Capsule
Doxyzen 100 mg Capsule
জেনেরিক: ডক্সিসাইক্লিন
প্রস্তুতকারক: Zenith Pharmaceuticals Ltd.
থেরাপিউটিক ক্লাস: Tetracycline Antibiotic
দাম (বাংলাদেশ)
| প্যাক | মূল্য (টাকা) |
|---|---|
| প্রতি Capsule | ৳ 2.15 |
| Capsule | ৳ 2.15 |
দাম পরিবর্তনশীল — ফার্মেসিভেদে প্রকৃত খুচরা মূল্য ভিন্ন হতে পারে।
Doxyzen কী?
Doxyzen 100 mg Capsule-এ আছে doxycycline, যা Zenith Pharmaceuticals Ltd. এর একটি tetracycline antibiotic। চিকিৎসকের পরামর্শে এটি শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, ব্রণ-সম্পর্কিত ত্বকের সংক্রমণ এবং কিছু যৌনবাহিত ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়।
Doxyzen 100 mg capsule হলো Zenith Pharmaceuticals Ltd. এর একটি ব্রড-স্পেকট্রাম টেট্রাসাইক্লিন অ্যান্টিবায়োটিক, যাতে Doxycycline রয়েছে। বাংলাদেশে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, ব্রণ, ত্বক ও নরম টিস্যুর সংক্রমণ, কিছু যৌনবাহিত রোগ, কলেরা এবং টাইফাসের মতো রিকেটসিয়াল জ্বরে এটি বহুল প্রেসক্রাইবড। চিকিৎসকের পরামর্শে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধেও ব্যবহৃত হয়।
Doxycycline ব্যাকটেরিয়ার রাইবোজোমে যুক্ত হয়ে প্রোটিন তৈরি বন্ধ করে দেয়, ফলে ব্যাকটেরিয়া বাড়তে পারে না এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সংক্রমণ দূর করে। বহু ধরনের জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকর হওয়ায় বুকের সংক্রমণ, ব্রণ ও ক্রান্তীয় সংক্রমণে এটি একটি নির্ভরযোগ্য ওষুধ।
নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)
- শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ (ব্রঙ্কাইটিস, অ্যাটিপিক্যাল নিউমোনিয়া)
- ব্রণ ও রোজেশিয়া
- ত্বক ও নরম টিস্যুর সংক্রমণ
- ক্ল্যামাইডিয়াসহ কিছু যৌনবাহিত সংক্রমণ
- কলেরা, টাইফাস ও অন্যান্য রিকেটসিয়াল সংক্রমণ
- ম্যালেরিয়া প্রতিরোধ ও লেপ্টোস্পাইরোসিস (চিকিৎসকের পরামর্শে)
সেবনবিধি ও মাত্রা
চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী Doxyzen সেবন করুন। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত প্রথম দিন ২০০ মি.গ্রা., এরপর দিনে এক বা দুইবার ১০০ মি.গ্রা. দেওয়া হয়; ব্রণের জন্য কম মাত্রায় কয়েক সপ্তাহ চলে। Doxyzen এক গ্লাস ভরা পানি দিয়ে গিলুন এবং অন্তত ৩০ মিনিট সোজা হয়ে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকুন — সাথে সাথে শুয়ে পড়লে খাদ্যনালিতে জ্বালা বা ঘা হতে পারে। খাবারের সাথে খেলে পেটের অস্বস্তি কমে। ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের সাধারণত দেওয়া হয় না; শিশুদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকই সিদ্ধান্ত নেবেন।
এটি একটি অ্যান্টিবায়োটিক — পুরো কোর্স শেষ করুন এবং প্রেসক্রিপশন ছাড়া খাবেন না।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বমিভাব, পেটের অস্বস্তি, ডায়রিয়া ও মাথাব্যথা। ডক্সিসাইক্লিনে প্রায়ই রোদে সংবেদনশীলতা দেখা দেয় — ত্বক সহজে পুড়ে যায়, যা বাংলাদেশের কড়া রোদে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত পানি ছাড়া বা শুয়ে ট্যাবলেট খেলে খাদ্যনালিতে জ্বালা বা ঘা হতে পারে। মুখে বা যোনিতে ছত্রাক সংক্রমণ, র্যাশ হতে পারে। দৃষ্টির পরিবর্তনসহ একটানা মাথাব্যথা হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।
সতর্কতা
ডক্সিসাইক্লিন চলাকালীন দীর্ঘ সময় রোদে থাকা এড়িয়ে চলুন এবং সানস্ক্রিন, টুপি বা ঢাকা পোশাক ব্যবহার করুন — ত্বক দ্রুত পুড়ে যেতে পারে। প্রতিটি ডোজ ভরা গ্লাস পানি দিয়ে খান এবং অন্তত ৩০ মিনিট সোজা থাকুন। ডোজের ২–৩ ঘণ্টার মধ্যে অ্যান্টাসিড, ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিংক বা দুধ খাবেন না — এগুলো ওষুধ শোষণে বাধা দেয়। লিভারের রোগ ও মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিসে সতর্ক থাকুন। চিকিৎসার সময় বা পরে তীব্র পাতলা পায়খানা হলে চিকিৎসককে জানান।
অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া
ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, আয়রন বা জিংকযুক্ত অ্যান্টাসিড ও সাপ্লিমেন্ট এবং দুধজাতীয় খাবার ডক্সিসাইক্লিনের শোষণ অনেক কমিয়ে দেয় — ২–৩ ঘণ্টা ব্যবধান রাখুন। এটি ওয়ারফারিনের প্রভাব বাড়াতে পারে (রক্তক্ষরণের ঝুঁকি), কিছু জন্মনিয়ন্ত্রণ পিলের কার্যকারিতা কমাতে পারে, এবং রিফাম্পিসিন, কার্বামাজেপিন ও ফেনিটয়েন এর মাত্রা কমিয়ে দেয়। আইসোট্রেটিনয়েন বা ভিটামিন এ-এর সাথে একসাথে খাবেন না। আপনার সব ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানান।
প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)
টেট্রাসাইক্লিন জাতীয় ওষুধে অ্যালার্জি থাকলে ডক্সিসাইক্লিন ব্যবহার করা যাবে না। গর্ভাবস্থা, স্তন্যদানকাল এবং ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এটি নিষিদ্ধ (বিশেষজ্ঞের সিদ্ধান্তে ব্যতিক্রম ছাড়া), কারণ এটি শিশুর দাঁতে স্থায়ী দাগ ফেলে ও হাড়ের বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলে। গুরুতর লিভারের সমস্যায় এড়িয়ে চলা উচিত।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থা: ডক্সিসাইক্লিন নিষিদ্ধ, বিশেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে — এটি গর্ভস্থ শিশুর দাঁত ও হাড়ে জমে স্থায়ী দাগ ও বৃদ্ধির সমস্যা করে। স্তন্যদান: স্তন্যদানকালে এড়িয়ে চলুন। আপনি গর্ভবতী হলে, গর্ভধারণের পরিকল্পনা করলে বা স্তন্যদান করালে চিকিৎসককে জানান, যাতে নিরাপদ বিকল্প অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া যায়।
সংরক্ষণ
৩০° সেলসিয়াসের নিচে শুকনো জায়গায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ ডক্সিসাইক্লিন কখনোই খাবেন না — পুরনো টেট্রাসাইক্লিন কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ব্যবহারের আগ পর্যন্ত ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল মূল প্যাকেটে রাখুন।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
গলা ও পেটের জ্বালা এড়াতে Doxyzen কীভাবে খাব?
Doxyzen খাওয়ার সময় কি রোদে বের হওয়া যাবে?
Doxyzen কি দুধ বা অ্যান্টাসিডের সাথে খাওয়া যাবে?
সর্বশেষ হালনাগাদ: