ChamberBD Logo ChamberBD
See in English

Tablet

G-Antacid MH Plus 400 mg + 400 mg + 30 mg Tablet

জেনেরিক: অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড + ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রক্সাইড + সিমেথিকন

প্রস্তুতকারক: Gonoshasthaya Pharmaceuticals Ltd.

থেরাপিউটিক ক্লাস: Antacid and antiflatulent

G-Antacid MH Plus কী?

Gonoshasthaya Pharmaceuticals Ltd. এর G-Antacid MH Plus 400 mg + 400 mg + 30 mg tablet একটি ওষুধ যাতে Aluminium Hydroxide + Magnesium Hydroxide + Simethicone আছে। বাংলাদেশে এটি সাধারণত অল্প সময়ের জন্য অ্যাসিডিটি-সম্পর্কিত উপসর্গ যেমন বুকজ্বালা (heartburn), অ্যাসিডের কারণে বদহজম (acid indigestion), টক ঢেঁকুর/পেট টক লাগা (sour stomach), এবং গ্যাস বা পেট ফাঁপার উপশমে ব্যবহৃত হয়।

Aluminium Hydroxide + Magnesium Hydroxide + Simethicone পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড নিরপেক্ষ করে কাজ করে, আর সিমেথিকন (simethicone) পাকস্থলী ও অন্ত্রের গ্যাসের বুদবুদ ভাঙতে সাহায্য করে। একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা হলো: কিডনি রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এটি ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম শরীরে জমে ক্ষতি করতে পারে।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

  • বুকজ্বালা (heartburn) ও অ্যাসিডের কারণে বদহজমের উপসর্গগত উপশম।
  • অতিরিক্ত অ্যাসিডের কারণে পেট টক লাগা বা পেট খারাপের উপশম।
  • অন্ত্রের গ্যাসের কারণে পেট ফাঁপা, চাপ অনুভব বা অস্বস্তির উপশম।

সেবনবিধি ও মাত্রা

প্রাপ্তবয়স্করা সাধারণত খাবারের পরে এবং ঘুমানোর আগে অ্যান্টাসিড ট্যাবলেট ভালোভাবে চিবিয়ে খান, অথবা পণ্যের লেবেল বা চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী গ্রহণ করেন। সঠিক মাত্রা ও কতবার খাবেন তা পণ্যের শক্তি, উপসর্গ, বয়স, কিডনির কার্যকারিতা এবং অন্য কী ওষুধ খাচ্ছেন তার ওপর নির্ভর করে। নির্ধারিত মাত্রার বেশি খাবেন না, এবং উপসর্গ চলতে থাকলে, বারবার ফিরে এলে বা খারাপ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

  • কোষ্ঠকাঠিন্য—অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইডের কারণে বেশি হতে পারে।
  • ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা—ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের কারণে বেশি হতে পারে।
  • বমিভাব, পেট মোচড়ানো/ক্র্যাম্প, চকজাতীয় স্বাদ, বা ঢেঁকুর।
  • দীর্ঘদিন বা অতিরিক্ত ব্যবহারে: রক্তে ফসফেট কমে যাওয়া, দুর্বলতা, হাড়ের সমস্যা, বা ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা।
  • গুরুতর কিন্তু কম দেখা যায়: রক্তে ম্যাগনেসিয়াম বা অ্যালুমিনিয়ামের মাত্রা বেড়ে যাওয়া, বিশেষ করে যাদের কিডনির সমস্যা আছে; উপসর্গের মধ্যে বিভ্রান্তি, অস্বাভাবিক ক্লান্তি, রক্তচাপ কমে যাওয়া, হৃদস্পন্দন ধীর হওয়া, বা শ্বাসকষ্ট থাকতে পারে।
  • র‍্যাশ, চুলকানি, ফোলা, বা শ্বাসকষ্টের মতো অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া হলে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন।

সতর্কতা

কিডনি রোগ, বয়স্ক রোগী, কম-ফসফেট খাদ্যতালিকায় থাকা ব্যক্তি, তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্য, অন্ত্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপসর্গ, দীর্ঘস্থায়ী পেটব্যথা, বমি, কালো পায়খানা, কারণহীন ওজন কমে যাওয়া, বা ১–২ সপ্তাহের বেশি উপসর্গ থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন বা ঘন ঘন ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। বিশেষ করে আপনি অন্য ওষুধ খেলে বা দীর্ঘমেয়াদি কোনো স্বাস্থ্যসমস্যা থাকলে নিবন্ধিত চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করুন।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • টেট্রাসাইক্লিন (tetracycline) ও কুইনোলোন (quinolone) অ্যান্টিবায়োটিকের শোষণ কমাতে পারে; চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী সময়ের ব্যবধান রেখে সেবন করুন।
  • লেভোথাইরক্সিন (levothyroxine), আয়রন, ডিগক্সিন (digoxin), বিসফসফোনেটস (bisphosphonates), কিছু অ্যান্টিফাঙ্গাল, এবং নির্দিষ্ট HIV বা অ্যান্টিভাইরাল ওষুধের শোষণ কমাতে পারে।
  • পাকস্থলীর অ্যাসিডিটি বা অন্ত্রে ওষুধের সঙ্গে আটকে যাওয়ার কারণে প্রভাবিত হয় এমন ওষুধের সঙ্গে পারস্পরিক ক্রিয়া হতে পারে; অন্য ওষুধ প্রায়ই অন্তত ২–৪ ঘণ্টা ব্যবধানে নেওয়া হয়, তবে পেশাদার পরামর্শ অনুসরণ করুন।
  • অনেক বেশি দুধ বা ক্যালসিয়াম-যুক্ত পণ্য কিছু অ্যান্টাসিড ব্যবহারের ক্ষেত্রে রক্তে ক্যালসিয়াম বেড়ে যাওয়া বা অ্যালকালোসিসের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ম্যাগনেসিয়াম বা অ্যালুমিনিয়াম-যুক্ত একাধিক অ্যান্টাসিড বা ল্যাক্সেটিভ একসাথে নেবেন না।

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

  • অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড, ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড, সিমেথিকন, বা পণ্যের কোনো উপাদানের প্রতি জানা অতিসংবেদনশীলতা/অ্যালার্জি।
  • গুরুতর কিডনি অকার্যকারিতা, যদি না চিকিৎসক বিশেষভাবে প্রেসক্রাইব ও পর্যবেক্ষণ করেন।
  • অন্ত্র বন্ধ হয়ে যাওয়া, অন্ত্রে ছিদ্র, বা গুরুতর অজানা কারণের পেটের উপসর্গ সন্দেহ বা নিশ্চিত হলে।
  • রক্তে ফসফেটের মাত্রা খুব কম থাকলে, যদি না চিকিৎসক অন্যভাবে পরামর্শ দেন।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড, ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও সিমেথিকন-যুক্ত অ্যান্টাসিড সাধারণত সুপারিশকৃত মাত্রায় মাঝে মাঝে ব্যবহারে শরীরে খুব কম শোষিত হয় বলে ধরা হয়। গর্ভাবস্থা বা বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় সবচেয়ে কম কার্যকর পরিমাণ অল্প সময়ের জন্য ব্যবহার করুন এবং চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন, বিশেষ করে উপসর্গ ঘন ঘন হলে বা কিডনি রোগ বা অন্য কোনো অসুস্থতা থাকলে।

সংরক্ষণ

কক্ষ তাপমাত্রায় শুকনো স্থানে সংরক্ষণ করুন, অতিরিক্ত তাপ, আর্দ্রতা এবং সরাসরি সূর্যালোক থেকে দূরে রাখুন। ট্যাবলেট মূল পাত্রে, ভালোভাবে বন্ধ করে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর ব্যবহার করবেন না।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

G-Antacid MH Plus ট্যাবলেট কীভাবে খাব?

ট্যাবলেটটি ভালোভাবে চিবিয়ে খান—সাধারণত খাবারের পরে ও ঘুমানোর আগে, অথবা পণ্যের লেবেল বা চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী। নির্ধারিত মাত্রার বেশি খাবেন না।

G-Antacid MH Plus কি অন্য ওষুধের সঙ্গে খেতে পারি?

কিছু ওষুধ এই অ্যান্টাসিডের কাছাকাছি সময়ে খেলে ঠিকমতো শোষিত নাও হতে পারে—যেমন কিছু অ্যান্টিবায়োটিক, লেভোথাইরক্সিন, আয়রন, ডিগক্সিন ইত্যাদি। ওষুধগুলোর মধ্যে কত ঘণ্টা ব্যবধান রাখবেন তা চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের কাছে জেনে নিন।

কিডনি রোগ থাকলে G-Antacid MH Plus কি নিরাপদ?

কিডনি রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এটি ব্যবহার করা উচিত নয়। কিডনির কার্যকারিতা কম থাকলে অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম শরীরে জমে যেতে পারে।

G-Antacid MH Plus ব্যবহারের সময় কখন চিকিৎসকের কাছে যাব?

উপসর্গ চলতে থাকলে, বারবার ফিরে এলে, খারাপ হলে, ১–২ সপ্তাহের বেশি থাকলে, অথবা বমি, কালো পায়খানা, কারণহীন ওজন কমা, তীব্র পেটব্যথা বা শ্বাসকষ্ট হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

সর্বশেষ হালনাগাদ:

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিশেষজ্ঞ খুঁজুন →