ট্যাবলেট
Coralex DX 600 mg + 400 iu ট্যাবলেট
জেনেরিক: ক্যালসিয়াম (কোরাল ক্যালসিয়াম) + ভিটামিন ডি৩
প্রস্তুতকারক: The ACME Laboratories Ltd.
থেরাপিউটিক ক্লাস: Calcium and vitamin D supplement
Coralex DX এর কাজ কি?
Coralex DX (ট্যাবলেট)-এর উপাদান ক্যালসিয়াম (কোরাল ক্যালসিয়াম) + ভিটামিন ডি৩ 600 mg + 400 iu, প্রস্তুতকারক The ACME Laboratories Ltd.। থেরাপিউটিক ক্লাস: Calcium and vitamin D supplement।
Coralex DX কী?
The ACME Laboratories Ltd. এর Coralex DX 600 mg + 400 iu tablet বাংলাদেশে পাওয়া যায় এমন একটি ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট। এতে Calcium (Coral Calcium) + Vitamin D3 আছে এবং এটি মূলত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি প্রতিরোধ বা চিকিৎসায় এবং খাবার থেকে পর্যাপ্ত গ্রহণ বা সূর্যালোকের সংস্পর্শ কম হলে হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তার জন্য ব্যবহৃত হয়।
Calcium (Coral Calcium) + Vitamin D3 হাড়, দাঁত, পেশি ও স্নায়ুর জন্য ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে কাজ করে, আর ভিটামিন D3 শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ ও ব্যবহার করতে সাহায্য করে। গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা হলো, অতিরিক্ত গ্রহণে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, বিশেষ করে কিডনি রোগ, কিডনিতে পাথর বা কিছু নির্দিষ্ট রোগ থাকলে; তাই স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীর পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।
নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)
- ক্যালসিয়ামের ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসা।
- সাপ্লিমেন্ট প্রয়োজন হলে ভিটামিন D-এর ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসা।
- ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অন্যান্য ব্যবস্থা বা ওষুধের পাশাপাশি অস্টিওপোরোসিস (osteoporosis) বা হাড়ের খনিজ ঘনত্ব কম থাকলে সহায়ক হিসেবে।
- যাদের ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D-এর প্রয়োজন বেশি বা খাবার থেকে গ্রহণ পর্যাপ্ত নয়, স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীর পরামর্শে তাদের জন্য সাপ্লিমেন্ট হিসেবে।
সেবনবিধি ও মাত্রা
ChamberBD শুধু অনুমোদিত লেবেল (প্যাকেটের লিফলেট) থেকে উৎসসহ সেবনবিধি দেখায়, আর Coralex DX 600 mg + 400 iu ট্যাবলেট-এর লেবেল আমাদের কাছে নেই। ডাক্তারের দেওয়া মাত্রা এবং প্যাকেটের লিফলেটের নির্দেশনা মেনে চলুন।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
- সাধারণ: কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটের অস্বস্তি, পেট ফাঁপা, গ্যাস, বমি বমি ভাব বা চকের মতো স্বাদ।
- কম সাধারণ: ডায়রিয়া বা বমি।
- গুরুতর কিন্তু কম দেখা যায়: রক্তে ক্যালসিয়াম বেড়ে যাওয়া, যার লক্ষণ হতে পারে অস্বাভাবিক পিপাসা, ঘন ঘন প্রস্রাব, ক্ষুধামন্দা, বিভ্রান্তি, দুর্বলতা বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন।
- যাদের ঝুঁকি আছে, বিশেষ করে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ করলে, কিডনিতে পাথর হতে পারে।
- অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া বিরল, তবে মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া, তীব্র র্যাশ বা শ্বাসকষ্ট হলে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা প্রয়োজন।
সতর্কতা
কিডনি রোগ, আগে কিডনিতে পাথর হওয়া, রক্তে ক্যালসিয়াম বেশি থাকা, প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম বেশি থাকা, সারকয়ডোসিস (sarcoidosis) বা অন্যান্য গ্রানুলোম্যাটাস রোগ, প্যারাথাইরয়েডের সমস্যা, অথবা হৃদরোগ থাকলে সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করুন। পরামর্শ ছাড়া একসঙ্গে একাধিক ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন D পণ্য গ্রহণ করা এড়িয়ে চলুন, কারণ অতিরিক্ত মাত্রা ক্ষতিকর হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভাবস্থা, বুকের দুধ খাওয়ানো, বা অন্য ওষুধ গ্রহণের ক্ষেত্রে বিশেষ করে রেজিস্টার্ড ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের নির্দেশনায় ব্যবহার করুন।
অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া
- ক্যালসিয়াম লেভোথাইরক্সিন (levothyroxine) শোষণ কমাতে পারে; পরামর্শ অনুযায়ী কয়েক ঘণ্টা ব্যবধান রেখে গ্রহণ করুন।
- ক্যালসিয়াম টেট্রাসাইক্লিন (tetracycline) ও কুইনোলোন (quinolone) অ্যান্টিবায়োটিকের শোষণ কমাতে পারে; ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের নির্দেশনা অনুযায়ী আলাদা সময়ে গ্রহণ করুন।
- অস্টিওপোরোসিসে ব্যবহৃত বিসফসফোনেট (bisphosphonates) ওষুধের শোষণ ক্যালসিয়াম কমাতে পারে; ওষুধটির নির্দেশনা অনুযায়ী বিসফসফোনেট আলাদা সময়ে গ্রহণ করুন।
- থায়াজাইড ডাইইউরেটিক (thiazide diuretics) রক্তে ক্যালসিয়াম বেশি হওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
- ডিগক্সিন (digoxin) বা অন্যান্য কার্ডিয়াক গ্লাইকোসাইড (cardiac glycosides): রক্তে ক্যালসিয়াম বেশি থাকলে হৃদস্পন্দনের ছন্দের সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে; চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান প্রয়োজন।
- অরলিস্ট্যাট (orlistat), বাইল অ্যাসিড সিকোয়েস্ট্র্যান্ট (bile acid sequestrants), এবং কিছু মিনারেল অয়েল ভিটামিন D শোষণ কমাতে পারে।
- বেশি পরিমাণ ব্র্যান, ফাইটেট, অক্সালেটসমৃদ্ধ খাবার, বা বেশি লবণযুক্ত খাবার ক্যালসিয়াম শোষণ কমাতে বা ক্যালসিয়াম ক্ষয় বাড়াতে পারে।
প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)
- পণ্যের কোনো উপাদানের প্রতি পরিচিত অ্যালার্জি বা অতিসংবেদনশীলতা।
- রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেশি থাকা বা হাইপারক্যালসেমিয়া (hypercalcaemia) সৃষ্টি করে এমন অবস্থা।
- যখন ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট উপযুক্ত নয়, তখন প্রস্রাবে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেশি থাকা।
- ভিটামিন D টক্সিসিটি।
- গুরুতর কিডনি অকার্যকারিতা বা কিডনিতে পাথর, যেখানে ডাক্তার ক্যালসিয়াম/ভিটামিন D সাপ্লিমেন্ট সীমিত করেছেন।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়ে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D গুরুত্বপূর্ণ, তবে খাবার ও সাপ্লিমেন্ট মিলিয়ে মোট দৈনিক গ্রহণ সুপারিশকৃত সীমার মধ্যে থাকা উচিত। গর্ভবতী বা বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েদের এই সাপ্লিমেন্ট শুধু ডাক্তার, ফার্মাসিস্ট বা অ্যান্টেনাটাল কেয়ার প্রদানকারীর পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত, বিশেষ করে যদি তারা আগে থেকেই প্রেনাটাল ভিটামিন নেন বা কিডনি রোগ, পাথর, বা রক্তে ক্যালসিয়াম বেশি থাকার সমস্যা থাকে।
সংরক্ষণ
সরাসরি সূর্যালোক, তাপ ও আর্দ্রতা থেকে দূরে ঠান্ডা, শুকনো জায়গায় সংরক্ষণ করুন। কনটেইনার ভালোভাবে বন্ধ রাখুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ হলে বা ট্যাবলেট ক্ষতিগ্রস্ত বা দূষিত মনে হলে ব্যবহার করবেন না।