ChamberBD Logo ChamberBD
See in English

Capsule

N-Dox 100 mg Capsule

জেনেরিক: ডক্সিসাইক্লিন

প্রস্তুতকারক: North Bengal Pharmaceuticals Ltd.

থেরাপিউটিক ক্লাস: Tetracycline Antibiotic

N-Dox কী?

N-Dox 100 mg ক্যাপসুলে ডক্সিসাইক্লিন আছে, যা North Bengal Pharmaceuticals Ltd. উৎপাদিত একটি টেট্রাসাইক্লিন অ্যান্টিবায়োটিক। চিকিৎসকের পরামর্শে এটি সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ, যেমন কিছু শ্বাসতন্ত্র, ত্বক, ব্রণ-সম্পর্কিত, মূত্রনালি বা যৌনাঙ্গের সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়।

N-Dox 100 mg capsule হলো North Bengal Pharmaceuticals Ltd. এর একটি ব্রড-স্পেকট্রাম টেট্রাসাইক্লিন অ্যান্টিবায়োটিক, যাতে Doxycycline রয়েছে। বাংলাদেশে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, ব্রণ, ত্বক ও নরম টিস্যুর সংক্রমণ, কিছু যৌনবাহিত রোগ, কলেরা এবং টাইফাসের মতো রিকেটসিয়াল জ্বরে এটি বহুল প্রেসক্রাইবড। চিকিৎসকের পরামর্শে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধেও ব্যবহৃত হয়।

Doxycycline ব্যাকটেরিয়ার রাইবোজোমে যুক্ত হয়ে প্রোটিন তৈরি বন্ধ করে দেয়, ফলে ব্যাকটেরিয়া বাড়তে পারে না এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সংক্রমণ দূর করে। বহু ধরনের জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকর হওয়ায় বুকের সংক্রমণ, ব্রণ ও ক্রান্তীয় সংক্রমণে এটি একটি নির্ভরযোগ্য ওষুধ।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

  • শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ (ব্রঙ্কাইটিস, অ্যাটিপিক্যাল নিউমোনিয়া)
  • ব্রণ ও রোজেশিয়া
  • ত্বক ও নরম টিস্যুর সংক্রমণ
  • ক্ল্যামাইডিয়াসহ কিছু যৌনবাহিত সংক্রমণ
  • কলেরা, টাইফাস ও অন্যান্য রিকেটসিয়াল সংক্রমণ
  • ম্যালেরিয়া প্রতিরোধ ও লেপ্টোস্পাইরোসিস (চিকিৎসকের পরামর্শে)

সেবনবিধি ও মাত্রা

চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী N-Dox সেবন করুন। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত প্রথম দিন ২০০ মি.গ্রা., এরপর দিনে এক বা দুইবার ১০০ মি.গ্রা. দেওয়া হয়; ব্রণের জন্য কম মাত্রায় কয়েক সপ্তাহ চলে। N-Dox এক গ্লাস ভরা পানি দিয়ে গিলুন এবং অন্তত ৩০ মিনিট সোজা হয়ে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকুন — সাথে সাথে শুয়ে পড়লে খাদ্যনালিতে জ্বালা বা ঘা হতে পারে। খাবারের সাথে খেলে পেটের অস্বস্তি কমে। ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের সাধারণত দেওয়া হয় না; শিশুদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকই সিদ্ধান্ত নেবেন।

এটি একটি অ্যান্টিবায়োটিক — পুরো কোর্স শেষ করুন এবং প্রেসক্রিপশন ছাড়া খাবেন না।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বমিভাব, পেটের অস্বস্তি, ডায়রিয়া ও মাথাব্যথা। ডক্সিসাইক্লিনে প্রায়ই রোদে সংবেদনশীলতা দেখা দেয় — ত্বক সহজে পুড়ে যায়, যা বাংলাদেশের কড়া রোদে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত পানি ছাড়া বা শুয়ে ট্যাবলেট খেলে খাদ্যনালিতে জ্বালা বা ঘা হতে পারে। মুখে বা যোনিতে ছত্রাক সংক্রমণ, র‍্যাশ হতে পারে। দৃষ্টির পরিবর্তনসহ একটানা মাথাব্যথা হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।

সতর্কতা

ডক্সিসাইক্লিন চলাকালীন দীর্ঘ সময় রোদে থাকা এড়িয়ে চলুন এবং সানস্ক্রিন, টুপি বা ঢাকা পোশাক ব্যবহার করুন — ত্বক দ্রুত পুড়ে যেতে পারে। প্রতিটি ডোজ ভরা গ্লাস পানি দিয়ে খান এবং অন্তত ৩০ মিনিট সোজা থাকুন। ডোজের ২–৩ ঘণ্টার মধ্যে অ্যান্টাসিড, ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিংক বা দুধ খাবেন না — এগুলো ওষুধ শোষণে বাধা দেয়। লিভারের রোগ ও মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিসে সতর্ক থাকুন। চিকিৎসার সময় বা পরে তীব্র পাতলা পায়খানা হলে চিকিৎসককে জানান।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, আয়রন বা জিংকযুক্ত অ্যান্টাসিড ও সাপ্লিমেন্ট এবং দুধজাতীয় খাবার ডক্সিসাইক্লিনের শোষণ অনেক কমিয়ে দেয় — ২–৩ ঘণ্টা ব্যবধান রাখুন। এটি ওয়ারফারিনের প্রভাব বাড়াতে পারে (রক্তক্ষরণের ঝুঁকি), কিছু জন্মনিয়ন্ত্রণ পিলের কার্যকারিতা কমাতে পারে, এবং রিফাম্পিসিন, কার্বামাজেপিন ও ফেনিটয়েন এর মাত্রা কমিয়ে দেয়। আইসোট্রেটিনয়েন বা ভিটামিন এ-এর সাথে একসাথে খাবেন না। আপনার সব ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানান।

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

টেট্রাসাইক্লিন জাতীয় ওষুধে অ্যালার্জি থাকলে ডক্সিসাইক্লিন ব্যবহার করা যাবে না। গর্ভাবস্থা, স্তন্যদানকাল এবং ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এটি নিষিদ্ধ (বিশেষজ্ঞের সিদ্ধান্তে ব্যতিক্রম ছাড়া), কারণ এটি শিশুর দাঁতে স্থায়ী দাগ ফেলে ও হাড়ের বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলে। গুরুতর লিভারের সমস্যায় এড়িয়ে চলা উচিত।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

গর্ভাবস্থা: ডক্সিসাইক্লিন নিষিদ্ধ, বিশেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে — এটি গর্ভস্থ শিশুর দাঁত ও হাড়ে জমে স্থায়ী দাগ ও বৃদ্ধির সমস্যা করে। স্তন্যদান: স্তন্যদানকালে এড়িয়ে চলুন। আপনি গর্ভবতী হলে, গর্ভধারণের পরিকল্পনা করলে বা স্তন্যদান করালে চিকিৎসককে জানান, যাতে নিরাপদ বিকল্প অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া যায়।

সংরক্ষণ

৩০° সেলসিয়াসের নিচে শুকনো জায়গায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ ডক্সিসাইক্লিন কখনোই খাবেন না — পুরনো টেট্রাসাইক্লিন কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ব্যবহারের আগ পর্যন্ত ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল মূল প্যাকেটে রাখুন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

গলা ও পেটের জ্বালা এড়াতে N-Dox কীভাবে খাব?

N-Dox এক গ্লাস ভরা পানি দিয়ে, সম্ভব হলে খাবারের সাথে গিলুন এবং এরপর অন্তত ৩০ মিনিট সোজা হয়ে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকুন। শোয়ার ঠিক আগে বা ঘুমানোর সময় কখনো খাবেন না — ক্যাপসুল খাদ্যনালিতে আটকে গিয়ে কষ্টদায়ক ঘা তৈরি করতে পারে।

N-Dox খাওয়ার সময় কি রোদে বের হওয়া যাবে?

সাবধান থাকুন। N-Dox এর ডক্সিসাইক্লিন ত্বককে রোদের প্রতি অনেক বেশি সংবেদনশীল করে, ফলে অস্বাভাবিক দ্রুত ত্বক পুড়ে যেতে পারে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টার কড়া রোদ এড়িয়ে চলুন, সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন এবং বাইরে গেলে টুপি বা ফুলহাতা পোশাক পরুন।

N-Dox কি দুধ বা অ্যান্টাসিডের সাথে খাওয়া যাবে?

না। দুধ, অ্যান্টাসিড এবং ক্যালসিয়াম, আয়রন বা জিংকযুক্ত সাপ্লিমেন্ট অন্ত্রে ডক্সিসাইক্লিনকে আটকে ফেলে শোষণে বাধা দেয়, ফলে N-Dox অনেক কম কার্যকর হয়। N-Dox এবং এসব খাবার বা ওষুধের মধ্যে অন্তত ২–৩ ঘণ্টা ব্যবধান রাখুন।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

সর্বশেষ হালনাগাদ:

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের সেরা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ খুঁজুন →