ChamberBD Logo ChamberBD
See in English
A clinic manager in Bangladesh reviewing each visiting doctor's revenue-share statement on a laptop instead of a paper register
A doctor revenue-share system turns a hand-kept commission register into an automatic, transparent monthly statement for every doctor.

ক্লিনিকে ডাক্তার রেভিনিউ-শেয়ার ও কমিশন সিস্টেম: সম্পূর্ণ গাইড ২০২৬

বাংলাদেশের বেশিরভাগ ক্লিনিক, পলিক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডাক্তাররা বেতনভুক্ত কর্মচারী নন। তাঁরা ভিজিটিং কনসালট্যান্ট — আপনার প্রতিষ্ঠানে চেম্বার বা সেশন করেন এবং রোগী যা ফি দেন তার একটা ভাগ পান। কখনো শতকরা হারে রেভিনিউ-শেয়ার, কখনো রোগীপ্রতি ফিক্সড কমিশন, আবার কখনো মাসিক সেশনাল ভাড়া। এই ডাক্তার রেভিনিউ-শেয়ার সিস্টেম ঠিকঠাক হলে আপনার সেরা ডাক্তাররা থেকে যান এবং হিসাব মেলে টাকায়-টাকায়। আর ভুল হলে — কাগজের রেজিস্টার বা শেয়ার্ড এক্সেলে হিসাব রাখলে — টাকা লিক হয়, মাস শেষে তর্ক বাঁধে, আর ভালো ডাক্তার চুপচাপ পাশের ক্লিনিকে চলে যান যেখানে পরিষ্কারভাবে আর সময়মতো পেমেন্ট হয়।

এই গাইডে আছে — বাংলাদেশের ক্লিনিক আসলে কীভাবে ডাক্তারদের পেমেন্ট করে, চারটি সাধারণ পেমেন্ট মডেল, ম্যানুয়াল হিসাবে ঠিক কোথায় টাকা লিক হয়, এবং একটা ভালো ডাক্তার কমিশন সিস্টেম কীভাবে প্রতিটি ডাক্তারের ভাগ অটোমেটিক হিসাব করে — এমন একটা স্টেটমেন্টসহ যা প্রত্যেকে বিশ্বাস করতে পারেন।

বাংলাদেশের ক্লিনিক আসলে কীভাবে ডাক্তারদের পেমেন্ট করে

ঢাকা, চট্টগ্রাম কিংবা যেকোনো জেলা শহরের সাধারণ একটা প্রাইভেট ক্লিনিকে গেলে বেতনভুক্ত স্পেশালিস্ট খুব কমই পাবেন। অর্থনীতিটা উল্টো দিকে চলে: ক্লিনিক দেয় রুম, ফ্রন্ট ডেস্ক, ব্র্যান্ড আর রোগীর ভিড়; ডাক্তার দেন কনসালটেশন। আয় ভাগ হয়। প্রশ্ন শুধু — কীভাবে ভাগ হবে, আর সেই ভাগ কতটা সৎভাবে গোনা হবে।

চারটি ব্যবস্থাই দেশের প্রায় সব ক্লিনিক কাভার করে। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে একাধিক মডেল ব্যবহার করে, কারণ একজন সিনিয়র অধ্যাপক আর একজন নতুন পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট কখনোই একই শর্তে রাজি হবেন না।

ডাক্তার পেমেন্টের চারটি মডেল

নিচের মডেলগুলো নিয়েই আপনি দরকষাকষি করবেন — বাস্তবে এগুলো কী বোঝায়, কাদের জন্য মানানসই, আর প্রতিটির ভেতরে লুকিয়ে থাকা ফাঁদটা কী।

মডেলকীভাবে কাজ করেকাদের জন্যলুকানো ফাঁদ
শতকরা রেভিনিউ-শেয়ার ডাক্তার প্রতিটি কনসালটেশন ফি-র একটা নির্দিষ্ট % রাখেন (সাধারণত ৫০–৭০%); বাকিটা ক্লিনিক রাখে রুম, স্টাফ ও ওভারহেডের জন্য। বেশি রোগী দেখা কনসালট্যান্ট — সবচেয়ে প্রচলিত। পুরো হিসাব নির্ভর করে প্রতিটি ভিজিট সঠিকভাবে গোনার ওপর — যে সংখ্যাটা হারানো সবচেয়ে সহজ।
রোগীপ্রতি ফিক্সড কমিশন ফি যাই হোক, প্রতি রোগীর জন্য ক্লিনিক ডাক্তারকে একটা ফ্ল্যাট অঙ্ক (যেমন ৳৫০০) দেয়। সরল সেটআপ ও প্যানেল গড়ে তোলা নতুন ডাক্তার। ফি বাড়ালেও অঙ্ক বাড়ে না, তাই ডাক্তারের "আসল" ভাগ সময়ের সাথে কমতে থাকে।
মাসিক সেশনাল / চেম্বার ভাড়া ডাক্তার রুম ও স্লটের জন্য ক্লিনিককে মাসিক ফিক্সড ভাড়া দেন এবং পুরো ফি নিজে রাখেন। নিজস্ব রোগীওয়ালা প্রতিষ্ঠিত ডাক্তার। চেম্বার যত ব্যস্তই হোক ক্লিনিকের আয় একই থাকে — বাড়তি লাভের ভাগ পান না।
হাইব্রিড (শেয়ার + সার্ভিস) কনসালটেশন শেয়ারের সাথে ওই ভিজিট থেকে আসা টেস্ট, প্রসিডিউর বা ফলো-আপের একটা ভাগ। ল্যাব-যুক্ত বা প্রসিডিউর রুমওয়ালা ক্লিনিক। হাতে মেলানো প্রায় অসম্ভব — প্রতি ডাক্তারে প্রতিদিন বহু লাইন।

টাকা আসলে কোথায় লিক হয়

খেয়াল করুন — ফ্ল্যাট ভাড়া ছাড়া প্রতিটি মডেল একটাই ভঙ্গুর সংখ্যার ওপর দাঁড়িয়ে: প্রতিটি ডাক্তার কতজন রোগী দেখলেন এবং কত ফি-তে। এই একটাই গণনা যেখানে ম্যানুয়াল সিস্টেম চুপচাপ ব্যর্থ হয়।

কাগজের রেজিস্টার ও এক্সেল কেন ব্যর্থ হয়

প্রায় প্রতিটি ক্লিনিক শুরু করে হাতে লেখা কমিশন রেজিস্টার বা ম্যানেজারের রাতে আপডেট করা এক্সেল শিট দিয়ে। একজন ডাক্তারের জন্য চলে যায়। পাঁচজনে এসে ভেঙে পড়ে।

গণনার তর্ক

ডাক্তারের সহকারী গুনেছেন ২৪০ রোগী; ফ্রন্ট ডেস্কের রেজিস্টারে ২২৬। এক সপ্তাহ পর কেউই কোনো সংখ্যা প্রমাণ করতে পারেন না, তাই "মাঝামাঝি" করে দেওয়া হয় — আর ডাক্তার মনে রাখেন যে তাঁকে কম দেওয়া হয়েছে। আস্থা একবার ফাটলে তা আবার গড়া ব্যয়বহুল।

রেভিনিউ লিকেজ

যে ক্যাশ ভিজিট রেজিস্টারে ওঠেনি, ফ্রন্ট ডেস্কের ভুলে না-লেখা ডিসকাউন্ট, "ফ্রি" বলে চিহ্নিত অথচ আসলে পেইড ফলো-আপ — প্রতিটি ছোট লিক, কিন্তু ব্যস্ত একটা মাসে এগুলো জমে গিয়ে ক্লিনিক বা ডাক্তার কারও না কারও সত্যিকারের টাকা হারায়।

ধীর, ভুলে ভরা মাস-শেষ

আট জন ডাক্তারের রেজিস্টার হাতে মেলাতে প্রতি মাসে দুই দিন চলে যেতে পারে — যে দিনগুলো ম্যানেজারের রোগীর পেছনে দেওয়ার কথা, হিসাবের পেছনে নয়। আর এক্সেলে একটা ভুল ঘরের সংখ্যা চুপচাপ ভুল অঙ্ক পেমেন্ট করে দেয়।

স্বচ্ছতা না থাকলে ডাক্তার চলে যান

কনসালট্যান্ট দেখতেই পান না তাঁর অঙ্কটা কীভাবে তৈরি হলো। শুধু একটা খাম আর একটা সংখ্যা পান। যখন পাশের ক্লিনিক একটা পরিষ্কার মাসিক স্টেটমেন্ট দেয় — প্রতিটি ভিজিট, প্রতিটি ফি, ভাগের প্রতি টাকা আইটেমাইজড — তখন ডাক্তার চলে যান। যে বাজারে ডাক্তারই আপনার মূল পণ্য, সেখানে অস্বচ্ছ পেমেন্ট মানেই ডাক্তার হারানোর ঝুঁকি।

একটা ভালো ডাক্তার রেভিনিউ-শেয়ার সিস্টেম যা করে

সমাধান আরও জটিল এক্সেল নয় — এমন একটা সিস্টেম যা আপনার রাখা রোগীর রেকর্ড থেকেই হিসাব করে, যাতে টাকা চিকিৎসার সাথে অটোমেটিক চলে আসে।

প্রতি ডাক্তারে আলাদা নিয়ম

প্রতিটি ডাক্তার নিজের নিয়ম পান: ডা. রহমান ৬০%, ডা. আক্তার রোগীপ্রতি ফ্ল্যাট ৳৬০০, ভিজিটিং অধ্যাপক সেশনাল ভাড়ায়। সিস্টেম প্রতিটি ব্যবস্থা একবার সংরক্ষণ করে চিরকাল প্রয়োগ করে — তেরোটা আলাদা ডিল ম্যানেজারের মনে রাখার ওপর নির্ভর করে না।

আসল কনসালটেশন থেকে অটোমেটিক হিসাব

ফ্রন্ট ডেস্ক যখন রোগী বুক ও বিল করে, সেই ভিজিটই সত্যের উৎস। রেভিনিউ-শেয়ারের অঙ্ক আসল কনসালটেশন ও ফি থেকেই হিসাব হয় — পরে আলাদা রেজিস্টার থেকে আবার গোনা হয় না। একটাই এন্ট্রি, দুটো নয়; কোনো রিকনসিলিয়েশন গ্যাপ নেই।

স্বচ্ছ, শেয়ারযোগ্য স্টেটমেন্ট

মাস শেষে প্রতিটি ডাক্তার একটা আইটেমাইজড স্টেটমেন্ট পান: তারিখ, রোগীর সংখ্যা, ফি, তাঁর শতকরা হার, তাঁর মোট। PDF হিসেবে হাতে দিয়ে দিতে পারেন। তর্কের কিছু থাকে না, কারণ ডাক্তার দেখতে পান অঙ্কটা ঠিক কীভাবে তৈরি হলো।

ডিসকাউন্ট, টেস্ট ও ফলো-আপ সামলায়

বাস্তব ক্লিনিকে ডিসকাউন্ট দেওয়া হয়, যুক্ত টেস্ট চলে, ফ্রি ফলো-আপ হয়। ভালো সিস্টেমে আপনি একবার ঠিক করে দেন প্রতিটির হিসাব কীভাবে হবে — ডিসকাউন্ট ভিজিট কি ছাড়-পরবর্তী ফি-তে শেয়ার হবে? ৭ দিনের মধ্যে ফলো-আপ কি রোগীর জন্য ফ্রি ও আনশেয়ার্ড? — তারপর সিস্টেম প্রতিবার সেই নিয়ম একইভাবে প্রয়োগ করে।

একটা বাস্তব উদাহরণ

ধরুন ডা. রহমান আপনার ক্লিনিকে ৬০% রেভিনিউ-শেয়ারে বসেন এবং এক মাসে ৳৮০০ ফি-তে ২২০ জন রোগী দেখেন।

  • মোট কনসালটেশন আয়: ২২০ × ৳৮০০ = ৳১,৭৬,০০০
  • ডাক্তারের ভাগ (৬০%): ৳১,০৫,৬০০
  • ক্লিনিকের ভাগ (৪০%): ৳৭০,৪০০

এবার একটা হাইব্রিড লাইন যোগ করুন: এই রোগীদের মধ্যে ৭০ জনকে গড়ে ৳১,২০০-র টেস্টের জন্য রেফার করা হলো, আর টেস্ট আয়ে ডাক্তারের সম্মত ভাগ ১৫%। অর্থাৎ ৭০ × ৳১,২০০ × ১৫% = ডাক্তারের জন্য আরও ৳১২,৬০০। মাস-শেষের স্টেটমেন্টে দুটো লাইনই দেখা উচিত, মোট ৳১,১৮,২০০, আর ক্লিনিকের নিট — কোনো হাতের হিসাব ছাড়াই। আট জন ডাক্তারের জন্য এটা হাতে করতে গেলেই ভুল আর তর্কের জন্ম হয়।

ChamberBD-তে কীভাবে সেট করবেন

ChamberBD-র ক্লিনিক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ডাক্তার রেভিনিউ-শেয়ার চালায় সেই একই সিস্টেমের অংশ হিসেবে যেখানে আপনার অ্যাপয়েন্টমেন্ট, রোগী ও বিলিং আগে থেকেই আছে — তাই টাকা হিসাব হয় আপনার রাখা রেকর্ড থেকেই।

  1. প্রতিটি ডাক্তার ও তাঁর নিয়ম যোগ করুন — শতকরা হার, রোগীপ্রতি ফ্ল্যাট কমিশন, বা সেশনাল ভাড়া। একবার সেট করুন।
  2. কনসালটেশন ফ্রন্ট ডেস্ক থেকেই আসুক — প্রতিটি বুকিং ও বিল স্বাভাবিকভাবে রেকর্ড হয়; দ্বিতীয় কোনো রেজিস্টার নেই।
  3. সিস্টেম রিয়েল-টাইমে হিসাব করে — প্রতিটি ভিজিটে প্রতিটি ডাক্তারের আয় ও ক্লিনিকের ভাগ সারা মাস আপডেট হতে থাকে।
  4. মাসিক স্টেটমেন্ট তৈরি করুন — প্রতি ডাক্তারে এক ক্লিক, PDF হিসেবে শেয়ার করুন, নিশ্চিন্তে পেমেন্ট করুন।

যেহেতু এটা স্টাফ পে-রোল ও রোগী ব্যবস্থাপনার পাশেই এক জায়গায় থাকে, একই মাস-শেষের রানে আপনার রেফারেল কমিশন ও স্টাফ বেতনের সাথে প্রতিটি ডাক্তারের ভাগও মিটে যায়। app.chamberbd.com-এ ফ্রি শুরু করে এক বিকেলেই আপনার ডাক্তারদের যোগ করতে পারেন।

কমপ্লায়েন্স, কর ও পরিষ্কার রেকর্ড

পরিষ্কার রেভিনিউ-শেয়ার লেজার শুধু আস্থার জন্য নয় — এটা আপনার কর রেকর্ডও। প্রতিটি ডাক্তারের স্টেটমেন্ট ঠিক সেই কাগজ যা তাঁর নিজের আয়করের জন্য দরকার, আর ক্লিনিকের ভাগ তাঁর থেকে আলাদাভাবে রাখা থাকে। ক্লিনিকাল রেকর্ডের মতোই যত্ন করে এগুলো রাখুন; ডাক্তারদের আয়কর গাইডমেডিকেল রেকর্ড রাখার নিয়ম নিয়ে আমাদের লেখা আরও বিস্তারিত। অঙ্ক যখন সিস্টেম করে, হাতে নয়, তখন অডিট আর কোনো ঘটনাই নয়।

রেভিনিউ-শেয়ার মানে রেফারেল কমিশন নয়

দুটো ধারণা আলাদা রাখুন, কারণ নৈতিকভাবে এরা খুব ভিন্ন। যে চিকিৎসক রোগী দেখলেন তাঁকে অর্জিত ফি-র সম্মত ভাগ দেওয়া স্বাভাবিক চুক্তি। কিন্তু কাউকে রোগী বা টেস্ট রেফার করার জন্য কমিশন দেওয়া হলো ফি-স্প্লিটিং, যা BMDC-র নীতিমালায় নিয়ন্ত্রিত। ভালো সিস্টেম এই দুটো আলাদা লেজারে রাখে যাতে আপনার ডাক্তার রেভিনিউ-শেয়ার পরিষ্কার থাকে; রেফারেলের দিক ও কীভাবে নৈতিক রাখবেন তা আমাদের ডায়াগনস্টিক রেফারেল কমিশন গাইডে আছে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

বাংলাদেশের ক্লিনিক সাধারণত ভিজিটিং ডাক্তারদের কীভাবে পেমেন্ট করে?

বেশিরভাগ কনসালটেশন ফি-র একটা ভাগ দেয় — সাধারণত ডাক্তারের পক্ষে ৫০–৭০% রেভিনিউ-শেয়ার, রোগীপ্রতি ফ্ল্যাট কমিশন, বা মাসিক সেশনাল ভাড়ার বিনিময়ে ডাক্তার পুরো ফি রাখেন। অনেক ক্লিনিক একসঙ্গে ভিন্ন ডাক্তারের জন্য ভিন্ন ব্যবস্থা চালায় — এ কারণেই একটা রেজিস্টারের চেয়ে অটোমেটিক সিস্টেম ভালো।

একজন কনসালট্যান্ট ডাক্তারের জন্য ন্যায্য রেভিনিউ-শেয়ার কত?

কোনো আইনি হার নেই; এটা দরকষাকষির বিষয়। বাস্তবে নিজের রোগী আনা সিনিয়র, বেশি চাহিদার স্পেশালিস্টরা ৬০–৭০% নেন বা সেশনাল ভাড়ায় যান, আর ক্লিনিকে প্যানেল গড়ে তোলা নতুন ডাক্তার ৫০%-এর কাছাকাছি শুরু করতে পারেন। সঠিক সংখ্যার চেয়ে বেশি জরুরি — তা সৎভাবে গোনা আর সময়মতো দেওয়া।

বাংলাদেশে ডাক্তার রেভিনিউ-শেয়ার বা কমিশন সিস্টেম কি বৈধ?

যে চিকিৎসক রোগী দেখলেন তাঁকে অর্জিত ফি-র ভাগ দেওয়া স্বাভাবিক ও বৈধ। BMDC যা নৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করে তা হলো ফি-স্প্লিটিং — শুধু রেফার করার জন্য কমিশন দেওয়া। চিকিৎসকের ভাগ আর যেকোনো রেফারেল ব্যবস্থা আলাদা, স্বচ্ছ লেজারে রাখুন, তাহলে আপনার রেভিনিউ-শেয়ার পরিষ্কার থাকে।

ChamberBD কি প্রতিটি ডাক্তারের ভাগ অটোমেটিক হিসাব করতে পারে?

হ্যাঁ। আপনি প্রতিটি ডাক্তারের নিয়ম একবার সেট করেন — শতকরা, ফ্ল্যাট কমিশন বা সেশনাল — আর ChamberBD ফ্রন্ট ডেস্কে রেকর্ড হওয়া কনসালটেশন থেকে তাঁদের আয় হিসাব করে, তারপর প্রতি ডাক্তারের মাসিক স্টেটমেন্ট তৈরি করে যা PDF হিসেবে শেয়ার করতে পারেন। আলাদা রেজিস্টার নেই, হাতে মাস-শেষের মেলানোও নেই।

ডাক্তার রেভিনিউ-শেয়ার আর স্টাফ পে-রোল কীভাবে আলাদা?

পে-রোল বেতনভুক্ত স্টাফকে — রিসেপশনিস্ট, নার্স, টেকনিশিয়ান — মাসিক ফিক্সড বেতন দেয়। ডাক্তার রেভিনিউ-শেয়ার ভিজিটিং কনসালট্যান্টকে দেয় তাঁদের দেখা রোগীর ভিত্তিতে পরিবর্তনশীল অঙ্ক। ক্লিনিকের দুটোই দরকার, আদর্শভাবে এক সিস্টেমে যাতে পুরো মাস একসাথে বন্ধ হয়। ChamberBD স্টাফ পে-রোল ও ডাক্তার রেভিনিউ-শেয়ার পাশাপাশি সামলায়।

রেজিস্টার ছাড়াই আপনার ক্লিনিকের ডাক্তার পেমেন্ট চালান। ChamberBD প্রতিটি ডাক্তারের রেভিনিউ-শেয়ার অটোমেটিক হিসাব করে, প্রত্যেকের বিশ্বাসযোগ্য স্টেটমেন্ট তৈরি করে, আর অ্যাপয়েন্টমেন্ট, বিলিং ও স্টাফ পে-রোলের পাশেই থাকে। app.chamberbd.com-এ ফ্রি শুরু করুন →

ক্লিনিক সফটওয়্যারে নতুন? শুরু করুন আমাদের ক্লিনিক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার গাইড দিয়ে, অথবা দেখুন ChamberBD ক্লিনিক প্ল্যাটফর্ম