See in English
Nizoder 20 mg/gm Cream — Ketoconazole

ক্রিম

Nizoder 20 mg/gm ক্রিম

জেনেরিক: কিটোকোনাজল

প্রস্তুতকারক: Unimed Unihealth Pharmaceuticals Ltd.

থেরাপিউটিক ক্লাস: Imidazole Antifungal (Topical; Oral Use Restricted)

Nizoder এর কাজ কি?

Nizoder (ক্রিম)-এর উপাদান কিটোকোনাজল 20 mg/gm, প্রস্তুতকারক Unimed Unihealth Pharmaceuticals Ltd.। থেরাপিউটিক ক্লাস: Imidazole Antifungal (Topical; Oral Use Restricted)।

দাম (বাংলাদেশ)

প্যাক মূল্য (টাকা)
প্রতি ক্রিম ৳ 90.00
30gm tube ৳ 90.00

দাম পরিবর্তনশীল — ফার্মেসিভেদে প্রকৃত খুচরা মূল্য ভিন্ন হতে পারে।

Nizoder কী?

Nizoder হলো ketoconazole 20 mg/g ক্রিম, যা ত্বকে ব্যবহৃত একটি ইমিডাজল অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ। চিকিৎসকের পরামর্শে এটি দাদ, পায়ের ফাঙ্গাল সংক্রমণ, কুঁচকির ফাঙ্গাল সংক্রমণ এবং কিছু ইস্ট-সম্পর্কিত র‍্যাশে ব্যবহৃত হয়।

Nizoder 20 mg/gm cream হল Unimed Unihealth Pharmaceuticals Ltd.-এর তৈরি Ketoconazole, একটি ইমিডাজল অ্যান্টিফাঙ্গাল—আজকাল ওষুধযুক্ত শ্যাম্পু ও স্কিন ক্রিম হিসেবেই সবচেয়ে পরিচিত। এটি খুশকি, সেবোরিক ডার্মাটাইটিস, শরীর-কুঁচকি-পায়ের দাদ এবং ছুলির (পিটিরিয়াসিস ভার্সিকলার) বিবর্ণ ছোপের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। কিটোকোনাজল ট্যাবলেট এখনও আছে, তবে লিভারের ক্ষতির ঝুঁকিতে বিশ্বজুড়ে সীমিত—কেবল বিরল ছত্রাকরোগে, বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে; সাধারণ চর্মরোগ বা খুশকিতে কখনোই নয়।

Ketoconazole ছত্রাক-কোষের আবরণের মূল উপাদান আর্গোস্টেরল তৈরি বন্ধ করে দেয়; আবরণ ফুটো হয়ে ছত্রাক মারা যায়। মাথার তালুতে এটি ম্যালাসেজিয়া নামের ইস্টও দমন করে—খুশকি ও সেবোরিক ডার্মাটাইটিসের মূল কারণ যেটি।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

চিকিৎসকের বেছে দেওয়া ফর্ম অনুযায়ী Nizoder ব্যবহৃত হয়:

  • শ্যাম্পু: মাথার খুশকি ও সেবোরিক ডার্মাটাইটিস; গায়ের ছুলি (পিটিরিয়াসিস ভার্সিকলার)
  • ক্রিম: শরীর, কুঁচকি ও পায়ের দাদ (টিনিয়া), ত্বকের ক্যানডিডা সংক্রমণ, ছুলির ছোপ এবং মুখ-বুকের সেবোরিক ডার্মাটাইটিস
  • ট্যাবলেট: কেবল কিছু গুরুতর অভ্যন্তরীণ ছত্রাক সংক্রমণে, যখন নিরাপদ অ্যান্টিফাঙ্গাল পাওয়া যায় না বা সহ্য হয় না—লিভার পরীক্ষাসহ সম্পূর্ণ বিশেষজ্ঞের সিদ্ধান্ত

দৈনন্দিন ছত্রাকজনিত চর্মরোগ ও খুশকিতে শ্যাম্পু-ক্রিমই কার্যকর এবং অনেক নিরাপদ; এসব সমস্যায় কিটোকোনাজল ট্যাবলেট চাওয়া বা বিক্রি—কোনোটাই উচিত নয়।

সেবনবিধি ও মাত্রা

ChamberBD শুধু অনুমোদিত লেবেল (প্যাকেটের লিফলেট) থেকে উৎসসহ সেবনবিধি দেখায়, আর Nizoder 20 mg/gm ক্রিম-এর লেবেল আমাদের কাছে নেই। ডাক্তারের দেওয়া মাত্রা এবং প্যাকেটের লিফলেটের নির্দেশনা মেনে চলুন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

রক্তে খুব সামান্যই ঢোকে বলে Nizoder-এর শ্যাম্পু-ক্রিম খুবই সহনীয়। সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া:

  • শ্যাম্পু: মাথার তালুতে হালকা চুলকানি, জ্বালা বা শুষ্কতা; চুল তেলতেলে বা রুক্ষ লাগা; বিরল ক্ষেত্রে চুলের রং বদল—মূলত রাসায়নিকে প্রসেস করা চুলে
  • ক্রিম: লাগানোর জায়গায় সাময়িক লালচে ভাব, জ্বালা বা অস্বস্তি; বিরল অ্যালার্জিক কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস

জ্বালা তীব্র হলে বা নতুন র‍্যাশ ছড়ালে বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ট্যাবলেট সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার: বমিভাব, বমি এবং বিরল কিন্তু গুরুতর লিভার ক্ষতি (গাঢ় প্রস্রাব, চোখ হলুদ, প্রবল ক্লান্তি), অ্যাড্রিনাল হরমোন দমন ও হার্ট-রিদমের সমস্যা ঘটাতে পারে—এসব কারণেই মুখে খাওয়া রূপটি বিশ্বজুড়ে সীমিত এবং বিশেষজ্ঞের নজরদারি বাধ্যতামূলক।

সতর্কতা

Nizoder ব্যবহারে দুটি নিয়ম আপনাকে সুরক্ষা দেবে। প্রথমত, পুরো কোর্স শেষ করুন—চুলকানি ও খুশকি থেমে গেলেও নির্ধারিত সপ্তাহগুলো শ্যাম্পু বা ক্রিম চালিয়ে যান; আধা-চিকিৎসিত ছত্রাক ফিরে আসে, আর স্টেরয়েড-মেশানো "ম্যাজিক" ক্রিমের দৌরাত্ম্যে বাংলাদেশ এমনিতেই প্রতিরোধী দাদের সাথে লড়ছে। চিকিৎসকের সুনির্দিষ্ট পরামর্শ ছাড়া অমন মিশ্র ক্রিম ব্যবহার করবেন না। দ্বিতীয়ত, ট্যাবলেটের সীমাবদ্ধতা মানুন: ত্বক-নখের ছত্রাক বা খুশকিতে কিটোকোনাজল ট্যাবলেট কখনোই খাবেন না—নিরাপদ বিকল্প আছে, আর ট্যাবলেটে লাগে লিভার পরীক্ষাসহ বিশেষজ্ঞের তদারকি।

  • শ্যাম্পু ও ক্রিম চোখ থেকে দূরে রাখুন; লেগে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন
  • পরামর্শ ছাড়া কাটা-ছেঁড়া বা কাঁচা ত্বকে ক্রিম লাগাবেন না
  • সংক্রমণ বারবার ফিরলে চিকিৎসককে জানান—পরিবারের সদস্য বা পোষা প্রাণীরও পরীক্ষা লাগতে পারে

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

Nizoder শ্যাম্পু ও ক্রিম এত সামান্য শোষিত হয় যে উল্লেখযোগ্য ওষুধ-মিথস্ক্রিয়ার আশঙ্কা কম—তবু আপনি যা ব্যবহার করেন সব চিকিৎসককে জানান; একই জায়গায় লাগানো অন্য স্ক্যাল্প/স্কিন পণ্য ও দীর্ঘমেয়াদি স্টেরয়েড ক্রিমসহ।

মুখে খাওয়া কিটোকোনাজল ঠিক এর উল্টো: এটি লিভারের CYP3A4 এনজাইম জোরালোভাবে বন্ধ করে এবং বহু ওষুধের সাথে বিপজ্জনক—সিমভাস্ট্যাটিন ও লোভাস্ট্যাটিন, ডমপেরিডন, কিছু ঘুমের ওষুধ (মুখে খাওয়ার মিডাজোলাম, ট্রায়াজোলাম), আর্গট-জাতীয় ওষুধ, কিছু হার্ট-রিদমের ওষুধ ও ওয়ারফারিনসহ আরও অনেক। শোষণে পাকস্থলীর অ্যাসিডও লাগে, তাই অ্যান্টাসিড, ওমিপ্রাজল-জাতীয় ওষুধ ও এইচ-টু ব্লকার একে দুর্বল করে; মদ লিভারের ঝুঁকি বাড়ায়। এসব বিপদের কারণেই ট্যাবলেট কেবল বিশেষজ্ঞের হাতে সীমাবদ্ধ।

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

কিটোকোনাজল বা অন্য ইমিডাজল অ্যান্টিফাঙ্গালে (যেমন মাইকোনাজল, ক্লোট্রিমাজল) অ্যালার্জি থাকলে Nizoder ব্যবহার করবেন না—লাগানোর জায়গায় লালচে ভাব, ফোলা, ফোসকা বা তীব্র চুলকানি বেড়ে গেলে সেটিই অ্যালার্জির লক্ষণ।

মুখে খাওয়া কিটোকোনাজল নিষিদ্ধ যেসব ক্ষেত্রে:

  • তীব্র বা দীর্ঘমেয়াদি লিভার রোগ, বা আগে কোনো অ্যাজলে লিভারের ক্ষতি হয়ে থাকলে
  • সিমভাস্ট্যাটিন, লোভাস্ট্যাটিন, মুখে খাওয়ার মিডাজোলাম, ট্রায়াজোলাম, আর্গট-জাতীয় ওষুধ, ডমপেরিডন বা কিছু হার্ট-রিদমের ওষুধের মতো জোরালো মিথস্ক্রিয়ার ওষুধ চলমান থাকলে
  • গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে
  • যেখানে নিরাপদ অ্যান্টিফাঙ্গাল (ইট্রাকোনাজল, ফ্লুকোনাজল) ব্যবহারযোগ্য

দাদ বা খুশকির জন্য ফার্মেসি কিটোকোনাজল ট্যাবলেট দিতে চাইলে নেবেন না—এ ব্যবহার এখন কোথাও স্বীকৃত নয়; চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

গর্ভাবস্থা: Nizoder শ্যাম্পু ও ক্রিম নগণ্য পরিমাণে শোষিত হয়; প্রয়োজনে গর্ভাবস্থায় এগুলো সাধারণত গ্রহণযোগ্য—তবে আগে নিজের চিকিৎসকের সাথে নিশ্চিত হয়ে নিন। মুখে খাওয়া কিটোকোনাজল গর্ভাবস্থায় অবশ্যবর্জনীয়: এটি অনাগত শিশুর ক্ষতি করতে পারে, আর নিরাপদ বিকল্পও আছে।

স্তন্যদান: শ্যাম্পু-ক্রিম স্তন্যদানের সাথে সাধারণত সামঞ্জস্যপূর্ণ; কেবল স্তন ও স্তনবৃন্তের আশপাশে ক্রিম লাগাবেন না, যাতে শিশুর মুখে না যায়, এবং লাগানোর পর হাত ধুয়ে নিন। স্তন্যদানকালে মুখে খাওয়া কিটোকোনাজল এড়িয়ে চলুন। ফর্ম যা-ই হোক, Nizoder শুরুর আগে গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানের কথা চিকিৎসককে জানান।

সংরক্ষণ

প্যাকেটে লেখা নির্দেশনা অনুযায়ী সংরক্ষণ করুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

চুলকানি থেমে গেছে—Nizoder কি এখন বন্ধ করতে পারি?

এখনই নয়। ছত্রাক আসলে মরার অনেক আগেই চুলকানি ও খুশকি কমে যায়; তখন বন্ধ করলে বেঁচে থাকা জীবাণু কয়েক সপ্তাহেই আবার বাড়ে—প্রায়ই আগের চেয়ে শক্ত হয়ে। অসমাপ্ত অ্যান্টিফাঙ্গাল কোর্স—সাথে স্টেরয়েড-মেশানো ক্রিম—বাংলাদেশে আজকের প্রতিরোধী দাদের অন্যতম প্রধান কারণ। Nizoder ক্রিম পুরো নির্ধারিত কোর্স চালিয়ে যান—সাধারণত দৃশ্যমান পরিষ্কারের পরও এক-দুই সপ্তাহ—এবং খুশকি বা ছুলিতে শ্যাম্পুর পূর্ণ সূচি শেষ করুন। ঠিকঠাক কোর্স শেষের পরও সমস্যা দ্রুত ফিরলে নিজে বারবার চিকিৎসা না করে চিকিৎসকের কাছে যান।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ খুঁজুন →