ChamberBD Logo ChamberBD
See in English
Furia 120 120 mg Tablet — Fexofenadine Hydrochloride

Tablet

Furia 120 120 mg Tablet

জেনেরিক: ফেক্সোফেনাডিন হাইড্রোক্লোরাইড

প্রস্তুতকারক: Novatek Pharmaceuticals Ltd.

থেরাপিউটিক ক্লাস: Second-generation (non-sedating) antihistamine

দাম (বাংলাদেশ)

প্যাক মূল্য (টাকা)
প্রতি Tablet ৳ 7.00
Tablet ৳ 7.00

দাম পরিবর্তনশীল — ফার্মেসিভেদে প্রকৃত খুচরা মূল্য ভিন্ন হতে পারে।

Furia 120 কী?

Furia 120 হলো ফেক্সোফেনাডিন হাইড্রোক্লোরাইডযুক্ত একটি ট্যাবলেট, যা দ্বিতীয় প্রজন্মের নন-সেডেটিং অ্যান্টিহিস্টামিন। এটি হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ চুলকানো বা পানি পড়া এবং আর্টিকারিয়ার চাকা ওঠার মতো অ্যালার্জির উপসর্গ কমাতে ব্যবহৃত হয়।

Furia 120 120 mg tablet বাংলাদেশে Novatek Pharmaceuticals Ltd. কর্তৃক প্রস্তুত ও বাজারজাত করা হয়। এতে রয়েছে Fexofenadine Hydrochloride, একটি আধুনিক ঘুম-না-পাড়ানো অ্যান্টিহিস্টামিন, যা অ্যালার্জিক রাইনাইটিস (হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক চুলকানো), চোখের অ্যালার্জি ও আর্টিকেরিয়ায় (চাকা-চাকা চুলকানি) বহুল ব্যবহৃত। এটি মস্তিষ্কে প্রায় প্রবেশ করে না বলে পুরোনো অ্যান্টিহিস্টামিনের মতো ভারী ঝিমুনি ছাড়াই অ্যালার্জি কমায় — তাই শিক্ষার্থী, চালক ও কর্মজীবীদের জন্য উপযোগী।

ফেক্সোফেনাডিন হিস্টামিন H1 রিসেপ্টর বন্ধ করে কাজ করে। ধুলা, ফুলের রেণু বা নির্দিষ্ট খাবারের মতো অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে এলে শরীরের মাস্ট কোষ হিস্টামিন ছাড়ে, যা হাঁচি, চুলকানি, পানি পড়া ও চামড়ায় চাকা তোলে। H1 রিসেপ্টর দখল করে ফেক্সোফেনাডিন হিস্টামিনের কাজ আটকে দেয় — প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে উপসর্গ কমে এবং প্রতিটি ডোজ পুরো ২৪ ঘণ্টা কাজ করে।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

Furia 120 যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:

  • অ্যালার্জিক রাইনাইটিস — মৌসুমি ও সারা বছরের: হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ ও চুলকানো, তালু চুলকানো
  • চোখের অ্যালার্জি — রাইনাইটিসের সঙ্গে চোখ লাল, চুলকানো, পানি পড়া
  • ক্রনিক আর্টিকেরিয়া — কারণ ছাড়াই বারবার চাকা-চাকা ফোলা ও চুলকানি
  • চিকিৎসকের পরামর্শে অন্যান্য অ্যালার্জিজনিত চর্মরোগের চুলকানি
  • বাংলাদেশের মৌসুমে ধুলা, রেণু ও মাইটজনিত অ্যালার্জি

এটি উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করে, অ্যালার্জি নির্মূল করে না; কোন জিনিসে অ্যালার্জি হয় তা চিহ্নিত করে এড়িয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ।

সেবনবিধি ও মাত্রা

প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য Furia 120-এর সাধারণ মাত্রা:

  • অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: দিনে একবার ১২০ মি.গ্রা.
  • আর্টিকেরিয়া (চাকা-চুলকানি): দিনে একবার ১৮০ মি.গ্রা.
  • ৬–১১ বছরের শিশু: দিনে দুবার ৩০ মি.গ্রা., সাধারণত সাসপেনশন আকারে, চিকিৎসকের পরামর্শে

খাবারের আগে সাধারণ পানি দিয়ে খান। গুরুত্বপূর্ণ: ফলের রসের সঙ্গে খাবেন না — আপেল, কমলা বা গ্রেপফ্রুটের রস এর শোষণ অনেক কমিয়ে দেয়; রস ও ট্যাবলেটের মধ্যে প্রায় ৪ ঘণ্টা ব্যবধান রাখুন। অ্যালুমিনিয়াম/ম্যাগনেসিয়াম অ্যান্টাসিড থেকেও অন্তত ২ ঘণ্টা দূরত্ব রাখুন। মাত্রা ও মেয়াদ চিকিৎসকই ঠিক করবেন, বিশেষত শিশু ও দীর্ঘমেয়াদি অ্যালার্জিতে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

Furia 120 সাধারণত খুব ভালোভাবে সহনীয়। সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

  • মাথাব্যথা — সবচেয়ে বেশি রিপোর্ট হয়
  • অল্প কিছু মানুষের হালকা ঝিমুনি (পুরোনো অ্যান্টিহিস্টামিনের চেয়ে অনেক কম)
  • মাথা ঘোরা বা বমিভাব
  • মুখ শুকিয়ে যাওয়া
  • ক্লান্তি

বিরল ক্ষেত্রে বুক ধড়ফড়, ঘুমের ব্যাঘাত এবং র‍্যাশ, মুখ ফুলে যাওয়া বা শ্বাসকষ্টের মতো অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে — এমন হলে ওষুধ বন্ধ করে দ্রুত চিকিৎসা নিন। পুরোনো অ্যান্টিহিস্টামিনের মতো এটি সাধারণ মাত্রায় মনোযোগ, পড়াশোনা বা গাড়ি চালানোয় ব্যাঘাত ঘটায় না।

সতর্কতা

Furia 120 ব্যবহারে সতর্কতা:

  • ফলের রসের নিয়ম মানুন: শুধু পানি দিয়ে খান; আপেল, কমলা বা গ্রেপফ্রুটের রস থেকে প্রায় ৪ ঘণ্টা দূরত্ব রাখুন
  • অ্যালুমিনিয়াম বা ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত অ্যান্টাসিড থেকে অন্তত ২ ঘণ্টা ব্যবধান রাখুন
  • কিডনি রোগ থাকলে চিকিৎসককে জানান — কম মাত্রা লাগতে পারে
  • অধিকাংশের ঝিমুনি হয় না, তবু দূরের পথে গাড়ি চালানোর আগে ওষুধটি আপনার ওপর কেমন প্রভাব ফেলে দেখে নিন
  • চাকা-চুলকানির সঙ্গে ঠোঁট-জিহ্বা ফুলে গেলে বা শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থা — শুধু অ্যান্টিহিস্টামিন ট্যাবলেট যথেষ্ট নয়
  • কয়েক দিনে উপসর্গ না কমলে বা বারবার ফিরে এলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

Furia 120-এর ওষুধ-ইন্টার‌্যাকশন তুলনামূলক কম, তবে খেয়াল রাখুন:

  • ফলের রস (আপেল, কমলা, গ্রেপফ্রুট) — শোষণ অর্ধেকের বেশি কমিয়ে দেয়; ট্যাবলেট পানি দিয়ে খান, রস থেকে ৪ ঘণ্টা দূরে
  • অ্যালুমিনিয়াম বা ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত অ্যান্টাসিড — শোষণ কমায়; ২ ঘণ্টা ব্যবধান রাখুন
  • কিটোকোনাজল ও এরিথ্রোমাইসিন — রক্তে ফেক্সোফেনাডিনের মাত্রা বাড়াতে পারে, যদিও সাধারণত গুরুতর ক্ষতি হয় না
  • রিফাম্পিসিন — মাত্রা ও কার্যকারিতা কমাতে পারে
  • অন্যান্য ঘুমপাড়ানি ওষুধ বা অ্যালকোহল — ফেক্সোফেনাডিনে ঝিমুনি সামান্যই, তবু প্রথম কয়েক দিন সতর্ক থাকুন

ফার্মেসি থেকে কেনা অ্যান্টাসিডসহ আপনার সব ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানান।

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে Furia 120 খাবেন না:

  • ফেক্সোফেনাডিন বা ওষুধের কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে

নিচের ক্ষেত্রে কেবল চিকিৎসকের পরামর্শে খান:

  • উল্লেখযোগ্য কিডনির দুর্বলতা (মাত্রা কমানো লাগতে পারে)
  • গুরুতর লিভার রোগ
  • হার্টের ছন্দের সমস্যা — আগে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করুন

সাধারণ ট্যাবলেট ৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য নয়; ছোট শিশুদের জন্য শিশু-উপযোগী প্রস্তুতি ও মাত্রা চিকিৎসক ঠিক করবেন।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় ফেক্সোফেনাডিন নিয়ে মানব-গবেষণার তথ্য সীমিত, তাই চিকিৎসক উপকার ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে করলেই কেবল ব্যবহার করা হয়। প্রায়ই বেশি গবেষিত অ্যান্টিহিস্টামিনকে আগে বেছে নেওয়া হয়; গর্ভাবস্থায় নিজে নিজে ওষুধ খাবেন না।

স্তন্যদান: বুকের দুধে অল্প পরিমাণ যায়। শিশুর ঝিমুনি বা খিটখিটে ভাবের দিকে নজর রেখে মাঝে মাঝে খাওয়া সাধারণত গ্রহণযোগ্য, তবে স্তন্যদানকালে শুধু চিকিৎসকের পরামর্শেই খান।

সংরক্ষণ

Furia 120 ৩০° সেলসিয়াসের নিচে ঠান্ডা ও শুকনো জায়গায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। ব্যবহারের আগ পর্যন্ত ট্যাবলেট ব্লিস্টার প্যাকে রাখুন; সাসপেনশনের বোতলের মুখ ভালোভাবে বন্ধ রাখুন এবং খোলার পর লেবেলের নির্দেশনা মানুন। সব ওষুধ শিশুদের নাগাল ও দৃষ্টির বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ব্যবহার করবেন না।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

অন্যান্য অ্যালার্জির ওষুধের মতো Furia 120 খেলেও কি ঘুম পায়?

বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে, না। ফেক্সোফেনাডিন সবচেয়ে কম ঝিমুনি-সৃষ্টিকারী অ্যান্টিহিস্টামিনগুলোর একটি, কারণ এটি মস্তিষ্কে প্রায় প্রবেশই করে না — ক্লোরফেনিরামিনের মতো পুরোনো ওষুধে যেখানে বেশ ঘুম পায়। অল্প কিছু মানুষের হালকা ঝিমুনি হতে পারে, তাই দূরের পথে গাড়ি চালানো বা গুরুত্বপূর্ণ কাজের আগে প্রথম এক-দুই দিন নিজের প্রতিক্রিয়া দেখে নিন। কাজ বা পড়াশোনায় সজাগ থাকতে হলে ফেক্সোফেনাডিন সাধারণত ভালো পছন্দ।

Furia 120 কেন ফলের রসের সঙ্গে খাওয়া যাবে না?

ফলের রস — বিশেষত আপেল, কমলা ও গ্রেপফ্রুট — অন্ত্রের সেই পরিবহনকারী প্রোটিনগুলো আটকে দেয়, যেগুলো ফেক্সোফেনাডিনকে রক্তে পৌঁছায়। রসের সঙ্গে খেলে শোষণ অর্ধেকের বেশি কমে যেতে পারে — ওষুধ খাওয়ার পরও অ্যালার্জি ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে আসে না। Furia 120 সবসময় সাধারণ পানি দিয়ে গিলুন এবং ট্যাবলেট ও যেকোনো ফলের রসের মধ্যে মোটামুটি ৪ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন।

অ্যালার্জির জন্য কত দিন পর্যন্ত Furia 120 খেতে পারব?

ফেক্সোফেনাডিন স্বল্পমেয়াদি কোর্স এবং মৌসুমজুড়ে বা সারা বছরের দীর্ঘ ব্যবহার — দুটির জন্যই উপযোগী; প্রতিদিন খেলেও কার্যকারিতা কমে না বা নির্ভরশীলতা হয় না। দীর্ঘস্থায়ী অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বা আর্টিকেরিয়ায় চিকিৎসকেরা প্রায়ই সপ্তাহ থেকে মাসব্যাপী চালিয়ে মাঝে মাঝে পর্যালোচনা করেন। মাসের পর মাস প্রায় প্রতিদিনই লাগছে মনে হলে চিকিৎসক দেখান — অ্যালার্জি পরীক্ষা, নাকের স্প্রে বা অ্যালার্জেন নিয়ন্ত্রণে মূল সমস্যা ট্যাবলেটের চেয়ে ভালোভাবে সামলানো যেতে পারে।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

সর্বশেষ হালনাগাদ:

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের সেরা চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ খুঁজুন →