See in English
Flucoder 150 mg Capsule — Fluconazole

ক্যাপসুল

Flucoder 150 mg ক্যাপসুল

জেনেরিক: ফ্লুকোনাজল

প্রস্তুতকারক: Eskayef Pharmaceuticals Ltd. Mirpur.

থেরাপিউটিক ক্লাস: Antifungal (Triazole)

Flucoder এর কাজ কি?

Flucoder (ক্যাপসুল)-এর উপাদান ফ্লুকোনাজল 150 mg, প্রস্তুতকারক Eskayef Pharmaceuticals Ltd. Mirpur.। থেরাপিউটিক ক্লাস: Antifungal (Triazole)।

দাম (বাংলাদেশ)

প্যাক মূল্য (টাকা)
প্রতি ক্যাপসুল ৳ 22.00
Box of 10 ৳ 220.00

দাম পরিবর্তনশীল — ফার্মেসিভেদে প্রকৃত খুচরা মূল্য ভিন্ন হতে পারে।

Flucoder কী?

Flucoder 150 mg Capsule-এ আছে fluconazole, যা Eskayef Pharmaceuticals Ltd.-এর একটি triazole antifungal ওষুধ। এটি candidiasis, যেমন vaginal yeast infection, এবং চিকিৎসকের নির্ণয় করা fluconazole-sensitive অন্যান্য fungal infection চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

Flucoder 150 mg capsule হলো Eskayef Pharmaceuticals Ltd. Mirpur. এর একটি অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ, যাতে Fluconazole রয়েছে। এটি যোনিপথের ক্যান্ডিডিয়াসিস (থ্রাশ), মুখ ও খাদ্যনালির ছত্রাক সংক্রমণ, ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণ এবং ক্রিপ্টোকক্কাল মেনিনজাইটিসের মতো গুরুতর সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ছত্রাক সংক্রমণ খুব সাধারণ, আর Flucoder সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মুখে খাওয়ার অ্যান্টিফাঙ্গালগুলোর একটি।

Fluconazole ছত্রাকের কোষপর্দার অপরিহার্য উপাদান আর্গোস্টেরল তৈরির এনজাইম বন্ধ করে দেয়। ফলে ছত্রাকের কোষপর্দা ছিদ্রযুক্ত হয়ে যায় এবং ছত্রাক বাঁচতে বা বাড়তে পারে না। মুখে খেলে ভালোভাবে শোষিত হয় বলে কিছু সংক্রমণে একটি মাত্র ডোজই যথেষ্ট, আবার কিছুতে লম্বা কোর্স লাগে।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

  • যোনিপথের ক্যান্ডিডিয়াসিস (ভ্যাজাইনাল থ্রাশ)
  • মুখ ও খাদ্যনালির ক্যান্ডিডিয়াসিস
  • ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণ (দাদ, ছুলি)
  • নখের ছত্রাক সংক্রমণ
  • ক্রিপ্টোকক্কাল মেনিনজাইটিস ও অন্যান্য সিস্টেমিক ছত্রাক সংক্রমণ
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা রোগীদের ছত্রাক সংক্রমণ প্রতিরোধ

সেবনবিধি ও মাত্রা

ChamberBD শুধু অনুমোদিত লেবেল (প্যাকেটের লিফলেট) থেকে উৎসসহ সেবনবিধি দেখায়, আর Flucoder 150 mg ক্যাপসুল-এর লেবেল আমাদের কাছে নেই। ডাক্তারের দেওয়া মাত্রা এবং প্যাকেটের লিফলেটের নির্দেশনা মেনে চলুন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ফ্লুকোনাজল সাধারণত ভালোভাবে সহ্য হয়। সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বমিভাব, পেটের অস্বস্তি, ডায়রিয়া, মাথাব্যথা ও ত্বকে র‍্যাশ। কখনো স্বাদের পরিবর্তন বা মাথা ঘোরা হতে পারে। বিরল কিন্তু গুরুতর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে আছে লিভারের সমস্যা (চোখ বা ত্বক হলুদ হওয়া, গাঢ় প্রস্রাব, একটানা বমি), ফোসকাসহ মারাত্মক ত্বকের প্রতিক্রিয়া এবং উচ্চ মাত্রায় হৃদস্পন্দনের ছন্দ পরিবর্তন। এমন কোনো লক্ষণ দেখা দিলে ওষুধ বন্ধ করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।

সতর্কতা

লিভারের রোগ, কিডনির রোগ বা হৃদস্পন্দনের ছন্দের সমস্যা (লং কিউটি) থাকলে ফ্লুকোনাজল সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন। কিডনির সমস্যায় একাধিক ডোজের কোর্সে চিকিৎসক ডোজ কমাতে পারেন। চিকিৎসার সময় র‍্যাশ দেখা দিলে দ্রুত জানান; র‍্যাশ ছড়িয়ে পড়লে বা ফোসকা হলে ওষুধ বন্ধ করুন। বছরে চারবার বা তার বেশি থ্রাশ হলে বারবার নিজে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের কাছে যান — ডায়াবেটিসের মতো লুকানো কারণ থাকতে পারে।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

ফ্লুকোনাজল লিভারের এনজাইম বাধাগ্রস্ত করে অনেক ওষুধের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় — যেমন ওয়ারফারিন (রক্তক্ষরণের ঝুঁকি), ফেনিটয়েন, গ্লিবেনক্লামাইড ও গ্লিমেপিরাইডের মতো ডায়াবেটিসের ওষুধ (রক্তে শর্করা কমে যাওয়ার ঝুঁকি), স্ট্যাটিন (মাংসপেশির ক্ষতির ঝুঁকি) এবং ট্যাক্রোলিমাস বা সাইক্লোস্পোরিন। সিসাপ্রাইড বা টারফেনাডিনের সাথে একসাথে খাওয়া যাবে না — হৃদস্পন্দনের বিপজ্জনক সমস্যা হতে পারে। রিফাম্পিসিন ফ্লুকোনাজলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। আপনার সব ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানান।

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

ফ্লুকোনাজল বা অন্য অ্যাজল জাতীয় অ্যান্টিফাঙ্গালে অ্যালার্জি থাকলে এটি ব্যবহার করা যাবে না। সিসাপ্রাইড বা টারফেনাডিনের সাথে একসাথে নেওয়া নিষিদ্ধ। বিশেষজ্ঞের সিদ্ধান্ত ছাড়া গর্ভাবস্থায় বারবার বা উচ্চ মাত্রায় ব্যবহার নিষিদ্ধ। গুরুতর লিভারের রোগ ও জন্মগত লং কিউটি সিনড্রোমে এড়িয়ে চলা উচিত।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় ফ্লুকোনাজল এড়িয়ে চলুন — বিশেষ করে প্রথম তিন মাসে বারবার বা উচ্চ মাত্রায় ব্যবহারে জন্মগত ত্রুটি ও গর্ভপাতের ঝুঁকি দেখা গেছে। গর্ভাবস্থায় যোনিপথের থ্রাশে চিকিৎসকেরা সাধারণত লাগানোর (টপিক্যাল) ওষুধ পছন্দ করেন। স্তন্যদান: একটি ১৫০ মি.গ্রা. ডোজ সাধারণত স্তন্যদানে নিরাপদ, তবে লম্বা কোর্স কেবল চিকিৎসকের পরামর্শেই নেওয়া উচিত। গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী হলে অবশ্যই চিকিৎসককে জানান।

সংরক্ষণ

প্যাকেটে লেখা নির্দেশনা অনুযায়ী সংরক্ষণ করুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ খুঁজুন →