See in English

সাসপেনশন

Remacid 200 mg + 400 mg + 30 mg/5 ml সাসপেনশন

জেনেরিক: অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড + ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড + সিমেথিকন

প্রস্তুতকারক: Reman Drug Laboratories Ltd.

থেরাপিউটিক ক্লাস: Antacid with antiflatulent

Remacid এর কাজ কি?

Remacid (সাসপেনশন)-এর উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড + ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড + সিমেথিকন 200 mg + 400 mg + 30 mg/5 ml, প্রস্তুতকারক Reman Drug Laboratories Ltd.। থেরাপিউটিক ক্লাস: Antacid with antiflatulent।

Remacid কী?

Reman Drug Laboratories Ltd.-এর Remacid 200 mg + 400 mg + 30 mg/5 ml suspension হলো Aluminium Oxide + Magnesium Hydroxide + Simethicone সমৃদ্ধ একটি অ্যান্টাসিড (antacid) ও গ্যাস কমানোর ওষুধ (antiflatulent)। বাংলাদেশে এটি সাধারণত অল্প সময়ের জন্য বুকজ্বালা (heartburn), অ্যাসিডের কারণে বদহজম, টক ঢেকুর/টকভাব এবং গ্যাসের কারণে পেট ফাঁপার উপসর্গ কমাতে ব্যবহৃত হয়।

Aluminium Oxide + Magnesium Hydroxide + Simethicone পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড নিরপেক্ষ করতে সাহায্য করে, আর সিমেথিকোন (simethicone) অন্ত্রে জমে থাকা গ্যাসের বুদবুদ ভেঙে অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে। গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা হলো—অ্যান্টাসিড অনেক ওষুধের শোষণে প্রভাব ফেলতে পারে, তাই আপনি নিয়মিত অন্য ওষুধ খেলে ডোজের সময় আলাদা রাখুন এবং চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

  • বুকজ্বালা (heartburn) ও অ্যাসিডের কারণে বদহজমের উপসর্গ কমাতে।
  • অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডের সঙ্গে সম্পর্কিত ডিসপেপসিয়া (dyspepsia) বা টকভাব/টক ঢেকুর কমাতে।
  • আটকে থাকা গ্যাসের কারণে পেট ফাঁপা, চাপ বা অস্বস্তি কমাতে।
  • স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীর পরামর্শে গ্যাস্ট্রাইটিস (gastritis) বা গ্যাস্ট্রো-ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স (gastro-oesophageal reflux) ধরনের অবস্থায় উপসর্গ কমানোর সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে।

সেবনবিধি ও মাত্রা

ChamberBD শুধু অনুমোদিত লেবেল (প্যাকেটের লিফলেট) থেকে উৎসসহ সেবনবিধি দেখায়, আর Remacid 200 mg + 400 mg + 30 mg/5 ml সাসপেনশন-এর লেবেল আমাদের কাছে নেই। ডাক্তারের দেওয়া মাত্রা এবং প্যাকেটের লিফলেটের নির্দেশনা মেনে চলুন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

  • কোষ্ঠকাঠিন্য, বিশেষ করে অ্যালুমিনিয়াম অংশের কারণে।
  • ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা, বিশেষ করে ম্যাগনেশিয়াম অংশের কারণে।
  • বমিভাব, পেটে খিঁচুনি/মোচড়, চকজাতীয় স্বাদ বা হালকা পেটের অস্বস্তি।
  • দীর্ঘদিন বা অতিরিক্ত ব্যবহারে বিরল কিন্তু গুরুতর সমস্যা হতে পারে, যেমন ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা (electrolyte disturbances), রক্তে ম্যাগনেশিয়াম বেড়ে যাওয়া, ফসফেট কমে যাওয়া এবং কিডনি-সংক্রান্ত জটিলতা বাড়া।
  • তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, কালো বা রক্তমিশ্রিত পায়খানা, কারণ ছাড়া ওজন কমা, গিলতে অসুবিধা বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন।

সতর্কতা

কিডনি রোগ, পানিশূন্যতা, অন্ত্রে বাধা (bowel obstruction) বা তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্য, ফসফেট কম থাকার অবস্থা, অথবা কম-ম্যাগনেশিয়াম খাদ্য প্রয়োজন এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীর পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন বা বেশি পরিমাণে ব্যবহার করবেন না, কারণ বিশেষ করে কিডনি দুর্বল হলে অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম শরীরে জমে যেতে পারে বা শরীরের খনিজের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী বা বুকের দুধ খাওয়ানো মা এবং যারা একাধিক ওষুধ খান—তাদের ব্যবহারের আগে পরামর্শ নেওয়া উচিত। রেজিস্টার্ড চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের নির্দেশনা অনুযায়ী এই ওষুধ ব্যবহার করুন।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • টেট্রাসাইক্লিন (tetracycline) ও কুইনোলোন (quinolone) অ্যান্টিবায়োটিকের শোষণ কমাতে পারে; স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীর পরামর্শ অনুযায়ী ডোজের সময় আলাদা রাখুন।
  • লেভোথাইরক্সিন (levothyroxine), আয়রন, বিসফসফোনেটস (bisphosphonates), ডিগক্সিন (digoxin), কিছু অ্যান্টিফাঙ্গাল ও কিছু অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ওষুধের শোষণ কমাতে পারে।
  • যেসব ওষুধের শোষণ বা প্রস্রাবের মাধ্যমে বের হওয়া পাকস্থলী বা প্রস্রাবের pH-এর ওপর নির্ভর করে, সেগুলোর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
  • চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্ট নিশ্চিত না করলে একই সময়ে অন্য মুখে খাওয়ার ওষুধ নেবেন না; সাধারণত কয়েক ঘণ্টা ব্যবধান রাখা পরামর্শ দেওয়া হয়।
  • অ্যালকোহল, ঝাল খাবার, ধূমপান এবং বেশি চর্বিযুক্ত বড় মিল কিছু মানুষের রিফ্লাক্স বা বদহজমের উপসর্গ বাড়াতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

  • অ্যালুমিনিয়াম যৌগ, ম্যাগনেশিয়াম হাইড্রোক্সাইড, সিমেথিকোন বা ফর্মুলেশনের কোনো উপাদানে পরিচিত অ্যালার্জি/অতিসংবেদনশীলতা থাকলে।
  • তীব্র কিডনি অকার্যকারিতা থাকলে, যদি না চিকিৎসক বিশেষভাবে প্রেসক্রাইব করেন এবং পর্যবেক্ষণে রাখেন।
  • সন্দেহজনক বা নিশ্চিত অন্ত্রে বাধা, তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্য, বা অন্ত্রের উল্লেখযোগ্য ব্লকেজের লক্ষণ থাকলে।
  • তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তক্ষরণ বা কারণ ছাড়া ওজন কমা থাকলে ব্যবহার করার আগে চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

সুপারিশকৃত ডোজে মাঝে মাঝে ব্যবহার করলে অ্যান্টাসিড উপাদান ও সিমেথিকোন সাধারণত শরীরে খুব কম শোষিত হয় বলে ধরা হয়, তবে গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় সতর্কতা প্রয়োজন। প্রয়োজন হলে এবং সম্ভব হলে রেজিস্টার্ড চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করুন, বিশেষ করে উপসর্গ ঘন ঘন হলে, তীব্র হলে বা বারবার ডোজ নিতে হলে।

সংরক্ষণ

ঘরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন; অতিরিক্ত গরম, সরাসরি রোদ এবং জমে যাওয়া থেকে দূরে রাখুন। বোতল ভালোভাবে বন্ধ রাখুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। ব্যবহারের আগে ভালোভাবে ঝাঁকান এবং মেয়াদ শেষ হলে বা সাসপেনশনের রং/গন্ধ অস্বাভাবিক মনে হলে ব্যবহার করবেন না।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

Remacid কখন খাব?

লেবেলের নির্দেশনা বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী Remacid ব্যবহার করুন। বুকজ্বালা, অ্যাসিডের বদহজম বা গ্যাসের উপসর্গ হলে সাধারণত খাবারের পর এবং ঘুমানোর আগে নেওয়া হয়। বোতল ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে সঠিক মাপার চামচ বা কাপ ব্যবহার করুন।

Remacid চালিয়ে না গিয়ে কখন চিকিৎসকের কাছে যাব?

উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে, বারবার ফিরে এলে বা আরও খারাপ হলে চিকিৎসকের কাছে যান। তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, কালো বা রক্তমিশ্রিত পায়খানা, কারণ ছাড়া ওজন কমা, গিলতে অসুবিধা বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিশেষজ্ঞ খুঁজুন →