Tablet
Kestine 10 mg Tablet
জেনেরিক: ইবাস্টিন
প্রস্তুতকারক: Synovia Pharma PLC.
থেরাপিউটিক ক্লাস: Non-sedating antihistamine (second generation)
Kestine এর কাজ কি?
কেস্টিন ১০ মি.গ্রা. ট্যাবলেটে সিনোভিয়া ফার্মা পিএলসি-এর ইবাস্টিন থাকে, যা দ্বিতীয় প্রজন্মের অ্যান্টিহিস্টামিন। এটি হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া বা চুলকানি, চোখ চুলকানো এবং আর্টিকারিয়ার মতো অ্যালার্জির উপসর্গে ব্যবহৃত হয়।
দাম (বাংলাদেশ)
| প্যাক | মূল্য (টাকা) |
|---|---|
| প্রতি Tablet | ৳ 8.00 |
| Tablet | ৳ 8.00 |
দাম পরিবর্তনশীল — ফার্মেসিভেদে প্রকৃত খুচরা মূল্য ভিন্ন হতে পারে।
Kestine কী?
কেস্টিন ১০ মি.গ্রা. ট্যাবলেটে সিনোভিয়া ফার্মা পিএলসি-এর ইবাস্টিন থাকে, যা দ্বিতীয় প্রজন্মের অ্যান্টিহিস্টামিন। এটি হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া বা চুলকানি, চোখ চুলকানো এবং আর্টিকারিয়ার মতো অ্যালার্জির উপসর্গে ব্যবহৃত হয়।
Kestine 10 mg tablet প্রস্তুত করে Synovia Pharma PLC.। এতে রয়েছে Ebastine, একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের নন-সিডেটিং অ্যান্টিহিস্টামিন, যা হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ চুলকানো ও আমবাতের মতো অ্যালার্জির উপসর্গ কমায়। দিনে একবার সেবনেই দীর্ঘক্ষণ কাজ করে এবং বেশিরভাগ মানুষের ঘুম-ভাব হয় না বললেই চলে।
সেবনের পর Ebastine শরীরে এর সক্রিয় রূপ ক্যারেবাস্টিনে রূপান্তরিত হয়, যা এইচ-১ (H1) হিস্টামিন রিসেপ্টর ব্লক করে। অ্যালার্জির সময় শরীরে নিঃসৃত হিস্টামিনই চুলকানি, হাঁচি এবং নাক-চোখ দিয়ে পানি পড়ার জন্য দায়ী। হিস্টামিনের কাজ আটকে দিয়ে Kestine প্রায় ২৪ ঘণ্টা উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে রাখে; মস্তিষ্কে খুব কম প্রবেশ করে বলে ঘুম-ভাব সাধারণত হয় না।
নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)
Kestine যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
- অ্যালার্জিক রাইনাইটিস — মৌসুমি বা সারা বছরের; হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক চুলকানো এবং চোখ চুলকানো ও পানি পড়া (অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিসসহ বা ছাড়া)
- দীর্ঘস্থায়ী আর্টিকেরিয়া (আমবাত) — চুলকানি ও চাকা চাকা ফুসকুড়ি কমাতে
- চিকিৎসকের বিবেচনায় অন্যান্য অ্যালার্জিজনিত ত্বকের চুলকানি
বেশিরভাগ মানুষের ঘুম-ভাব হয় না বলে শিক্ষার্থী, চালক ও কর্মজীবীদের জন্য Kestine সুবিধাজনক। চিকিৎসক প্রয়োজনে অন্যান্য অ্যালার্জির সমস্যায়ও এটি দিতে পারেন।
সেবনবিধি ও মাত্রা
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য Kestine-এর স্বাভাবিক মাত্রা দিনে একবার ১০ মি.গ্রা.; খাবারের আগে বা পরে যেকোনো সময় খাওয়া যায়। উপসর্গ বেশি হলে চিকিৎসক দিনে একবার ২০ মি.গ্রা. পর্যন্ত দিতে পারেন।
- প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছরের বেশি বয়সী: পরামর্শ অনুযায়ী দিনে একবার ১০–২০ মি.গ্রা.
- ৬–১১ বছরের শিশু: সাধারণত দিনে একবার ৫ মি.গ্রা., বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সিরাপ — শুধুই চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী
- আরও ছোট শিশু: মাত্রা ও উপযুক্ততা সম্পূর্ণ চিকিৎসকের সিদ্ধান্ত
- লিভারের সমস্যায়: চিকিৎসক দৈনিক মাত্রা সীমিত রাখতে পারেন
প্রতিদিন মোটামুটি একই সময়ে খান। Kestine কত মাত্রায় ও কতদিন খাবেন তা চিকিৎসকই ঠিক করবেন।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
বেশিরভাগ মানুষ Kestine ভালোভাবে সহ্য করেন। যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে:
- মাথাব্যথা (সবচেয়ে বেশি দেখা যায়)
- মুখ শুকিয়ে যাওয়া
- ঘুম-ভাব বা ক্লান্তি (কম দেখা যায়)
- পেটে অস্বস্তি বা বদহজম
- গলাব্যথা বা সর্দি
- বিরল ক্ষেত্রে — বুক ধড়ফড় বা দ্রুত হৃদস্পন্দন
মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, তীব্র ফুসকুড়ি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া কিংবা অনিয়মিত বা জোরে হৃদস্পন্দন হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। Kestine খাওয়ার সময় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসককে জানান।
সতর্কতা
- হৃদস্পন্দনের অনিয়ম, কিউটি (QT) দীর্ঘায়িত হওয়া, ধীর হৃদস্পন্দন বা রক্তে পটাশিয়াম কম থাকলে চিকিৎসককে জানান — কিছু ওষুধের সঙ্গে ইবাস্টিন খেলে হৃদস্পন্দনের ছন্দে প্রভাব পড়তে পারে
- লিভার বা কিডনির রোগ থাকলে জানান — মাত্রা সীমিত রাখার প্রয়োজন হতে পারে
- অ্যালার্জির স্কিন টেস্টের অন্তত ৪৮–৭২ ঘণ্টা আগে ওষুধ বন্ধ রাখুন, নইলে ফল ভুল আসতে পারে
- Kestine আপনার ওপর কেমন প্রভাব ফেলে তা বোঝার আগে গাড়ি চালানোয় সতর্ক থাকুন — অল্প কিছু মানুষের ঘুম-ভাব হয়
- অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন — ঘুম-ভাব বাড়াতে পারে
- শিশুদের কেবল চিকিৎসকের নির্ধারিত মাত্রায় দিন
অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া
কিছু ওষুধ রক্তে ইবাস্টিনের মাত্রা বাড়িয়ে হৃদস্পন্দনের ছন্দজনিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। Kestine-এর সঙ্গে নিচের ওষুধ খাওয়ার আগে চিকিৎসককে জানান:
- অ্যাজল-জাতীয় ছত্রাকনাশক — কিটোকোনাজল, ইট্রাকোনাজল
- ম্যাক্রোলাইড অ্যান্টিবায়োটিক — ইরাইথ্রোমাইসিন, ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন
- কিউটি দীর্ঘায়িত করে এমন অন্যান্য ওষুধ — কিছু হার্টের, মানসিক রোগের ও ম্যালেরিয়ার ওষুধ
রিফাম্পিসিন ইবাস্টিনের কার্যকারিতা কমাতে পারে। ঘুমের ওষুধ খেলে তাও জানান এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন। Kestine শুরুর আগে ভেষজ ও ফার্মেসি থেকে কেনা ওষুধসহ আপনার সম্পূর্ণ ওষুধের তালিকা চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে দেখান।
প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)
নিচের ক্ষেত্রে Kestine খাবেন না:
- ইবাস্টিন বা এর কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে
- আপনার কিউটি ইন্টারভাল উল্লেখযোগ্যভাবে দীর্ঘায়িত বলে জানা থাকলে, বা কিউটি দীর্ঘায়িত করে এমন ওষুধ খেলে — চিকিৎসক সুনির্দিষ্টভাবে অনুমোদন না দিলে
গুরুতর লিভারের সমস্যা, রক্তে পটাশিয়াম কমে যাওয়ার মতো ইলেকট্রোলাইটের গরমিল, গর্ভাবস্থা, স্তন্যদানকাল এবং ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে কেবল চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করুন। সংশয় থাকলে সেবনের আগে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থায়: মানুষের গর্ভাবস্থায় ইবাস্টিন ব্যবহারের তথ্য সীমিত, তাই চিকিৎসক উপকারিতা ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে না করলে সাধারণত এটি এড়িয়ে চলা হয়। গর্ভবতী হলে বা সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে Kestine খাওয়ার আগে চিকিৎসককে জানান — দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা-তথ্য আছে এমন অ্যান্টিহিস্টামিন বেছে নেওয়া হতে পারে।
স্তন্যদানকালে: বুকের দুধে ইবাস্টিন কতটা যায় তা জানা নেই, তাই কেবল চিকিৎসকের পরামর্শেই ব্যবহার করুন। চিকিৎসক অনুমোদন দিলে শিশুর অস্বাভাবিক ঘুম বা দুধ টানতে অনীহা দেখা দিলে দ্রুত জানান।
সংরক্ষণ
Kestine ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে ঠান্ডা ও শুকনো জায়গায়, সরাসরি রোদ ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। খাওয়ার আগ পর্যন্ত ট্যাবলেট ব্লিস্টার প্যাকেই রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন
- মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ব্যবহার করবেন না
- সিরাপের ক্ষেত্রে প্রতিবার ব্যবহারের পর বোতলের মুখ ভালোভাবে বন্ধ করুন এবং খোলার পর লেবেলে লেখা সময়ের মধ্যে ব্যবহার শেষ করুন
সাধারণ জিজ্ঞাসা
Kestine খেলে কি ঘুম-ঘুম ভাব হয়?
১০ মি.গ্রা.-তে কাজ না হলে কি নিজে থেকে Kestine ২০ মি.গ্রা. খাওয়া যাবে?
অ্যান্টিবায়োটিক বা ছত্রাকনাশক ওষুধের সঙ্গে কি Kestine খাওয়া যাবে?
সর্বশেষ হালনাগাদ: