See in English

সাসপেনশন

Apcocid 175 mg + 225 mg/5 ml সাসপেনশন

জেনেরিক: অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড + ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড

প্রস্তুতকারক: Supreme Pharmaceuticals Ltd.

থেরাপিউটিক ক্লাস: Antacid

Apcocid এর কাজ কি?

Apcocid (সাসপেনশন)-এর উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড + ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড 175 mg + 225 mg/5 ml, প্রস্তুতকারক Supreme Pharmaceuticals Ltd.। থেরাপিউটিক ক্লাস: Antacid।

Apcocid কী?

Supreme Pharmaceuticals Ltd.-এর Apcocid 175 mg + 225 mg/5 ml suspension হলো Aluminium Oxide + Magnesium Hydroxide সমৃদ্ধ একটি অ্যান্টাসিড (antacid) ওষুধ। বাংলাদেশে এটি মূলত বুকজ্বালা, অ্যাসিডের কারণে বদহজম, টক ঢেকুর/টকভাব এবং পাকস্থলীতে অতিরিক্ত অ্যাসিডের কারণে হওয়া অন্যান্য উপসর্গের স্বল্পমেয়াদি উপশমে ব্যবহৃত হয়।

Aluminium Oxide + Magnesium Hydroxide পাকস্থলীতে আগে থেকেই থাকা অ্যাসিডকে নিরপেক্ষ করে কাজ করে; ম্যাগনেশিয়াম অংশটি পায়খানা নরম বা পাতলা করতে পারে, আর অ্যালুমিনিয়াম অংশটি কোষ্ঠকাঠিন্য করতে পারে—অনেক রোগীর ক্ষেত্রে এরা একে অন্যের প্রভাব কিছুটা সামঞ্জস্য করে। একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা হলো: কিডনি রোগে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ অ্যালুমিনিয়াম বা ম্যাগনেশিয়াম শরীরে জমে ক্ষতি করতে পারে।

নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)

  • বুকজ্বালা ও অ্যাসিডের কারণে বদহজমের উপশম।
  • টক ঢেকুর/টকভাব বা অতিরিক্ত অ্যাসিডিটির উপসর্গের উপশম।
  • পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড-সম্পর্কিত ডিসপেপসিয়া (dyspepsia)-এর উপসর্গগত উপশম।
  • ডাক্তারের পরামর্শে গ্যাস্ট্রো-ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD) বা পেপটিক আলসার রোগে সহায়ক উপসর্গগত উপশম।

সেবনবিধি ও মাত্রা

ChamberBD শুধু অনুমোদিত লেবেল (প্যাকেটের লিফলেট) থেকে উৎসসহ সেবনবিধি দেখায়, আর Apcocid 175 mg + 225 mg/5 ml সাসপেনশন-এর লেবেল আমাদের কাছে নেই। ডাক্তারের দেওয়া মাত্রা এবং প্যাকেটের লিফলেটের নির্দেশনা মেনে চলুন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

  • সাধারণ: কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, বমিভাব, পেটের অস্বস্তি, চক-এর মতো স্বাদ বা ঢেকুর।
  • অতিরিক্ত বা দীর্ঘদিন ব্যবহারে: রক্তে ফসফেট কমে যাওয়া, ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা, দুর্বলতা বা হাড়ের সমস্যা।
  • গুরুতর, বিশেষ করে কিডনির সমস্যা থাকলে: রক্তে ম্যাগনেশিয়ামের মাত্রা বেড়ে যাওয়া, অ্যালুমিনিয়াম জমে যাওয়া, বিভ্রান্তি, ঘুম ঘুম ভাব, রক্তচাপ কমে যাওয়া বা হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা।
  • বিরল: অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া যেমন র‍্যাশ, ফোলা, শ্বাসে সাঁ সাঁ শব্দ বা তীব্র মাথা ঘোরা।

সতর্কতা

কিডনি রোগ, পানিশূন্যতা, রক্তে ফসফেট কম থাকা, অন্ত্রে বাধা, তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্য, কারণ অজানা পেটব্যথা, পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ, অথবা চিকিৎসা সত্ত্বেও উপসর্গ থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। বয়স্ক রোগী ও শিশুদের ক্ষেত্রে যথাযথ পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়। বিশেষ করে অন্য ওষুধ খেলে বা উপসর্গ ঘন ঘন হলে নিবন্ধিত ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শে ব্যবহার করুন।

অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • এটি অনেক ওষুধের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে; ডাক্তার বা ফার্মাসিস্ট ভিন্নভাবে না বললে অন্যান্য মুখে খাওয়ার ওষুধের সাথে অন্তত ২–৪ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন।
  • গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণের মধ্যে আছে টেট্রাসাইক্লিন ও কুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক, আয়রন, লেভোথাইরক্সিন, বিসফসফোনেট, ডিগক্সিন, কিছু অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং নির্দিষ্ট অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ওষুধ।
  • যেসব ওষুধের শোষণ বা শরীর থেকে বের হওয়া পাকস্থলীর অম্লতা বা প্রস্রাবের pH-এর ওপর নির্ভর করে, সেগুলোর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
  • অ্যালকোহল, ধূমপান, বেশি চর্বিযুক্ত বড় খাবার, ক্যাফেইন ও ঝাল খাবার কিছু মানুষের অ্যাসিড-সম্পর্কিত উপসর্গ বাড়াতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)

  • অ্যালুমিনিয়াম যৌগ, ম্যাগনেশিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা প্রস্তুতির কোনো উপাদানে পরিচিত অতিসংবেদনশীলতা/অ্যালার্জি থাকলে।
  • তীব্র কিডনি অকার্যকারিতা বা কিডনি ফেইলিউর থাকলে, যদি না ডাক্তার বিশেষভাবে প্রেসক্রাইব করে পর্যবেক্ষণে রাখেন।
  • অন্ত্রে বাধা সন্দেহ হলে বা বমির সাথে তীব্র পেটব্যথা থাকলে, ডাক্তার পরীক্ষা না করা পর্যন্ত।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

Aluminium Oxide + Magnesium Hydroxide-এর মতো অ্যান্টাসিড সাধারণত গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় মাঝে মাঝে প্রস্তাবিত মাত্রায় ব্যবহার করলে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়, তবে দীর্ঘদিন বা বেশি মাত্রায় ব্যবহার ডাক্তার না বললে এড়িয়ে চলা উচিত। গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারীর উপসর্গ ঘন ঘন বা তীব্র হলে, অথবা বমি, ওজন কমে যাওয়া, কালো পায়খানা বা গিলতে অসুবিধার সাথে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সংরক্ষণ

ঘরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন, অতিরিক্ত তাপ, সরাসরি রোদ ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। বোতল শক্তভাবে বন্ধ রাখুন, সাসপেনশন জমতে দেবেন না, এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদ শেষ হলে বা পণ্যের চেহারা/গন্ধ অস্বাভাবিক মনে হলে ব্যবহার করবেন না।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

Apcocid কি অন্য ওষুধের সাথে খেতে পারি?

অ্যান্টাসিড অনেক মুখে খাওয়ার ওষুধের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্ট ভিন্নভাবে না বললে Apcocid এবং অন্যান্য ওষুধের মধ্যে অন্তত ২–৪ ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন।

কিডনি রোগ থাকলে Apcocid কি নিরাপদ?

কিডনি রোগ বা কিডনি ফেইলিউর থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া Apcocid ব্যবহার করবেন না। অ্যালুমিনিয়াম বা ম্যাগনেশিয়াম শরীরে জমে গুরুতর ক্ষতি করতে পারে।

Apcocid চালিয়ে না গিয়ে কখন ডাক্তার দেখাব?

উপসর্গ ঘন ঘন, দীর্ঘস্থায়ী বা তীব্র হলে, অথবা বমি, ওজন কমে যাওয়া, কালো পায়খানা, গিলতে অসুবিধা, বুকে ব্যথা বা কারণ অজানা পেটব্যথা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এই তথ্যটি কি আপনার কাজে লেগেছে?

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন? বাংলাদেশের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিশেষজ্ঞ খুঁজুন →