে পারে
  • প্রোবেনিসিড — রক্তে সেফিক্সিমের মাত্রা বাড়ায়
  • কার্বামাজেপিন — এর মাত্রা বাড়তে পারে
  • একসঙ্গে নেওয়া কিছু অন্য অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকারিতা কমাতে পারে
  • মুখে খাওয়ার জীবন্ত টাইফয়েড টিকা কম কার্যকর হতে পারে

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

এই অবস্থাগুলোতে Triocim DS খাবেন না:

  • সেফিক্সিম বা অন্য সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিকে অ্যালার্জি থাকলে
  • পেনিসিলিনে তীব্র অ্যালার্জি (যেমন ফোলা বা শ্বাসকষ্ট) হয়ে থাকলে

কিডনি রোগ, অন্ত্রের রোগ (কোলাইটিস)-এর ইতিহাস বা অ্যালার্জির প্রবণতা থাকলে সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করুন ও চিকিৎসককে জানান। Triocim DS উপযুক্ত কিনা চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেবেন।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে গর্ভাবস্থায় Cefixime ব্যবহার করা যেতে পারে, কারণ সেফালোস্পোরিন সাধারণত তুলনামূলক নিরাপদ অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত। গর্ভবতী হলে বা পরিকল্পনা থাকলে চিকিৎসককে জানান।

খুব সামান্য পরিমাণ বুকের দুধে যায় এবং তা সাধারণত স্তন্যদানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ধরা হয়, তবে শিশুর পাতলা পায়খানা বা ছত্রাক সংক্রমণ লক্ষ রাখুন। Triocim DS খাওয়ার আগে স্তন্যদান নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করুন।

সংরক্ষণ

Triocim DS মূল প্যাকেটে, ৩০°C-এর নিচে ঠান্ডা ও শুকনো জায়গায়, সরাসরি রোদ ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের জন্য তৈরি সাসপেনশন লেবেলে লেখা সময়ের মধ্যে ব্যবহার করুন। সব ধরন শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন এবং মেয়াদ শেষে ব্যবহার করবেন না।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

সম্পূর্ণ সুস্থ বোধ করলে কি Triocim DS বন্ধ করে দিতে পারি?

না। সুস্থ বোধ করা মানে উপসর্গ কমেছে, সব ব্যাকটেরিয়া দূর হয়েছে তা নয়। Triocim DS আগেভাগে বন্ধ করলে সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যাকটেরিয়া থেকে যায়, যারা বেড়ে সেফিক্সিম ও সম্পর্কিত অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি রেজিস্ট্যান্ট হয়ে ওঠে। ফলে সংক্রমণ এমনভাবে ফিরে আসতে পারে যা সারানো অনেক কঠিন। অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বাংলাদেশে একটি মারাত্মক ও ক্রমবর্ধমান জাতীয় সংকট। ভালো লাগলেই বন্ধ না করে চিকিৎসকের নির্দেশমতো পুরো কোর্স শেষ করা এর বিরুদ্ধে লড়ার অন্যতম কার্যকর উপায়।

Triocim DS কি খাবারের সঙ্গে খাব, আর পেনিসিলিনে অ্যালার্জি থাকলে কি নিরাপদ?

Triocim DS খাবারের সঙ্গে বা ছাড়া খাওয়া যায়, তবে খাবারের সঙ্গে খেলে পেটের অস্বস্তি কমে; প্রতিদিন একই সময়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন। সেফিক্সিম একটি সেফালোস্পোরিন, যা রাসায়নিকভাবে পেনিসিলিনের সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই পেনিসিলিনে অ্যালার্জি থাকা অল্প কিছু মানুষের এতেও প্রতিক্রিয়া হতে পারে। পেনিসিলিনে কখনো তীব্র প্রতিক্রিয়া — যেমন ফোলা বা শ্বাসকষ্ট — হয়ে থাকলে Triocim DS খাওয়ার আগে চিকিৎসককে জানান, কারণ ভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক বেশি নিরাপদ হতে পারে।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ খুঁজুন →