ক্যাপসুল
Azimex 250 mg ক্যাপসুল
জেনেরিক: অ্যাজিথ্রোমাইসিন
প্রস্তুতকারক: Drug International Ltd.
থেরাপিউটিক ক্লাস: Macrolide antibiotic
Azimex এর কাজ কি?
Azimex (ক্যাপসুল)-এর উপাদান অ্যাজিথ্রোমাইসিন 250 mg, প্রস্তুতকারক Drug International Ltd.। থেরাপিউটিক ক্লাস: Macrolide antibiotic।
Azimex কী?
Azimex 250 mg Capsule-এ Drug International Ltd. এর তৈরি ম্যাক্রোলাইড অ্যান্টিবায়োটিক azithromycin থাকে। চিকিৎসকের পরামর্শে এটি শ্বাসনালি, কান, ত্বক ও নরম টিস্যুর কিছু ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ এবং কিছু যৌনবাহিত সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়।
Drug International Ltd.-এর তৈরি Azimex 250 mg capsule-এ রয়েছে Azithromycin, যা স্বল্প ও সুবিধাজনক কোর্সের জন্য পরিচিত একটি ম্যাক্রোলাইড অ্যান্টিবায়োটিক। কিছু শ্বাসতন্ত্র, গলা, কান, ত্বক ও যৌনবাহিত সংক্রমণে এটি ব্যবহৃত হয় এবং শরীরে দীর্ঘক্ষণ সক্রিয় থাকে বলে প্রায়ই মাত্র ৩ থেকে ৫ দিনের জন্য দেওয়া হয়। Azimex একটি প্রেসক্রিপশন-নির্ভর ওষুধ এবং অবশ্যই নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করতে হবে।
Azithromycin ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন তৈরির যন্ত্র (রাইবোজোম)-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে তাদের বৃদ্ধি ও বংশবিস্তারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন তৈরি বন্ধ করে দেয়। এই প্রোটিন না পেলে ব্যাকটেরিয়া ছড়াতে পারে না এবং শরীর তাদের দূর করে দেয়। এটি ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে না, তাই সর্দি, ফ্লু বা সাধারণ কাশি-গলাব্যথা সারাতে পারে না।
নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)
- কিছু নিউমোনিয়া ও ব্রংকাইটিসসহ বুকের সংক্রমণ
- পেনিসিলিনে অ্যালার্জি থাকা রোগীর গলা, টনসিল ও সাইনাসের সংক্রমণ
- কিছু কানের সংক্রমণ
- ত্বক ও নরম-কলার সংক্রমণ
- কয়েকটি যৌনবাহিত সংক্রমণ (যেমন ক্ল্যামাইডিয়া)
- চিকিৎসকের পরামর্শে কিছু টাইফয়েড বা ভ্রমণজনিত ডায়রিয়া
সেবনবিধি ও মাত্রা
ChamberBD শুধু অনুমোদিত লেবেল (প্যাকেটের লিফলেট) থেকে উৎসসহ সেবনবিধি দেখায়, আর Azimex 250 mg ক্যাপসুল-এর লেবেল আমাদের কাছে নেই। ডাক্তারের দেওয়া মাত্রা এবং প্যাকেটের লিফলেটের নির্দেশনা মেনে চলুন।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
Azithromycin সাধারণত ভালোভাবে সহ্য হয়। সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
- বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া বা পেটব্যথা
- মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা
- স্বাদের পরিবর্তন
- যকৃতের এনজাইমে সাময়িক পরিবর্তন
বিরল ক্ষেত্রে ম্যাক্রোলাইড হৃৎস্পন্দনের ছন্দে প্রভাব ফেলে (QT প্রলম্বন) বুক ধড়ফড় বা অজ্ঞান হওয়া ঘটাতে পারে এবং গুরুতর অ্যালার্জি বা ত্বকের প্রতিক্রিয়া ঘটাতে পারে। Azimex খাওয়ার সময় দ্রুত বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন, অজ্ঞান হওয়া, তীব্র ডায়রিয়া বা অ্যালার্জির লক্ষণে দ্রুত চিকিৎসা নিন।
সতর্কতা
Azimex একটি প্রেসক্রিপশন-নির্ভর অ্যান্টিবায়োটিক — কখনো নিজে থেকে খাবেন না। অ্যাজিথ্রোমাইসিন বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি অপব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর একটি, যা প্রায়ই সাধারণ সর্দি, কাশি ও জ্বরে খাওয়া হয় যেখানে এটি কোনো কাজ না করে শুধু রেজিস্ট্যান্স বাড়ায়। শুধু নিবন্ধিত চিকিৎসক লিখে দিলে খান, ভাইরাসজনিত রোগে নিজে কিনে খাবেন না।
কোর্স ছোট ও দ্রুত ভালো লাগলেও সবসময় পুরো কোর্স শেষ করুন। হৃৎস্পন্দনের কোনো সমস্যা বা হৃদয়ে প্রভাব ফেলে এমন ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানান। অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বাংলাদেশে মারাত্মক জাতীয় সংকট, আর অ্যাজিথ্রোমাইসিনের অপব্যবহার এর অন্যতম প্রধান কারণ।
অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া
আপনার সব ওষুধের কথা চিকিৎসককে জানান। Azithromycin-এর গুরুত্বপূর্ণ বিক্রিয়া:
- অ্যালুমিনিয়াম বা ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত অ্যান্টাসিড — অন্তত ২ ঘণ্টা ব্যবধান রাখুন
- QT বাড়ায় এমন অন্যান্য ওষুধ (কিছু হৃদরোগ, বমিরোধী ও অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ) — হৃৎস্পন্দনের ঝুঁকি বাড়ে
- ওয়ারফারিন — রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়তে পারে
- ডিগোক্সিন, কোলচিসিন, সাইক্লোস্পোরিন — রক্তে মাত্রা বাড়তে পারে
- কিছু এরগট-জাতীয় ওষুধ
প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)
এই অবস্থাগুলোতে Azimex খাবেন না:
- অ্যাজিথ্রোমাইসিন বা অন্য ম্যাক্রোলাইড অ্যান্টিবায়োটিকে (যেমন এরিথ্রোমাইসিন বা ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন) অ্যালার্জি থাকলে
- আগে অ্যাজিথ্রোমাইসিনে যকৃতের সমস্যা বা জন্ডিস হয়ে থাকলে
হৃৎস্পন্দনের সমস্যা (লং QT), খুব ধীর হৃৎস্পন্দন, রক্তে কম পটাশিয়াম বা ম্যাগনেসিয়াম অথবা গুরুতর যকৃতের রোগে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করা হয়। আপনার পূর্ণ ইতিহাস চিকিৎসককে জানান।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
চিকিৎসক প্রয়োজন ও সংক্রমণের জন্য উপযুক্ত মনে করলে গর্ভাবস্থায় Azithromycin ব্যবহার করা যেতে পারে। গর্ভবতী হলে বা পরিকল্পনা থাকলে চিকিৎসককে জানান, যাতে সতর্কতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।
সামান্য পরিমাণ বুকের দুধে যায়; এটি প্রায়ই স্তন্যদানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ধরা হয়, তবে শিশুর পাতলা পায়খানা বা ছত্রাক সংক্রমণ লক্ষ রাখতে হবে। Azimex শুরুর আগে স্তন্যদান নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করুন।
সংরক্ষণ
প্যাকেটে লেখা নির্দেশনা অনুযায়ী সংরক্ষণ করুন এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।