See in English

ট্যাবলেট

Azmasol 4 mg ট্যাবলেট

জেনেরিক: সালবিউটামল

প্রস্তুতকারক: Beximco Pharmaceuticals Ltd.

থেরাপিউটিক ক্লাস: Short-acting Beta-2 Agonist (Reliever Bronchodilator)

Azmasol 4 এর কাজ কি?

Azmasol 4 (ট্যাবলেট)-এর উপাদান সালবিউটামল 4 mg, প্রস্তুতকারক Beximco Pharmaceuticals Ltd.। থেরাপিউটিক ক্লাস: Short-acting Beta-2 Agonist (Reliever Bronchodilator)।

দাম (বাংলাদেশ)

প্যাক মূল্য (টাকা)
প্রতি ট্যাবলেট ৳ 0.46
Strip of 10 ৳ 4.60

দাম পরিবর্তনশীল — ফার্মেসিভেদে প্রকৃত খুচরা মূল্য ভিন্ন হতে পারে।

Azmasol 4 কী?

Azmasol 4 হলো Beximco Pharmaceuticals Ltd.-এর ৪ মিগ্রা সালবুটামল ট্যাবলেট, যা স্বল্পমেয়াদি বিটা-২ অ্যাগোনিস্ট ব্রঙ্কোডাইলেটর। এটি অ্যাজমা বা রিভার্সিবল এয়ারওয়ে অবস্ট্রাকশনের মতো অবস্থায় ব্রঙ্কোস্পাজম ও শ্বাসকষ্ট কমাতে ব্যবহৃত হয়।

Azmasol 4 4 mg tablet হলো Beximco Pharmaceuticals Ltd. এর একটি দ্রুত কার্যকর রিলিভার ব্রঙ্কোডাইলেটর, যাতে Salbutamol রয়েছে। হাঁপানি (অ্যাজমা) ও সিওপিডিতে শ্বাসকষ্ট, বুকে দম আটকে আসা, সাঁই সাঁই শব্দ ও কাশি দ্রুত উপশমে এবং ব্যায়ামজনিত শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে এটি ব্যবহৃত হয়। ইনহেলার বা নেবুলাইজার হিসেবে নিলে কয়েক মিনিটেই শ্বাসনালি খুলে দেয় বলে বাংলাদেশের হাঁপানি রোগীদের কাছে Azmasol 4 অতি পরিচিত নাম।

Salbutamol শ্বাসনালির চারপাশের পেশির বিটা-২ রিসেপ্টর উদ্দীপিত করে সংকুচিত পেশি শিথিল করে দেয়, ফলে শ্বাসনালি প্রশস্ত হয় এবং ইনহেল করার প্রায় ৫ মিনিটের মধ্যে শ্বাস নেওয়া সহজ হয়; প্রভাব থাকে ৪–৬ ঘণ্টা। এটি উপসর্গ কমায়, কিন্তু শ্বাসনালির ভেতরের প্রদাহ সারায় না — তার জন্য আলাদা কন্ট্রোলার (প্রিভেন্টার) ওষুধ লাগে।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

  • হাঁপানির উপসর্গের দ্রুত উপশম (সাঁই সাঁই শব্দ, শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ)
  • তীব্র হাঁপানির অ্যাটাক (জরুরি চিকিৎসার অংশ হিসেবে)
  • ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি)
  • ব্যায়ামজনিত শ্বাসনালির সংকোচন প্রতিরোধ
  • চিকিৎসকের পরামর্শে ব্রঙ্কিওলাইটিস বা ব্রঙ্কাইটিসের শ্বাসকষ্টে

সেবনবিধি ও মাত্রা

ChamberBD শুধু অনুমোদিত লেবেল (প্যাকেটের লিফলেট) থেকে উৎসসহ সেবনবিধি দেখায়, আর Azmasol 4 mg ট্যাবলেট-এর লেবেল আমাদের কাছে নেই। ডাক্তারের দেওয়া মাত্রা এবং প্যাকেটের লিফলেটের নির্দেশনা মেনে চলুন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে হাত কাঁপা, বুক ধড়ফড় বা দ্রুত হৃদস্পন্দন, মাথাব্যথা, পেশিতে টান ও অস্থির লাগা — এগুলো সাধারণত হালকা এবং দ্রুত কমে যায়, বিশেষত ইনহেলারে। উচ্চ বা ঘনঘন ডোজে (যেমন বারবার নেবুলাইজেশনে) রক্তে পটাশিয়াম কমে যেতে পারে এবং হৃদস্পন্দন বেশি বেড়ে যেতে পারে। বিরল ক্ষেত্রে ইনহেল করার পরপরই শ্বাসনালি হঠাৎ সংকুচিত হতে পারে — ডোজ নেওয়ার সাথে সাথে শ্বাসকষ্ট বাড়লে ওষুধ বন্ধ করে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

সতর্কতা

রিলিভার ঘনঘন লাগা একটি সতর্ক সংকেত। সপ্তাহে ২–৩ বারের বেশি Salbutamol লাগলে, রাতে উপসর্গ হলে, বা এক মাসেই একটি ইনহেলার শেষ হয়ে গেলে হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে নেই — প্রিভেন্টার চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ইনহেলার সবসময় সাথে রাখুন। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েডের আধিক্য ও ডায়াবেটিসে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন (এটি রক্তের শর্করা বাড়াতে পারে)। সাধারণ পাফে তীব্র অ্যাটাক না কমলে বাড়িতে বারবার ডোজ না নিয়ে সাথে সাথে হাসপাতালে যান। প্রতিবার চিকিৎসকের কাছে গেলে ইনহেলার কৌশল দেখিয়ে নিন।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

প্রোপ্রানললের মতো বিটা-ব্লকার — গ্লুকোমার কিছু চোখের ড্রপসহ — সালবিউটামলের বিপরীতে কাজ করে এবং হাঁপানিতে মারাত্মক শ্বাসনালি সংকোচন ঘটাতে পারে; এগুলো সাধারণত এড়িয়ে চলা উচিত। ডাইইউরেটিক, থিওফাইলিন বা কর্টিকোস্টেরয়েডের সাথে নিলে পটাশিয়াম কমার ঝুঁকি বাড়ে, বিশেষত নেবুলাইজার ডোজে। ডিগক্সিন, ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ও এমএও ইনহিবিটরের সাথে হৃদস্পন্দনের ছন্দের কারণে সতর্কতা দরকার। চোখের ড্রপসহ আপনার সব ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানান।

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

সালবিউটামল বা পণ্যের অন্য উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে এটি ব্যবহার করা যাবে না। নন-সিলেক্টিভ বিটা-ব্লকার সেবনকারীদের চিকিৎসকের পর্যালোচনা ছাড়া এটি এড়িয়ে চলা উচিত। গুরুতর হৃদরোগ ও অনিয়ন্ত্রিত অ্যারিদমিয়ায় মুখে খাওয়ার ও ইনজেকশন ফর্মে বিশেষ সতর্কতা ও বিশেষজ্ঞের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

গর্ভাবস্থা: ইনহেলড সালবিউটামল গর্ভাবস্থায় গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত — অনিয়ন্ত্রিত হাঁপানির অ্যাটাক মা ও শিশুর জন্য ওষুধের চেয়ে বেশি ক্ষতিকর। প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ব্যবহার করুন এবং নিজে থেকে হাঁপানির চিকিৎসা বন্ধ করবেন না। স্তন্যদান: ইনহেলারে খুব সামান্য ওষুধ বুকের দুধে যায়, তাই এটি সাধারণত স্তন্যদানে নিরাপদ। মুখে খাওয়ার বা নেবুলাইজার ডোজ নিয়ে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন।

সংরক্ষণ

প্যাকেটে লেখা নির্দেশনা অনুযায়ী সংরক্ষণ করুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ খুঁজুন →