ChamberBD Logo ChamberBD
See in English

Tablet

Lactate 300 mg Tablet

জেনেরিক: ক্যালসিয়াম ল্যাকটেট

প্রস্তুতকারক: Cipla Ltd.

থেরাপিউটিক ক্লাস: Calcium supplement

Lactate এর কাজ কি?

Cipla Ltd.-এর Lactate 300 mg tablet একটি ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট, যাতে Calcium Lactate আছে। বাংলাদেশে এটি মূলত খাবার থেকে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম না পেলে কম ক্যালসিয়াম গ্রহণ বা ক্যালসিয়ামের ঘাটতি প্রতিরোধ বা চিকিৎসায় সহায়তার জন্য ব্যবহৃত হ…

Lactate কী?

Cipla Ltd.-এর Lactate 300 mg tablet একটি ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট, যাতে Calcium Lactate আছে। বাংলাদেশে এটি মূলত খাবার থেকে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম না পেলে কম ক্যালসিয়াম গ্রহণ বা ক্যালসিয়ামের ঘাটতি প্রতিরোধ বা চিকিৎসায় সহায়তার জন্য ব্যবহৃত হয়।

Calcium Lactate শরীরে ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে কাজ করে। ক্যালসিয়াম হাড়, দাঁত, পেশি, স্নায়ু এবং শরীরের স্বাভাবিক কাজের জন্য প্রয়োজনীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ। গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা হলো—যাদের কিডনি রোগ, কিডনিতে পাথর, রক্তে ক্যালসিয়াম বেশি, বা ভিটামিন ডি বেশি আছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এটি ব্যবহার করবেন না।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

  • খাবার থেকে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম না পেলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসা।
  • গর্ভাবস্থা, বুকের দুধ খাওয়ানো, কৈশোর বা বয়স্ক বয়সে ক্যালসিয়ামের চাহিদা বেড়ে গেলে, স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীর পরামর্শে ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট হিসেবে।
  • অস্টিওপোরোসিস (osteoporosis) বা অস্টিওপেনিয়া (osteopenia)-তে সামগ্রিক চিকিৎসা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সহায়ক সাপ্লিমেন্ট।
  • রক্তে ক্যালসিয়াম কমে যাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু অবস্থায় চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সহায়ক ক্যালসিয়াম প্রতিস্থাপন।

সেবনবিধি ও মাত্রা

Calcium Lactate-এর ডোজ ব্যক্তির বয়স, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক অবস্থা, গর্ভাবস্থা বা বুকের দুধ খাওয়ানোর অবস্থা, এবং প্রতিটি ট্যাবলেটে থাকা এলিমেন্টাল ক্যালসিয়াম (elemental calcium)-এর পরিমাণের ওপর নির্ভর করে। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত খাবারের সঙ্গে ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট নিতে বলা হয়; একাধিক ট্যাবলেট প্রয়োজন হলে ভালো শোষণ ও পেটের সহনশীলতার জন্য ভাগ করে নেওয়া যেতে পারে। প্রেসক্রিপশন বা পণ্যের লেবেলে দেওয়া ডোজ মেনে চলুন, এবং চিকিৎসক বিশেষভাবে না বললে দৈনিক সুপারিশকৃত ক্যালসিয়াম গ্রহণের সীমা অতিক্রম করবেন না।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

  • সাধারণ: কোষ্ঠকাঠিন্য, বমি বমি ভাব, পেটের অস্বস্তি, গ্যাস, পেট ফাঁপা, বা মুখ শুকিয়ে যাওয়া।
  • কম দেখা যায়: অতিরিক্ত তৃষ্ণা বা প্রস্রাব বেড়ে যাওয়া, বিশেষ করে বেশি পরিমাণে গ্রহণ করলে।
  • গুরুতর: রক্তে ক্যালসিয়াম বেশি হওয়া, কিডনিতে পাথর, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, বিভ্রান্তি, তীব্র দুর্বলতা, বা বারবার/স্থায়ী বমি; এগুলো হলে চিকিৎসা সহায়তা নিন।
  • অ্যালার্জি বিরল, তবে র‍্যাশ, চুলকানি, ফুলে যাওয়া, মাথা ঘোরা, বা শ্বাসকষ্ট হতে পারে।

সতর্কতা

আপনার কিডনি রোগ, কিডনিতে পাথরের ইতিহাস, রক্তে ক্যালসিয়াম বেশি, ভিটামিন ডি বেশি, সারকয়েডোসিস (sarcoidosis), প্যারাথাইরয়েডের সমস্যা, অথবা অন্য ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করার অভ্যাস থাকলে Calcium Lactate সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করুন। পর্যবেক্ষণ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে উচ্চ ডোজ ব্যবহার এড়িয়ে চলুন, কারণ অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম হাইপারক্যালসেমিয়া (hypercalcaemia) বা কিডনির সমস্যা করতে পারে। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী বা বুকের দুধ খাওয়ানো নারী, এবং দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতায় ভোগা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে নিবন্ধিত চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শে ব্যবহার করুন।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • টেট্রাসাইক্লিন (tetracycline) ও কুইনোলোন (quinolone) অ্যান্টিবায়োটিক: ক্যালসিয়াম এগুলোর শোষণ কমাতে পারে; স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীর পরামর্শ অনুযায়ী সময়ের ব্যবধান রেখে নিন।
  • লেভোথাইরক্সিন (levothyroxine): ক্যালসিয়াম শোষণ কমাতে পারে; পরামর্শ অনুযায়ী আলাদা সময়ে নিন।
  • অ্যালেনড্রোনেট (alendronate)-এর মতো বিসফসফোনেট (bisphosphonate): ক্যালসিয়াম শোষণে বাধা দিতে পারে; সতর্কভাবে সময়ের ব্যবধান রাখুন।
  • আয়রন, জিংক এবং কিছু অন্যান্য মিনারেল সাপ্লিমেন্ট: একসঙ্গে নিলে শোষণ কমতে পারে।
  • থায়াজাইড ডাইইউরেটিক (thiazide diuretics): রক্তে ক্যালসিয়াম বেশি হওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • ডিগক্সিন (digoxin) বা অন্যান্য কার্ডিয়াক গ্লাইকোসাইড (cardiac glycosides): রক্তে ক্যালসিয়াম বেশি হলে হৃদস্পন্দনের ছন্দের সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
  • উচ্চ ডোজ ভিটামিন ডি: ক্যালসিয়াম শোষণ বাড়িয়ে হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • অক্সালেট বা ফাইটেট বেশি থাকা খাবার, যেমন পালং শাক, ব্র্যান এবং কিছু সিরিয়াল, একই সময়ে খেলে ক্যালসিয়াম শোষণ কমাতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

  • ক্যালসিয়াম ল্যাকটেট বা ট্যাবলেটের কোনো উপাদানে পরিচিত অ্যালার্জি বা অতিসংবেদনশীলতা।
  • রক্তে ক্যালসিয়াম বেশি থাকা (hypercalcaemia)।
  • প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম বেশি থাকা এবং পাথরের ঝুঁকি থাকা, যদি না চিকিৎসক বিশেষভাবে ব্যবস্থাপনা করেন।
  • গুরুতর কিডনি অকার্যকারিতা বা কিডনিতে পাথর, যেখানে ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট নেওয়া উপযুক্ত নয়।
  • ভিটামিন ডি বা ক্যালসিয়াম অতিরিক্ত হওয়ার মতো অবস্থা, বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধান ছাড়া।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় ক্যালসিয়াম একটি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান, এবং খাবার থেকে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম না পেলে সাপ্লিমেন্ট দরকার হতে পারে। তবে অতিরিক্ত গ্রহণ এড়াতে খাবার, সাপ্লিমেন্ট এবং প্রিনাটাল পণ্য থেকে মোট দৈনিক ক্যালসিয়াম গ্রহণ বিবেচনা করা উচিত। গর্ভবতী বা বুকের দুধ খাওয়ানো নারীরা চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শকৃত ডোজে Calcium Lactate ব্যবহার করুন।

সংরক্ষণ

ট্যাবলেট ঘরের তাপমাত্রায় শুকনো স্থানে সংরক্ষণ করুন, তাপ, আর্দ্রতা এবং সরাসরি সূর্যালোক থেকে দূরে রাখুন। পাত্রের ঢাকনা ভালোভাবে বন্ধ রাখুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে বা ট্যাবলেট ক্ষতিগ্রস্ত/রং পরিবর্তিত মনে হলে ব্যবহার করবেন না।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

Lactate কী কাজে ব্যবহার করা হয়?

Lactate একটি ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট। খাবার থেকে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম না পেলে কম ক্যালসিয়াম গ্রহণ বা ক্যালসিয়ামের ঘাটতি প্রতিরোধ বা চিকিৎসায় এটি ব্যবহার করা হয়। ক্যালসিয়ামের চাহিদা বেশি এমন সময়ে বা অস্টিওপোরোসিসের চিকিৎসা পরিকল্পনার অংশ হিসেবেও চিকিৎসক এটি দিতে পারেন।

Lactate কীভাবে খাব?

প্রেসক্রিপশন বা পণ্যের লেবেলে যেভাবে বলা আছে, সেভাবেই Lactate নিন। ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট সাধারণত খাবারের সঙ্গে নেওয়া হয়। একাধিক ডোজ দরকার হলে ভালো শোষণ ও পেটের আরামের জন্য চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্ট ডোজ ভাগ করে নিতে বলতে পারেন।

Lactate নেওয়ার আগে কারা সতর্ক থাকবেন?

যাদের কিডনি রোগ, কিডনিতে পাথর, রক্তে ক্যালসিয়াম বেশি, ভিটামিন ডি বেশি, সারকয়েডোসিস, প্যারাথাইরয়েডের সমস্যা আছে, অথবা যারা অন্য ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট নিচ্ছেন, তারা Lactate ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Lactate কি অন্য ওষুধের সঙ্গে খাওয়া যায়?

কিছু ওষুধের সঙ্গে ক্যালসিয়ামের পারস্পরিক ক্রিয়া হতে পারে, যেমন টেট্রাসাইক্লিন বা কুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক, লেভোথাইরক্সিন, বিসফসফোনেট, আয়রন, জিংক, থায়াজাইড ডাইইউরেটিক, ডিগক্সিন এবং উচ্চ ডোজ ভিটামিন ডি। সঠিক সময়ের ব্যবধান জানতে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

সর্বশেষ হালনাগাদ:

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের সেরা পুষ্টিবিদ খুঁজুন →