ChamberBD Logo ChamberBD
See in English
Ketoral 200 mg Tablet — Ketoconazole

Tablet

Ketoral 200 mg Tablet

জেনেরিক: কিটোকোনাজল

প্রস্তুতকারক: Square Formulations Ltd.

থেরাপিউটিক ক্লাস: Imidazole Antifungal (Topical; Oral Use Restricted)

Ketoral এর কাজ কি?

Ketoral 200 mg Tablet-এ ketoconazole আছে, যা Square Formulations Ltd. উৎপাদিত একটি imidazole antifungal ওষুধ। মুখে খাওয়ার এই ট্যাবলেট কেবল নির্বাচিত গুরুতর ফাঙ্গাল সংক্রমণে চিকিৎসক উপযুক্ত মনে করলে ব্যবহার করা হয়, কারণ oral ketoconazole ব্য…

দাম (বাংলাদেশ)

প্যাক মূল্য (টাকা)
প্রতি Tablet ৳ 9.06
Strip of 10 ৳ 90.60

দাম পরিবর্তনশীল — ফার্মেসিভেদে প্রকৃত খুচরা মূল্য ভিন্ন হতে পারে।

Ketoral কী?

Ketoral 200 mg Tablet-এ ketoconazole আছে, যা Square Formulations Ltd. উৎপাদিত একটি imidazole antifungal ওষুধ। মুখে খাওয়ার এই ট্যাবলেট কেবল নির্বাচিত গুরুতর ফাঙ্গাল সংক্রমণে চিকিৎসক উপযুক্ত মনে করলে ব্যবহার করা হয়, কারণ oral ketoconazole ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আছে।

Ketoral 200 mg tablet হল Square Formulations Ltd.-এর তৈরি Ketoconazole, একটি ইমিডাজল অ্যান্টিফাঙ্গাল—আজকাল ওষুধযুক্ত শ্যাম্পু ও স্কিন ক্রিম হিসেবেই সবচেয়ে পরিচিত। এটি খুশকি, সেবোরিক ডার্মাটাইটিস, শরীর-কুঁচকি-পায়ের দাদ এবং ছুলির (পিটিরিয়াসিস ভার্সিকলার) বিবর্ণ ছোপের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। কিটোকোনাজল ট্যাবলেট এখনও আছে, তবে লিভারের ক্ষতির ঝুঁকিতে বিশ্বজুড়ে সীমিত—কেবল বিরল ছত্রাকরোগে, বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে; সাধারণ চর্মরোগ বা খুশকিতে কখনোই নয়।

Ketoconazole ছত্রাক-কোষের আবরণের মূল উপাদান আর্গোস্টেরল তৈরি বন্ধ করে দেয়; আবরণ ফুটো হয়ে ছত্রাক মারা যায়। মাথার তালুতে এটি ম্যালাসেজিয়া নামের ইস্টও দমন করে—খুশকি ও সেবোরিক ডার্মাটাইটিসের মূল কারণ যেটি।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

চিকিৎসকের বেছে দেওয়া ফর্ম অনুযায়ী Ketoral ব্যবহৃত হয়:

  • শ্যাম্পু: মাথার খুশকি ও সেবোরিক ডার্মাটাইটিস; গায়ের ছুলি (পিটিরিয়াসিস ভার্সিকলার)
  • ক্রিম: শরীর, কুঁচকি ও পায়ের দাদ (টিনিয়া), ত্বকের ক্যানডিডা সংক্রমণ, ছুলির ছোপ এবং মুখ-বুকের সেবোরিক ডার্মাটাইটিস
  • ট্যাবলেট: কেবল কিছু গুরুতর অভ্যন্তরীণ ছত্রাক সংক্রমণে, যখন নিরাপদ অ্যান্টিফাঙ্গাল পাওয়া যায় না বা সহ্য হয় না—লিভার পরীক্ষাসহ সম্পূর্ণ বিশেষজ্ঞের সিদ্ধান্ত

দৈনন্দিন ছত্রাকজনিত চর্মরোগ ও খুশকিতে শ্যাম্পু-ক্রিমই কার্যকর এবং অনেক নিরাপদ; এসব সমস্যায় কিটোকোনাজল ট্যাবলেট চাওয়া বা বিক্রি—কোনোটাই উচিত নয়।

সেবনবিধি ও মাত্রা

আপনার Ketoral-এর ফর্ম অনুযায়ী চিকিৎসকের নির্দেশ মানুন। Ketoconazole-এর সাধারণ ব্যবহার:

  • শ্যাম্পু (২%): চুল ভিজিয়ে অল্প পরিমাণ মাথার তালুতে ফেনা করুন, ৩–৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। খুশকি/সেবোরিক ডার্মাটাইটিসে: সপ্তাহে দুইবার, ২–৪ সপ্তাহ; এরপর রোগ ঠেকাতে প্রতি ১–২ সপ্তাহে একবার। ছুলিতে: আক্রান্ত ত্বকে দিনে একবার, সর্বোচ্চ ৫ দিন
  • ক্রিম (২%): পাতলা প্রলেপ দিনে এক-দুইবার; র‍্যাশ মিলিয়ে যাওয়ার পরও কয়েক দিন থেকে ২ সপ্তাহ চালিয়ে যান; স্থানভেদে মোট কোর্স প্রায়ই ২–৬ সপ্তাহ
  • ট্যাবলেট: মাত্রা, মেয়াদ ও লিভার পরীক্ষার সূচি পুরোপুরি বিশেষজ্ঞই ঠিক করবেন

শিশুদের যেকোনো ফর্ম কেবল চিকিৎসকের পরামর্শে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

রক্তে খুব সামান্যই ঢোকে বলে Ketoral-এর শ্যাম্পু-ক্রিম খুবই সহনীয়। সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া:

  • শ্যাম্পু: মাথার তালুতে হালকা চুলকানি, জ্বালা বা শুষ্কতা; চুল তেলতেলে বা রুক্ষ লাগা; বিরল ক্ষেত্রে চুলের রং বদল—মূলত রাসায়নিকে প্রসেস করা চুলে
  • ক্রিম: লাগানোর জায়গায় সাময়িক লালচে ভাব, জ্বালা বা অস্বস্তি; বিরল অ্যালার্জিক কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস

জ্বালা তীব্র হলে বা নতুন র‍্যাশ ছড়ালে বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ট্যাবলেট সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার: বমিভাব, বমি এবং বিরল কিন্তু গুরুতর লিভার ক্ষতি (গাঢ় প্রস্রাব, চোখ হলুদ, প্রবল ক্লান্তি), অ্যাড্রিনাল হরমোন দমন ও হার্ট-রিদমের সমস্যা ঘটাতে পারে—এসব কারণেই মুখে খাওয়া রূপটি বিশ্বজুড়ে সীমিত এবং বিশেষজ্ঞের নজরদারি বাধ্যতামূলক।

সতর্কতা

Ketoral ব্যবহারে দুটি নিয়ম আপনাকে সুরক্ষা দেবে। প্রথমত, পুরো কোর্স শেষ করুন—চুলকানি ও খুশকি থেমে গেলেও নির্ধারিত সপ্তাহগুলো শ্যাম্পু বা ক্রিম চালিয়ে যান; আধা-চিকিৎসিত ছত্রাক ফিরে আসে, আর স্টেরয়েড-মেশানো "ম্যাজিক" ক্রিমের দৌরাত্ম্যে বাংলাদেশ এমনিতেই প্রতিরোধী দাদের সাথে লড়ছে। চিকিৎসকের সুনির্দিষ্ট পরামর্শ ছাড়া অমন মিশ্র ক্রিম ব্যবহার করবেন না। দ্বিতীয়ত, ট্যাবলেটের সীমাবদ্ধতা মানুন: ত্বক-নখের ছত্রাক বা খুশকিতে কিটোকোনাজল ট্যাবলেট কখনোই খাবেন না—নিরাপদ বিকল্প আছে, আর ট্যাবলেটে লাগে লিভার পরীক্ষাসহ বিশেষজ্ঞের তদারকি।

  • শ্যাম্পু ও ক্রিম চোখ থেকে দূরে রাখুন; লেগে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন
  • পরামর্শ ছাড়া কাটা-ছেঁড়া বা কাঁচা ত্বকে ক্রিম লাগাবেন না
  • সংক্রমণ বারবার ফিরলে চিকিৎসককে জানান—পরিবারের সদস্য বা পোষা প্রাণীরও পরীক্ষা লাগতে পারে

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

Ketoral শ্যাম্পু ও ক্রিম এত সামান্য শোষিত হয় যে উল্লেখযোগ্য ওষুধ-মিথস্ক্রিয়ার আশঙ্কা কম—তবু আপনি যা ব্যবহার করেন সব চিকিৎসককে জানান; একই জায়গায় লাগানো অন্য স্ক্যাল্প/স্কিন পণ্য ও দীর্ঘমেয়াদি স্টেরয়েড ক্রিমসহ।

মুখে খাওয়া কিটোকোনাজল ঠিক এর উল্টো: এটি লিভারের CYP3A4 এনজাইম জোরালোভাবে বন্ধ করে এবং বহু ওষুধের সাথে বিপজ্জনক—সিমভাস্ট্যাটিন ও লোভাস্ট্যাটিন, ডমপেরিডন, কিছু ঘুমের ওষুধ (মুখে খাওয়ার মিডাজোলাম, ট্রায়াজোলাম), আর্গট-জাতীয় ওষুধ, কিছু হার্ট-রিদমের ওষুধ ও ওয়ারফারিনসহ আরও অনেক। শোষণে পাকস্থলীর অ্যাসিডও লাগে, তাই অ্যান্টাসিড, ওমিপ্রাজল-জাতীয় ওষুধ ও এইচ-টু ব্লকার একে দুর্বল করে; মদ লিভারের ঝুঁকি বাড়ায়। এসব বিপদের কারণেই ট্যাবলেট কেবল বিশেষজ্ঞের হাতে সীমাবদ্ধ।

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

কিটোকোনাজল বা অন্য ইমিডাজল অ্যান্টিফাঙ্গালে (যেমন মাইকোনাজল, ক্লোট্রিমাজল) অ্যালার্জি থাকলে Ketoral ব্যবহার করবেন না—লাগানোর জায়গায় লালচে ভাব, ফোলা, ফোসকা বা তীব্র চুলকানি বেড়ে গেলে সেটিই অ্যালার্জির লক্ষণ।

মুখে খাওয়া কিটোকোনাজল নিষিদ্ধ যেসব ক্ষেত্রে:

  • তীব্র বা দীর্ঘমেয়াদি লিভার রোগ, বা আগে কোনো অ্যাজলে লিভারের ক্ষতি হয়ে থাকলে
  • সিমভাস্ট্যাটিন, লোভাস্ট্যাটিন, মুখে খাওয়ার মিডাজোলাম, ট্রায়াজোলাম, আর্গট-জাতীয় ওষুধ, ডমপেরিডন বা কিছু হার্ট-রিদমের ওষুধের মতো জোরালো মিথস্ক্রিয়ার ওষুধ চলমান থাকলে
  • গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে
  • যেখানে নিরাপদ অ্যান্টিফাঙ্গাল (ইট্রাকোনাজল, ফ্লুকোনাজল) ব্যবহারযোগ্য

দাদ বা খুশকির জন্য ফার্মেসি কিটোকোনাজল ট্যাবলেট দিতে চাইলে নেবেন না—এ ব্যবহার এখন কোথাও স্বীকৃত নয়; চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

গর্ভাবস্থা: Ketoral শ্যাম্পু ও ক্রিম নগণ্য পরিমাণে শোষিত হয়; প্রয়োজনে গর্ভাবস্থায় এগুলো সাধারণত গ্রহণযোগ্য—তবে আগে নিজের চিকিৎসকের সাথে নিশ্চিত হয়ে নিন। মুখে খাওয়া কিটোকোনাজল গর্ভাবস্থায় অবশ্যবর্জনীয়: এটি অনাগত শিশুর ক্ষতি করতে পারে, আর নিরাপদ বিকল্পও আছে।

স্তন্যদান: শ্যাম্পু-ক্রিম স্তন্যদানের সাথে সাধারণত সামঞ্জস্যপূর্ণ; কেবল স্তন ও স্তনবৃন্তের আশপাশে ক্রিম লাগাবেন না, যাতে শিশুর মুখে না যায়, এবং লাগানোর পর হাত ধুয়ে নিন। স্তন্যদানকালে মুখে খাওয়া কিটোকোনাজল এড়িয়ে চলুন। ফর্ম যা-ই হোক, Ketoral শুরুর আগে গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানের কথা চিকিৎসককে জানান।

সংরক্ষণ

Ketoral ৩০° সেলসিয়াসের নিচে, সরাসরি রোদ ও তাপ থেকে দূরে রাখুন। ব্যবহারের ফাঁকে শ্যাম্পুর বোতল ও ক্রিমের টিউবের মুখ ভালোভাবে বন্ধ রাখুন—বাংলাদেশের আর্দ্রতা ও বাথরুমের গরমে খোলা পণ্য দ্রুত নষ্ট হয়, তাই শাওয়ারের পানির ঝাপটা লাগে না এমন ঠান্ডা তাকই ভালো। শ্যাম্পু বা ক্রিম ফ্রিজে জমাবেন না। ট্যাবলেট থাকলে মূল ব্লিস্টারে, শুকনো আলমারিতে রাখুন।

  • সব ফর্ম শিশুদের নাগাল ও দৃষ্টির বাইরে রাখুন—শ্যাম্পু বা ক্রিম গিলে ফেলা শিশুর জন্য বিপজ্জনক
  • মেয়াদ পেরোনো কোনো ফর্ম ব্যবহার করবেন না; রং বদলে যাওয়া বা ফেটে যাওয়া ক্রিম ফেলে দিন
  • অব্যবহৃত ওষুধ ময়লায় না ফেলে ফার্মেসিতে ফেরত দিন

সাধারণ জিজ্ঞাসা

খুশকির জন্য Ketoral শ্যাম্পু কতবার ব্যবহার করব, আর কাজ করতে কত দিন লাগে?

Ketoral শ্যাম্পু সপ্তাহে দুইবার, ২–৪ সপ্তাহ ব্যবহার করুন: চুল ভিজিয়ে অল্প পরিমাণ মাথার তালুতে ঘষে নিন, আর—যে ধাপটি বেশির ভাগ মানুষ বাদ দেন—ধোয়ার আগে ফেনা ৩ থেকে ৫ মিনিট রেখে দিন, যাতে ওষুধ ভেতরে ঢুকতে পারে। অধিকাংশের খুশকি ও চুলকানি দুই সপ্তাহের মধ্যে কমে। ম্যালাসেজিয়া ইস্ট আবার জন্মায় বলে খুশকি ফিরে আসার প্রবণতা আছে, তাই প্রাথমিক কোর্সের পর রক্ষণাবেক্ষণ হিসেবে প্রতি এক-দুই সপ্তাহে একবার চালিয়ে যান। বাকি দিনগুলোতে সাধারণ শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন।

Ketoral ট্যাবলেট আজকাল প্রায় দেওয়াই হয় না কেন?

কারণ মুখে খাওয়া কিটোকোনাজল গুরুতর—কখনও প্রাণঘাতী—লিভার ক্ষতি ঘটাতে পারে; এমনকি অল্পবয়সী সুস্থ মানুষেও, কখনও ছোট কোর্সের পরেও। এটি শরীরের স্টেরয়েড হরমোন দমন করতে পারে এবং বহু প্রচলিত ওষুধের সাথে বিপজ্জনক মিথস্ক্রিয়াও করে। এসব কারণে ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিশ্বজুড়ে ওষুধ নিয়ন্ত্রকরা ত্বক-নখের ছত্রাকে ট্যাবলেটটি প্রত্যাহার বা সীমিত করেছেন; জায়গা নিয়েছে ইট্রাকোনাজল, ফ্লুকোনাজল ও টারবিনাফিনের মতো নিরাপদ ওষুধ। ট্যাবলেট এখন কেবল বিরল ছত্রাকরোগে, লিভার পরীক্ষাসহ বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে। Ketoral-এর শ্যাম্পু ও ক্রিমে এই লিভার-ঝুঁকি নেই, কারণ রক্তে প্রায় কিছুই পৌঁছায় না।

চুলকানি থেমে গেছে—Ketoral কি এখন বন্ধ করতে পারি?

এখনই নয়। ছত্রাক আসলে মরার অনেক আগেই চুলকানি ও খুশকি কমে যায়; তখন বন্ধ করলে বেঁচে থাকা জীবাণু কয়েক সপ্তাহেই আবার বাড়ে—প্রায়ই আগের চেয়ে শক্ত হয়ে। অসমাপ্ত অ্যান্টিফাঙ্গাল কোর্স—সাথে স্টেরয়েড-মেশানো ক্রিম—বাংলাদেশে আজকের প্রতিরোধী দাদের অন্যতম প্রধান কারণ। Ketoral ক্রিম পুরো নির্ধারিত কোর্স চালিয়ে যান—সাধারণত দৃশ্যমান পরিষ্কারের পরও এক-দুই সপ্তাহ—এবং খুশকি বা ছুলিতে শ্যাম্পুর পূর্ণ সূচি শেষ করুন। ঠিকঠাক কোর্স শেষের পরও সমস্যা দ্রুত ফিরলে নিজে বারবার চিকিৎসা না করে চিকিৎসকের কাছে যান।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

সর্বশেষ হালনাগাদ:

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের সেরা চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ খুঁজুন →