সিরাপ
Ambroton 15 mg/5 ml সিরাপ
জেনেরিক: অ্যামব্রক্সল
প্রস্তুতকারক: Novatek Pharmaceuticals Ltd.
থেরাপিউটিক ক্লাস: Mucolytic (Expectorant)
Ambroton এর কাজ কি?
Ambroton (সিরাপ)-এর উপাদান অ্যামব্রক্সল 15 mg/5 ml, প্রস্তুতকারক Novatek Pharmaceuticals Ltd.। থেরাপিউটিক ক্লাস: Mucolytic (Expectorant)।
দাম (বাংলাদেশ)
| প্যাক | মূল্য (টাকা) |
|---|---|
| প্রতি সিরাপ | ৳ 40.13 |
| 100ml bot | ৳ 40.13 |
দাম পরিবর্তনশীল — ফার্মেসিভেদে প্রকৃত খুচরা মূল্য ভিন্ন হতে পারে।
Ambroton কী?
Ambroton 15 mg/5 ml Syrup-এ ambroxol আছে, যা Novatek Pharmaceuticals Ltd. উৎপাদিত একটি মিউকোলাইটিক ওষুধ। কফযুক্ত শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় ঘন শ্লেষ্মা পাতলা করতে এটি ব্যবহৃত হয়, যাতে কফ বের করা সহজ হয়।
Ambroton 15 mg/5 ml syrup হলো Novatek Pharmaceuticals Ltd. এর একটি মিউকোলাইটিক ওষুধ, যাতে Ambroxol রয়েছে। ব্রঙ্কাইটিস, হাঁপানিজনিত কফ, সিওপিডি ও বুকের সংক্রমণে ঘন আঠালো কফসহ ভেজা কাশিতে এটি ব্যবহৃত হয়। কফ পাতলা করে Ambroton কাশিকে কার্যকর করে তোলে, ফলে বুক দ্রুত পরিষ্কার হয় — বাংলাদেশের ধুলাবালি ও শীতের ঘনঘন শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে যা খুবই দরকারি।
Ambroxol ঘন কফের গঠন ভেঙে দেয় এবং শ্বাসনালির আবরণকে পাতলা তরল নিঃসরণে উদ্দীপিত করে। এটি প্রাকৃতিক সারফ্যাকট্যান্ট বাড়ায় এবং ফুসফুস থেকে কফ বের করে আনা ক্ষুদ্র সিলিয়াগুলোকে সক্রিয় করে। ফলে কফ সহজে উঠে আসে, বুকের জমাটভাব কমে এবং বুকে ভারী ঘড়ঘড়ে অনুভূতি থেকে আরাম মেলে।
নির্দেশনা (যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়)
- ঘন আঠালো কফসহ ভেজা কাশি
- তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী (ক্রনিক) ব্রঙ্কাইটিস
- কফ ওঠাতে কষ্ট হওয়া সিওপিডি ও ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা
- শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে ট্রাকিওব্রঙ্কাইটিস ও বুকে কফ জমা
- গলা ব্যথার উপশম (লজেন্স/নির্দিষ্ট ফর্মে)
সেবনবিধি ও মাত্রা
ChamberBD শুধু অনুমোদিত লেবেল (প্যাকেটের লিফলেট) থেকে উৎসসহ সেবনবিধি দেখায়, আর Ambroton 15 mg/5 ml সিরাপ-এর লেবেল আমাদের কাছে নেই। ডাক্তারের দেওয়া মাত্রা এবং প্যাকেটের লিফলেটের নির্দেশনা মেনে চলুন।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
অ্যামব্রক্সল সাধারণত ভালোভাবে সহ্য হয়। সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো হালকা পেটের অস্বস্তি, বমিভাব, স্বাদের পরিবর্তন, মুখ বা গলা শুকিয়ে যাওয়া এবং কখনো ডায়রিয়া বা বুকজ্বালা। র্যাশ ও চুলকানি কম দেখা যায়। খুব বিরল ক্ষেত্রে অ্যামব্রক্সল মারাত্মক ত্বকের প্রতিক্রিয়া ঘটাতে পারে (ফোসকা, চামড়া ওঠা, জ্বরসহ মুখে ঘা) — ফোসকাসহ কোনো র্যাশ দেখা দিলে সাথে সাথে ওষুধ বন্ধ করে চিকিৎসা নিন। মুখ ফুলে যাওয়া বা শ্বাসকষ্টসহ অ্যালার্জিতেও জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।
সতর্কতা
পাকস্থলী বা ডিওডেনাল আলসারে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন — অ্যামব্রক্সল পাকস্থলীর আবরণে জ্বালা করতে পারে; কিডনি বা লিভারের উল্লেখযোগ্য সমস্যায় ডোজ সমন্বয় লাগতে পারে। কফসহ কাশি আসলে শরীরের রক্ষা-ব্যবস্থা — অ্যামব্রক্সলের সাথে কাশি দমনকারী ওষুধ (যেমন ডেক্সট্রোমেথরফান) খাবেন না; কফ পাতলা করে কাশি আটকে দিলে কফ বুকে জমে যেতে পারে। সহায়ক যত্নও জরুরি: কুসুম গরম তরল, গরম পানির ভাপ এবং ধোঁয়া-ধুলা এড়িয়ে চলা দ্রুত সুস্থতা আনে। ২–৩ সপ্তাহের বেশি কাশি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া
অ্যামব্রক্সলের উল্লেখযোগ্য ওষুধ মিথস্ক্রিয়া কম। অ্যামক্সিসিলিন, সেফুরক্সিম, এরিথ্রোমাইসিন বা ডক্সিসাইক্লিনের মতো অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে খেলে ফুসফুসের টিস্যুতে অ্যান্টিবায়োটিকের ঘনত্ব বাড়ে — বুকের সংক্রমণে যা প্রায়ই কাজে লাগে। মূলত এড়াতে হবে কাশি দমনকারী (অ্যান্টিটাসিভ) ওষুধের সাথে ব্যবহার — পাতলা হওয়া কফ শ্বাসনালিতে আটকে গিয়ে বিপদ হতে পারে। কাশি-সর্দির কম্বিনেশন সিরাপে একই উপাদান আগে থেকেই থাকতে পারে, তাই আপনার সব ওষুধের কথা চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান।
প্রতিনির্দেশনা (যখন খাওয়া যাবে না)
অ্যামব্রক্সল বা ব্রোমহেক্সিনে অ্যালার্জি থাকলে এটি ব্যবহার করা যাবে না। গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে সাধারণত এড়িয়ে চলা হয়। আগে অ্যামব্রক্সলে মারাত্মক ত্বকের প্রতিক্রিয়া হয়ে থাকলে আর কখনো খাওয়া যাবে না। কিছু সিরাপে চিনি বা মিষ্টিকারক থাকে, যা নির্দিষ্ট বিপাকীয় রোগে সতর্কতা দাবি করে — ফার্মাসিস্টের সাথে যাচাই করুন।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থা: প্রথম তিন মাসে অ্যামব্রক্সল এড়িয়ে চলুন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে ব্যবহার করা যায় — প্রাপ্ত তথ্যে ক্ষতির প্রমাণ মেলেনি। স্তন্যদান: সামান্য পরিমাণ বুকের দুধে যায় এবং শিশুর ক্ষতির আশঙ্কা কম, তবে স্তন্যদানকালে কেবল চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করুন। গর্ভাবস্থায় প্রথমে সাধারণ ব্যবস্থা — কুসুম গরম তরল ও ভাপ — চেষ্টা করা হয়।
সংরক্ষণ
৩০° সেলসিয়াসের নিচে শুকনো জায়গায়, সরাসরি রোদ থেকে দূরে রাখুন। সিরাপের বোতল শক্ত করে বন্ধ রাখুন এবং খোলার পর লেবেলে লেখা সময়ের মধ্যে ব্যবহার করুন। সব ওষুধ শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন এবং মেয়াদোত্তীর্ণ হলে ব্যবহার করবেন না।