ChamberBD Logo ChamberBD
See in English
G-Flucloxacillin 500 mg/VIAL Injection — Flucloxacillin

Injection

G-Flucloxacillin 500 mg/VIAL Injection

জেনেরিক: ফ্লুক্লক্সাসিলিন

প্রস্তুতকারক: Gonoshasthaya Pharmaceuticals Ltd.

থেরাপিউটিক ক্লাস: Penicillinase-resistant penicillin antibiotic

দাম (বাংলাদেশ)

প্যাক মূল্য (টাকা)
প্রতি Injection ৳ 1.00
Injection ৳ 1.00

দাম পরিবর্তনশীল — ফার্মেসিভেদে প্রকৃত খুচরা মূল্য ভিন্ন হতে পারে।

G-Flucloxacillin কী?

জি-ফ্লুক্লক্সাসিলিন হলো প্রতি ভায়ালে ৫০০ মি.গ্রা. ফ্লুক্লক্সাসিলিনযুক্ত ইনজেকশন অ্যান্টিবায়োটিক। ফ্লুক্লক্সাসিলিন উপযোগী এমন ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণে, বিশেষ করে পেনিসিলিনেজ উৎপাদনকারী স্ট্যাফাইলোকক্কাসজনিত কিছু ত্বক, নরম টিস্যু, হাড় ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে এটি ব্যবহার করা হয়।

Gonoshasthaya Pharmaceuticals Ltd.-এর তৈরি G-Flucloxacillin 500 mg/VIAL injection-এ রয়েছে Flucloxacillin, যা পেনিসিলিন-জাতীয় একটি অ্যান্টিবায়োটিক এবং বিশেষভাবে স্ট্যাফাইলোকক্কাস ("স্ট্যাফ") ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর। প্রধানত সেলুলাইটিস, সংক্রমিত ক্ষত, ফোড়া ও পুঁজভর্তি ঘায়ের মতো ত্বক ও নরম-কলার সংক্রমণে এবং কিছু হাড়, কান ও বুকের সংক্রমণে এটি ব্যবহৃত হয়। G-Flucloxacillin একটি প্রেসক্রিপশন-নির্ভর ওষুধ এবং অবশ্যই নিবন্ধিত চিকিৎসকের নির্দেশ মতো খেতে হবে।

Flucloxacillin ব্যাকটেরিয়ার সুরক্ষাকারী কোষপ্রাচীর ভেঙে কাজ করে। সাধারণ পেনিসিলিনের বিপরীতে এটি স্ট্যাফ ব্যাকটেরিয়ার আত্মরক্ষায় ব্যবহৃত একটি এনজাইম (পেনিসিলিনেজ) প্রতিরোধ করতে পারে, ফলে অন্যথায় প্রতিরোধী এই ব্যাকটেরিয়াকেও মারতে পারে। এটি শুধু ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে, ভাইরাসজনিত রোগে কোনো প্রভাব নেই।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

  • ত্বক ও নরম-কলার সংক্রমণ (সেলুলাইটিস, ফোড়া, পুঁজভর্তি ঘা)
  • সংক্রমিত ক্ষত, পোড়া ও পোকার কামড়
  • ইম্পেটিগো ও অন্যান্য স্ট্যাফ ত্বক সংক্রমণ
  • হাড় ও গাঁটের সংক্রমণ (প্রায়ই অন্য চিকিৎসার সঙ্গে)
  • কিছু কান, বুক ও অস্ত্রোপচারের ক্ষতের সংক্রমণ

সেবনবিধি ও মাত্রা

G-Flucloxacillin-এর মাত্রা সংক্রমণের উপর নির্ভর করে। বড়দের সাধারণ মাত্রা ২৫০–৫০০ মি.গ্রা. দিনে চারবার, প্রায় ৭ দিন; হাড় বা গভীর সংক্রমণে চিকিৎসক প্রয়োজনে আরও দীর্ঘ সময় দিতে পারেন। খাবার শোষণ কমায় বলে G-Flucloxacillin খালি পেটে খান — খাবারের অন্তত ১ ঘণ্টা আগে বা ২ ঘণ্টা পরে — এক গ্লাস পানি দিয়ে।

শিশুদের মাত্রা ওজন অনুযায়ী চিকিৎসক ঠিক করবেন। দিনের চারটি ডোজ সমান ব্যবধানে নিন, পুরো কোর্স শেষ করুন এবং ত্বক বা ক্ষত ভালো দেখাতে শুরু করলেও বন্ধ করবেন না।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

Flucloxacillin সাধারণত ভালোভাবে সহ্য হয়। সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

  • বমি ভাব, বমি বা ডায়রিয়া
  • বদহজম বা পেটে অস্বস্তি
  • হালকা চামড়ার র‌্যাশ
  • দীর্ঘ কোর্সে ছত্রাক সংক্রমণ

বিরল ক্ষেত্রে ফ্লুক্লক্সাসিলিন যকৃতের সমস্যা ঘটাতে পারে (কখনো ওষুধ বন্ধের কয়েক দিন বা সপ্তাহ পরেও দেখা দেয়) — চামড়া বা চোখ হলুদ হওয়া, গাঢ় প্রস্রাব ও চুলকানি। গুরুতর অ্যালার্জি, জন্ডিস বা তীব্র, একটানা ডায়রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

সতর্কতা

G-Flucloxacillin একটি প্রেসক্রিপশন-নির্ভর অ্যান্টিবায়োটিক — কখনো নিজে থেকে খাবেন না। শুধু নিবন্ধিত চিকিৎসক লিখে দিলে খান, কারও সঙ্গে ভাগ করবেন না বা ত্বকের সমস্যায় নিজে কিনে খাবেন না। ক্ষত বা র‌্যাশ সেরে গেছে মনে হলেও সবসময় পুরো কোর্স শেষ করুন; সংক্রমণ যতটা দেখা যায় তার চেয়ে গভীরে থাকতে পারে, আর আগেভাগে বন্ধ করলে প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া বেঁচে গিয়ে ফিরে আসে।

পেনিসিলিনে অ্যালার্জি বা এই ওষুধে অতীতে যকৃতের সমস্যা থাকলে চিকিৎসককে জানান। অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বাংলাদেশে মারাত্মক জাতীয় সংকট, আর Flucloxacillin-এর মতো অ্যান্টিবায়োটিক সঠিক পরামর্শ ছাড়া বা ভুল কারণে ব্যবহার করলে তা আরও বাড়ে।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

আপনি যে সব ওষুধ খান তা চিকিৎসককে জানান। Flucloxacillin-এর উল্লেখযোগ্য বিক্রিয়া:

  • মেথোট্রেক্সেট — এর বিষক্রিয়া বাড়তে পারে
  • প্রোবেনিসিড — রক্তে ফ্লুক্লক্সাসিলিনের মাত্রা বাড়ায়
  • ওয়ারফারিন — রক্তক্ষরণের প্রবণতা বদলে যেতে পারে
  • প্যারাসিটামল — দীর্ঘদিন উচ্চ মাত্রায় একসঙ্গে নিলে বিরল একটি রক্ত-অ্যাসিড সমস্যার কথা জানা গেছে
  • মুখে খাওয়ার টাইফয়েড টিকা কম কার্যকর হতে পারে

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

এই অবস্থাগুলোতে G-Flucloxacillin খাবেন না:

  • ফ্লুক্লক্সাসিলিন, পেনিসিলিন বা সম্পর্কিত অ্যান্টিবায়োটিকে অ্যালার্জি থাকলে
  • আগে ফ্লুক্লক্সাসিলিনে জন্ডিস বা যকৃতের সমস্যা হয়ে থাকলে

যকৃত বা কিডনির রোগ থাকলে বা বয়স্ক হলে সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করুন ও চিকিৎসককে জানান, কারণ তখন বিরল যকৃত-সমস্যার ঝুঁকি বেশি। G-Flucloxacillin উপযুক্ত কিনা চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেবেন।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

প্রয়োজনে গর্ভাবস্থায় Flucloxacillin সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়, কারণ পেনিসিলিনের দীর্ঘ ব্যবহারের ইতিহাস আছে, তবে কেবল চিকিৎসকের পরামর্শেই খান। গর্ভবতী হলে বা পরিকল্পনা থাকলে চিকিৎসককে জানান।

খুব সামান্য পরিমাণ বুকের দুধে যায় এবং তা সাধারণত স্তন্যদানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ধরা হয়, যদিও শিশুর মাঝে মাঝে পাতলা পায়খানা বা ছত্রাক সংক্রমণ হতে পারে। G-Flucloxacillin শুরুর আগে স্তন্যদানের কথা সবসময় জানান।

সংরক্ষণ

G-Flucloxacillin মূল প্যাকেটে, ৩০°C-এর নিচে ঠান্ডা ও শুকনো জায়গায়, সরাসরি রোদ ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের জন্য তৈরি সাসপেনশন লেবেলের নির্দেশ অনুযায়ী (প্রায়ই ফ্রিজে) রেখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবহার করুন। সব ধরন শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন এবং মেয়াদ শেষে ব্যবহার করবেন না।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

G-Flucloxacillin কেন খালি পেটে খেতে হবে?

পাকস্থলীতে খাবার থাকলে ফ্লুক্লক্সাসিলিন অনেক কম শোষিত হয়, তাই G-Flucloxacillin খালি পেটে — খাবারের অন্তত ১ ঘণ্টা আগে বা ২ ঘণ্টা পরে — খেলে সবচেয়ে ভালো কাজ করে। এক গ্লাস পানি দিয়ে গিলে খান। খাবারের সঙ্গে খেলে রক্তে এত কম ওষুধ থাকতে পারে যে সংক্রমণ ঠিকমতো সারে না। যেমন নাশতা, দুপুর, রাতের খাবার ও ঘুমের আগে — এভাবে নিয়মিত সময় ঠিক করে চারটি ডোজ সমান ব্যবধানে ও খালি পেটে নিন।

আমার ত্বকের সংক্রমণ সেরে গেছে মনে হচ্ছে — এখন কি G-Flucloxacillin বন্ধ করতে পারি?

না। ক্ষত বা র‌্যাশ উপরে ভালো দেখালেও গভীর কলায় ব্যাকটেরিয়া তখনো থাকতে পারে। G-Flucloxacillin আগেভাগে বন্ধ করলে এই বেঁচে থাকা ব্যাকটেরিয়া বেড়ে গিয়ে সংক্রমণ আবার বাড়তে বা ছড়াতে পারে এবং রেজিস্ট্যান্ট হয়ে উঠতে পারে — ফলে পরের সংক্রমণ সারানো অনেক কঠিন হয়। চিকিৎসকের নির্ধারিত পুরো দিন প্রতিটি ডোজ অবশ্যই শেষ করুন। অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বাংলাদেশে মারাত্মক জাতীয় সংকট, আর নির্দেশমতো কোর্স শেষ করা আপনাকে ও অন্যদের রক্ষা করে।

আমার পেনিসিলিনে অ্যালার্জি — G-Flucloxacillin কি আমার জন্য নিরাপদ?

না। ফ্লুক্লক্সাসিলিন নিজেই এক ধরনের পেনিসিলিন, তাই পেনিসিলিনে অ্যালার্জি থাকলে আপনার G-Flucloxacillin খাওয়া উচিত নয়। কোনো ওষুধ লেখার আগে পেনিসিলিন বা অন্য অ্যান্টিবায়োটিকে কখনো প্রতিক্রিয়া — যেমন র‌্যাশ, ফোলা বা শ্বাসকষ্ট — হয়ে থাকলে চিকিৎসককে জানান। তখন চিকিৎসক আপনার সংক্রমণের জন্য ভিন্ন ও উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিক বেছে নিতে পারবেন। তীব্র পেনিসিলিন অ্যালার্জি প্রাণঘাতী হতে পারে, তাই এটি সবসময় আপনার মেডিকেল রেকর্ডে স্পষ্টভাবে লিখে রাখুন।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

সর্বশেষ হালনাগাদ:

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের সেরা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ খুঁজুন →