ক্যাপসুল
Rexiet 20 mg ক্যাপসুল
জেনেরিক: র্যাবিপ্রাজল সোডিয়াম
প্রস্তুতকারক: Labaid Pharmaceuticals Ltd.
থেরাপিউটিক ক্লাস: Proton Pump Inhibitor (PPI)
Rexiet 20 এর কাজ কি?
Rexiet 20 (ক্যাপসুল)-এর উপাদান র্যাবিপ্রাজল সোডিয়াম 20 mg, প্রস্তুতকারক Labaid Pharmaceuticals Ltd.। থেরাপিউটিক ক্লাস: Proton Pump Inhibitor (PPI)।
দাম (বাংলাদেশ)
| প্যাক | মূল্য (টাকা) |
|---|---|
| প্রতি ক্যাপসুল | ৳ 8.00 |
| Strip of 10 | ৳ 80.00 |
দাম পরিবর্তনশীল — ফার্মেসিভেদে প্রকৃত খুচরা মূল্য ভিন্ন হতে পারে।
Rexiet 20 কী?
রেক্সিয়েট ২০ ক্যাপসুল আকারে প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর শ্রেণির র্যাবিপ্রাজল সোডিয়াম ২০ মিগ্রা সরবরাহ করে। এটি পাকস্থলীর অ্যাসিড নিঃসরণ দমন করে এবং রিফ্লাক্স রোগ, বুকজ্বালা ও পেপটিক আলসারে দেওয়া হয়।
Rexiet 20 20 mg capsule হলো Labaid Pharmaceuticals Ltd.-এর একটি ওষুধ, যাতে রয়েছে Rabeprazole Sodium — বহুল ব্যবহৃত একটি প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (পিপিআই)। এটি পাকস্থলীর অ্যাসিড উৎপাদন কমায় এবং অ্যাসিড রিফ্লাক্স (জিইআরডি), পেপটিক আলসারসহ অ্যাসিডজনিত বিভিন্ন রোগে ব্যবহৃত হয়। Rexiet 20 সাধারণত দিনে একবার, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সকালের নাশতার আগে খাওয়া হয়।
Rabeprazole Sodium পাকস্থলীর অ্যাসিড-উৎপাদক কোষের হাইড্রোজেন-পটাশিয়াম এটিপেজ এনজাইম অর্থাৎ "প্রোটন পাম্প" স্থায়ীভাবে বন্ধ করে কাজ করে। অ্যাসিড কমলে আলসার সেরে ওঠার সুযোগ পায়, বুক জ্বালাপোড়া কমে এবং খাদ্যনালি আরও ক্ষতি থেকে রক্ষা পায়। র্যাবিপ্রাজল পাম্পে দ্রুত সক্রিয় হয়, তাই এর অ্যাসিড-দমন তুলনামূলক তাড়াতাড়ি শুরু হয়।
নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)
Rabeprazole Sodium যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়:
- জিইআরডি (অ্যাসিড রিফ্লাক্স) — বুক জ্বালাপোড়া, টক ঢেকুর ও ক্ষয়জনিত ইসোফেজাইটিস
- পাকস্থলী ও ডিওডেনামের আলসার — সক্রিয় আলসার সারাতে
- হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি নির্মূল — অ্যান্টিবায়োটিকের সঙ্গে মিলিয়ে
- এনএসএআইডি-জনিত আলসার — ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের চিকিৎসা ও প্রতিরোধে
- জলিঞ্জার-এলিসন সিনড্রোমসহ অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসরণের অন্যান্য অবস্থায়
রোগ নির্ণয়ের পর র্যাবিপ্রাজল আপনার জন্য সঠিক কি না এবং কত দিন খেতে হবে, তা রেজিস্টার্ড চিকিৎসকই ঠিক করবেন।
সেবনবিধি ও মাত্রা
ChamberBD শুধু অনুমোদিত লেবেল (প্যাকেটের লিফলেট) থেকে উৎসসহ সেবনবিধি দেখায়, আর Rexiet 20 mg ক্যাপসুল-এর লেবেল আমাদের কাছে নেই। ডাক্তারের দেওয়া মাত্রা এবং প্যাকেটের লিফলেটের নির্দেশনা মেনে চলুন।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
বেশিরভাগ মানুষ Rabeprazole Sodium ভালোভাবে সহ্য করেন। যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে:
- সাধারণ: মাথাব্যথা, ডায়রিয়া, বমিভাব, পেটব্যথা, পেট ফাঁপা, মাথা ঘোরা
- তুলনামূলক কম: কোষ্ঠকাঠিন্য, মুখ শুকানো, র্যাশ, মাংসপেশি বা গাঁটে ব্যথা, ঘুমের সমস্যা
- বিরল/দীর্ঘমেয়াদে: রক্তে ম্যাগনেসিয়াম বা সোডিয়াম কমা, ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি, দীর্ঘ ব্যবহারে হাড় ভাঙার ঝুঁকি, অন্ত্রের সংক্রমণ এবং বিরল ক্ষেত্রে কিডনির প্রদাহ
মারাত্মক চর্মপ্রতিক্রিয়া, মুখ-গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট বা একটানা পাতলা পায়খানা হলে ওষুধ বন্ধ করে দ্রুত চিকিৎসা নিন।
সতর্কতা
Rabeprazole Sodium ব্যবহারে এই সতর্কতাগুলো মেনে চলুন:
- লিভার বা কিডনির সমস্যা, হাড় ক্ষয় বা রক্তে ম্যাগনেসিয়াম কম থাকলে চিকিৎসককে জানান
- অনিচ্ছাকৃত ওজন হ্রাস, বারবার বমি, গিলতে অসুবিধা, বমি বা পায়খানায় রক্ত — এসব বিপদচিহ্ন থাকলে চিকিৎসার আগে বা পাশাপাশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা জরুরি
- দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারকারীদের নিয়মিত ফলোআপ এবং প্রয়োজনে ম্যাগনেসিয়াম ও বি১২ পরীক্ষা লাগতে পারে
- পাকস্থলীর অ্যাসিড জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক ঢাল, তাই পিপিআই-তে অন্ত্রের সংক্রমণের ঝুঁকি সামান্য বাড়ে
- চিকিৎসকের দেওয়া পুরো কোর্স শেষ করুন; আগে বন্ধ করলে উপসর্গ বা আলসার ফিরে আসতে পারে
অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া
Rabeprazole Sodium-এর গুরুত্বপূর্ণ মিথস্ক্রিয়াগুলো:
- অ্যাসিড-নির্ভর ওষুধ: কিটোকোনাজল, ইট্রাকোনাজল, আয়রন এবং আটাজানাভির, রিলপিভিরিনের মতো এইচআইভি-র ওষুধের শোষণ কমে যেতে পারে
- ওয়ারফারিন: আইএনআর বদলাতে পারে; নজরদারি প্রয়োজন
- মেথোট্রেক্সেট: বিশেষত উচ্চমাত্রার চিকিৎসায় রক্তমাত্রা বাড়তে পারে
- ডিগক্সিন: শোষণ সামান্য বাড়তে পারে
- ক্লোপিডোগ্রেল: ওমিপ্রাজলের তুলনায় র্যাবিপ্রাজলের মিথস্ক্রিয়া কম বলে মনে করা হয়, তবে রক্ত পাতলা করার ওষুধ খেলে চিকিৎসককে জানান
Rexiet 20 শুরুর আগে আপনার সব ওষুধ, সাপ্লিমেন্ট ও ভেষজের তালিকা চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্টকে দিন।
প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)
নিচের কোনোটি প্রযোজ্য হলে Rabeprazole Sodium ব্যবহার করবেন না:
- র্যাবিপ্রাজল, অন্য কোনো পিপিআই বা capsule-এর কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে
- রিলপিভিরিনযুক্ত ওষুধের সঙ্গে একসাথে
- আগে কোনো পিপিআই থেকে গুরুতর প্রতিক্রিয়া (যেমন তীব্র ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস বা মারাত্মক চর্মরোগ) হয়ে থাকলে
গর্ভাবস্থা, স্তন্যদান ও গুরুতর লিভার সমস্যায় সতর্কতা প্রয়োজন — এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসক উপকার ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে করলেই কেবল ওষুধটি ব্যবহার করা যাবে।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় র্যাবিপ্রাজলের নিরাপত্তা-তথ্য সীমিত। স্পষ্ট প্রয়োজন হলে এবং চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রেই কেবল এটি ব্যবহার করা উচিত; চিকিৎসক চাইলে গর্ভাবস্থায় বেশি পরীক্ষিত বিকল্প দিতে পারেন।
স্তন্যদান: মানুষের বুকের দুধে র্যাবিপ্রাজল যায় কি না জানা নেই, তবে প্রাণীর দুধে এটি পাওয়া গেছে। শিশুর ঝুঁকি একেবারে বাতিল করা যায় না বলে, মায়ের জন্য চিকিৎসাটি কতটা জরুরি তা বিবেচনা করে দুধ খাওয়ানো নাকি ওষুধ — কোনটি চালিয়ে যাবেন, সে সিদ্ধান্ত চিকিৎসকের সঙ্গে নিন।
সংরক্ষণ
৩০° সেলসিয়াসের নিচে শুকনো জায়গায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। এন্টেরিক কোটিং আর্দ্রতায় নষ্ট হতে পারে বলে ব্যবহারের আগ পর্যন্ত capsule মূল প্যাকেটে রাখুন। শিশুদের নাগাল ও দৃষ্টির বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কখনোই ব্যবহার করবেন না; সম্ভব হলে ফার্মেসিতে ফেরত দিন।