ট্যাবলেট
Doxocontin 400 mg ট্যাবলেট
জেনেরিক: ডক্সোফাইলিন
প্রস্তুতকারক: Mundipharma (Bangladesh) Pvt. Ltd.
থেরাপিউটিক ক্লাস: Bronchodilator (Xanthine derivative)
Doxocontin 400 এর কাজ কি?
Doxocontin 400 (ট্যাবলেট)-এর উপাদান ডক্সোফাইলিন 400 mg, প্রস্তুতকারক Mundipharma (Bangladesh) Pvt. Ltd.। থেরাপিউটিক ক্লাস: Bronchodilator (Xanthine derivative)।
দাম (বাংলাদেশ)
| প্যাক | মূল্য (টাকা) |
|---|---|
| প্রতি ট্যাবলেট | ৳ 12.00 |
| Strip of 10 | ৳ 120.00 |
দাম পরিবর্তনশীল — ফার্মেসিভেদে প্রকৃত খুচরা মূল্য ভিন্ন হতে পারে।
Doxocontin 400 কী?
Doxocontin 400 হলো doxofylline 400 mg যুক্ত একটি ট্যাবলেট, যা xanthine ধরনের ব্রঙ্কোডাইলেটর। অ্যাজমা ও COPD-এর মতো অবস্থায় সরু হয়ে যাওয়া শ্বাসনালী শিথিল করতে এবং ব্রঙ্কোস্পাজমজনিত শ্বাসকষ্ট কমাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
Doxocontin 400 400 mg tablet হলো Mundipharma (Bangladesh) Pvt. Ltd. এর একটি ব্রঙ্কোডাইলেটর, যাতে নতুন প্রজন্মের জ্যানথিন ওষুধ Doxofylline রয়েছে। হাঁপানি, সিওপিডি ও ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিসে শ্বাসনালি খোলা রাখতে এবং শ্বাসকষ্ট ও সাঁই সাঁই শব্দ কমাতে এটি দেওয়া হয়। এটি নিয়মিত সেবনের (মেইনটেন্যান্স) ওষুধ — হঠাৎ অ্যাটাকের তাৎক্ষণিক উপশমের জন্য নয়।
Doxofylline শ্বাসনালির মসৃণ পেশিতে ফসফোডাইএস্টারেজ এনজাইম বাধা দিয়ে পেশি শিথিল করে ও শ্বাসনালি প্রশস্ত করে। পুরনো জ্যানথিন থিওফাইলিনের মতো এটি অ্যাডেনোসিন রিসেপ্টরে তেমন প্রভাব ফেলে না, তাই ক্যাফেইনের মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম — বুক ধড়ফড়, ঘুমের ব্যাঘাত, পেটের অস্বস্তি ও অস্থিরতা কম হয় — অথচ কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী ব্রঙ্কোডাইলেশন দেয়।
নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)
- ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা (নিয়মিত/মেইনটেন্যান্স চিকিৎসা)
- ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি)
- শ্বাসনালি সরু হয়ে যাওয়া ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস
- রিভার্সিবল শ্বাসনালি বাধাজনিত শ্বাসকষ্ট ও সাঁই সাঁই শব্দ
সেবনবিধি ও মাত্রা
ChamberBD শুধু অনুমোদিত লেবেল (প্যাকেটের লিফলেট) থেকে উৎসসহ সেবনবিধি দেখায়, আর Doxocontin 400 mg ট্যাবলেট-এর লেবেল আমাদের কাছে নেই। ডাক্তারের দেওয়া মাত্রা এবং প্যাকেটের লিফলেটের নির্দেশনা মেনে চলুন।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
ডক্সোফাইলিন সাধারণত থিওফাইলিনের চেয়ে ভালো সহ্য হয়। সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বমিভাব, পেটের অস্বস্তি, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা এবং হালকা ঘুমের ব্যাঘাত বা খিটখিটে ভাব। বুক ধড়ফড় ও দ্রুত হৃদস্পন্দন হতে পারে, তবে পুরনো জ্যানথিনের তুলনায় কম। উচ্চ মাত্রায় বমি বা কাঁপুনি হতে পারে। তীব্র বুক ধড়ফড়, বুকে ব্যথা, একটানা বমি বা খিঁচুনির মতো কিছু হলে ওষুধ বন্ধ করে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।
সতর্কতা
হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েডের আধিক্য, পেপটিক আলসার, মৃগী এবং লিভার বা কিডনির সমস্যায় ডক্সোফাইলিন সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন — ডোজ সমন্বয় লাগতে পারে। কড়া চা, কফি ও এনার্জি ড্রিংক কমিয়ে দিন — এগুলো জ্যানথিনের মতো চাপ বাড়ায়। জ্বর, ভাইরাল অসুখ ও ধূমপানের অভ্যাস শরীরে জ্যানথিনের কার্যপ্রক্রিয়া বদলে দিতে পারে, তাই বড় কোনো পরিবর্তন হলে চিকিৎসককে জানান। মনে রাখবেন, এটি ইনহেলড স্টেরয়েড বা রিলিভার ইনহেলারের বিকল্প নয়; সেগুলো প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী চালিয়ে যান।
অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া
এরিথ্রোমাইসিন, ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন, সিমেটিডিন ও অ্যালোপিউরিনল ডক্সোফাইলিনের মাত্রা বাড়িয়ে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বাড়াতে পারে। রিফাম্পিসিন, ফেনিটয়েন, কার্বামাজেপিন ও ধূমপান এর মাত্রা কমিয়ে দেয়। থিওফাইলিন বা অ্যামাইনোফাইলিনের মতো অন্য জ্যানথিনের সাথে একসাথে খাবেন না — প্রভাব যোগ হয়ে যায়। এফিড্রিনসহ উত্তেজক ওষুধে সতর্কতা দরকার। আপনার সব ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানান।
প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)
ডক্সোফাইলিন বা অন্য জ্যানথিন জাতীয় ওষুধে অ্যালার্জি, সাম্প্রতিক হার্ট অ্যাটাক এবং উল্লেখযোগ্য নিম্ন রক্তচাপে এটি নিষিদ্ধ; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া স্তন্যদানকালেও নয়। তীব্র হাঁপানির অ্যাটাকের চিকিৎসায় এর ওপর ভরসা করা যাবে না — সেজন্য দ্রুত কার্যকর রিলিভার ইনহেলার ও জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত নয়, তাই কেবল চিকিৎসক উপকার ঝুঁকির চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি মনে করলেই ব্যবহার করা যায়; প্রথম তিন মাসে সাধারণত এড়িয়ে চলা হয়। স্তন্যদান: জ্যানথিন বুকের দুধে যায় এবং শিশুকে অস্থির করতে পারে; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া স্তন্যদানকালে ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না। গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী হলে হাঁপানির চিকিৎসা পরিকল্পনা নিয়ে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন।
সংরক্ষণ
৩০° সেলসিয়াসের নিচে শুকনো জায়গায়, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। ট্যাবলেট মূল প্যাকেটে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। প্যাকেটে লেখা মেয়াদ পেরিয়ে গেলে ব্যবহার করবেন না।