See in English
Frusin 20 mg/2 ml Injection — Frusemide (Furosemide)

ইনজেকশন

Frusin 20 mg/2 ml ইনজেকশন

জেনেরিক: ফ্রুসেমাইড (ফিউরোসেমাইড)

প্রস্তুতকারক: Opsonin Pharma Limited

থেরাপিউটিক ক্লাস: Loop Diuretic

Frusin এর কাজ কি?

Frusin (ইনজেকশন)-এর উপাদান ফ্রুসেমাইড (ফিউরোসেমাইড) 20 mg/2 ml, প্রস্তুতকারক Opsonin Pharma Limited। থেরাপিউটিক ক্লাস: Loop Diuretic।

দাম (বাংলাদেশ)

প্যাক মূল্য (টাকা)
প্রতি ইনজেকশন ৳ 9.00
Injection ৳ 9.00

দাম পরিবর্তনশীল — ফার্মেসিভেদে প্রকৃত খুচরা মূল্য ভিন্ন হতে পারে।

Frusin কী?

Frusin 20 mg/2 ml Injection-এ আছে frusemide, যা furosemide নামেও পরিচিত; এটি একটি loop diuretic, শরীর থেকে অতিরিক্ত লবণ ও পানি বের করতে সাহায্য করে। এটি oedema বা acute pulmonary oedema-এর মতো fluid overload অবস্থায় চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

Frusin 20 mg/2 ml injection হলো Opsonin Pharma Limited-এর একটি ওষুধ, যাতে রয়েছে Frusemide (Furosemide) — একটি শক্তিশালী লুপ ডাইউরেটিক ("পানির ট্যাবলেট")। হার্ট ফেইলিউর, লিভার ও কিডনি রোগসহ শরীরে পানি জমার (ইডিমা) বিভিন্ন কারণে জমে থাকা অতিরিক্ত পানি বের করতে এবং কখনো উচ্চ রক্তচাপ চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয়।

ফ্রুসেমাইড কিডনির "লুপ অব হেনলে" নামক অংশে কাজ করে। এটি লবণ (সোডিয়াম ও ক্লোরাইড) রক্তে ফিরিয়ে নেওয়ার পাম্পটি বন্ধ করে দেয়, ফলে বেশি লবণ — এবং সাথে বেশি পানি — প্রস্রাবের সাথে বেরিয়ে যায়। এতে পা, পেট ও ফুসফুসে জমা বাড়তি পানি নেমে যায়, ফোলা ও শ্বাসকষ্ট কমে এবং হার্টের ওপর চাপ হালকা হয়। ট্যাবলেট খাওয়ার প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে কাজ শুরু হয় এবং প্রায় ছয় ঘণ্টা চলে।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

  • হার্ট ফেইলিউর — শ্বাসকষ্ট এবং পা ও ফুসফুসে পানি জমা কমাতে
  • ইডিমা — লিভার সিরোসিস (পেটে পানি), কিডনি রোগ বা নেফ্রোটিক সিনড্রোমে পানি জমা
  • উচ্চ রক্তচাপ — সাধারণত কিডনির কার্যক্ষমতা কম থাকলে বা অন্য ওষুধে কাজ না হলে
  • তীব্র পালমোনারি ইডিমা — ফুসফুসে পানি জমার জরুরি হাসপাতাল চিকিৎসা (ইনজেকশন ফর্ম)

সেবনবিধি ও মাত্রা

ChamberBD শুধু অনুমোদিত লেবেল (প্যাকেটের লিফলেট) থেকে উৎসসহ সেবনবিধি দেখায়, আর Frusin 20 mg/2 ml ইনজেকশন-এর লেবেল আমাদের কাছে নেই। ডাক্তারের দেওয়া মাত্রা এবং প্যাকেটের লিফলেটের নির্দেশনা মেনে চলুন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

বেশিরভাগ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পানি ও লবণ বেরিয়ে যাওয়ার সাথে সম্পর্কিত:

  • ডোজের পর কয়েক ঘণ্টা ঘন ঘন প্রস্রাব (স্বাভাবিক)
  • পিপাসা, মুখ শুকানো, মাথা ঘোরা বা ঝিমঝিম ভাব — বিশেষত দাঁড়ালে
  • পটাশিয়াম কমে যাওয়া — মাংসপেশিতে টান, দুর্বলতা, বুক ধড়ফড়
  • সোডিয়াম বা ম্যাগনেসিয়াম কমা, পানিশূন্যতা
  • ইউরিক অ্যাসিড বাড়া — গাউটের ব্যথা উঠতে পারে
  • কারও কারও রক্তের সুগার বাড়া
  • কম হলেও গুরুতর: কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ বা শোনার সমস্যা (বেশি মাত্রায়), মারাত্মক চর্মরোগ, প্রস্রাব খুব কমে যাওয়া — চিকিৎসা নিন

সতর্কতা

  • সব ফলো-আপে যান — এই ওষুধে পটাশিয়াম, সোডিয়াম ও কিডনির নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা অপরিহার্য।
  • পরামর্শমতো ওজন মাপুন; ২–৩ দিনে প্রায় ১.৫–২ কেজির বেশি ওজন বাড়লে বা দ্রুত কমলে জানান।
  • চিকিৎসক বললে পটাশিয়ামযুক্ত খাবার (কলা, ডাবের পানি, শাক) খান; কারও কারও পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট বা পটাশিয়াম-রক্ষাকারী কম্বিনেশন লাগে।
  • গরম আবহাওয়া, ডায়রিয়া বা বমিতে দ্রুত পানিশূন্যতা হয় — চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন; সাময়িকভাবে মাত্রা বদলাতে হতে পারে।
  • পড়ে যাওয়া এড়াতে শোয়া বা বসা থেকে ধীরে উঠুন, বিশেষত বয়স্করা।
  • ডায়াবেটিস, গাউট, প্রস্টেট বড় হওয়া বা প্রস্রাবে কষ্ট থাকলে চিকিৎসককে জানান।
  • ভ্রমণের সময় টয়লেটের সুবিধা ভেবে ডোজের সময় ঠিক করুন।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • ব্যথানাশক NSAID (আইবুপ্রোফেন, ডাইক্লোফেনাক): ওষুধের পানি-নিষ্কাশন কাজ কমায় ও কিডনির ওপর চাপ ফেলে
  • ডিগক্সিন: ফ্রুসেমাইডে পটাশিয়াম কমলে ডিগক্সিনের বিষাক্ততা বাড়ে — পটাশিয়াম মনিটর করতে হয়
  • অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক (জেন্টামাইসিন, অ্যামিকাসিন): একসাথে শ্রবণশক্তি ও কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি
  • লিথিয়াম: মাত্রা বিষাক্ত পর্যায়ে বাড়তে পারে
  • অন্যান্য রক্তচাপের ওষুধ, ACE inhibitor/ARB: চাপ বেশি কমতে পারে; শুরুতে কিডনির কার্যকারিতা দেখা হয়
  • স্টেরয়েড: পটাশিয়াম আরও কমাতে পারে
  • ডায়াবেটিসের ওষুধ: ফ্রুসেমাইডে সুগার সামান্য বাড়তে পারে

আপনার সব ওষুধ, সাপ্লিমেন্ট ও ভেষজ পণ্যের কথা চিকিৎসককে জানান।

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

  • ফ্রুসেমাইড বা সালফোনামাইড-জাতীয় ওষুধে অ্যালার্জি
  • মারাত্মক পানিশূন্যতা বা রক্তের পরিমাণ খুব কম
  • প্রস্রাব একেবারে বন্ধ (অ্যানুরিয়া) বা প্রস্রাব তৈরি না-হওয়া কিডনি বিকল
  • মারাত্মক কম পটাশিয়াম বা সোডিয়াম — ঠিক না হওয়া পর্যন্ত
  • লিভার রোগে হেপাটিক কোমা বা তার পূর্বাবস্থা (কেবল বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে)

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

গর্ভাবস্থা: ফ্রুসেমাইড প্লাসেন্টা পার হয়; কেবল স্পষ্ট চিকিৎসাগত কারণে (যেমন হার্ট ফেইলিউর বা ফুসফুসে পানি) বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে গর্ভাবস্থায় দেওয়া হয়। গর্ভাবস্থার সাধারণ পা-ফোলা বা গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপে এটি ব্যবহার করা হয় না — এতে প্লাসেন্টার রক্ত চলাচল কমতে পারে। গর্ভবতী হলে বা সম্ভাবনা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসককে জানান।

স্তন্যদান: ফ্রুসেমাইড মায়ের দুধে যায় এবং দুধ উৎপাদন কমাতে পারে। মায়ের জন্য অপরিহার্য হলে চিকিৎসক বিকল্পগুলো বিবেচনা করবেন — কখনো ডোজের সাথে মিলিয়ে খাওয়ানোর সময় ঠিক করা হয় বা বিকল্প ওষুধ বেছে নেওয়া হয়।

সংরক্ষণ

প্যাকেটে লেখা নির্দেশনা অনুযায়ী সংরক্ষণ করুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

Frusin কি শরীর থেকে পটাশিয়াম বের করে দেয়? কী খাব?

হ্যাঁ, এটিই এই ওষুধের সবচেয়ে নজর রাখার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। Frusin প্রস্রাবের সাথে পটাশিয়াম (এবং কিছু সোডিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম) বের করে দেয়। পটাশিয়াম কমলে মাংসপেশিতে টান, দুর্বলতা ও বুক ধড়ফড় হতে পারে; ডিগক্সিন খেলে ঝুঁকি আরও বেশি। চিকিৎসক নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করবেন এবং পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার — কলা, ডাবের পানি, কমলা, আলু, শাক — খেতে বলতে পারেন, অথবা পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট কিংবা স্পাইরোনোল্যাকটোনের মতো পটাশিয়াম-রক্ষাকারী ওষুধের কম্বিনেশন দিতে পারেন। নিজে থেকে পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট শুরু করবেন না।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ খুঁজুন →