ChamberBD Logo ChamberBD
See in English
Hypace 2.5 mg Capsule — Ramipril

Capsule

Hypace 2.5 mg Capsule

জেনেরিক: র‍্যামিপ্রিল

প্রস্তুতকারক: Techno Drugs Ltd., Satipara, Narshingdi

থেরাপিউটিক ক্লাস: ACE Inhibitor (Antihypertensive)

Hypace এর কাজ কি?

Hypace ক্যাপসুল ২.৫ মি.গ্রা. মাত্রায় র‍্যামিপ্রিল সরবরাহ করে। র‍্যামিপ্রিল এসিই ইনহিবিটর শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত এবং মূলত বর্ধিত রক্তচাপ কমাতে ও নির্দিষ্ট হৃদরোগে হৃদপিণ্ডকে সাহায্য করতে ব্যবহৃত হয়। Hypace 2.5 mg capsule হলো Techno Drugs Ltd.

দাম (বাংলাদেশ)

প্যাক মূল্য (টাকা)
প্রতি Capsule ৳ 8.00
Capsule ৳ 8.00

দাম পরিবর্তনশীল — ফার্মেসিভেদে প্রকৃত খুচরা মূল্য ভিন্ন হতে পারে।

Hypace কী?

Hypace ক্যাপসুল ২.৫ মি.গ্রা. মাত্রায় র‍্যামিপ্রিল সরবরাহ করে। র‍্যামিপ্রিল এসিই ইনহিবিটর শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত এবং মূলত বর্ধিত রক্তচাপ কমাতে ও নির্দিষ্ট হৃদরোগে হৃদপিণ্ডকে সাহায্য করতে ব্যবহৃত হয়।

Hypace 2.5 mg capsule হলো Techno Drugs Ltd., Satipara, Narshingdi-এর একটি ওষুধ, যাতে রয়েছে Ramipril — একটি এসিই ইনহিবিটর। এটি উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন), হার্ট ফেইলিউর এবং হার্ট অ্যাটাকের পরে বা ডায়াবেটিস রোগীদের হৃদযন্ত্র ও কিডনি সুরক্ষায় ব্যবহৃত হয়।

র‍্যামিপ্রিল শরীরের এসিই (ACE) নামক একটি এনজাইমকে বাধা দেয়। এতে রক্তনালি শিথিল ও প্রশস্ত হয়, রক্ত সহজে চলাচল করে এবং রক্তচাপ কমে আসে। ফলে হৃদযন্ত্রকে কম পরিশ্রম করতে হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে হার্ট, মস্তিষ্ক ও কিডনি উচ্চ রক্তচাপজনিত ক্ষতি থেকে রক্ষা পায়।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

  • উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) — এককভাবে বা অন্য ওষুধের সাথে
  • হার্ট ফেইলিউর — হার্ট অ্যাটাকের পরবর্তী অবস্থাসহ
  • হৃদরোগ প্রতিরোধ — ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে
  • ডায়াবেটিক ও অন্যান্য কিডনি রোগ — প্রস্রাবে প্রোটিন যাওয়া ও কিডনির ক্ষতি ধীর করতে

সেবনবিধি ও মাত্রা

আপনার রক্তচাপ, কিডনির অবস্থা ও অন্যান্য রোগ বিবেচনা করে চিকিৎসক Hypace-এর সঠিক মাত্রা নির্ধারণ করবেন। সাধারণত কম মাত্রায় শুরু করে প্রয়োজনে প্রতি ২–৪ সপ্তাহে ধীরে ধীরে মাত্রা বাড়ানো হয়।

  • খাবারের আগে বা পরে খাওয়া যায়; প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে খান।
  • পানি দিয়ে গিলে খান; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ভেঙে খাবেন না।
  • কোনো ডোজ মিস হলে মনে পড়ামাত্র খান, তবে পরের ডোজের সময় কাছে হলে বাদ দিন — কখনো ডাবল ডোজ খাবেন না।

এটি দীর্ঘমেয়াদি ওষুধ। রক্তচাপ স্বাভাবিক মনে হলেও নিজে থেকে Hypace বন্ধ করবেন না — ওষুধ কাজ করছে বলেই চাপ স্বাভাবিক আছে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

বেশিরভাগ মানুষ র‍্যামিপ্রিল ভালোভাবে সহ্য করেন। সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

  • শুকনো, খুসখুসে কাশি — এই ওষুধের সবচেয়ে পরিচিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া; বিরক্তিকর হলে চিকিৎসককে জানান
  • মাথা ঘোরা বা ঝিমঝিম ভাব, বিশেষত প্রথম ডোজের পর বা হঠাৎ দাঁড়ালে
  • মাথাব্যথা, ক্লান্তি
  • রক্তে পটাশিয়াম বেড়ে যাওয়া (মাংসপেশি দুর্বলতা বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন হতে পারে)
  • কিডনির পরীক্ষায় পরিবর্তন
  • বিরল কিন্তু গুরুতর: মুখ, ঠোঁট, জিহ্বা বা গলা ফুলে যাওয়া (অ্যানজিওইডিমা) — ওষুধ বন্ধ করে সাথে সাথে জরুরি চিকিৎসা নিন

সতর্কতা

  • নিয়মিত রক্তচাপ মাপুন এবং চিকিৎসকের সব ফলো-আপে যান।
  • ওষুধ শুরু বা মাত্রা পরিবর্তনের পর চিকিৎসক কিডনি ও পটাশিয়ামের রক্ত পরীক্ষা দিতে পারেন।
  • মাথা ঘোরা এড়াতে শোয়া বা বসা থেকে ধীরে উঠুন; ওষুধে কেমন লাগে বুঝার আগে গাড়ি চালাবেন না।
  • কিডনি রোগ, লিভারের সমস্যা, ডায়াবেটিস থাকলে বা বমি/ডায়রিয়ায় পানিশূন্য হলে চিকিৎসককে জানান।
  • চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট বা পটাশিয়ামযুক্ত লবণ-বিকল্প খাবেন না।
  • অপারেশন বা অজ্ঞান করার আগে চিকিৎসক/ডেন্টিস্টকে জানান যে আপনি এসিই ইনহিবিটর খান।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • ব্যথানাশক NSAID (আইবুপ্রোফেন, ডাইক্লোফেনাক, ন্যাপ্রোক্সেন): রক্তচাপ কমানোর কার্যকারিতা কমায় ও কিডনির ক্ষতি করতে পারে
  • পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট, পটাশিয়াম-ধরে-রাখা ডাইউরেটিক (স্পাইরোনোল্যাকটোন): রক্তে পটাশিয়াম বিপজ্জনকভাবে বাড়তে পারে
  • অন্যান্য রক্তচাপের ওষুধ, বিশেষত ARB (লোসার্টান, ওলমেসার্টান): চাপ বেশি কমে যেতে পারে; ACE inhibitor ও ARB একসাথে সাধারণত দেওয়া হয় না
  • লিথিয়াম: রক্তে লিথিয়ামের মাত্রা বাড়তে পারে
  • ডায়াবেটিসের ওষুধ ও ইনসুলিন: রক্তের সুগার একটু বেশি কমতে পারে
  • স্যাকুবিট্রিল/ভালসার্টান: একসাথে খাওয়া নিষেধ — অ্যানজিওইডিমার ঝুঁকি

আপনার সব ওষুধ, সাপ্লিমেন্ট ও ভেষজ পণ্যের কথা চিকিৎসককে জানান।

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

  • র‍্যামিপ্রিল বা অন্য কোনো এসিই ইনহিবিটরে অ্যালার্জি
  • আগে কখনো অ্যানজিওইডিমা (মুখ, জিহ্বা বা গলা ফুলে যাওয়া) হয়ে থাকলে
  • গর্ভাবস্থা — গর্ভের শিশুর মারাত্মক ক্ষতি বা মৃত্যু হতে পারে
  • দুই কিডনির ধমনিই সরু হয়ে যাওয়া (বাইল্যাটারাল রেনাল আর্টারি স্টেনোসিস)
  • স্যাকুবিট্রিল/ভালসার্টান বা (ডায়াবেটিস রোগীতে) অ্যালিস্কিরেনের সাথে ব্যবহার

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় র‍্যামিপ্রিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এটি গর্ভের শিশুর কিডনির মারাত্মক ক্ষতি, অ্যামনিওটিক পানি কমে যাওয়া এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে — বিশেষত দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে। গর্ভধারণ করলে বা পরিকল্পনা থাকলে সাথে সাথে চিকিৎসককে জানান — তিনি নিরাপদ বিকল্প ওষুধ দেবেন।

স্তন্যদান: বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় র‍্যামিপ্রিল না খাওয়াই ভালো, বিশেষত নবজাতক বা অপরিণত শিশুর ক্ষেত্রে, কারণ এ বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য নেই। চিকিৎসক নিরাপদ বিকল্প দিতে পারবেন।

সংরক্ষণ

৩০° সেলসিয়াসের নিচে ঠান্ডা ও শুকনো জায়গায়, সরাসরি রোদ ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। মূল প্যাকেটে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ব্যবহার করবেন না।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

ভালো লাগলে কি Hypace বন্ধ করে দিতে পারি?

না। উচ্চ রক্তচাপের সাধারণত কোনো লক্ষণ থাকে না — Hypace নিয়ন্ত্রণে রাখছে বলেই চাপ স্বাভাবিক লাগছে। নিজে থেকে বন্ধ করলে চাপ আবার নীরবে বেড়ে যাবে এবং স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক ও কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়বে। প্রতিদিন ওষুধ চালিয়ে যান এবং কেবল চিকিৎসকের পরামর্শেই পরিবর্তন বা বন্ধ করুন।

Hypace খেলে শুকনো কাশি হয় কেন? কী করব?

শুকনো খুসখুসে কাশি Hypace-এর মতো এসিই ইনহিবিটরের একটি পরিচিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। ওষুধটি শ্বাসনালিতে ব্র্যাডিকাইনিন নামক পদার্থ বাড়িয়ে দেয় বলে এমন হয়। কাশিটি ক্ষতিকর নয়, তবে বিরক্তিকর হতে পারে এবং ওষুধ বন্ধ করলে চলে যায়। নিজে থেকে বন্ধ করবেন না — চিকিৎসককে জানান; তিনি প্রয়োজনে কাশি হয় না এমন ARB জাতীয় ওষুধে (যেমন লোসার্টান বা ওলমেসার্টান) বদলে দিতে পারেন।

গর্ভাবস্থায় কি Hypace খাওয়া যাবে?

না। গর্ভাবস্থায় Hypace খাওয়া সম্পূর্ণ নিষেধ। এসিই ইনহিবিটর গর্ভের শিশুর কিডনি বিকল, অ্যামনিওটিক পানি কমে যাওয়া এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে — বিশেষত দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে। আপনি গর্ভবতী হলে, পরিকল্পনা করলে বা ওষুধ খাওয়া অবস্থায় গর্ভধারণ জানতে পারলে সাথে সাথে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন, যাতে নিরাপদ বিকল্প দেওয়া যায়।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

সর্বশেষ হালনাগাদ:

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের সেরা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ খুঁজুন →